বিষয়বস্তুতে চলুন

২০২৬ সালের মধ্য আফ্রিকার ইবোলা মহামারী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
২০২৬ সালের মধ্য আফ্রিকার ইবোলা মহামারী
A map of reported cases as of 25 May 2026
রোগEbola
স্থানDemocratic Republic of the Congo and Uganda
নিশ্চিত আক্রান্ত119 (as of 26 May 2026)[][][ভালো উৎস প্রয়োজন]
মৃত্যু
241 (as of 28 May 2026)[]
সন্দেহভাজন আক্রান্ত919 (as of 28 May 2026)[]
Suspected cases have not been confirmed as being due to this strain by laboratory tests, although some other strains may have been ruled out.

২০২৬ সালের মে মাসে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশে ইবোলার একটি প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এটি দেশটিতে ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব এবং আগের প্রাদুর্ভাব শেষ হওয়ার মাত্র পাঁচ মাস পরেই এটি শুরু হয়। ইতুরি থেকে আগত রোগীর উপস্থিতির খবর উত্তর কিভু প্রদেশ এবং উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় পাওয়া যায়। ২১ মে দক্ষিণ কিভু প্রদেশে শনাক্ত এক রোগী তশোপো প্রদেশ থেকে এসেছেন বলেও জানা যায়।

এই প্রাদুর্ভাবের জন্য বান্ডিবুগিও ইবোলাভাইরাস দায়ী, যা প্রতিরোধ কার্যক্রমকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। কারণ বর্তমানে বিদ্যমান ইবোলা চিকিৎসাপদ্ধতিগুলো মূলত জায়ার ইবোলাভাইরাস নামের ভিন্ন একটি ধরন মোকাবিলার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।[] বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২৬ সালের ১৬ মে এই প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করে। ২০২৬ সালের ২৮ মে পর্যন্ত ১,০৩৮টি সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত সংক্রমণের ঘটনা এবং অন্তত ২৪১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।[][][][] ধারণা করা হয়, প্রকৃত সংক্রমণের সংখ্যা শনাক্ত আক্রান্তের সংখ্যার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হতে পারে।[]

পটভূমি

[সম্পাদনা]

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে এর আগে ১৬ বার ইবোলার প্রাদুর্ভাব শনাক্ত হয়েছে।[] পূর্বে বান্ডিবুগিও ইবোলাভাইরাসের[] দুটি প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল। এর একটি ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালে উগান্ডার বান্ডিবুগিও জেলায় সংঘটিত হয়, যেখান থেকে ভাইরাসটির নামকরণ করা হয়েছে। অন্য প্রাদুর্ভাবটি ২০১২ সালে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর ইসিরোতে দেখা যায়। এই ভাইরাসের মৃত্যুহার ২৫ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে বলে ধারণা করা হয়।[১০]

বান্ডিবুগিও ইবোলাভাইরাসের জন্য এখনো বিশেষভাবে অনুমোদিত কোনো টিকা বা ওষুধ নেই। পরীক্ষামূলক কিছু টিকা ম্যাকাক বানরের ওপর পরীক্ষা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বান্ডিবুগিও ইবোলায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এরভেবো টিকা ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা মূলত জায়ার ইবোলাভাইরাস মোকাবিলার জন্য অনুমোদিত। প্রাণীর ওপর পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এটি বান্ডিবুগিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে আংশিক কার্যকারিতা দেখাতে পারে। তবে ভিন্ন ধরনের ভাইরাসের জন্য তৈরি টিকার কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।[১১]

এই প্রাদুর্ভাবের সূচনা হয় ইতুরি প্রদেশে[১২], যেখানে কয়েক দশক পুরোনো জাতিগত সংঘাত সম্প্রতি আবারও তীব্র হয়ে উঠেছে। অঞ্চলটি এবং এর পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোরুয়ান্ডার মধ্যকার সংঘাতের প্রভাবেও আক্রান্ত। ইতুরি, উত্তর কিভু প্রদেশ এবং দক্ষিণ কিভু প্রদেশ বর্তমানে একটি মানবিক সংকটের মুখোমুখি, যেখানে প্রায় ১৯ লাখ মানুষের সহায়তা প্রয়োজন। এই এলাকায় বিপুল সংখ্যক শরণার্থীর চলাচল, আন্তঃসীমান্ত ভ্রমণ এবং খনি সংশ্লিষ্ট যাতায়াত রয়েছে। চলমান সংঘাত ও মানুষের অবিরাম স্থানান্তরের কারণে সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মীরাও হামলার শিকার হয়েছেন। তাছাড়া বাণিজ্যিক ও অভিবাসনকেন্দ্র হিসেবে ইতুরির অবস্থান বৃহত্তর অঞ্চলে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

