বিষয়বস্তুতে চলুন

২২ সফর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

২২ সফর হলো ইসলামি বর্ষপঞ্জির দ্বিতীয় মাস সফরের দ্বাবিংশ দিন। এটি হিজরি চান্দ্র পঞ্জিকা অনুসারে বছরের ৫২তম দিন। এই দিনের পর হিজরি বছর শেষ হতে আরো ৩০২ বা ৩০৩ দিন বাকি থাকে।[] [][]

ঘটনাবলি

[সম্পাদনা]
  • ১২ হিজরি– পারস্যের সাসানীয় বাহিনী ও মুসলিমদের মধ্যে ওয়ালাজার যুদ্ধ সংঘটিত হয়। মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ। এতে মুসলিম বাহিনী জয় লাভ করে।
  • ৬৪৭ হিজরি– তৎকালীন ফরাসি রাজা ও সপ্তম ক্রুসেডে অংশগ্রহণকারী ক্রুসেডার বাহিনীর অধিনায়ক নবম লুইয়ের হাতে মিশরের বন্দরনগরী দেমিয়াতের পতন ঘটে।
  • ১৩৪৫ হিজরি–তুরস্কে মুস্তাফা কামাল সব সুফি তরিকার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন। এটি তুরস্ককে ইসলামি সাংস্কৃতিক পরিচয় থেকে দূরে সরিয়ে একটি কঠোর ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে রূপান্তরের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ ছিল, যার মাধ্যমে মূলত ইসলামের সাথে দেশটির ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
  • ১৩৪৭ হিজরি – মুস্তাফা কামাল প্রজাতন্ত্রী জনতা দলের (জুমহুরিয়েত হালক্ পার্টি) “গুলহান পার্কে” আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের কাছে তুর্কি ভাষা লেখার জন্য আরবির বদলে প্রস্তাবিত লাতিন বর্ণমালা উপস্থাপন করেন। এর মধ্য দিয়ে তুরস্কে কথিত ভাষা বিপ্লবের সূচনা হয়, যা আরবি লিপির পরিবর্তে লাতিন লিপি গ্রহণের পথ প্রশস্ত করে।
  • ১৩৫২ হিজরি – মিশরের ইসমাইলিয়া শহরে ইখওয়ানুল মুসলিমিনের প্রথম নিয়মিত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
  • ১৩৬৭ হিজরি – ফিলিস্তিনের ইয়াফা শহরে জায়নবাদী ইরগুন সশস্ত্র গোষ্ঠী একটি ভয়াবহ গণহত্যা সংঘটিত করে। এ ঘটনায় ৩০ আরব নাগরিক নিহত ও ৯৮ আহত হন।
  • ১৩৬৯ হিজরি –
    • ইসরায়েলের সংসদ "কেনেসেট" ভোটের মাধ্যমে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্থানান্তরের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
    • ইস্রায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদ’ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তীতে দেশটির প্রধান নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থায় পরিণত হয়।
  • ১৩৭০ হিজরি – লিবিয়ার গণপরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে আমির মুহাম্মদ ইদরিস আল-সানুসিকে লিবিয়ার রাজা হিসেবে নির্বাচিত করে। এর মধ্য দিয়ে আধুনিক লিবিয়ায় রাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সূচনা হয়।
  • ১৩৮৩ হিজরি–জর্ডান সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালায়। এই হামলাটি জর্ডানীয় ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের একাধিক সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় চালানো হয়।
  • ১৩৯৭ হিজরি –ইথিওপিয়ার সাম্যবাদী কর্নেল মেঙ্গিস্তু হিলা মরিয়ম তৎকালীন সম্রাট (নেগাসি) হিলা সিলাসির বিরুদ্ধে পরিচালিত তার সামরিক অভ্যুত্থান সফল হওয়ার পর দেশটির রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
  • ১৩৯৮ হিজরি – কুয়েতের আমির শেখ জাবের আল-আহমদ আস-সাবাহ শেখ সাদ আল-আবদুল্লাহ আস-সালেম আস-সাবাহকে উপ-যুবরাজের পদে মনোনয়নের ঘোষণা দেন।
  • ১৪০৪ হিজরি – তিউনিসিয়ায় “আরবি অভিধানবিদ্যা সমিতি” প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ছিল প্রথম আরব সংস্থা, যা আরবি আভিধানিক ঐতিহ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দেওয়ার লক্ষ্যে অভিধানবিদ্যা ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণার বিষয় নিয়ে কাজ করে। এই সমিতি থেকে “মাজাল্লাতুল মু'জামিয়াহ" নামে একটি সাময়িকীও প্রকাশিত হয়।
  • ১৪২৪ হিজরি –ইরাকের সাবেক উপ–প্রধানমন্ত্রী তারেক আজিজ বাথ পার্টির শাসনের পতনের পর ইরাকি সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
  • ১৪২৯ হিজরি –ইরাকের রাষ্ট্রপতি পরিষদ আলি হাসান আল-মাজিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন দেয়। তিনি সাধারণত আলি কেমিক্যাল নামে পরিচিত ছিলেন এবং যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
  • ১৪৩০ হিজরি – সুদানের সরকার দারফুরের বিদ্রোহী সংগঠন ‘জাস্টিস অ্যান্ড ইক্যুয়ালিটি মুভমেন্টের’ সঙ্গে ‘সদিচ্ছা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। কাতারের রাজধানী দোহায় এই চুক্তি হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল দারফুরে উভয় পক্ষের মধ্যে শত্রুতামূলক কার্যক্রম বন্ধের পথ প্রশস্ত করা।
  • ১৪৩২ হিজরি – সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে। এতে ১০৮ জনের মৃত্যু হয় এবং শত শত মানুষ আহত হয়।
  • ১৪৩৮ হিজরি–ইস্রায়েলের বিভিন্ন বনাঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে ২০০টিরও বেশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
  • ১৪৪১ হিজরি – লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদুদ্দিন হারিরি অর্থনৈতিক সংস্কারের একটি প্রস্তাব পেশ করেন এবং ২০২০ সাল পর্যন্ত অতিরিক্ত কোনো কর ছাড়াই একটি সাধারণ বাজেট অনুমোদন করেন। দেশটির জনগণের ব্যাপক বিক্ষোভ প্রশমিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই মূলত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যখন তারা দেশটির তিন শীর্ষ রাষ্ট্রীয়পদস্থ ব্যক্তির পদত্যাগ ও দুর্নীতিগ্রস্ত লেবানীয় রাজনীতিবিদদের জবাবদিহিতার দাবি জানায়।
  • ১৩১৬ হিজরি – আলি মোস্তফা মোশাররাফা, মিশরীয় তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী
  • ১৩২৮ হিজরি – মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল সৌদ, সৌদি যুবরাজ ও মদিনার আমির।
  • ১৩৩৬ হিজরি – কামাল জুম্বালাত, লেবানীয় চিন্তাবিদ, দার্শনিক ও রাজনৈতিক নেতা।
  • ১৩৫২ হিজরি – মুহাম্মদ আলী রাজাঈ, ইরানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি।
  • ১৩৮৬ হিজরি – আদ্দি রা‘দ, লেবানীয় অভিনেতা ও কণ্ঠশিল্পী।
  • ১৪০৩ হিজরি –

