২০১৯ বোরহানউদ্দিনে বিক্ষোভ ও হত্যাকাণ্ড
| ২০১৯ বোরহানউদ্দিনে বিক্ষোভ ও হত্যাকাণ্ড | |||
|---|---|---|---|
| তারিখ | দুপুর ১০টা–দুপুর ১টা, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ||
| অবস্থান | বোরহানউদ্দিন উপজেলা, ভোলা | ||
| কারণ | ফেসবুকে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি | ||
| লক্ষ্য | কটূক্তিকারীর বিচারের দাবি | ||
| পদ্ধতি | বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, পুলিশের গুলি | ||
| ফলাফল | আংশিক সফল, ব্যর্থ | ||
| পক্ষ | |||
| |||
| নেতৃত্ব দানকারী | |||
কোন কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব নেই বাংলাদেশ পুলিশ | |||
| সংখ্যা | |||
| |||
| হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি | |||
| |||
২০১৯ বোরহানউদ্দিনে বিক্ষোভ ও হত্যাকাণ্ড একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশের ঘটনা। এটা আওয়ামীলীগের শাসনের শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রিত্ব কালীন সময়কার একটি উল্লেখযোগ্য সহিংসতার ঘটনা, এটি বাংলাদেশের ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর সংঘটিত হয়।[১] ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের প্রেক্ষিতে সংগঠিত এই বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের গুলিতে অন্তত ৪ জন নিহত ও ৫০ জনের অধিক আহত হন।[২] ঘটনাটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পরে রাশিয়া, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, কাতার সহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়।
প্রেক্ষাপট
[সম্পাদনা]২০১৯ সালের ১৮ অক্টোবর, ঘটনার দুইদিন আগে শুক্রবার বিকালে বিপ্লব চন্দ্র শুভ নামক নাম ও ছবি সংবলিত ফেসবুক আইডি থেকে আল্লাহতায়ালা ও ইসলামের কেন্দ্রীয় নবী রাসুলুল্লাহকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ গালাগাল করে এবং তার কয়েকজন ফেসবুক বন্ধুর কাছে ম্যাসেজ করে। পত্রিকা ও স্থানীয়দের তথ্য মোতাবেক জানা যায়, বিপ্লব চন্দ্র শুভ বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্র মোহন বৈদ্দের ছেলে।[৩] স্থানীয়রা ব্যক্তিরা জানায়, ফেসবুকে উক্ত একাউন্ট থেকে মহানবী ও তার কন্যা ফাতেমাকে নিয়ে ফেসবুকে ‘অবমাননাকর মন্তব্য’ করেছিলো।
এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য আসার পরে এটা মুসলমান বন্ধু-বান্ধব পরিচিতদের নজরে আসে। তারা পোস্ট ও ম্যাসেজগুলোর স্ক্রিনশর্ট নিয়ে ফেসবুকে কয়েকজন প্রতিবাদ জানায়। ধীরে ধীরে প্রতিবাদ জানানো বাড়তে থাকে, বহু মানুষ এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের বিরোধিতা ও প্রতিবাদ জানাতে থাকে। এই অবস্থায় সন্ধ্যার পর বিপ্লব চন্দ্র বোরহানউদ্দিন থানায় আইডি হ্যাক হয়েছে মর্মে জিডি করতে গেলে থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিপ্লব চন্দ্রকে পুলিশে হেফাজতে রাখেন। তবে হিন্দু ছেলেটা দাবি করেন, সে এসব কাজ করেনি বরং তার একাউন্ট হ্যাক হয়েছে এবং অন্য কেউ একজন তাকে ফাসানোর চেষ্টা করছে।[৪] বিপ্লব চন্দ্র শুভর অভিযোগের ভিত্তিতে হাসনাইন শরিফ ও শাকিল নামের দুই যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।[৫]
প্রতিবাদ ও সমাবেশ
[সম্পাদনা]১৮ তারিখ গালাগালের পর থেকেই মুসলমানরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাতে থাকে। প্রতিবাদ সকল মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে পরে, এবং ২০ তারিখ বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ মাঠে প্রতিবাদসভার ডাক দেওয়া হয়। ১৯ তারিখ রাতে ভোলার পুলিশ সুপার স্থানীয় আলেমদের বিক্ষোভ না করতে পরামর্শ দেন এবং আলেমরা এটা মেনেও নেন। তবে আলেমদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে ২০ তারিখ সকাল থেকেই এই মাঠে মুসলমানদের গণজমায়েত শুরু হতে থাকে। ঐ হিন্দু যুবকের বিচারের দাবিতে ১৯ তারিখেও বোরহানউদ্দিনের কুঞ্জেরহাট বাজারে মানববন্ধন এবং থানার সামনে সাধারণ মুসলমানরা তৌহিদি জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ করে। আয়োজকরা মাইকিং ও বিক্ষোভ সমাবেশ ঘোষণা দেওয়ার পরে ১৯ অক্টোবর রাতে বোরহানউদ্দিন থানার পুলিশের কাছে অনুমতি চাইতে যান কিন্তু পুলিশ কোন সমাবেশ ও প্রতিবাদসভার অনুমতি প্রদান করেন না।
