বিষয়বস্তুতে চলুন

২১ রবিউল আউয়াল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

২১ রবিউল আউয়াল হলো ইসলামি বর্ষপঞ্জির তৃতীয় মাস রবিউল আউয়ালের একবিংশ দিবস। এটি হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বছরের ৮০তম দিন। তবে যদি সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে, তাহলে এটি বছরের ৮১তম দিন হিসেবে গণ্য হয়। এই দিনের পর হিজরি বছর শেষ হতে আরো ২৭৪ অথবা ২৭৫ দিন অবশিষ্ট থাকে।

ঘটনাবলি

[সম্পাদনা]
  • ৫৮০ হিজরি –খলিফা আবু ইয়াকুব ইউসুফের নেতৃত্বে মুওয়াহিদ সেনাবাহিনী আন্দালুসের শাফতারিন শহরের অবরোধ প্রত্যাহার করে। শহরটি খ্রিস্টানদের দখলে চলে গিয়েছিল এবং মুওয়াহিদ বাহিনী পুনর্দখল করতে এসে শহরের প্রাচীর ভেদ করতে ব্যর্থ হয়।
  • ৯২৩ হিজরি–মামলুক সালতানাতের শেষ সুলতান তুমান বায়কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে মামলুক যুগের অবসান ঘটে এবং মিশর উসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীনস্থ হয়।
  • ১০৩৩ হিজরি – ইরানের সাফাভীয় বাহিনী তিন মাসের অবরোধের পর উসমানীয়দের থেকে বাগদাদ দখল করে। এর আগে তারা প্রায় ১৫ বছর তারা বাগদাদ শাসন করেছিল।
  • ১২১৪ হিজরি – নেপোলিয়ন বোনাপার্ট আলেকজান্দ্রিয়া থেকে মিশর ত্যাগ করে ফ্রান্সে ফিরে যান।
  • ১২২০ হিজরি – জনগণ ও আলেমদের বিদ্রোহের পর খুরশিদ পাশাকে অপসারণ করে মুহাম্মদ আলি পাশাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মিশরের গভর্নর (ওয়ালী) নিযুক্ত করা হয়।
  • ১৩২২ হিজরি–ইয়েমেনের ৬৫তম ইমাম ইয়াহইয়া হামিদ উদ্দীনকে বাইয়াত প্রদান করা হয়। একই সময় উসমানীয় সাম্রাজ্যের পক্ষ থেকে আব্দুল্লাহ পাশা ইয়েমেনের গভর্নর হিসেবে আগমন করেন।
  • ১৩৬৭ হিজরি – ব্রিটিশ শাসনের অধীনে থাকা নয়টি রাজ্যের সমন্বয়ে মালয় ফেডারেশন (পরে মালয়েশিয়া) প্রতিষ্ঠিত হয় (১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮)। []
  • ১৩৭২ হিজরি–তিউনিসীয় শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ফারহাত হাসাদের হত্যার কারণে কাসাব্লাঙ্কায় ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ শুরু হয়।
  • ১৩৭৫ হিজরি–মরক্কোর রাজা পঞ্চম মুহাম্মদ ও ফ্রান্সের মধ্যে “সাঁ-ক্লু ঘোষণা” জারি হয়, যাতে মরক্কোর স্বাধীনতা স্বীকৃত হয়।
  • ১৩৭৬ হিজরি – মিশর, সিরিয়া ও জর্ডানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যাতে তিন দেশের সেনাবাহিনীকে একজন মিশরীয় মেজর জেনারেলের অধীনে একক কমান্ডে আনার কথা বলা হয়।
  • ১৩৭৭ হিজরি – সৌদি আরবের আল-হিলাল ক্লাব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • ১৩৮৩ হিজরি –কুয়েতের আল-কাদিসিয়া ক্লাব আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়।
  • ১৪০১ হিজরি – মিশর সিনাই উপদ্বীপ ও আল-আরিশ অঞ্চলের উপর পুনরায় সার্বভৌমত্ব ফিরে পায়, যা আগে ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে ছিল।
  • ১৪২৫ হিজরি – বাগদাদে মার্কিন বাহিনী ও জয়শুল মাহদির মধ্যে সংঘর্ষে ১৬ জন নিহত হয়।
  • ১৪৩১ হিজরি – নাইজেরিয়ার জোস শহরে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে সহিংস দাঙ্গায় ৯৯২ জন নিহত হয়।
  • ১৪৩৫ হিজরি – সুইজারল্যান্ডের মন্ট্রো শহরে সিরিয়া সংকট সমাধানের লক্ষ্যে জেনেভা-২ সম্মেলন শুরু হয়।
  • ১৪৩৬ হিজরি – “সাবা” চলচ্চিত্র ৭২তম গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অনুষ্ঠানে তিনটি পুরস্কার জয় করে।
  • ১৪৩৯ হিজরি–ইরাকি প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদি ইরাকে আইএসআইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সমাপ্তি ও সম্পূর্ণ ভূখণ্ড মুক্তির ঘোষণা দেন।
  • ১৪৪৫ হিজরি – হোমস সামরিক কলেজে ড্রোন হামলায় প্রায় ৯০ জন নিহত ও প্রায় ২৮০ জন আহত হয়; যাদের মধ্যে অনেক বেসামরিক লোকও ছিল। এর সাথে সংহতি জানিয়ে সিরিয়া সরকার জাতীয় শোক ঘোষণা করে।
  • ১০০০ হিজরি –শাহ জাহান, মুঘল সম্রাট ও বিশ্ববিখ্যাত সমাধিসৌধ তাজমহলের নির্মাতা।[]
  • ১৩০৪ হিজরি – নবাওয়িয়া মূসা, মিশরের নারীশিক্ষা বিস্তারের আন্দোলনের অগ্রদূত।
  • ১৩৩৭ হিজরি – আনোয়ার সাদাত, মিশরের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি।
  • ১৩৫৮ হিজরি – সুরাইয়া ইব্রাহিম, মিশরীয় অভিনেত্রী।
  • ১৩৬০ হিজরি – সাঈদ ত্রাবিক, মিশরীয় অভিনেতা।
  • ১৩৬৮ হিজরি–সাফিয়া আল-ওমরী, মিশরীয় অভিনেত্রী
  • ১৩৭২ হিজরি – আব্বাস আল-নুরি, সিরীয় অভিনেতা।

মৃত্যু

[সম্পাদনা]
  • ৯২৩ হিজরি – তুমান বায়, মামলুক সালতানাতের শেষ সুলতান।[]
  • ১৩২২ হিজরি – মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া হামিদুদ্দিন, ইয়েমেনি ধর্মীয় নেতা।
  • ১৩৫৩ হিজরি– আহমদ জাকি পাশা, মিশরের আরবি ও ইসলামি ঐতিহ্যের নবজাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ।
  • ১৩৯০ হিজরি – আবদুল খালিক আত-ত্রাইস, মরক্কোন জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতা।
  • ১৪৩৩ হিজরি – মুহাম্মদ আল-আম্মারি, আলজেরীয় সামরিক কর্মকর্তা।

আরো দেখুন

[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Federation of Malaya Independence Act 1957"www.legislation.gov.uk (ইংরেজি ভাষায়)। Expert Participation। ১০ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক)
  2. Shujauddin, Mohammad; Shujauddin, Razia (১৯৬৭)। The Life and Times of Noor Jahan (ইংরেজি ভাষায়)। Lahore: Caravan Book House। পৃ. ১২১
  3. ابن إياس। بدائع الزهور في وقائع الدهور। পৃ. ৩/১১৫-১১৬।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]