২০২৩ প্যারিস আক্রমণ
| ২০২৩ প্যারিস আক্রমণ | |
|---|---|
২০১৮ সালে পন্ট ডে বীর-হাকিম | |
| স্থান | প্যারিসের পন্ট ডে বীর-হাকিমের নিকটে |
| তারিখ | ২ ডিসেম্বর ২০২৩ রাত ৯টার একটু আগে (সিইটি (ইউটিসি+০১:০০)) |
| ব্যবহৃত অস্ত্র | ছুরি ও হাতুড়ি |
| নিহত | ১ |
| আহত | ২ |
| অভিযুক্ত | আরমান্ড রাজাবপুর-মিয়ান্দোয়াবিস |
| কারণ | ইসলামি চরমপন্থা |
২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের পন্ট ডে বির-হাকিমের কাছে একজন ইরানি বংশোদ্ভূত ফরাসি ব্যক্তি তিনজনের উপর ছুরি ও হাতুড়ি দিয়ে হামলা চালানোর ফলে তাদের একজন নিহত হয়।[১]
আক্রমণ
[সম্পাদনা]প্যারিসের ১৫তম অ্যারোন্ডিসমেন্টের কোয়াই ডি গ্রেনেলে ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর রাত ০৯:০০ টার (২০:০০ জিএমটি) ঠিক আগে একজন ব্যক্তি "আল্লাহু আকবার" বলে চিৎকার দিয়ে ছুরি এবং হাতুড়ি দিয়ে তিনজনকে আক্রমণ করে।[১] এই ঘটনায় একজন নিহত হন।[১]
প্রতিক্রিয়া
[সম্পাদনা]পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে[২] এবং পূর্বপরিকল্পিত ও সন্ত্রাসী-প্রণোদিত হত্যার চেষ্টার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে।[১] রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল মাক্রোঁ এটিকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বর্ণনা করেন।[১]
শিকার
[সম্পাদনা]প্রাণঘাতী আক্রমণের শিকার একজন যুবক ছিলেন যিনি ফিলিপাইন থেকে জার্মানিতে অভিবাসী হওয়া একজন পর্যটক ছিলেন।[১] তিনি পেশায় একজন নার্স এবং জার্মান নাগরিক ছিলেন।[১] বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের একজন ৬০ বছর বয়সী ফরাসি নাগরিক এবং অন্যজন ৬৬ বছর বয়সী ব্রিটিশ পর্যটক।[১][২]
সন্দেহভাজন
[সম্পাদনা]সন্দেহভাজন ব্যক্তি হলেন আরমান্ড রাজাবপুর-মিয়ান্দোয়াবিস, ২৬ বছর বয়সী একজন পুরুষ যার মানসিক সমস্যা রয়েছে।[১][২] তিনি ১৯৯৭ সালে ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবের সময় পালিয়ে আসা ইরানি বাবা-মায়ের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।[১][২][৩] তার বাবা-মায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি ২০০২ সালের ২০ মার্চ ফরাসি নাগরিকত্ব অর্জন করেন।[৪][৫] জন্মের পর তার প্রথম নাম ছিল ইমান, কিন্তু ২০০৩ সালে তার নাম পরিবর্তন করা হয়।[৫] হামলার পরিকল্পনার অপরাধে চার বছর কারাদণ্ড ভোগ করার পর ২০২০ সালে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। প্রসিকিউটর জিন-ফ্রান্সোয়া রিকার্ড বলেছেন যে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ইসলামিক স্টেটের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছিলেন।[১]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 "Paris attack near Eiffel Tower leaves one dead and two injured"। BBC News। ২ ডিসেম্বর ২০২৩। ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০২৩।
- 1 2 3 4 Chris Liakos; Heather Chen (৩ ডিসেম্বর ২০২৩)। "One dead, two injured in Paris knife and hammer attack near Eiffel Tower"। CNN। ৪ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০২৩।
- ↑ "Attaque à Paris : trois jours après, la mère du terroriste dit renier son fils"। Le Figaro (ফরাসি ভাষায়)। ৫ ডিসেম্বর ২০২৩। ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০২৩।
- ↑ "JORF n° 0069 du 22 mars 2002 - Légifrance" (PDF)। legifrance.gouv.fr (ফরাসি ভাষায়)। পৃ. ৫১৪১। ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০২৩।
- 1 2 "Attaque à Paris : le terroriste Armand Rajabpour-Miyandoab se prénommait Iman jusqu'en 2003"। Le Figaro (ফরাসি ভাষায়)। ৩ ডিসেম্বর ২০২৩। ৪ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০২৩।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- "Le Sénat adopte un texte permettant la rétention de sûreté des terroristes"। Le Monde.fr (ফরাসি ভাষায়)। ৩১ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- "Attentats : « La radicalisation religieuse est-elle vraiment religieuse ? »"। La Croix (ফরাসি ভাষায়)। ৫ জানুয়ারি ২০২৪। আইএসএসএন 0242-6056। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।