মিছিলের প্রস্তুতি
[সম্পাদনা]এবং স্থানীয় জনগণ পুলিশের অনুমতি উপেক্ষা করেই সমাবেশের প্রস্তুতি নিতে থাকে। স্থানীয় প্রশাসন আন্দোলনের চাপ অনুভব করে বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ মসজিদের ইমাম মাওলানা জালাল উদ্দিন, বাজার মসজিদের ইমাম মাওলানা মিজানকে এই জনসভা বন্ধ করতে অনুরোধ জানায়।[৬] সাথে সাথে পুলিশ থেকে সাধারণ মানুষের গণজমায়েত হবার আগেই বিক্ষোভটি মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত ঘোষণা করতে বলা হয়। দুই ইমাম সিদ্ধান্ত নিয়ে ১১ টার দিকেই মোনাজাতের মাধ্যমে জনসভা সমাপ্ত ঘোষণা করেন। তবে জনসভার লোক বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে সাধারণ মানুষ দুই ইমাম ও পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হয়।[৭] বোরহানউদ্দিনের উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন, “সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা ছিল বেলা ১১টায়, কিন্তু আয়োজকরা সাড়ে ১০টার মধ্যে সমাবেশ শেষ করে দিলে অংশ নিতে আসা জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। আন্দোলনের দিন ১১টার দিকেও বড় বড় মিছিল নিয়ে অনেকে সমাবেশে অংশ নিতে আসছিল।
পুলিশ জনসভা ও মিছিলের অনুমতি না দিলে জনগণ সেখানেই অবস্থান শুরু করে। পুলিশ ‘বাটামারা পীর সাহেব’ মাওলানা মহিবুল্লাহকে সেখান থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেন এবং এক পর্যায়ে তাকে ঈদগাহ জামে মসজিদের দোতলায় নিয়ে যায়। তখন জনসমাবেশে গুঞ্জন ওঠে পুলিশ মাওলানা মহিবুল্লাহকে আটক করেছে। এই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে পুলিশ জানায় তারা মহিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেননি, বরং তারাই বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে পরে মসজিদের দোতলায় আশ্রয় নিয়েছেন।
পুলিশের গুলিবর্ষণ
[সম্পাদনা]পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মুসলিম জনতার উত্তেজনা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, একসময় সাধারণ জনতা পুলিশকে ধাওয়া করলে পুলিশ সদস্যরা মসজিদের দোতালায় একটি কক্ষে আশ্রয় নেয়। এই সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশের এসপি যে রুমে আশ্রয় নেয় সেই রুমেও বিক্ষুব্ধ জনতা হামলা চালায়। পাশাপাশি উত্তেজিত জনতা বিক্ষিপ্তভাবে সংঘর্ষ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। তখন রুমে আবদ্ধ অবস্থায় এসপি স্থানীয় আওয়ামীলীগ সংসদ সদস্যকে ফোন করেন এবং সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুলকে বলেন, 'স্যার আমরা মসজিদের দোতলায় ইমামের রুমে অবরুদ্ধ আছি, আমাদেরকে বাঁচান,'।[৮] এরপরে পাল্টাপাল্টি আক্রমনে পুলিশ চারিদিকেই ব্যাপক গুলি ছুড়তে থাকে, এই গুলিতে তৌহিদি জনতার ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়। অনেকে নিহত হোন, অনেকে গুলিবিদ্ধ হোন।
পুলিশের গুলিতেই ৪ জন তৌহিদি জনতা নিহত হোন। তবে পুলিশ লাইনের একজন কনস্টেবলও বুকে গুলিবিদ্ধ হোন, তবে কাদের গুলিতে আহত হয়েছেন, এটা বিস্তারিত জানা যায়না।[৫] আর তৌহিদি জনতার মধ্যে মিজানুর রহমান, নানটু, মাকসুদুর, তানভীর, অলিউল্লাহ, সিদ্দিক, তাহের, শামীম ও সোহরাব নামে ৯ জন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হোন।[৯] এছাড়াও লাঠি চার্জ ও অন্যান্য আক্রমণে আহত হলে প্রায় ৩৮ জন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলো।[১০]
হত্যাকাণ্ড পরবর্তী পরিস্থিতি
[সম্পাদনা]পুলিশের গুলিতে নিহতের ঘটনা ছড়িয়ে পরার পরেই ভোলা জেলাসহ পুরো দেশেই ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। এমপি আলী আজম মুকুল পুলিশ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার খবর জেনে দ্রুত হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে ভোলার দিকে রওনা হোন।[৮] ঘটনা জানাজানির পরেই স্থানীয় লোকজন ভোলা চরফ্যাশন সড়ক অবরোধ করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। সংঘর্ষে হতাহতের খবর পাওয়ার পর হেলিকপ্টারে করে বিজিবি সদস্যদের ভোলায় পাঠানো হয়। উত্তেজিত জনতা ভাওয়াল বাড়ি রাধা গৌর নিতাই মন্দিরে উত্তেজিত জনতা ভাংচুর করে।[৫] পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুরো উপজেলায় পুলিশের পাশাপাশি, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ কয়েক স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।[১১] হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ডাকবাংলো চত্বরে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল হাটহাজারী থানার সামনে আসার আগেই পুলিশ ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে এবং টিয়ালশেল নিক্ষেপ করে। এতে ক্ষুব্ধ জনতা আরো ক্ষুব্ধ হয়ে হাটহাজারী থানা ভবনের ভেতরে ভাঙচুর চালায়।[১২]
