বিষয়বস্তুতে চলুন

২৭ রবিউল আউয়াল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

২৭ রবিউল আউয়াল হলো ইসলামি বর্ষপঞ্জির তৃতীয় মাস রবিউল আউয়ালের সপ্তবিংশ দিবস। এটি হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বছরের ৮৬তম দিন। তবে যদি সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে, তাহলে এটি বছরের ৮৭তম দিন হিসেবে গণ্য হয়। এই দিনের পর হিজরি বছর শেষ হতে আরো ২৬৮ অথবা ২৬৯ দিন অবশিষ্ট থাকে।

ঘটনাবলি

[সম্পাদনা]
  • ৬৯৯ হিজরি–ইলখানাত রাজ্যের সুলতান মাহমুদ গাজান ও মামলুক সুলতান নাসির কালাওনের মধ্যে একটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধের ঘটনাস্থল ছিল হিমস নগরীর পূর্ব দিকে অবস্থিত “মারজ আল-মারুজ” নামের প্রান্তর। সামরিক প্রস্তুতি, অস্ত্রশস্ত্র ও রণকৌশলে গাজান বাহিনী অধিক শক্তিশালী ছিল। ফলে শেষ পর্যন্ত তারাই বিজয় অর্জন করে। এ যুদ্ধে মামলুক সালতানাতের অভ্যন্তরীণ অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়।
  • ১৩৩৮ হিজরি –রোজলিন নামের একটি জাহাজ ইয়াফা বন্দরে এসে পৌঁছে। এটি ছিল ইউরোপ থেকে ফিলিস্তিনে আসা ইহুদি অভিবাসনের তৃতীয় ঢেউয়ের শুরুর দিকের একটি ঘটনা। তখন বহু ইহুদি ইউরোপের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে ফিলিস্তিনে বসতি স্থাপনের উদ্দেশ্যে আসতে থাকে।
  • ১৩৭৬ হিজরি – ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য মিলে মিশরের ওপর বিমান হামলা শুরু করে,[] যাতে মিশরকে সুয়েজ খাল খুলতে বাধ্য করা যায়। এটি ইতিহাসে ত্রিপক্ষীয় আগ্রাসন (সুয়েজ সংকট) নামে পরিচিত। এর প্রতিক্রিয়ায় মিশর ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং পূর্বে স্বাক্ষরিত সৈন্য প্রত্যাহার সংক্রান্ত চুক্তিও বাতিল ঘোষণা করে। ঘটনাটি আরব জাতীয়তাবাদ ও ঔপনিবেশিক বিরোধী রাজনীতিতে বড় মোড় আনে।
  • ১৩৮১ হিজরি – কুয়েতের স্বাধীনতা স্পষ্টভাবে প্রকাশ ও রাষ্ট্রিক পরিচয় নির্ধারণের লক্ষ্যে দেশের জন্য একটি জাতীয় পতাকা নির্ধারণসংক্রান্ত নতুন আইন জারি করা হয়।
  • ১৪১৪ হিজরি – ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিন ওসলো চুক্তিতে সম্মত হন। এই চুক্তির মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের জন্য সীমিত স্বায়ত্তশাসনের পথ উন্মুক্ত হয় এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক কাঠামো গঠনের ভিত্তি তৈরি হয়।
  • ১৪২৬ হিজরি – যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার টানা তৃতীয় বারের মতো নির্বাচনে জয়ী হন, যা শ্রমিক দলের ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনা ছিল। প্রাথমিক ফলাফলে তার দল সংসদের মোট ৬৪৬ আসনের মধ্যে ৩৫৩টিতে জয়লাভ করে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে দলটি ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।
  • ১৪৩০ হিজরি– লেবাননের সাইদা শহরে একটি সড়কের পাশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণের ফলে ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থার সহকারী প্রতিনিধি কামাল মাদহাত ও তার তিন সহকারী নিহত হন।

মৃত্যু

[সম্পাদনা]
  • ২৭১ হিজরি–বুরান বিনতে হাসান বিন সাহল, আব্বাসীয় খলিফা আল-মা'মুনের স্ত্রী।
  • ৪৬৯ হিজরি–আবু মারওয়ান ইবনে হাইয়ান কুরতুবি, আন্দালুসীয় মুসলিম ইতিহাসবিদ[]
  • ১১৭১ হিজরি–মুহাম্মদ ইবনে সালিম আল-হাফনি, অষ্টম শায়খুল আজহার
  • ১৩৯০ হিজরি – মুহসিন আত-তাবাতাবাই আল-হাকিম, ইরাকি শিয়া মারজা (ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ)।
  • ১৩৯৬ হিজরি – আলি আমিন, মিশরীয় সাংবাদিক ও লেখক।
  • ১৪৩০ হিজরি – কামাল মাদহাত, লেবাননে ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থার সহকারী প্রতিনিধি।
  • ১৪৩৪ হিজরি – মুহাম্মদ মুরশিদ নাজি, ইয়েমেনি গায়ক।
  • ১৪৩৬ হিজরি – ফাতেন হামামা, মিশরীয় অভিনেত্রী।
  • ১৪৪০ হিজরি – আরিয়ান আস-সাইয়্যিদ খালাফ, ইরাকি কবি।
  • ১৪৪৩ হিজরি – সাবাহ ফাখরি, সিরীয় সঙ্গীতশিল্পী।

আরো দেখুন

[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. محمد حسنين هيكل، «قصة السويس - آخر المعارك في عصر العمالقة। المطبوعات للتوزيع والنشر। পৃ. ৩০৪।
  2. "Abu Al-Aa'la Al-Maa'ri"। ২২ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  3. ابن بشكوال، أبو القاسم خلف بن عبد الملك (1989). الصلة. دار الكتاب المصري، القاهرة - دار الكتاب اللبناني، بيروت। পৃ. ২৪৮। আইএসবিএন ৯৭৭-১৮৭৬-১৯-৮

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]