২০২৫ বাংলাদেশে হিন্দু বিরোধী সহিংসতা
| ২০২৫ বাংলাদেশে হিন্দু বিরোধী সহিংসতা | ||||
|---|---|---|---|---|
| তারিখ | জানুয়ারি ২০২৫ – বর্তমান | |||
| অবস্থান | ||||
| লক্ষ্য | ভীতি প্রদর্শন, বাস্তুচ্যুতকরণ, ভূমি গ্রাস, ধর্মীয় অবমাননা এবং নিপীড়ন | |||
| পদ্ধতি | ||||
| পক্ষ | ||||
| ||||
| প্রভাব ও পরিসংখ্যান (২০২৫) | ||||
| নিহত | ||||
| আহত | যৌন সহিংসতা
| |||
| গ্রেপ্তার | মৌলভীবাজার, ফরিদপুর, পাবনা, মুন্সীগঞ্জ এবং নরসিংদী সহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত গ্রেপ্তার (যেমন: মঞ্জের আলী, রাকিব মিয়া) | |||
| ভবন ধ্বংস | হামলা ও ভাংচুর
আবাসস্থল | |||
| উৎসভেদে পরিসংখ্যানে তারতম্য রয়েছে (বিএইচবিসিওপি, আসক, ইউএসসিআইআরএফ, এবং সরকার)। | ||||
২০২৫ বাংলাদেশে হিন্দু বিরোধী সহিংসতা বলতে ২০২৫ সালে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সংঘটিত সহিংসতা, বৈষম্য এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাপ্রবাহকে বোঝায়। এই সহিংস কর্মকাণ্ডের মধ্যে দেবালয় ও বিগ্রহের পবিত্রতা হানি, হিন্দুদের আবাসন ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট, হত্যা, ধর্ষণ, লাঞ্ছনা এবং জোরপূর্বক ভূমি গ্রাস অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিবেদন, পরিসংখ্যান এবং প্রতিক্রিয়া
[সম্পাদনা]পরিসংখ্যানগত পর্যালোচনা
[সম্পাদনা]২০২৫ সালে হিন্দু বিরোধী সহিংসতার ব্যাপ্তি সংক্রান্ত তথ্য একাধিক দেশীয় মানবাধিকার সংগঠন সংকলন করেছে। ২০২৫ সালের ১০ জুলাই, দেশের বৃহত্তম সংখ্যালঘু অধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ (বিএইচবিসিওপি) একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানায় যে, বছরের প্রথমার্ধে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ২৫৮টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০টি ধর্ষণের ঘটনা এবং উপাসনালয়ে ৫৯টি হামলার ঘটনা অন্তর্ভুক্ত। পরিষদ এই পরিসংখ্যানকে একটি বৃহত্তর সহিংস পরিস্থিতির অংশ হিসেবে উল্লেখ করে জানায় যে, ৪ আগস্ট ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৫-এর মধ্যবর্তী সময়ে মোট ২,২৪৪টি ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।[৩]
অন্য একটি মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে হিন্দুদের লক্ষ্য করে ১৬০টি হামলার নথিপত্র তৈরি করে, যার মধ্যে ৬০টি পৃথক বিগ্রহ ভাংচুরের ঘটনা অন্তর্ভুক্ত ছিল।[৬] বিভিন্ন পর্যবেক্ষণকারী গোষ্ঠীর পরিসংখ্যানে অসামঞ্জস্যের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, এই ভিন্নতা মূলত শ্রেণীকরণের পার্থক্যের কারণে সৃষ্টি হয়েছে; যেখানে কিছু পর্যবেক্ষক ঘটনাগুলিকে "সাম্প্রদায়িক সহিংসতা" হিসেবে চিহ্নিত করে, অন্যরা একই ঘটনাকে "রাজনৈতিক সহিংসতা" হিসেবে আখ্যায়িত করে।[৭]
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মূল্যায়ন
[সম্পাদনা]বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার চরম অবনতিতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসের একটি ফ্যাক্টশিটে, ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (ইউএসসিআইআরএফ) সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, "বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে"। কমিশন বিএইচবিসিওপি-এর তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ২০২৫ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে ৯২টি নথিভুক্ত ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ১১টি হত্যাকাণ্ড, ৩টি ধর্ষণ এবং মন্দিরে ২৫টি হামলার ঘটনা রয়েছে। ইউএসসিআইআরএফ সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজমান "চরম ভীতি"-র কথা উল্লেখ করে জানায় যে, হয়রানি এড়াতে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের হিন্দু নারীরা শাঁখা ও সিঁদুরের মতো ঐতিহ্যবাহী চিহ্ন পরিধান করা বন্ধ করে দিয়েছেন। প্রতিবেদনে হিন্দু ধর্মীয় নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অব্যাহত কারাবাসের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়, যাকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং ২০২৫ সাল জুড়ে তিনি জামিনবিহীন অবস্থায় ছিলেন।[১][৮]
