২০২৫-২০২৬ ইরানি বিক্ষোভ
এই নিবন্ধে একটি সাম্প্রতিক ঘটনা উপস্থাপিত হয়েছে। ঘটনাপ্রবাহের সাথে সাথে ঘটনা-সংক্রান্ত তথ্য ক্রমাগত পরিবর্তিত হতে পারে এবং প্রাথমিক সংবাদ প্রতিবেদন সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য না-ও হতে পারে। এই নিবন্ধের সর্বশেষ হালনাগাদকৃত সংস্করণে সাম্প্রতিকতম তথ্য প্রতিফলিত না-ও হতে পারে। (জানুয়ারি ২০২৬) |
| ২০২৫–২০২৬ ইরানি বিক্ষোভ | |||
|---|---|---|---|
| ইরান সরকারেরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, ইরানের অর্থনৈতিক সংকট এবং এশিয়ায় জেন জি বিক্ষোভের অংশ অংশ | |||
| তারিখ | ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ – বর্তমান (১ মাস ও ১১ দিন) | ||
| অবস্থান | ৩১টি প্রদেশ জুড়ে ১৮০টি শহরের ৫১২টি স্থানে।[১] ইরানের একাধিক শহর জুড়ে বিক্ষোভ রেকর্ড করা হয়েছে, প্রধানত তেহরান (গ্র্যান্ড বাজার এবং বাণিজ্যিক জেলাসমূহ), আহভাজ, আরাক, দারগাহান, ফারসান, ফাসা, ফুলাদশাহর, হামাদান, ইসফাহান, ইজেহ, কেরমানশাহ, মাশহাদ, মারলিক, নাজাফাবাদ, নুরাবাদ, কেশম, কোম, শিরাজ, সারি এবং অন্যান্য।[ক][২][৩] | ||
| কারণ | রাজনৈতিক সমস্যা
কাঠামোগত/আদর্শিক সমস্যা
অর্থনৈতিক সমস্যা
| ||
| লক্ষ্য |
| ||
| পদ্ধতি |
| ||
| অবস্থা | চলমান | ||
| পক্ষ | |||
| |||
| নেতৃত্ব দানকারী | |||
অন্যান্য:
| |||
| সংখ্যা | |||
| |||
| ক্ষয়ক্ষতি | |||
| নিহত | ১২,০০০–২০,০০০ বিক্ষোভকারী (সিবিএস নিউজের মতে) >১২,০০০ বিক্ষোভকারী (ইরান ইন্টারন্যাশনালের মতে)[৩৭] ~২,০০০–৩,০০০ সামগ্রিক (ইরান সরকারের কর্মকর্তাদের মতে)[খ] >২,০০০ সামগ্রিক (HRANA-এর মতে)[গ] | ||
| গ্রেপ্তার | >১৬,৭০০[৪১] | ||
| ৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে সরকার কর্তৃক আরোপিত ইন্টারনেট এবং টেলিফোন ব্ল্যাকআউটের কারণে হতাহতের সঠিক সংখ্যা অনিশ্চিত | |||
২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে গভীরতর অর্থনৈতিক সংকট এবং সরকারের প্রতি ব্যাপক অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে ইরানের একাধিক শহরে গণবিক্ষোভ শুরু হয়। শুরুতে এই বিক্ষোভের কারণ ছিল লাগামছাড়া মূল্যস্ফীতি, খাদ্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি এবং ইরানি রিয়ালের তীব্র অবমূল্যায়ন। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আন্দোলনটি আরও বিস্তৃত রূপ নেয় এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শাসনের অবসানের দাবি সামনে আসে।[৪২] তেহরানের দোকানদার ও বাজারের ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছড়িয়ে পড়ে এবং সারা দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এতে যুক্ত হন। বিক্ষোভকারীরা "স্বৈরশাসকের মৃত্যু", "পাহলভি ফিরে আসবে", এবং "শাহ দীর্ঘজীবী হোন"—এমন সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন। এসব স্লোগানের মাধ্যমে তারা অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দায়ীদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি আরও বিস্তৃত রাজনৈতিক দাবিও তুলে ধরেন।[৪৩][৪৪] এই আন্দোলনটি দ্রুতই মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর সংঘটিত ২০২২–২০২৩ সালের বিক্ষোভের পর থেকে ইরানে দেখা সবচেয়ে বড় অস্থিরতার রূপ নেয়।[৪৫][৪৬][৪৭]
দ্রুত অবনতিশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতিই এই বিক্ষোভের ঢেউকে ত্বরান্বিত করে। ইরানে বছরভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি ২০২৫ সালের অক্টোবরে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮.৬ শতাংশে এবং ডিসেম্বর মাসে তা ছিল ৪২.২ শতাংশ, যা সাধারণ মানুষের পারিবারিক ব্যয়ে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করে।[৪৮] ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর নাগাদ ইরানি রিয়াল মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইতিহাসের সর্বনিম্ন মানে নেমে যায়—এক ডলারের জন্য প্রায় ১৪.৫ লাখ রিয়াল।[৪৫][৪৯] খাদ্যপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় বহু ইরানি নাগরিকের পক্ষে মৌলিক চাহিদা পূরণ করাও কঠিন হয়ে পড়ে।[৪৯] এই মুদ্রা সংকটটি কয়েক বছর ধরেই ধীরে ধীরে গড়ে উঠছিল। তবে ২০২৫ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘটিত বারো দিনের যুদ্ধ এবং স্ন্যাপব্যাক ব্যবস্থার মাধ্যমে পুনরায় আরোপিত জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা—বিশেষ করে পারমাণবিক কর্মসূচি-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা—পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তোলে।[৪৫]
