২০১৮ সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ
| বিবরণ | |
|---|---|
| স্বাগতিক দেশ | |
| তারিখ | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ – ৭ অক্টোবর ২০১৮ |
| দল | ৭ |
| মাঠ | ১ (১টি আয়োজক শহরে) |
| চূড়ান্ত অবস্থান | |
| চ্যাম্পিয়ন | |
| রানার-আপ | |
| তৃতীয় স্থান | |
| চতুর্থ স্থান | |
| পরিসংখ্যান | |
| ম্যাচ | ১০ |
| গোল সংখ্যা | ৬৫ (ম্যাচ প্রতি ৬.৫টি) |
| শীর্ষ গোলদাতা | (৮ গোল) |
২০১৮ সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ হলো দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর অনূর্ধ্ব-১৮ বছরের মহিলা দলগুলির অংশগ্রহণে ১ম বারের মতো আয়োজিত একটি ফুটবল প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতাটি ভুটানের রাজধানী থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।[১] এতে দক্ষিণ এশিয়ার ৬টি দল অংশগ্রহণ করে (শ্রীলঙ্কা প্রতিযোগাতা থেকে তাদের দলের নাম প্রত্যাহার করে নেয়)।
ভেন্যু
[সম্পাদনা]সবগুলো ম্যাচই ভুটানের থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
| থিম্পু | |
|---|---|
| চাংলিমিথাং স্টেডিয়াম | |
| ক্ষমতা: ৪৫,০০০ | |
ড্র
[সম্পাদনা]২০১৮ সালের ৭ জুলাই মতিঝিলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভা কক্ষে ড্র অনুষ্ঠিত হয়। সাফ সেক্রেটারি জেনারেল আনওয়ারুল হক হেলাল ও বাফুফের সেক্রেটারি জেনারেল আবু নাঈম সোহাগ সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে সাত দেশের সব দলই ড্রয়ের জন্য অংশ নিয়েছিল, এ ও বি এই দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে; এ গ্রুপে ছিল ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ এবং বি গ্রুপে ছিল বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তান। পরবর্তীতে, শ্রীলঙ্কা দল প্রতিযোগিতা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার করে নেয় এবং দলগুলি পুনরায় সংজ্ঞায়িত করা হয়।
| গ্রুপ এ | গ্রুপ বি |
|---|---|
- † প্রতিযোগিতার পূর্বে শ্রীলঙ্কা প্রত্যাহার করে নেয়।
- ‡ উভয় গ্রুপকে পুনবিন্যাস করতে ভুটানকে এ গ্রুপে নেওয়া হয়।
খেলোয়াড়
[সম্পাদনা]প্রতিটি দলকে সর্বনিম্ন ১৮ জন খেলোয়াড় এবং সর্বোচ্চ ২৩ খেলোয়াড়ের একটি দল নিবন্ধন করতে হয়েছিল, যাদের মধ্যে অন্তত তিনজন গোলরক্ষক হতে হবে।
খেলোয়াড়ের যোগ্যতা
[সম্পাদনা]১ জানুয়ারি ২০০০ বা তার পরে জন্মগ্রহণকারী খেলোয়াড়গণ প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য যোগ্য ছিল। প্রতিটি দলকে সর্বনিম্ন ১৬ জন খেলোয়াড় এবং সর্বাধিক ২৩ জন খেলোয়াড়ের একটি দল নিবন্ধন করতে হয়েছিল, যাদের মধ্যে অন্তত দুইজন গোলরক্ষক হতে হবে।
গ্রুপ পর্ব
[সম্পাদনা]| গ্রুপ টেবিলে রঙের চাবি | |
|---|---|
| গ্রুপ বিজয়ী ও রানার্সআপ দল ফাইনালে উন্নীত | |
টাইব্রেকার
[সম্পাদনা]প্রত্যেক দলের পয়েন্টের ওপর ভিত্তি করে দলের অবস্থান নির্ণয় করা হয় (জয়ের জন্য ৩ পয়েন্ট, ড্রয়ের জন্য ১ পয়েন্ট, হারের জন্য ০ পয়েন্ট), এবং যদি পয়েন্টের সমতা হয় তবে গ্রুপ পর্বের সবগুলো খেলা শেষে নিম্নে বর্ণিত মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে শীর্ষ দুই দল নির্ণয় করা হবে:
- যেসকল দলের পয়েন্ট সমান, তাদের ম্যাচে পয়েন্ট;
- যেসকল দলের পয়েন্ট সমান, তাদের গোল পার্থক্য;
- যেসকল দলের পয়েন্ট সমান, তাদের গোল সংখ্যা;
- যেসকল দলের পয়েন্ট সমান, তাদের হেড-টু-হেড গোল পার্থক্য;