মহামারীবিদ্যা

[সম্পাদনা]

ইবোলা ভাইরাস মধ্য আফ্রিকাপশ্চিম আফ্রিকায় স্থানীয়ভাবে বিদ্যমান। এ ক্ষেত্রে বাদুড়কে প্রায়ই ভাইরাসটির পোষক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যদিও এই নির্দিষ্ট প্রজাতির ক্ষেত্রে তা এখনো নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি। ভাইরাসটি বাদুড় শিকার করে এমন অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যেও সংক্রমিত হতে পারে অথবা অন্য উপায়েও ছড়াতে পারে। সংক্রমিত বাদুড়, প্রাণীর মৃতদেহ বা বন্য প্রাণীর মাংসের সংস্পর্শে আসা মানুষের মধ্যেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে।[১৩][১৪]

ঘটনাবলি

[সম্পাদনা]

মহামারীর প্রথম সন্দেহভাজন রোগী ছিলেন একজন পুরুষ, যার মধ্যে ২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল উপসর্গ দেখা দেয় এবং তিন দিন পর তিনি মারা যান।[১৫] ২০২৬ সালের ৫ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে একটি সম্ভাব্য ইবোলা প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে সতর্ক করা হয় এবং সংস্থাটি একটি প্রতিক্রিয়া দল পাঠায়।[১৬] প্রাথমিক নমুনায় ইবোলার উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়নি, কারণ ব্যবহৃত পরীক্ষাগুলো কেবল জায়ার ইবোলাভাইরাস শনাক্ত করতে সক্ষম ছিল, বুন্দিবুগিও ইবোলাভাইরাস নয়। পরে বুন্দিবুগিও ইবোলাভাইরাস শনাক্তে সক্ষম পরীক্ষা ব্যবহার করা হয় এবং ২০২৬ সালের ১৪ মে প্রথম ইতিবাচক ফলাফল নিশ্চিত করা হয়।[১৭]

কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ২০২৬ সালের ১৫ মে ইতুরি প্রদেশে শত শত ইবোলা ভাইরাসজনিত রোগের ঘটনা নিশ্চিত করে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই প্রাদুর্ভাবটি শত শত সন্দেহভাজন সংক্রমণে রূপ নিয়েছিল। মহামারীবিদ জেনিফার নুজ্জোর মতে, শনাক্তকরণে বিলম্ব বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কর্মসূচিতে ব্যয়সংকোচনের ফল হতে পারে। ২০২৬ সালের ১৬ মে নাগাদ ইতুরির তিনটি স্বাস্থ্যাঞ্চল—বুনিয়া, রুয়ামপারামংবওয়ালু—এ নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন সংক্রমণের ঘটনা পাওয়া যায়। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা এবং উগান্ডার রাজধানী কাম্পালাতেও সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়।[১৮]

২০২৬ সালের ১৭ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই মহামারীকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করে। ঘোষণায় সংস্থাটি ইতুরি প্রদেশে বুন্দিবুগিও ইবোলাভাইরাসে আক্রান্ত আটটি পরীক্ষাগারে নিশ্চিত সংক্রমণ, কিনশাসায় একটি নিশ্চিত সংক্রমণ এবং কাম্পালায় দুটি নিশ্চিত সংক্রমণের তথ্য জানায়। এছাড়া পূর্ব গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর একাধিক এলাকায় সন্দেহভাজন সংক্রমণের অস্বাভাবিক গুচ্ছ শনাক্ত হওয়ায়, মহামারীর প্রকৃত ভৌগোলিক বিস্তার বা মোট সংক্রমণের সংখ্যা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়। একই সময়ে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ উত্তর কিভু প্রদেশের গোমা শহরেও একটি ইতিবাচক সংক্রমণ নিশ্চিত করে। শহরটি তখন ২৩শে মার্চ আন্দোলনের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আক্রান্ত এক নারী ইতুরি থেকে সেখানে ভ্রমণ করেছিলেন বলে জানা যায়।[১৯]