প্রথমদিকে তেহরানের বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও বিক্ষোভ দ্রুত ইস্পাহান, শিরাজ এবং মাশহাদসহ দেশের অন্যান্য বড় শহরে ছড়িয়ে পড়ে।[৪৫] তেহরানে বিক্ষোভের মূল কেন্দ্র ছিল বড় বাজার এলাকা, যেখানে ব্যবসায়ীরা সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিতে ধর্মঘটে অংশ নেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করছে।[৪৫] বিক্ষোভের পরিধি ও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন শহরের বিক্ষোভকারীরা অর্থনৈতিক স্বস্তির পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিও তুলতে থাকেন। এ সময় তারা "স্বাধীনতা"-র মতো স্লোগান দেন এবং প্রকাশ্যে সরকারের বিরোধিতা করেন।[৫০]
পটভূমি
[সম্পাদনা]
২০২৬ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত, ইরান আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘতম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, বিশেষ করে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে পুনর্বহাল করা নিষেধাজ্ঞার ফলে, ইরানের তেল রপ্তানি এবং বিশ্ব বাজারে প্রবেশাধিকার মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে। অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা, ব্যাপক দুর্নীতি, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং কাঠামোগত অদক্ষতা তীব্র সামাজিক অসন্তোষের দিকে পরিচালিত করেছে। সংকটের কারণে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে মুদ্রাস্ফীতি আকাশছোঁয়াভাবে ৪৮.৬% এবং ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ৪২.২%-এ পৌঁছেছে, যা পারিবারিক বাজেটকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে। [৪৮] ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত, অনুমান করা হয়েছিল যে দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী ইরানিদের ২২% থেকে ৫০% - যা ২০২২ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি [৫১] একটি পদ্ধতিগত জ্বালানি সংকট বছরের পর বছর ধরে দেশটিকে ক্রমাগতভাবে জর্জরিত করে আসছে, দ্রুত অর্থনৈতিক পতনের পাশাপাশি এই সমস্যাটি চরমে পৌঁছেছে। [৫২]
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালে ঘোষণা করেছিল যে ৫৭% ইরানি কিছু মাত্রায় অপুষ্টিতে ভুগছে। মজলিস জানিয়েছে যে ২৫-৪০ বছর বয়সী ৫০% পুরুষ বেকার এবং কর্মসংস্থান খুঁজছেন না। [৫৩] [৫৪]
এই দ্বৈত সংকটের ফলে ২০২৫ সালের মে মাসে ইরানে তীব্র খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয় এবং দেশব্যাপী বিক্ষোভ শুরু হয়, সেই সাথে গণপরিবহন খাতে শ্রমিক ধর্মঘটও শুরু হয়। [৫৫] পরবর্তীতে ২০২৫ সালে, ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর আরও বড় বিক্ষোভ শুরু হয় এবং এর মধ্যে অনেক সরকারবিরোধী মনোভাব এবং স্লোগানও অন্তর্ভুক্ত থাকে। [৫৬] [৫৭]
১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে, টাইম ম্যাগাজিন, ইউরোনিউজ এবং আল-মনিটর রিপোর্ট করেছিল যে ইরান অর্থনৈতিক পতনের কাছাকাছি পৌঁছেছে। [৫৮] [৫৯] রিয়াল সর্বনিম্ন মূল্যে নেমে এসেছে, এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১,২৫০,০০০ রিয়ালে লেনদেন হচ্ছে, অর্থমন্ত্রী ইসরায়েলের সাথে সাম্প্রতিক যুদ্ধের প্রভাবকে দায়ী করেছেন। [৬০] [৬১] ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি জনগণকে খাদ্য, পানি, জ্বালানি এবং জ্বালানি খরচ কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন। [৬২]
বাজেট কমিশন জানিয়েছে যে সরকারের বাজেট ঘাটতি প্রায় ১,৮০০ ট্রিলিয়ন টোমান বলে অনুমান করা হয়েছে। [৬৩] মাংস একটি বিলাসবহুল খাদ্যে পরিণত হয়েছে বলে জানা গেছে, যেখানে ৭০ লক্ষ ইরানি ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছে। [৬৪] [৬৫]
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Day Thirteen of the Protests: Nighttime Demonstrations Continue Amid Internet Shutdown"। HRANA। ৯ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Mapping the ongoing protests in Iran (UPDATED)"। faytuksnetwork.com। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ See also the map made by the Spiegel: Cieschinger, Almut; Kornfeld, Anna-Lena; Martin, Anna Sophia; Riedmann, Bernhard; Schneider, Anna-Sophie (৯ জানুয়ারি ২০২৬)। "(S+) Iran: So breiten sich die regimekritischen Proteste aus"। Der Spiegel (জার্মান ভাষায়)।