অন্যান্য কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি এই পর্যবেক্ষণের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিবেদন প্রকাশ করে যে "ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠী সহিংসতার শিকার হয়েছে", এবং উন্মত্ত জনতার সহিংসতা "সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জীবন ধ্বংস" করে চলেছে।[৯] একইভাবে, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জুলাই মাসে উল্লেখ করে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার মানবাধিকার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় "ব্যর্থ হচ্ছে", এবং তারা "মব সহিংসতার উদ্বেগজনক বৃদ্ধি" ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত অধিকার লঙ্ঘনের দিকে ইঙ্গিত করে।[১০]
সরকারি প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা
[সম্পাদনা]মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্রীয় অবহেলা বা সম্পৃক্ততার অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করে এসেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে একটি বিবৃতিতে দাবি করা হয় যে, সংখ্যালঘুদের ২২টি হত্যাকাণ্ডের (২৩টি ঘটনা জুড়ে) তদন্তে "একটিও" সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সাথে সম্পর্কিত বলে প্রমাণিত হয়নি।[২] জাতিসংঘে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা সহিংসতার প্রতিবেদনগুলোকে "ভিত্তিহীন" বলে অভিহিত করেন।[১১]
সংখ্যালঘু নেতৃত্ব এই অবস্থানের তীব্র বিরোধিতা করে। বিএইচবিসিওপি সরকারের বিরুদ্ধে "নিষ্ক্রিয়তা" এবং "অস্বীকৃতি"-র অভিযোগ এনে যুক্তি দেয় যে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলাগুলোকে সাধারণ "রাজনৈতিক ঘটনা" হিসেবে চিহ্নিত করা অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করে।[১২] জাতিসংঘে প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্যের পর, ৩০ সেপ্টেম্বর পরিষদ একটি বিবৃতিতে সরকারের অবস্থানকে "সত্যের অপলাপ" হিসেবে আখ্যায়িত করে এবং পূর্ববর্তী বৈঠক ও জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দেয়।[১৩] ৭ আগস্ট আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) মব-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনের অক্ষমতার সমালোচনা করে।[১৪]
সহিংসতার কালপঞ্জি
[সম্পাদনা]ধর্মীয় স্থান ও বিগ্রহের অবমাননা
[সম্পাদনা]২০২৫ সাল জুড়ে, অসংখ্য জেলায় হিন্দু মন্দির এবং বিগ্রহের উপর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাংচুরের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। বছরের শুরুতেই ১ জানুয়ারি মৌলভীবাজারে একটি ঘটনা ঘটে, যেখানে বড়লেখা উপজেলায় একটি মন্দিরের বিগ্রহ ভাংচুর এবং অলঙ্কার লুটপাটের অভিযোগে হিন্দু ছদ্মবেশে এক মুসলিম ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।[১৫] এর পরপরই ১৫ জানুয়ারি গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রাচীন পাঠাবলি মন্দিরের বিগ্রহ ধ্বংস করা হয়।[১৬] মাসের শেষে ফরিদপুরে হামলার মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যেখানে ৩১ জানুয়ারি একটি সরস্বতী প্রতিমা ভাংচুর করা হয়; পুলিশ এমন এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে যাকে ২০২৪ সালে একই অপরাধে আটক করা হলেও মানসিক ভারসাম্যহীনতার অজুহাতে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।[১৭]
ফেব্রুয়ারি মাসে ময়মনসিংহের দক্ষিণ কালীবাড়ী মন্দিরের কালী বিগ্রহ ধ্বংস করা হয়,[১৮] এবং পিরোজপুরে সর্বজনীন দুর্গা মন্দির ও স্থানীয় দোকানপাটে হামলার সময় বাধা দিতে গিয়ে ১০ জন হিন্দু আহত হন।[১৯] একই মাসের শেষের দিকে পাবনার শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মাতা মন্দিরে দুই দফায় অনুপ্রবেশ ও বিগ্রহ ভাংচুরের অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।[২০]
মার্চ মাসে সিরাজগঞ্জ[২১] ও লক্ষ্মীপুরে[২২] বিচ্ছিন্ন ঘটনার পাশাপাশি পিরোজপুরের নাজিরপুরে একটি গুরুতর ঘটনা ঘটে, যেখানে একজন আওয়ামী লীগ নেতা ও তার সহযোগীরা একটি মন্দির ও বসতবাড়ি ধূলিসাৎ করে দেয়।[২৩] ১৪ এপ্রিল নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের গর্ভগৃহ ভাংচুর করা হয়।[২৪]
ধর্মীয় স্থান ধ্বংসের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি জুনে আন্তর্জাতিক বিতর্কের জন্ম দেয়। রথযাত্রা উৎসবের প্রাক্কালে, বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নির্মাণের অনুমতি নেই উল্লেখ করে ঢাকার খিলক্ষেত দুর্গা মন্দির বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়।[২৫] এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় হিন্দু নেতৃত্ব তীব্র নিন্দা জানায়; তারা এই উচ্ছেদকে উগ্রবাদীদের চাপে সংঘটিত "গভীর ক্ষত" হিসেবে অভিহিত করে।[২৬][২৭]