স্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, একাধিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ইবোলার সংস্পর্শে এসেছেন বলে সন্দেহ করা হয় এবং তাঁদের মধ্যে অন্তত একজনের উপসর্গ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা ছিল। মার্কিন সরকার সংস্পর্শে আসা নাগরিকদের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো থেকে সরিয়ে এনে কোয়ারেন্টিনে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য পরিবহন ব্যবস্থার উদ্যোগ নেয়।[২০][২১]

বিভিন্ন দেশের পরিসংখ্যান

[সম্পাদনা]
বুন্দিবুগিও ভাইরাস (বিডিবিভি) পরিসংখ্যান
দেশ সন্দেহভাজন মামলা আক্রান্তের সংখ্যা উৎস
মামলা মৃত্যু সিএফআর (%) মামলা মৃত্যু সিএফআর (%)
গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো ৯০৬ ২২৩ ২৫% ১২৫ ১৭ ১৪% [২২][২৩]
উগান্ডা ১৪% [২৪][২৩]
মোট ৯০৬ ২২৩ ২৫% ১৩২ ১৮ ১৪% [২২][২৩]

চিকিৎসা

[সম্পাদনা]

বুন্দিবুগিও ধরনটির জন্য এখনো কোনো অনুমোদিত টিকা বা ঔষধ নেই।[২৫] পরীক্ষামূলক কিছু টিকা ম্যাকাক বানরের ওপর পরীক্ষা করা হয়েছে।[২৬]

মেডিসিনস স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্সের দল ওই এলাকায় কাজ করছিল এবং মহামারী মোকাবিলায় অতিরিক্ত সম্পদ সমন্বয়ের পরিকল্পনা করছিল।[২৭]

অন্যান্য উন্নয়ন

[সম্পাদনা]

১৭ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করার পর হংকং কর্তৃপক্ষ তাদের ইবোলা প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা সক্রিয় করে। এর অংশ হিসেবে আফ্রিকা থেকে আগত ভ্রমণকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা হয়, আক্রান্ত এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং বিদেশফেরত সন্দেহভাজন রোগীদের পৃথকীকরণের জন্য লান্তাও দ্বীপের পেনিস বে কমিউনিটি আইসোলেশন ফ্যাসিলিটি প্রস্তুত করা হয়।[২৮][২৯]

১৮ মে পিটার স্টাফোর্ড নামের একজন মার্কিন চিকিৎসকের ইবোলা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। তিনি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক হিসেবে কাজ করছিলেন। পরে তার স্ত্রী ও সন্তানদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়, যদিও তখন তাদের মধ্যে কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। ১৯ মে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র জানায় যে চিকিৎসার জন্য তাকে জার্মানিতে নেওয়া হচ্ছে।[৩০] On 19 May, the CDC announced that he was in transit to Germany for treatment.[৩১]

১৮ মে উগান্ডার একদল নাগরিক পূর্ব গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিয়ে দেশে ফিরে আসেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরে ইবোলার উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসার জন্য তাদের ফোর্ট পোর্টালে নিয়ে যাওয়া হয়।[৩২]

১৯ মে উগান্ডা সরকার সাময়িকভাবে করমর্দন, আলিঙ্গন এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক সংস্পর্শ নিষিদ্ধ করে।[৩৩] একই দিনে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গো জাতীয় ফুটবল দল তাদের ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আয়োজন করা প্রশিক্ষণ শিবিরের কিছু অংশ বাতিল করে, যা মে মাসে কিনশাসায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে দলটি বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইউরোপ এবং পরে টেক্সাসে যাওয়ার পরিকল্পনা বজায় রাখে।[৩৪]