- ↑ "Day four of Iran protests sees rallies spread and regime change calls grow"। Iran International (ইংরেজি ভাষায়)। ১ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Parent, Deepa; Christou, William। "'No future for us': disaffected Iranians say it's now or never to topple regime"। The Guardian (ইংরেজি ভাষায়)।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;BBC9Janনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;FPJanনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "Reza Pahlavi, the exiled son of Iran's last shah at centre of protest chants"। BBC News। ৯ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Protesters in Marvdasht chant 'Pahlavi will return' on fifth day of protests"। Iran International। ১ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Teller, Neville (৩০ জুন ২০২৫)। "Is there a chance for regime change in Iran? – opinion"। The Jerusalem Post। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Jones, David (৮ জানুয়ারি ২০২৬)। "If we don't ban Iran's terror gang now we never will"। The Telegraph (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0307-1235। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Karim, Matin (৪ জানুয়ারি ২০২৫)। "PMOI Resistance Units: "From Zahedan to Tehran, down with the oppressor""। People's Mojahedin Organization of Iran (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Iran Braces for More Protests. Here's What to Know."। New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 Shamim, Sarah। "Which are Iran's main opposition groups?"। Al Jazeera (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 4 5 6 7 "Call for general strike against repression in Kurdistan, in solidarity with protesters in Iran"। Hengaw (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 4 5 6 7 "Iranian Kurdish groups support nationwide economic protests"। Shafaq News (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 Sleiman, Nadia (১১ জানুয়ারি ২০২৬)। "Iran Update, January 10, 2026"। Institute for the Study of War (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Iran: Police officer shot dead in Iranshahr"। Caliber.Az (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "خبرگاه؛ علی اردستانی به اتهام "جاسوسی" برای اسرائیل اعدام شد"। DW (ফার্সি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;balochনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "Iranian Baloch group calls for protests and strikes across Iran"। Iran International। ৭ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 Bern, Stefaniia (১২ জানুয়ারি ২০২৬)। "Iran Update, January 11, 2026"। Institute for the Study of War (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 "Iranian Authorities Intensify Crackdown on Protests with Live Fire, Arbitrary Arrests, and Attacks on Hospitals"। Center for Human Rights in Iran (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৬ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 "Iranian labor, civil and retiree groups voice support for protests"। Iran Insight (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৪ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;https://premierchristian.news/us/news/article/iranian-christian-alliance-urges-restraint-as-protests-continue-across-iranনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;ground forcesনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Bern, Stefaniia (১০ জানুয়ারি ২০২৬)। "Iran Update, January 9, 2026"। Institute for the Study of War (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Thousands participate in pro-government rallies across Iran (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৬ – Youtube এর মাধ্যমে।