বছরের দ্বিতীয়ার্ধে হামলার তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পায়। মে মাসে সীতাকুণ্ডে একটি কালী ও শিব মন্দিরে অগ্নিসংযোগ করা হয়।[২৮] জুলাই মাসে নাটোরে ১০ ফুট উচ্চতার একটি কালী বিগ্রহ ধ্বংস[২৯] এবং ফরিদপুরে মন্দিরে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।[৩০] আগস্টে মাদারীপুরে দুটি মন্দির ভাংচুর করা হয়[৩১] এবং পবিত্র চন্দ্রনাথ পাহাড়ে মসজিদ নির্মাণের বিষয়ে অনলাইনে হুমকি প্রদান করা হয়, যদিও স্থানীয় প্রশাসন দাবি করে যে এমন কোনো অনুমতি প্রদান করা হয়নি।[৩২][৩৩]
সেপ্টেম্বরে ঘটনার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়: গাইবান্ধায় মন্দিরে অগ্নিসংযোগ;[৩৪] কুষ্টিয়ায় সিসিটিভি সরঞ্জাম চুরি ও ভাংচুর;[৩৫] এবং নেত্রকোণা,[৩৬] গাজীপুর,[৩৭] জামালপুর,[৩৮] সাতক্ষীরা,[৩৯] ঝিনাইদহ,[৪০] ও মানিকগঞ্জে[৪১] বিগ্রহের ক্ষতিসাধন করা হয়। অক্টোবরে মুন্সীগঞ্জে মন্দিরে হামলার পর অপরাধীদের আটক করা হয়,[৪২][৪৩] এবং নভেম্বরে টাঙ্গাইলে এগারোটি বিগ্রহ[৪৪] ও ফরিদপুরে রাধা-কৃষ্ণ বিগ্রহ ধ্বংসের মধ্য দিয়ে এই সহিংসতা অব্যাহত থাকে।[৪৫]
গণহিংসা ও অগ্নিসংযোগ
[সম্পাদনা]হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সংগঠিত গণহিংসার অনুঘটক হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুজবকে ব্যবহার করা হয়। ২৯ মার্চ, টাঙ্গাইলের সখীপুরে ফেসবুকে একটি মন্তব্যের জেরে 'তৌহিদী জনতা' পরিচয়দানকারী একদল উন্মত্ত ব্যক্তি এক হিন্দুর বাড়িতে হামলা চালায়; তারা সম্পত্তি ভাংচুর করে এবং জনসমক্ষে দেবী লক্ষ্মীর ছবি পুড়িয়ে দেয়।[৪৬][৪৭]
মে মাসে, যশোরের অভয়নগরের ডহর মশিয়াহাটি নামক হিন্দু গ্রামটি শত শত ইসলামী উগ্রবাদীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। ১৮টি বাড়ি লুটপাট ও ভাংচুর করে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রশাসনের সহায়তা পেতে প্রায় চার ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছিল।[৪][৪৮] ২৬ জুলাই রংপুরের গঙ্গাচড়ায় অনুরূপ একটি বৃহৎ আকারের হামলা ঘটে, যেখানে হাজার হাজার ইসলামপন্থী ১৫ থেকে ২০টি হিন্দু বাড়ি লুট করে জ্বালিয়ে দেয়। স্থানীয় এক হিন্দু ছাত্রের নাম ব্যবহার করে "নকল আইডি" থেকে দেওয়া একটি কথিত ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে এই সহিংসতার সূত্রপাত হয়; পুলিশ পরবর্তীকালে ওই ছাত্রকে হেফাজতে নেয়।[৫][৪৯] বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই হামলার এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রক্ষায় কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার তীব্র নিন্দা জানায়।[৫০][৫১][৫২]
ভূমি গ্রাস এবং জোরপূর্বক উচ্ছেদ
[সম্পাদনা]হিন্দু পরিবারের সম্পত্তি জবরদখলের ঘটনায় বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। মার্চ মাসে, স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে যশোরের শার্শায় ভূমি দখলের[৫৩] এবং সিলেটে এক হিন্দু পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে সম্পত্তি ত্যাগ না করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।[৫৪] আগস্টে, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে একাধিক হত্যা ও এক পুরোহিতের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তি ভাড়াটে গুন্ডা ব্যবহার করে জমি দখল করে; ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা ভুক্তভোগীদের ফোন থেকে ঘটনার প্রমাণ মুছে ফেলে বলে অভিযোগ ওঠে।[৫৫]
অক্টোবরে, নড়াইলে জমি দখলের সময় ৮০ জনেরও বেশি লোকের একটি দল এক হিন্দু বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়,[৫৬] এবং নাটোরে সাতটি পরিবার চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির সম্মুখীন হয়।[৫৭]
যৌন সহিংসতা
[সম্পাদনা]হিন্দু নারীদের লক্ষ্য করে যৌন সহিংসতা ও হয়রানি চালানো হয়। মার্চ মাসে নরসিংদীতে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ করে সেই দৃশ্য ভিডিও করা হয়; পরবর্তীতে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।[৫৮][৫৯] জুন মাসে কুমিল্লায় যৌন নিপীড়নের ভিডিও ধারণ ও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অনুরূপ ঘটনা ঘটে।[৬০][৬১] জুলাইয়ে খাগড়াছড়িতে ১৪ বছর বয়সী এক ত্রিপুরা কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে; ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করে যে অপরাধীরা বিএনপির সাথে যুক্ত।[৬২][৬৩]
পেশাজীবীদের লক্ষ্যবস্তুকরণ