২১ মে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশের বুনিয়ার নিকটবর্তী রুয়ামপারাতে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ ছিল, এক যুবকের মৃত্যু ইবোলায় নয়, বরং টাইফয়েড জ্বরে হয়েছে; কিন্তু কর্তৃপক্ষ তার মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সতর্কতামূলক গুলি ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ সময় কিছু বিক্ষোভকারী দুটি তাঁবুতে আগুন ধরিয়ে দেয়, যেখানে একটি চিকিৎসা সহায়তা সংস্থা ইবোলা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছিল। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা সদস্য মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।[৩৫][৩৬][৩৭]

২৩ মে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর মংবওয়ালুতে স্থানীয় বাসিন্দারা একটি চিকিৎসা তাঁবুতে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দিলে আঠারো জন সন্দেহভাজন ইবোলা রোগী চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে পালিয়ে নিজ নিজ সম্প্রদায়ে ফিরে যায়।[৩৮]

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

[সম্পাদনা]

আফ্রিকা

[সম্পাদনা]
  • মিশর নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করেছে এবং দেশটিতে এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়নি।[৩৯]
  • গ্যাবন তার স্বাস্থ্য নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করেছে।[৪০][৪১]
  • ঘানায় ১৯ মে ঘানা স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যৌথভাবে ইবোলা সতর্কতা জারি করে।[৪২]
  • কেনিয়াতে তিনটি সন্দেহভাজন সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত হলেও সবগুলোর পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে।[৪৩][৪৪]
  • লিবিয়ার জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ২৪ মে জানায় যে দেশটিতে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।[৪৫]
  • মরক্কোকে নজরদারি ব্যবস্থা আরও জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।[৪৬]
  • নাইজেরিয়া ২৪ মে ইবোলার নজরদারি কার্যক্রম বাড়িয়েছে।[৪৭]
  • মৌরিতানিয়া সরকার ২৬ মে জরুরি নজরদারি ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে।[৪৮]
  • রুয়ান্ডা ২২ মে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গো থেকে ফিরে আসা ভ্রমণকারীদের জন্য বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন চালু করে।[৪৯]
  • সোমালিয়া দেশব্যাপী জনস্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছে এবং জরুরি প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে।[৫০]
  • তানজানিয়া জানিয়েছে যে তারা সীমান্তে তল্লাশি আরও কঠোর করেছে এবং বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।[৫১]
  • উগান্ডা ২৭ মে সাতটি সংক্রমণ ও একটি মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর সঙ্গে তার সীমান্ত অন্তত চার সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। পাশাপাশি ডিআরসি থেকে দেশে প্রবেশকারী প্রত্যেককে ২১ দিনের জন্য বাধ্যতামূলক বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।[৫২]