- যেসকল দলের পয়েন্ট সমান, তাদের হেড-টু-হেড গোল সংখ্যা;
- যেসকল দলের পয়েন্ট সমান এবং তারা যদি সর্বশেষ ম্যাচে একে অপরের মুখোমুখি হয়, তবে তাদের মধ্যে পেনাল্টি শুট-আউট;
- গ্রুপ পর্বের সকল ম্যাচে সর্বনিম্ন শাস্তিমূলক পয়েন্ট (একটি নির্দিষ্ট ম্যাচে একজন খেলোয়াড়ের জন্য শুধুমাত্র একটি নিয়ম প্রয়োগ করা হবে):
- হলুদ কার্ড = −১ পয়েন্ট;
- এক ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ডের জন্য বহিষ্কার = −৩ পয়েন্ট;
- লাল কার্ড = −৩ পয়েন্ট;
- হলুদ কার্ডের পর সরাসরি লাল কার্ড = −৪ পয়েন্ট;
- লটারি।
গ্রুপ এ
[সম্পাদনা]- তালিকাভুক্ত সময় ইউটিসি+৬
| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | Status |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ২ | ০ | ০ | ১২ | ০ | +১২ | ৬ | Qualified for Knockout stage | |
| ২ | ২ | ১ | ০ | ১ | ১৩ | ৪ | +৯ | ৩ | ||
| ৩ | ২ | ০ | ০ | ২ | ০ | ২১ | −২১ | ০ |
| ভুটান | ১৩–০ | |
|---|---|---|
| ইয়াশে বিধা সোনাম চোদেন নামজিয়েল দেন গেল্লিয়ে ওয়াংমো সুক মায়ে গেল্লিয়ে জামিয়াং চোদেন তান্দিন জাংমো |
সাফ |
গ্রুপ বি
[সম্পাদনা]- তালিকাভুক্ত সময় ইউটিসি+৬
| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | Status |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ২ | ০ | ০ | ১৯ | ১ | +১৮ | ৬ | Qualified for Knockout stage | |
| ২ | ২ | ১ | ০ | ১ | ১৩ | ২ | +১১ | ৩ | ||
| ৩ | ২ | ০ | ০ | ২ | ০ | ২৯ | −২৯ | ০ |
| নেপাল | ১২–০ | |
|---|---|---|
| রেখা পৌডেল সারু লিম্বু রেশমি কুমারি ঘিসিং আলিশা জিম্বা মানজালি কুমারি য়ুনজান মনিশা রাউত |
প্রতিবেদন |
| পাকিস্তান | ০–১৭ | |
|---|---|---|
| প্রতিবেদন |
| বাংলাদেশ | ২−১ | |
|---|---|---|
|
|
নকআউট পর্ব
[সম্পাদনা]- তালিকাভুক্ত সময় ইউটিসি+৬
ব্রাকেট
[সম্পাদনা]| সেমি-ফাইনাল | ফাইনাল | |||||
| ৫ অক্টোবর – | ||||||
| ১(১) | ||||||
| ৭ অক্টোবর – | ||||||
| ১(৩) | ||||||
| ০ | ||||||
| ৫ অক্টোবর – | ||||||
| ১ | ||||||
| ৪ | ||||||
| ০ | ||||||
| তৃতীয় স্থান | ||||||
| ৭ অক্টোবর – | ||||||
| ১ | ||||||
| ০ | ||||||
সেমি-ফাইনাল
[সম্পাদনা]| ভারত | ১–১ | |
|---|---|---|
| জবামণি টুডু |
সাফ এআইএফএফ | |
| পেনাল্টি | ||
|
১–৩ |
|
তৃতীয় স্থান
[সম্পাদনা]ফাইনাল
[সম্পাদনা]গোলদাতা
[সম্পাদনা]এই প্রতিযোগিতায় ১০টি ম্যাচে ৬৫টি গোল হয়েছে, যা ম্যাচ প্রতি গড়ে ৬.৫টি গোল।
৮টি গোল
৭টি গোল
৪টি গোল
৩টি গোল
কৃষ্ণা রানী সরকার
দেবনেতা রায়
রশ্মি কুমারী ঘিসিং
২টি গোল
শিউলি আজিম
মিসরাত জাহান মৌসুমী
ইয়েশি বিধা
নামগিয়েল ডেন
গ্যালি ওয়াংমো
আসেম রোজা দেবী
সোনি বেহরা
১টি গোল
আঁখি খাতুন
তহুরা খাতুন
সানজিদা আক্তার
শামসুন্নাহার
মাসুরা পারভিন
সুক মায়া গ্যালি
জামিয়াং চোডেন
তানডিন জাংমো
মনীষা কল্যাণ
কারিশমা রাই
ইয়ুমলেম্বম পাকপি দেবী
বালামুরুগান মারিয়াম্মাল
সঙ্গীতা কুমারী
জবামণি টুডু
সারু লিম্বু
আলিশা জিম্বা
মঞ্জলি কুমারী ইয়োনজান
মনীষা রাউত
বিজয়ী
[সম্পাদনা]| ২০১৮ সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ চ্যাম্পিয়ন |
|---|
বাংলাদেশ প্রথম শিরোপা |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "SAFF U18 Women's Championship draw held"। saffederation. org। ২৮ জুলাই ২০১৮। ১০ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৮।