- ↑ "Iranian protests escalate as authorities cut internet and crackdown intensifies"। Euronews। ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Protests in Iran sparked by economic woes now nationwide, activists say"। ABC News। ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Dehghanpisheh, Babak; Austin, Henry (৮ জানুয়ারি ২০২৬)। "Video shows security forces firing tear gas at protesters as Iran crackdown kills dozens"। NBC News।
- ↑ "In Iran, no internet and surging protests urged on by an exiled prince"। Global News। ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "استقبال گسترده از فراخوان شاهزاده رضا پهلوی برای قیام ملی"। ایندیپندنت فارسی (ফার্সি ভাষায়)। ৮ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Internet and phones cut in Iran as protesters heed exiled prince's call for mass demonstration"। Politico। ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Millions of Iranians take to the streets as protest death toll hits 42"। Iran International। ৯ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Christou, William; Parent, Deepa (১২ জানুয়ারি ২০২৬)। "Iran holds pro-government rally as regime seeks to downplay protests"। The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;iran-intl-12000নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "About 2,000 killed in Iran protests, official says"। Reuters। ১৩ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "'Shoot to Kill': Accounts of Brutal Crackdown Emerge From Iran"। The New York Times। ১৩ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Iran Says It's Quelled Protests After Hundreds Reported Killed"। Bloomberg News। ১২ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "Death toll from nationwide protests in Iran spikes to at least 2,000, activists say"। AP News। ১৩ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ Parent, Deepa; Christou, William (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫)। "'We want the mullahs gone': economic crisis sparks biggest protests in Iran since 2022"। The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Protesters in Isfahan chant 'death to the dictator'"। Iran International। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "Videos show monarchist, anti-clerical slogans in Hamadan, Arak, Sabzevar"। Iran International। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 4 5 "Protests erupt in Iran over currency's plunge to record low"। AP News (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Salem, Mostafa (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Iran's ailing supreme leader resorts to his only playbook as crises mount and protests erupt"। CNN (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Barin, Mohsen (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Iran's economic crisis, political discontent threaten regime"। DW News। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 "Protests erupt in Iran over currency's plunge to record low"। AP News (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 Bozorgmehr, Najmeh (২৯ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Iran's currency 'turns to ash' as economy spirals"। Financial Times।
- ↑ Malekian, Somayeh (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Iranian protests expand beyond the economy as students demand freedom, end to regime rule"। ABC News। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Hafezi, Parisa। "Despite tough talk, economic woes may force Iran to bargain with Trump"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "The Economic Challenge Ahead for Iran"। ISPI।