এশিয়া

[সম্পাদনা]
  • হংকংে ১৯ মে লান্তাও দ্বীপে সন্দেহভাজন ইবোলা রোগীদের জন্য একটি কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়[৫৩]। ২১ মে হংকং বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল সরকার জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর জন্য লাল বহির্গমন ভ্রমণ সতর্কতা জারির ঘোষণা দেয়। হংকংবাসীদের ওই দেশে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।[৫৪]
  • ভারতে ২১ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি জরুরি প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা প্রকাশ করে এবং ২৪ মে আক্রান্ত দেশগুলোতে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণের বিরুদ্ধে জনসতর্কতা জারি করে। ২২ মে থেকে কেরলে আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আগত যাত্রীদের জন্য ২১ দিন পর্যন্ত বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ চালু করা হয়। রাজ্যটি সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করে এবং পৃথকীকরণ সুবিধার ব্যবস্থাও করে।[৫৫][৫৬]
  • ইসরায়েল ২৮ মে জানায় যে দেশটিতে কোনো নিশ্চিত আক্রান্ত শনাক্ত হয়নি। একই সঙ্গে যেসব এলাকায় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে সেখানে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার জন্য জনগণকে আহ্বান জানানো হয়।[৫৭]
  • ইন্দোনেশিয়া দেশের সব প্রবেশপথে স্বাস্থ্য নজরদারি আরও জোরদার করেছে।[৫৮]
  • জাপানে ১৮ মে জাপান ইনস্টিটিউট ফর হেলথ সিকিউরিটি জানায় যে জাপানের সাধারণ জনগণের জন্য ঝুঁকি কম বলে মনে করা হচ্ছে।[৫৯]
  • কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন।
  • মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২০ মে জানায় যে তারা দেশে প্রবেশকারী ভ্রমণকারীদের ওপর নজরদারি করছে, বিশেষ করে উগান্ডা ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গো থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে। এর মধ্যে দুবাই, দোহা এবং সিঙ্গাপুরের মতো আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হয়ে যাতায়াতকারীরাও অন্তর্ভুক্ত।
  • মালদ্বীপের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে যে তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
  • নেপাল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে অবস্থানরত কিছু শান্তিরক্ষী সদস্যকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা শুরু করেছে। বর্তমানে সেখানে প্রায় এক হাজার নেপালি শান্তিরক্ষী অবস্থান করছেন। তাদের বদলির কোনো পরিকল্পনা নেই এবং তাদের জন্য ২১ দিনের বাধ্যতামূলক বিচ্ছিন্নতা কার্যকর করা হয়েছে।
  • ফিলিপাইনের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে যে দেশটিতে ইবোলার কোনো ঘটনা নেই। আক্রান্ত এলাকায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করা না হলেও, সেসব এলাকা থেকে ফিরে আসা যাত্রীদের উন্নত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।
  • সিঙ্গাপুর ১৯ মে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করে এবং আক্রান্ত অঞ্চল থেকে আগত ভ্রমণকারীদের দেশে প্রবেশের পর ২১ দিন ধরে উপসর্গ পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেয়।
  • দক্ষিণ কোরিয়া ২৬ মে তার স্বাস্থ্য সতর্কতার আওতা বাড়িয়ে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের পাশাপাশি ইথিওপিয়া এবং রুয়ান্ডাকেও অন্তর্ভুক্ত করে। একই সঙ্গে দেশটি বিদেশফেরত যাত্রীদের মোবাইল রোমিং তথ্য ও উপাত্ত পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনার কথা জানায়।
  • শ্রীলঙ্কা ২৫ মে জানায় যে ঝুঁকি কম বলে বিবেচিত হচ্ছে এবং দেশটিতে স্থানীয়ভাবে কোনো সংক্রমণের ঘটনা রিপোর্ট হয়নি।
  • তাইওয়ানের রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গো এবং উগান্ডাকে দ্বিতীয় স্তরের স্বাস্থ্য সতর্কতার আওতায় রেখেছে।
  • থাইল্যান্ড ২৬ মে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গো ও উগান্ডা থেকে আগত ভ্রমণকারীদের জন্য ২১ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন নির্দেশ জারি করে।
  • সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় বিমান সংস্থা এমিরেটস একটি ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে।
  • ভিয়েতনাম ২৬ মে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গো ও উগান্ডা থেকে আগত ভ্রমণকারীদের জন্য ২১ দিনের বাধ্যতামূলক বিচ্ছিন্নতা আরোপ করে।

ইউরোপ

[সম্পাদনা]