মৃত্যু

[সম্পাদনা]
  • ২৭৮ হিজরি – আবু আহমদ তালহা আল-মুওয়াফফাক বিল্লাহ, আব্বাসীয় সামরিক নেতা ও খলিফা মু‘তামিদ আলাল্লাহর ভাই।
  • ৬২৯ হিজরি – ইবনে নুকতা আল-হাম্বলি আল-বাগদাদি, বংশতত্ত্ববিদ ও হাদিসের হাফেজ
  • ৮৩৯ হিজরি – আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ আল-মুনতাসির আস-সানি, হাফসীয় সালতানাতের একজন খলিফা।
  • ১০৫০ হিজরি – ইবনুন নাহহাস আল-হালাবি, শাম অঞ্চলের একজন কবি।
  • ১১৪৯ হিজরি – তৃতীয় আহমদ, উসমানীয় সাম্রাজ্যের চব্বিশতম সুলতান।
  • ১৩০৪ হিজরি – মুহাম্মদ কাদরি পাশা, মিশরীয় আইন সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ এবং ইসলামি শরিয়াহকে বিধিবদ্ধ করার প্রাথমিক প্রচেষ্টাকারীদের একজন।
  • ১৩৩৮ হিজরি– মুহাম্মদ ফারিদ বেক, ঐতিহাসিক, আইনবিদ ও মিশরীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতা।
  • ১৩৪৬ হিজরি – সা‘দ জাগলুল, ১৯১৯ সালের মিশরীয় বিপ্লবের নেতা।
  • ১৪১৫ হিজরি – ইব্রাহিম জারিন কলম, ইরানি চারুলিপিকার ও কূটনীতিক।
  • ১৪১৯ হিজরি – মুহাম্মদ মুতাওয়াল্লি আশ-শা‘রাওয়ি, মিশরীয় আলেম, সাবেক ওয়াক্ফমন্ত্রী ও মুফাসসির
  • ১৪২৯ হিজরি – আহমদ মুস্তাফা, মিশরীয় ক্বারী ও কিরাআতের পণ্ডিত।
  • ১৪৪০ হিজরি–হামদি কন্দিল, মিশরীয় গণমাধ্যমকর্মী।

আরো দেখুন

[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. User, Super। "Convert a date"calendarhome.com। ২৫ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |শেষাংশ= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)
  2. "تحويل التاريخ الهجري، الهجري إلى الميلادي, مُحوِّل التاريخ الإسلامي | الباحث الإسلامي"IslamicFinder (আরবি ভাষায়)। ২০ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
  3. "موقع تقويم أم القرى"www.ummulqura.org.sa। ২০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]