পরবর্তী মামলা
[সম্পাদনা]এই বিক্ষোভে ৪ জন নিহত হবার পরে বোরহানউদ্দিন থানার এসআই আজিজুল হক বাদী হয়ে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা পাঁচ হাজার জনকে আসামি করে নিজ থানাতেই একটি মামলা করেন।[১১][১৩] এই মামলার প্রেক্ষিতে ঐদিনই বিক্ষোভের সাথে জড়িত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে বিক্ষোভের অধিক সক্রিয় মো. আরিফ ও মো. সজিবকে ছাড়া হয়না, বরং তাদেরকে তদন্তের জন্য ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।[১৪] হত্যাকাণ্ডের দুইদিন পরে ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে মো. রবিউল আলম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।[১৫] গৌর নিতাই আশ্রম মন্দিরে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ঐ মন্দিরের সভাপতি সত্য প্রসাদ দাস অজ্ঞাতনামা ৪০০-৫০০ মুসলমানের বিরুদ্ধে মামলা করে। মন্দির ভাংচুর মামলায় কামরুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।[১৬]
বিপ্লব চন্দ্র শুভর ফেসবুক আইডি হ্যাকিং এর সাথে জড়িত দুইজন মুহাম্মাদ ইমন ও রাফসান ইসলাম পুলিশ আটকও করে।[১৭] এবং তদন্তের কাজে বিপ্লব চন্দ্রসহ মোট ৩ জনকে তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।[১৪] সকল তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিপ্লব চন্দ্রসহ মো. ইমন ও মো. রাফসান নামে তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযোগে ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি হ্যাকার বাপন দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৪ এপ্রিল আদালতের একটি রায়ে তাকে ৮ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।[১৮]
নিহতদের তালিকা
[সম্পাদনা]ভোলার স্থানীয় মুসলমানদের নিহতদের আর্থিক সহায়তা ও আহতদের চিকিৎসাসহ ৬ দফা দাবি তোলা হয়। সরকার পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।[১৯] পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ঘটনায় নিহত চারজনের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়।[২০] ময়নাতদন্ত ছাড়াই প্রত্যেকের লাশ নিজ নিজ এলাকায় দাফন করা হয়।[২১] অল্প বয়স্ক নিহত মাহবুবের পিতার নাম মহিউদ্দিন পাটোয়ারি এবং শাহিনের পিতার নাম দেলওয়ার হোসেন।[১২]
| নাম | বয়স | বাসস্থান | উপজেলা | মৃত্যু স্থান |
|---|---|---|---|---|
| মাহবুব | ১৪ | সদর উপজেলা | বোরহানউদ্দিন উপজেলা | উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স |
| শাহিন | ২৩ | ২নং ওয়ার্ড, কাচিয়া ইউনিয়ন | বোরহানউদ্দিন উপজেলা | উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স |
| মাহফুজ | ৪৫ | ৩নং ওয়ার্ড, উপেজালা পৌরসভা | বোরহানউদ্দিন উপজেলা | ভোলা সদর হাসপাতাল |
| মিজান | ৪০ | হাজিরহাট ইউনিয়ন | মনপুরা উপজেলা | ভোলা সদর হাসপাতাল |
প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ
[সম্পাদনা]জাতীয় প্রতিবেদন
[সম্পাদনা]এই ঘটনায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাহামুদুর রহমানকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, কমিটিকে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।[২২] পুলিশের এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ২১ তারিখ বিকালেসর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদ ভোলা প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। সংগঠনের নেতারা বিপ্লব চন্দ্র শুভর ফাসি কার্যকর, নিহতদের ক্ষতিপূরণ প্রদান, ভোলার পুলিশ সুপার ও বোরহানউদ্দিনের ওসিকে প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবি উপস্থাপন করেন।[১১][২৩] ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব উভয়ই এই হত্যাকাণ্ডের সমালোচনা করেন। এবং নবীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোকারীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।[২৩]
সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল হয় এবং সরকার প্রচণ্ড প্রতিবাদের মুখে পরে।[২৪][২৫] পল্টনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকায় বিভিন্ন কওমি মাদ্রাসার ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়।[২৬][২৭] এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানাতে বিএনপি দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেয়।[২৮] এছাড়াও প্রতিবাদের ধারা হিসাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়,[২৯] কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।[২৬] বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলাম পৃথক ব্যানারে বায়তুল মোকাররম মসজিদ প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মোনাজাতের আয়োজন করে।[৩০] হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফী ও মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করে।[৩১] হেফাজতের নেতারা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে পুনরায় শাপলা চত্ত্বরে ব্লক করার হুমকি দেন।[৩২] বাংলাদেশের মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র এই হত্যাকাণ্ড এবং হত্যাকাণ্ড পরবর্তী রাধা গৌর নিতাই মন্দিরে ভাংচুরকে উদ্বিগ্নজনক হিসাবে বর্ণনা করে।[৩৩]
আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন
[সম্পাদনা]এই ঘটনাটি দেশীয় গণমাধ্যম ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হয়, আন্তর্জাতিকভাবে ঘটনাটিকে 'ব্লাসফেমি আন্দোলন কর্মীদের' উপর গুলি চালানো হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।[৩৪][৩৫] অধিকাংশ আন্তর্জাতিক মিডিয়া এই নিউজ এজেন্সি ফ্রান্স প্রেসের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রচার করেছে। ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে একটি ছাত্রের বরাত দিয়ে উল্লেখ করেন, "এই হত্যাকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়, পুলিশ বেআইনি এবং অসাংবিধানিকভাবে বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালিয়েছে।"[৩৬] রাশিয়া ভিত্তিক পত্রিকা আরটি ইন্টারন্যাশনাল উল্লেখ করে, নবী মুহাম্মাদকে নিয়ে নিন্দা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট লেখার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এক হিন্দু ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে বাংলাদেশে প্রায় ২০,০০০ মানুষ রাস্তায় নেমে আসে এবং ধীরে ধীরে বিক্ষোভটি সহিংস রুপ নেয়।[৩৭]
এছাড়াও পাকিস্তানের ডন পত্রিকা,[৩৮] ইন্টারন্যাশনাল দ্য নিউজ ও দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন পত্রিকায় বিস্তারিত ঘটনা বর্ণনা করা হয় এবং বলা হয় পুলিশ আত্নরক্ষায় গুলি করেছে।[৩৯][৪০] এছাড়াও ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু,[৪১] দ্য স্টেটসম্যান,[৪২] ইন্ডিয়া.কম, উয়োনিউজ, এনি নিউজ ও দ্য কুইন্ট পত্রিকায় ঘটনার প্রেক্ষাপটসহ স্বাভাবিকভাবে বর্ণনা করা হয়।[৪৩][৪৪] এটাও উল্লেখ করা হয় একটি মব একত্রিত হয়ে এই সহিংস প্রতিবাদ জানায়।[৪৫][৪৬] ফ্রান্সের রেডিও ফ্রান্স ইন্টারন্যাশনাল ও ফ্রান্স২৪ নিউজটি 'মারাত্মক গুলিবর্ষণ' উল্লেখ করে সংবাদ পরিবেশন করে।[৪৭][৪৮] এগুলো বাদেও এশিয়া নিউজ,[৪৯] মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক আজ জাজিরা,[৫০] আমেরিকান পত্রিকা ভাইস,[৫১] ভারতের কাশ্মির রিডার ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে প্রচার করে।[৫২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "ভোলার বোরহানউদ্দিনে সংঘর্ষ: কেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়েছিল?"। BBC News বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "বাংলাদেশে নবীকে কটূক্তির অভিযোগ ঘিরে সংঘর্ষে নিহত ৪"। বিবিসি বাংলা। ২০ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০২৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ Sangbad, Protidiner (২১ অক্টোবর ২০১৯)। "ভোলায় পুলিশের ওপর হামলা-সংঘর্ষ : নিহত ৪"। দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ভোলায় সংঘর্ষে নিহত ৪"। প্রথম আলো। ২০ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 3 জনকণ্ঠ, দৈনিক (২১ অক্টোবর ২০১৯)। "গুলিতে নিহত ৪ ॥ শেবাচিমে ভর্তি গুলিবিদ্ধ ২৮ ॥ ফের ফেসবুক গুজব ॥ ভোলা রণক্ষেত্র"। দৈনিক জনকণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ ভোলা প্রতিনিধি (২০ অক্টোবর ২০১৯)। "বোরহানউদ্দিন রণক্ষেত্র, নিহত ৪, নেমেছে বিজিবি"। বিডিনিউজ২৪। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "বোরহানউদ্দিন রণক্ষেত্র, নিহত ৪"। যায়যায়দিন। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 "ভোলার বোরহানউদ্দিনে সহিংসতা: 'এসপি সাহেব বললেন, স্যার আমাদের বাঁচান'"। BBC News বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "বোরহানউদ্দিনে সংঘাতে জড়িতদের ছাড় দেয়া হবে না: ডিআইজি"। The Daily Ittefaq। ২০ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ভোলায় সংঘর্ষে নিহত চারজনের দাফন সম্পন্ন"। Dhakatimes News। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 3 "ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হওয়ার পর ভোলায় বিজিবি মোতায়েন"। BBC News বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 প্রতিবেদক, নিজস্ব (২৮ অক্টোবর ২০১৯)। "ভোলায় পুলিশের সঙ্গে 'তৌহিদী জনতা'র সংঘর্ষ, নিহত ৪"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "রণক্ষেত্র বোরহানউদ্দিন, পুলিশের মামলায় আসামি ৫ হাজার"। Jugantor। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 স্বপন, হারুন উর রশীদ (২৫ অক্টোবর ২০১৯)। "বিপ্লব রিমান্ডে"। dw.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ রিপোর্ট, স্টার অনলাইন (২২ অক্টোবর ২০১৯)। "ভোলায় সংঘর্ষ নিয়ে ফেসবুকে 'গুজব' ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ১"। দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ তুহিন, আহাদ চৌধুরী (২০ নভেম্বর ২০১৯)। "গ্রেফতার আতঙ্ক বোরহানউদ্দিনে"। www.banglatribune.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "বোরহানউদ্দিনের সেই বিপ্লবসহ তিনজন কারাগারে"। The Daily Ittefaq। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "বোরহানউদ্দিনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলায় যুবকের ৮ বছরের কারাদণ্ড"। www.ajkerpatrika.com। ১৫ এপ্রিল ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২৮ অক্টোবর ২০১৯)। "'তৌহিদী জনতা'র ৬ দফা দাবি মেনে নিল প্রশাসন"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ভোলায় সংঘর্ষে নিহতের চার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২৬ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ভোলায় সংঘর্ষে নিহত চারজনের দাফন সম্পন্ন"। Dhakatimes News। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ভোলার ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরের ব্যাখ্যা: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন"। Bangla Tribune। ২৩ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 ভোলা প্রতিনিধি (২১ অক্টোবর ২০১৯)। "রণক্ষেত্র বোরহানউদ্দিন, নিহত ৪, আহত দেড় শতাধিক"। দৈনিক বাংলাদেশের খবর। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২৮ অক্টোবর ২০১৯)। "ভোলার ঘটনায় হেফাজতের বিক্ষোভ সমাবেশ কাল"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ রিপোর্ট, স্টার অনলাইন (২৫ অক্টোবর ২০১৯)। "ভোলায় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল"। দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 "বোরহানউদ্দিনের সংঘর্ষের ঘটনার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন জেলা বিক্ষোভ, সমাবেশ"। আজকের ভোলা। ২২ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ভোলায় সংঘর্ষ: মোহাম্মদপুরে কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের বিক্ষোভ"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ভোলার ঘটনার প্রতিবাদে কাল বিএনপির বিক্ষোভ"। www.ittefaq.com.bd। ২২ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ভোলায় ৪ জন নিহতের ঘটনায় জাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ"। জাগো নিউজ। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ভোলার নৃশংস হত্যাকাণ্ড কার ইশারায়"। যুগান্তর। ২২ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "পুলিশের শাস্তি চান আহমদ শফী"। দেশ রূপান্তর। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "আমরা আবারও শাপলা চত্বরে যাব, হুমকি হেফাজত নেতার"। www.kalerkantho.com। ২২ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০১৯: আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষন" (পিডিএফ)। আইন ও সালিশ কেন্দ্র। ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২৫।