উত্তর আমেরিকা

[সম্পাদনা]
  • বাহামাস ২১ মে জানায় যে ইবোলা সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট, যা কেম্যান দ্বীপপুঞ্জের পথে ছিল, বাহামাসে ঘুরিয়ে অবতরণ করানো হয়।
  • কানাডা ২০ মে জানায় যে ইথিওপিয়া ভ্রমণের পর উপসর্গ দেখা দেওয়ায় অন্টারিওর এক ব্যক্তির ইবোলা পরীক্ষা করা হচ্ছে। ২২ মে তার পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসে। একই সময়ে বোর্ডিং প্রক্রিয়ায় ভুলের কারণে সম্ভাব্য ইবোলা রোগী শনাক্ত হওয়ায় ডেট্রয়েটগামী একটি ফ্লাইটকে কানাডায় অবতরণ করতে হয়।
  • কোস্টা রিকা ২১ মে জানায় যে দেশটি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং আমেরিকা অঞ্চলে এখনো কোনো সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়নি।
  • গুয়াতেমালার সরকারি তথ্যমতে, ২১ মে পর্যন্ত কোনো শান্তিরক্ষী সদস্যের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।
  • হন্ডুরাস ১৯ মে জানায় যে তারা পরিস্থিতি সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
  • জ্যামাইকার পরিকল্পনা ইনস্টিটিউট সতর্ক করেছে যে ইবোলা নিয়ন্ত্রণে না এলে দেশটির পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
  • মেক্সিকো ২১ মে ইবোলা সংক্রান্ত একটি ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে।
  • পানামাতে ইবোলার জন্য সক্রিয় স্বাস্থ্য সতর্কতা বহাল রয়েছে।
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ মে রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র উগান্ডা, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গো এবং দক্ষিণ সুদানে ভ্রমণকারীদের জন্য স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করে। ১৮ মে কেন্দ্রটি জানায় যে নির্দিষ্ট কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বিগত ২১ দিনের মধ্যে এই দেশগুলোতে অবস্থানকারী অ-নাগরিকদের প্রবেশে ৩০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। ২১ মে এই তিন দেশ থেকে আগত নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দাদের ওয়াশিংটন ডুলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে দেশে প্রবেশের নির্দেশ দেওয়া হয়। ২২ মে এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা গ্রিন কার্ডধারীদের ক্ষেত্রেও সম্প্রসারিত করা হয়।

ওশেনিয়া

[সম্পাদনা]

দক্ষিণ আমেরিকা

[সম্পাদনা]
  • ব্রাজিল ইবোলার জন্য সক্রিয় স্বাস্থ্য সতর্কতা বহাল রেখেছে।
  • চিলিতে স্পেনে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর বিরুদ্ধে আসন্ন বিশ্বকাপ ম্যাচকে ঘিরে উদ্বেগ দেখা দেয় এবং বিশেষজ্ঞরা দেশটিকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
  • কলম্বিয়া ২০ মে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর সঙ্গে সম্ভাব্য ম্যাচ নিয়ে একটি স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করে।
  • পেরু ২০১৯ সাল থেকে ইবোলার জন্য সক্রিয় স্বাস্থ্য সতর্কতা বজায় রেখেছে।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 4 "Daily Ebola update:"BNO News। ২৮ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০২৬
  2. Roeloffs, Mary (২২ মে ২০২৬)। "Ebola Outbreak: Death Toll Reaches 177 As Uganda Now 'Stable,' WHO Says (Live Updates)"। ২৩ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০২৬
  3. Mole, Beth (১৬ মে ২০২৬)। "Ebola outbreak with uncommon strain erupts in Congo and Uganda; 65 deaths"Ars Technica। ১৬ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২৬
  4. "WHO to give update on hantavirus and Ebola after outbreaks"BBC News (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ মে ২০২৬। ১৮ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২৬
  5. Santos, Sofia Ferreira (১৯ মে ২০২৬)। "At least 131 dead in Ebola outbreak in DR Congo, official says"BBC News (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৬
  6. "Ebola deaths in eastern Congo rise to 131, WHO voices deep concern"Reuters। ১৯ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৬
  7. "Imperial researchers estimate scale of Ebola outbreak in DRC"Imperial College London। ১৯ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০২৬
  8. "Ebola Disease Outbreak in the Democratic Republic of the Congo and Uganda"Health Alert Network (HAN) (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। CDC। ১৯ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৬
  9. Kuhn, Jens H.; Becker, Stephan; Ebihara, Hideki; Geisbert, Thomas W.; Johnson, Karl M.; Kawaoka, Yoshihiro; Lipkin, W. Ian; Negredo, Ana I.; Netesov, Sergey V.; Nichol, Stuart T.; Palacios, Gustavo; Peters, Clarence J.; Tenorio, Antonio; Volchkov, Viktor E.; Jahrling, Peter B. (১ ডিসেম্বর ২০১০)। "Proposal for a revised taxonomy of the family Filoviridae: classification, names of taxa and viruses, and virus abbreviations"Archives of Virology (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫৫ (12): ২০৮৩–২১০৩। ডিওআই:10.1007/s00705-010-0814-xআইএসএসএন 1432-8798পিএমসি 3074192পিএমআইডি 21046175
  10. "Ebola Disease: Current Situation"CDC (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ মে ২০২৬। ১৮ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২৬
  11. Branswell, Helen (১৮ মে ২০২৬)। "With no approved vaccine for Ebola outbreak, experts weigh testing a long shot"STAT (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২৬
  12. "WHO declares global health emergency over Ebola outbreak in Congo and Uganda"6abc Philadelphia (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ মে ২০২৬। ১৯ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০২৬
  13. "Ebola disease"who.int (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০২৬
  14. "Ebola: overview, history, origins and transmission"gov.uk (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০২৬
  15. "WHO declares global health emergency over Ebola outbreak in Congo and Uganda"Associated Press। ১৭ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২৬
  16. "Congo confirms new Ebola outbreak, 80 deaths"Reuters। ১৫ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০২৬
  17. Bigg, Matthew Mpoke; Mandavilli, Apoorva (১৫ মে ২০২৬)। "Large Ebola Outbreak Is Declared in Congo"The New York Times (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২৬
  18. "Epidemic of Ebola Disease caused by Bundibugyo virus in the Democratic Republic of the Congo and Uganda determined a public health emergency of international concern"World Health Organization (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২৬
  19. "WHO declares Ebola outbreak in DR Congo, Uganda a global health emergency"Al Jazeera (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২৬
  20. Branswell, Helen (১৭ মে ২০২৬)। "In Ebola outbreak, a number of Americans in the Congo believed to have had exposure to suspected cases"Stat (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২৬
  21. Gounder, Céline (১৭ মে ২০২৬)। "At least 6 Americans in Congo were exposed to Ebola virus, sources say"CBS News (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২৬
  22. 1 2 Robles, Carlos (২৪ মে ২০২৬)। "Ebola outbreak in Congo and Uganda reaches more than 1,000 cases"BNO News (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৬
  23. 1 2 3 "Alert and Response"www.who.int (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২৬
  24. "Uganda confirms two more Ebola cases, taking total to seven"Reuters। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৬
  25. Lupkin, Sydney (১৬ মে ২০২৬)। "A new Ebola outbreak has already killed 87 people in Democratic Republic of Congo"NPR (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২৬
  26. Mire, Chad E.; Geisbert, Joan B.; Marzi, Andrea; Agans, Krystle N.; Feldmann, Heinz; Geisbert, Thomas W. (১৯ ডিসেম্বর ২০১৩)। "Vesicular Stomatitis Virus-Based Vaccines Protect Nonhuman Primates against Bundibugyo ebolavirus"PLOS Neglected Tropical Diseases (ইংরেজি ভাষায়)। (12): e২৬০০। ডিওআই:10.1371/journal.pntd.0002600আইএসএসএন 1935-2735পিএমসি 3868506পিএমআইডি 24367715
  27. "MSF preparing large-scale response to Ebola outbreak in Ituri province"Médecins Sans Frontières (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২৬
  28. "Hong Kong ramps up health checks for travellers from Africa after Ebola outbreak"South China Morning Post। ১৭ মে ২০২৬। ২০ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০২৬