- ↑ Hafezi, Parisa। "Despite tough talk, economic woes may force Iran to bargain with Trump"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "تحلیل نشریه تایم از وضعیت ایران؛ آیا جمهوری اسلامی در آستانه فروپاشی است؟"। euronews (ফার্সি ভাষায়)। ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Hafezi, Parisa। "Despite tough talk, economic woes may force Iran to bargain with Trump"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ Salem, Mostafa (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Iran's ailing supreme leader resorts to his only playbook as crises mount and protests erupt"। CNN (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Barin, Mohsen (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫)। "Iran's economic crisis, political discontent threaten regime"। DW News। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "تحلیل نشریه تایم از وضعیت ایران؛ آیا جمهوری اسلامی در آستانه فروپاشی است؟"। euronews (ফার্সি ভাষায়)। ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Hafezi, Parisa। "Despite tough talk, economic woes may force Iran to bargain with Trump"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "The Economic Challenge Ahead for Iran"। ISPI।
- ↑ Hafezi, Parisa। "Despite tough talk, economic woes may force Iran to bargain with Trump"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ Hafezi, Parisa। "Despite tough talk, economic woes may force Iran to bargain with Trump"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ Hafezi, Parisa। "Despite tough talk, economic woes may force Iran to bargain with Trump"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "The Economic Challenge Ahead for Iran"। ISPI।
- ↑ Hafezi, Parisa। "Despite tough talk, economic woes may force Iran to bargain with Trump"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ↑ ১৪৫টিরও বেশি স্থানে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে আবাদান, আবদানান, আহভাজ, আলিগুদারজ, আলভান্দ, আমলাশ, আমোল, আরাক, আরাকভাজ, আরসানজান, আসাদাবাদ, আসালুয়েহ, আশখানেহ, আস্তারা, আজনা, বাবাহেইদার, বাবোল, বাঘ-ই মালেক, বন্দর আব্বাস, বন্দর গানাভেহ, বন্দর-ই আনজালি, বন্দর কানগান, বানেহ, বোরাজজান, বোরুজেরদ, চাবোকসার, চাহারবাঘ, চেনার শাহিজান, দারগাহান, দেহলোরান, দেলিজান, দেজফুল, দোগোনবাদান, দোরুদ, একলিদ, এসফারায়েন, ইসলামাবাদ-ই গার্ব, ইসলামশহর, ফালাভারজান, ফারিম্যান, ফারসান, ফাসা, ফিরুজাবাদ, ফিরুজকুহ, ফুলাদশাহর, গারমদাররেহ, গার্মসার, গিলান-ই গার্ব, গোনায়বাদ, গোর্গান, হাফশেজান, হামাদান, হারসিন, হোলেইলান কাউন্টি, ইলাম, ইসফাহান, ইজেহ, জাহরোম, জুনকান, জুইয়াবাদ, কারাজ, কাশান, কাভার, কাজেরুন, কেরেনদ-ই গার্ব, কেরমান, কেরমানশাহ, খাশ, খোমেইনি শহর, খোররমাবাদ, কিশ দ্বীপ, কুহচেনার কাউন্টি, কুহদাশত, লাহিজান, লালি, লর্দেগান, লুমার, মাহাবাদ, মহল্লাত, মালার্ড, মালায়েল, মারাঘেহ, মারিভান, মারভদাশত, মাশহাদ, মেশকান, মুরমুরি, নাহাভান্দ, নাজাফাবাদ, নেকাব, নেইরিজ, নিশাপুর, নুরাবাদ, পাদিস, পাভেহ, কায়েন, কাসর-ই শিরিন, কাজভিন, কেয়দার, কোম, কোরভেহ, রামহরমোজ, রাশত, রোবাত করিম, রুদসার, সাবজেভার, সাফাশহর, সাহনেহ, সালেহাবাদ, সামান, সাক্কেজ, সারপোল-ই জাহাব, সারভেস্তান, সারি, সাভেহ, সেমনান, শাহিন শহর, শাহরেকর্দ, শাহরুদ, শালামজার, শাজান্দ, শিরাজ, শিরভান, শুশ, সনকর, তাবরিজ, তেহরান, টোনেকাবন, তোরবাত-ই হেইদারিয়েহ, তুয়সারকান, উরমিয়া, ভাহদাতিয়েহ, ভায়রামিন, ভারজানেহ, ইয়াসুজ, ইয়াজদ, ইয়াজদান শহর, জাবোল, জাহেদান, জানজান, জারকান, জারিনশহর এবং জিবাশহর।
- ↑ নিম্ন প্রাক্কলন রয়টার্সের সাথে কথা বলা একজন কর্মকর্তার মতে, উচ্চ প্রাক্কলন দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাথে কথা বলা একজন কর্মকর্তার মতে।[৩৮][৩৯] ইরানি রাষ্ট্রীয় মিডিয়া অনুযায়ী ১২১ জন নিরাপত্তা বাহিনী সদস্য অন্তর্ভুক্ত।[৪০]
- ↑ ১,৮৪৭ জন বিক্ষোভকারী, ১৩৫ জন নিরাপত্তা বাহিনী, ৯ জন অ-বিক্ষোভকারী বেসামরিক নাগরিক এবং ৯ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত।[৪১]
<ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি