বিষয়বস্তুতে চলুন

৫ জমাদিউল আউয়াল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

৫ জমাদিউল আউয়াল হলো ইসলামি বর্ষপঞ্জির পঞ্চম মাস জমাদিউল আউয়ালের পঞ্চম দিন, যা হিজরি চান্দ্র বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বছরের ১২৩তম দিন। তবে যদি রবিউস সানি মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হয়, তাহলে এটি বছরের ১২৪তম দিন হিসেবে গণ্য হয়। আর যদি সফররবিউস সানি উভয়ই ৩০ দিন পূর্ণ করে, তাহলে এটি বছরের ১২৫তম দিন হবে।

এই দিনের পর হিজরি বছর শেষ হতে আরো ২৩১ অথবা ২৩২ দিন অবশিষ্ট থাকে, যা পূর্ববর্তী মাসগুলোর দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।

ঘটনাবলি

[সম্পাদনা]
  • ৮ হিজরিমুতার যুদ্ধে মুসলিমরা রোম ও তাদের মিত্র গাসসানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়। সাহাবি হারিস ইবনে উমাইর আজদিকে হত্যার প্রতিশোধস্বরূপ মুসলমানরা বাইজেনটাইন ও গাসসানীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। []
  • ১৩৫২ হিজরি –জার্মান ইহুদি সংস্থা ও নাৎসি জার্মানির মধ্যে হাফরাহ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে ইহুদিদের ফিলিস্তিনে স্থানান্তরকে অনুমোদন দেওয়া হয়; তবে তাদের সম্পত্তি জার্মানির কাছে হস্তান্তর করতে হয়।
  • ১৩৬৮ হিজরি – নিরাপত্তা পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয় যে, ইসরায়েলকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
  • ১৩৮৩ হিজরি–সৌদি যামারান শহরে “পেট্রোলিয়াম ও খনিজ কলেজ” প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তীতে “বাদশাহ ফাহাদ পেট্রোলিয়াম ও মিনারেল বিশ্ববিদ্যালয়" হিসেবে পরিচিতি পায়।
  • ১৩৮৪ হিজরি – আলেকজান্দ্রিয়ায় দ্বিতীয় আরব শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা প্রেসিডেন্ট জামাল আবদুল নাসেরের আহ্বানে অনুষ্ঠিত হয়।
  • ১৩৮৮ হিজরি – ১৭ জুলাই বিপ্লবের নেতাদের (আহমদ হাসান আল-বাকর ও তাঁর সহকারী সাদ্দাম হোসেইন) অনুগত নয় এমন দলের সদস্যদের দমন করা হয়।
  • ১৪০৪ হিজরি– লেবাননে ৬ ফেব্রুয়ারির বিদ্রোহ শুরু হয় এবং জাতীয় দল ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলি (।আমাল, নাসেরি আন্দোলন ও কয়েকটি বামপন্থী দল) পশ্চিম বৈরুতের নিয়ন্ত্রণ নেয়। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিজান মার্কিন সেনাবাহিনীকে লেবানন থেকে প্রত্যাহার ঘোষণা করেন।
  • ১৪০৯ হিজরি – ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের প্রধান ইয়াসের আরফাত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন এবং সাহসী শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
  • ১৪১১ হিজরি–মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ বুশ সৌদি আরবে স্থাপিত একটি মার্কিন ঘাঁটি পরিদর্শন করেন, যা দ্বিতীয় উপসাগরীয় যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে স্থাপিত হয়েছিল।
  • ১৪২৪ হিজরি – মার্কিন সেনারা ইরাকে তুর্কি সৈন্যদের গ্রেফতার করেন; এ ঘটনা “কলনসওয়াল অভিযান” নামে পরিচিত।
  • ১৪২৫ হিজরি –
    • যুক্তরাষ্ট্র নিজের বাহিনীদের জন্য বিদেশে আইনি বিচারের সুরক্ষা প্রত্যাহার করে, যা ইরাকি বন্দীদের উপর নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিতর্কের কারণে করা হয়।
    • বাহরাইনে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট সন্দেহে ছয়জনকে আটক করা হয়।।
    • ইরাকে কোরিয়ান নাগরিক অপহরণের পরে নিহত হয়।।কারণ শর্তানুযায়ী কোরিয়ান বাহিনী ইরাক থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেনি।
  • ১৪৩০ হিজরি–লেবাননের বিশেষ আন্তর্জাতিক আদালত চারজন কর্মকর্তাকে মুক্তি দেয়, যারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী রফিক আল-হারিরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
  • ১৪৩৫ হিজরি – লিবিয়া সৌদি আরব থেকে মুয়াম্মর গাদ্দাফির ছেলে সাঈদ গাদ্দাফিকে গ্রহণ করে।
  • ১৪৪১ হিজরি– মার্কিন বিমান হামলার প্রতিশোধস্বরূপ ইরান সমর্থিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে প্রবেশ করে।
  • ৪ হিজরিজয়নব বিন্তে আলি, চতুর্থ খলিফা আলি বিন আবী তালেবের কন্যা ও নবি মুহাম্মাদের নাতনী।
  • ৩৯৮ হিজরি – আল-মু’য্জ বিন বাদিস, মরক্কোর জিরি রাজবংশের এক শাসক।
  • ১১৬৬ হিজরি – জেনারেল ক্লেবার, ফরাসি সামরিক নেতা।
  • ১২৬০ হিজরি – আব্দুল বাহা আব্বাস, বাহাই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা বাহা উল্লাহর পুত্র।
  • ১৩৩৭ হিজরি – কামাল আল-শেখ, মিশরীয় চলচ্চিত্র পরিচালক।
  • ১৩৬৯ হিজরি – খালেদ জাকি, মিশরীয় অভিনেতা।
  • ১৩৯১ হিজরি – মুহাম্মদ জামাআ বাদি, কুয়েতি শিয়া ধর্মীয় নেতা।
  • ১৩৯৯ হিজরি– আসলি তানডোগান, তুর্কি অভিনেত্রী।
  • ১৪০৬ হিজরি – সাইদ ফাতাহ, মরোক্কোর ফুটবল খেলোয়াড়।

মৃত্যু

[সম্পাদনা]
  • ৮ হিজরিজাফর ইবনে আবি তালিব, নবি মুহাম্মাদের চাচাত ভাই ও সাহাবি।[]
  • ৯৮২ হিজরি – মুহাম্মদ আবু সৌদ আফান্দি, উসমানীয় সাম্রাজ্যের শাইখুল ইসলাম।
  • ১০০৩ হিজরি – সুলতান তৃতীয় মুরাদ, উসমানীয় সাম্রাজ্যের দ্বাদশ সুলতান।
  • ১১৯১ হিজরি – আহমদ বিন মাহদি আল-গাজাল, মরক্কোর ধর্মীয় ও কূটনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
  • ১৩৪৩ হিজরি – আল-হাসান বিন ইয়াহিয়া আল-কাসেমি, ইয়েমেনি জাইদি ধর্মগুরু।
  • ১৪২১ হিজরি – মুস্তফা মতউলি, মিশরীয় অভিনেতা।
  • ১৪৩৭ হিজরি – মুহাম্মদ আল-মুখতার আল-মাহদী, মিশরের আল-আজহারের ধর্মগুরু।

উপলক্ষ্য

[সম্পাদনা]
  • ইরানে নার্স ও সমাজকর্মী দিবস পালন করা হয়।

আরো দেখুন

[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Ibn Ishaq (২০০৪)। The Life of Muhammad। A. Guillaume (trans.)। Oxford University Press, USA। পৃ. ৫৩২, ৫৩৬। আইএসবিএন ০-১৯-৬৩৬০৩৩-১। They went on their way as far as Ma'ān in Syria where they heard that Heraclius had come down to Ma'āb in the Balqāʾ with 100,000 Greeks joined by 100,000 men from Lakhm and Judhām and al-Qayn and Bahrāʾ and Balī commanded by a man of Balī of Irāsha called Mālik b. Zāfila. (p. 232) Quṭba b. Qatāda al-'Udhrī who was over the right wing had attacked Mālik b. Zāfila (Ṭ. leader of the mixed Arabs) and killed him, (p. 236
  2. Jafar al-Tayyar, Al-Islam.org

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]