- ↑ AFP (২১ অক্টোবর ২০১৯)। "Four killed as cops fire on Bangladesh blasphemy protesters | New Straits Times"। NST Online (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "ভোলার ঘটনা 'ব্লাসফেমি আন্দোলন' হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে"। আওয়ার ইসলাম। ২১ অক্টোবর ২০১৯। ২০ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০২৫।
- ↑ AFP (২১ অক্টোবর ২০১৯)। "Thousands protest after Bangladesh police fire at crowd, killing 4"। Free Malaysia Today | FMT (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "4 killed as Bangladesh police fire at protesters outraged by defamatory Facebook post on Prophet Mohammed"। RT International (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২০ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ Agencies (২১ অক্টোবর ২০১৯)। "Police firing leaves four dead in Bangladesh after protests over blasphemy"। DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Facebook post defaming Prophet (SAW): Four killed as police fire at Bangladesh protesters"। www.thenews.com.pk (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ afp (২০ অক্টোবর ২০১৯)। "Four killed as police fire on blasphemy protesters"। The Express Tribune (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ PTI (২০ অক্টোবর ২০১৯)। "4 killed, 50 injured as protesters clash with police over blasphemous Facebook post in Bangladesh"। The Hindu (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ SNS (২২ অক্টোবর ২০১৯)। "4 dead as protesters clash with police over blasphemous facebook post in Bangladesh"। The Statesman (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "B'desh: 4 killed as police fires at protestors over defamatory FB post"। ANI News (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ PTI (২২ অক্টোবর ২০১৯)। "Bangladesh Intensifies Security After Violence over Facebook Post"। TheQuint (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh: 4 Dead in Firing by Police At Protest Over Alleged Blasphemous Facebook Post | India.com"। www.india.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ Sharma, Bharat (১৯ অক্টোবর ২০১৯)। "Four killed and 50 injured as police fire on Bangladesh protesters over Facebook post"। Wion (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Thousands protest against Bangladesh police after deadly shootings"। RFI (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Thousands protest against Bangladesh police after deadly shootings"। France 24 (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ Corraya, Sumon (২১ অক্টোবর ২০১৯)। "Bhola, clashes over blasphemous Facebook post leave four dead"। www.asianews.it (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh protest against Facebook post turns deadly"। Al Jazeera (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ Gilbert, David (২২ অক্টোবর ২০১৯)। "Anti-Muslim Facebook Posts Sparked a Riot in Bangladesh — and 4 People Died"। VICE (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh: 4 killed, 50 injured as protesters clash with police over blasphemous FB post"। Kashmir Reader (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২২ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২৫।