[সম্পাদনা]হিন্দু পেশাজীবীরা ভীতি প্রদর্শন এবং শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হন। এপ্রিলে সীতাকুণ্ডে স্থানীয় বিএনপি নেতাসহ একটি গোষ্ঠীর চাপে এক স্কুল প্রধান শিক্ষক পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।[৬৪] জুলাইয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের এক সহকারী অধ্যাপককে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সদস্যরা অবরুদ্ধ করে হেনস্তা করে।[৬৫][৬৬] অক্টোবরে বরিশালে এক সংবাদপত্রের সম্পাদককে উগ্রবাদীরা লাঞ্ছিত করে; তারা তাকে "কাফের" ও "ইসকন সদস্য" হিসেবে চিহ্নিত করে, জোরপূর্বক স্ট্যাম্প পেপারে স্বাক্ষর করায় এবং তার স্ত্রীকে গণধর্ষণের হুমকি দেয়।[৬৭]
ভালুকায় গণপিটুনিতে হত্যা
[সম্পাদনা]১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় গণহিংসায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে এক হিন্দু যুবককে হত্যা করা হয়। নিহত যুবকের নাম দিপু চন্দ্র দাস। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন এবং ওই এলাকায় ভাড়াবাসায় থাকতেন। প্রাথমিক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ইসলামের নবীকে অবমাননা করার অভিযোগে রাত ৯টার দিকে একদল লোক তাকে আটক করে। ভালুকা থানার ডিউটি অফিসারের তথ্যমতে, আটককারীরা দাসকে নির্মমভাবে প্রহার করে, যার পর তাকে বিবস্ত্র করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে খুঁটির সাথে বেঁধে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।[৬৮][৬৯][৭০]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 হাসান, সেমা। "2025 Factsheet Bangladesh" (পিডিএফ)। United States Commission on International Religious Freedom। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৫।
- 1 2 "Killings of 23 minorities found to have no link with communal violence: CA press wing"। দৈনিক প্রথম আলো। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৫।
- 1 2 3 4 "Attacks on minorities: 258 incidents in first half of 2025"। দ্য ডেইলি স্টার। ১১ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৫।
- 1 2 "Fear grip Matua village in Jashore after arson centring BNP leader's murder"। jagonews24.com। ২৫ মে ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- 1 2 রায়, এস দিলীপ (৩০ জুলাই ২০২৫)। "1,200 sued over attack on Hindu homes in Rangpur"। দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Violence Against Religious Minorities January-September 2025" (পিডিএফ)। Ain o Salish Kendra। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ চৌধুরী, দীপাঞ্জন রায় (২১ জুন ২০২৫)। "UK report downplays minority persecution in Bangladesh"। The Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "US says Bangladesh's religious freedom declines"। New Age। ১৪ নভেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh: Interim government must take immediate actions to protect Hindu and other minority communities"। Amnesty International। ১৪ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh: Year since Hasina Fled, Rights Challenges Abound"। Human Rights Watch। ৩০ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Violence against Hindus not increased, crime under control: Chief Adviser"। দৈনিক প্রথম আলো। ১ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ আলম, জুলহাস (৩০ জানুয়ারি ২০২৫)। "Bangladesh minority rights group accuses interim government of failing to protect minorities"। The Independent। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Minority community leaders denounce Yunus"। New Age। ১৫ নভেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "One year of interim govt: Rights violations persist amid weak law and order"। দ্য ডেইলি স্টার। ৮ আগস্ট ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Man lands in jail for vandalising idols in Moulvibazar temple"। দ্য ডেইলি স্টার। ১ জানুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Idol found broken at Gazipur temple"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৬ জানুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ পূজার তিন দিন আগে ফরিদপুরে সরস্বতী প্রতিমা ভাংচুর, যুবক আটক। Voice of America - Bengali। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ হালুয়াঘাটে কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর। Janakantha। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ নাজিরপুরে দোকান ও মন্দিরে ভাঙচুর; আটক ৩। Daily Kalbela। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Idol damaged in Pabna temple; one arrested"। দ্য ডেইলি স্টার। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ সিরাজগঞ্জে রাতের আঁধারে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Youth seen on CCTV detained for vandalizing idol inside Lakshmipur temple"। ঢাকা ট্রিবিউন। ১৫ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা। Daily Inqilab। ১৫ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ নোবিপ্রবির উপাসনালয় ভাঙচুর। Rising BD। ১৪ এপ্রিল ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Temporary mandap removed from railway's land in Khilkhet lawfully"। Bangladesh Sangbad Sangstha। ২৭ জুন ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'Grave concerns': India slams Bangladesh over Durga temple demolition in Dhaka; slams Yunus govt of inaction"। The Times of India। ২৭ জুন ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ দাস, সজল (২৮ জুন ২০২৫)। ঢাকার খিলক্ষেতে পূজা মণ্ডপ ভাঙা ও উচ্ছেদ নিয়ে কী জানা যাচ্ছে?। BBC News। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ সীতাকুণ্ডে একটি মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর, আগুন। দৈনিক প্রথম আলো। ১ জুন ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ নাটোরে শ্মশানের কালীমন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর। দৈনিক প্রথম আলো। ২২ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Idols vandalised at Hindu temple in Faridpur"। দ্য ডেইলি স্টার। ৩০ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ মাদারীপুরে রাতের আঁধারে দুটি মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর। bdnews24.com। ৭ আগস্ট ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Security tightened at Sitakunda's Chandranath Temple after Facebook post on mosque construction"। The Business Standard। ২০ আগস্ট ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Mosque at Chandranath Hill 'out of question': advisor"। bdnews24.com। ২০ আগস্ট ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Idols burnt, damaged in Gaibandha over Hindu temple management feud"। The Business Standard। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Idols vandalised in Kushtia temple"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ নেত্রকোনায় দুর্গা পূজা মণ্ডপে মূর্তি ভাঙচুর, আতঙ্কে স্থানীয়রা। Janakantha। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "2 minors held over idol vandalism in Gazipur"। The Business Standard। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "One held for vandalising idols in Jamalpur temple"। দ্য ডেইলি স্টার। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ প্রতিমা ভাঙচুর, ১ জন আটক। Daily Kalbela। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ ঝিনাইদহে প্রতিমা ভাঙচুর, একজনকে আটক। দৈনিক প্রথম আলো। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Idols vandalised at Manikganj temple"। দ্য ডেইলি স্টার। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ মুন্সীগঞ্জে প্রতিমা ভাঙচুর, মানসিক রোগী সুইপার আজিজুল হাতেনাতে ধরা। Amar Desh। ৪ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ সিরাজদিখানে লক্ষী প্রতিমা ভাঙচুর, একজনকে আটক। Granagar Barta। ৮ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ এলেঙ্গাতে রাধাগোবিন্দ রাসলীলা মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর। দৈনিক প্রথম আলো। ৮ নভেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ নগরকান্দায় রাধা–কৃষ্ণের মূর্তি ভাঙচুর: এক যুবক আটক। Dainik Ghoshana। ৯ নভেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Hindu man's house vandalised in Tangail over 'Facebook comment'"। দ্য ডেইলি স্টার। ৩০ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Facebook hack, Hindu Saha house vandalized, Goddess Laxmi desecrated"। Human Rights Center for Bangladesh। ৩১ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ তানভী, জান্নাতুল (২৫ মে ২০২৫)। যশোরের অভয়নগরের সংখ্যালঘু মতুয়া হিন্দু গ্রামে আগুন-কী ঘটেছিল। BBC News। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Haunted by 2017, hunted again in 2025: Mobs leave Gangachara's Hindu families scarred and scattered"। bdnews24.com। ৩০ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ রংপুরের ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দাবি ঐক্য পরিষদের। Daily Kalbela। ২৯ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ গঙ্গাচড়ায় হিন্দুদের বসতঘরে হামলার নিন্দা, জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি। দৈনিক প্রথম আলো। ২৯ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ রংপুরে হিন্দুপাড়ায় হামলার প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল। দৈনিক প্রথম আলো। ২৯ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ হিন্দুর বাড়ি দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। The Daily Campus। ৩ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ সিলেটে হিন্দু বাড়িতে ‘হামলা-ভাঙচুর’, থানায় অভিযোগ। bdnews24.com। ২২ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ কালিগঞ্জে হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। Daily Kalbela। ২০ আগস্ট ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ নড়াইলে হিন্দুদের বসতবাড়ি দখল ও গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ। Daily Jugantor। ১৪ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ সিংড়ায় সাত হিন্দু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ। Daily Kalbela। ২০ আগস্ট ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Woman raped in Narsingdi"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৭ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ নরসিংদীতে গৃহবধূ ধর্ষণ ও হত্যার হুমকিদাতা রাকিব গ্রেপ্তার। Bangladesh Pratidin। ২০ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ সিং, নমিতা (১ জুলাই ২০২৫)। "Bangladesh reels after rape of Hindu woman filmed and shared online"। The Independent। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ এনজি, কেইলি (৩০ জুন ২০২৫)। "Uproar over sexual assault in Bangladesh after video spreads online"। BBC News। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Khagrachhari rape: Protesters across the country demand justice"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৮ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ খাগড়াছড়িতে কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে যা জানা যাচ্ছে। BBC News Bengali। ১৮ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'Cannot sleep at night after seeing video of our father being harassed'"। দৈনিক প্রথম আলো। ১৮ এপ্রিল ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Allegation of forming 'mob' around a CU asst professor came for promotion interview"। দৈনিক প্রথম আলো। ৪ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ কুশল বরণ চক্রবর্তী: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ, সেখানে যা ঘটেছিল। BBC News Bengali। ৫ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ দ্যা নিউজ সম্পাদক ও প্রকাশকের উপর হামলার প্রতিবাদ ও মানববন্ধন। Torun Kantha। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "LIVE Updates | Bangladesh unrest: Violence erupts after anti-Hasina leader Hadi's death; 2 news channels, Awami League offices torched, Hindu youth burned"। PTC News (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Hindu man beaten to death, set on fire by mob in Bangladesh over alleged blasphemy"। The Week (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "'What steps they are taking?': Shashi Tharoor slams 'mob rule' after Hindu man's lynching in Bangladesh"। Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০২৫।