  29. "Hong Kong steps up Ebola precautions, prepares Lantau Island quarantine facility"South China Morning Post। ১৯ মে ২০২৬। ২০ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০২৬
  30. Mwisi, Erikas; Regan, Helen; Goodman, Brenda (১৮ মে ২০২৬)। "American infected with Ebola in DRC, as US moves to limit entry from virus-hit region" (ইংরেজি ভাষায়)। CNN। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২৬
  31. Aboulenein, Ahmed; Heine, Friederike; Burger, Ludwig (১৯ মে ২০২৬)। "US missionary who contracted Ebola is in transit to Germany, CDC says"Reuters। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৬
  32. Mwisi, Erikas (১৮ মে ২০২৬)। "Health workers race to contain Congo's fast-spreading Ebola outbreak"Reuters। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২৬
  33. Nuki, Paul; Farmer, Ben; Sebouai, Lilia; Speirs, Harry (১৯ মে ২০২৬)। "Uganda bans hugs and handshakes as two cases of Ebola are confirmed"The Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৬
  34. Cai, Sophia; Johansen, Ben (১৯ মে ২০২৬)। "World Cup's Ebola factor"Politico (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৬
  35. "DR Congo police fire warning shots in burial dispute after suspected Ebola death"South China Morning Post। ২১ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০২৬
  36. Kennedy, Niamh; Danaher, Caitlin; Madowo, Larry (২১ মে ২০২৬)। "Protesters set Ebola treatment center on fire in DRC, demanding return of body"CNN (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০২৬
  37. "Ebola outbreak in DR Congo: Angry crowd sets Rwampara hospital tents on fire"BBC (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ২২ মে ২০২৬। ২২ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০২৬
  38. Katumwa, Justin; McMakin, Wilson (২৩ মে ২০২৬)। "Eighteen suspected Ebola patients escape after treatment tent is set on fire for a second time in Congo"। PBS News। Associated Press। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৬
  39. Samir, Farah (২৪ মে ২০২৬)। "Egypt Confirms No Ebola Cases, Urges Citizens to Avoid Non-Essential Travel to Affected Areas"Egyptian Streets (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৬
  40. "Ebola en RDC: face aux inquiétudes, le Gabon renforce sa surveillance sanitaire" [Ebola in the DRC: In Response to Concerns, Gabon Steps Up Health Surveillance]RFI (ফরাসি ভাষায়)। ২১ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৬
  41. Benneth, Christina (১৯ মে ২০২৬)। "Ebola : le Gabon renforce la surveillance sanitaire après l'alerte en RDC" [Ebola: Gabon Steps Up Health Surveillance Following Alert in the DRC]Gabonactu (ফরাসি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৬
  42. Adu-Owusu, Prince (১৯ মে ২০২৬)। "Health Ministry issues Ebola alert after WHO declares global public health emergency"My Joy Online (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৬
  43. Kahenda, Mercy। "WHO warns of rising Ebola threat as Kenya tightens response efforts"Health (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৬
  44. "Kenya steps up Ebola surveillance as three suspected cases test negative"MSN। ২২ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৬
  45. "NCDC: No Ebola cases in Libya"The Libya Observer (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৬
  46. Babas, Latifa (১৯ মে ২০২৬)। "Morocco urged to step up Ebola vigilance after WHO emergency"MSN। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৬
  47. Ishola, Oluwafunke (২৪ মে ২০২৬)। "Lagos activates surveillance, response against Ebola"PM News (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৬
  48. "Mauritania Activates National Emergency Mechanism Amid Regional Ebola Concerns – The North Africa Post"northafricapost.com। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মে ২০২৬
  49. Tasamba, James (২৩ মে ২০২৬)। "Rwanda sets mandatory quarantine for travelers from DR Congo due to Ebola outbreak"Anadolu (তুর্কি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৬
  50. "Somalia Launches Emergency Ebola Preparedness Measures Amid Regional Health Threat Fears"WardheerNews (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। Mogadishu। ২৫ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৬
  51. Campbell, Scott (১৮ মে ২০২৬)। "Is it safe to travel to East Africa amid Ebola outbreak? Kenya, Rwanda and Tanzania tighten border checks"Condé Nast Traveller Middle East (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৬
  52. "Uganda closes border with Congo to try to limit Ebola spread"The Straits Times (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ মে ২০২৬। আইএসএসএন 0585-3923। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০২৬
  53. "Hong Kong steps up Ebola precautions, prepares Lantau Island quarantine facility"South China Morning Post (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৬
  54. "Government issues Red Outbound Travel Alert for Democratic Republic of Congo in view of Ebola outbreak in Africa (with photos)"HKSAR (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ মে ২০২৬।
  55. "Ebola: Kerala to monitor travellers from affected nations for 21 days"The Hindu (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। Thiruvananthapuram। ২২ মে ২০২৬। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৬
  56. "Deadly Ebola threat prompts statewide vigil across Kerala"Madhyamam Online (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৬
  57. Bletter, Diana (২৮ মে ২০২৬)। "Health ministry reports no current Ebola cases in Israel following outbreak in DRC"The Times of Israel (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0040-7909। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মে ২০২৬
  58. Wen, Lok Jian (১৯ মে ২০২৬)। "Indonesia heightens Ebola surveillance amid WHO alert"The Straits Times (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0585-3923। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৬
  59. "Japanese health authorities say country at low risk of Ebola outbreak"NHK। ১৮ মে ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৬