২০১৬ এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
২০১৬ এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপ
بطولة آسيا تحت 23 سنة لكرة القدم 2016
টুর্নামেন্টের বিবরণ
স্বাগতিক দেশ কাতার
তারিখসমূহ12–30 January 2016
দলসমূহ16 (১টি কনফেডারেশন থেকে)
ভেন্যু(সমূহ) (১টি আয়োজক শহরে)
শীর্ষস্থানীয় অবস্থান
চ্যাম্পিয়ন জাপান (১ম শিরোপা)
রানার-আপ দক্ষিণ কোরিয়া
তৃতীয় স্থান ইরাক
চতুর্থ স্থান কাতার
প্রতিযোগিতার পরিসংখ্যান
ম্যাচ খেলেছে৩২
গোল সংখ্যা১০৩ (ম্যাচ প্রতি ৩.২২টি)
উপস্থিতি৯৩,৬৩৯ (ম্যাচ প্রতি ২,৯২৬ জন)
শীর্ষ গোলদাতাকাতার Ahmed Alaa
(6 goals)
সেরা খেলোয়াড়জাপান Shoya Nakajima
ফেয়ার প্লে পুরষ্কার জাপান
2013
2018

২০১৬ এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপ ছিল এএফসি অনূর্ধ্ব ২৩ চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় আসর, যা এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন কর্তৃক এশীয় যুবকদের জন্য আয়োজিত একটি মহাদেশীয় আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতাটি ২০১৬ সালের ১২ থেকে ৩০ জানুয়ারি কাতারে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় সর্বমোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে। ২০১৩ সালে শুরু হওয়া এএফসি অনূর্ধ্ব-২২ চ্যাম্পিয়নশিপের নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপ চালু হয় এ আসরের মাধ্যমে।

স্বাগতিক নির্বাচন[সম্পাদনা]

বাছাইপর্ব[সম্পাদনা]

বাছাইপর্বের জন্য ড্র অনুষ্ঠিত হয় ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর। এতে ৪৩টি দল ১০টি গ্রুপে ভাগ করা এবং বাছাইপর্ব শেষে প্রতিটি গ্রুপের গ্রুপ বিজয়ী ও ৫টি সেরা রানার্সআপ দল চুড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য যোগ্যতা অর্জন করে। কাতার স্বাগতিক দল হওয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্যতা অর্জন করে।

বাছাইপর্ব ২০১৫ সালের ২৩ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। বি গ্রুপের খেলা পাকিস্তানের লাহোরের জন্য নির্ধারিত ছিল, কিন্তু লাহোরে চার্চ বোমা হামলার কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল।

বাছাইকৃত দল[সম্পাদনা]

চুড়ান্ত প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ১৬টি দল নির্বাচিত হয়েছে।[১]

দল যোগ্যতার ধরন উপস্থিতি সেরা প্রদর্শন
 কাতার Hosts 1st Debut
 ইরাক Group A winners 2nd Champions (2013)
 জর্দান Group B winners 2nd Third place (2013)
 সৌদি আরব Group C winners 2nd Runners-up (2013)
 সংযুক্ত আরব আমিরাত Group D winners 2nd Quarter-finals (2013)
 সিরিয়া Group E winners 2nd Quarter-finals (2013)
 অস্ট্রেলিয়া Group F winners 2nd Quarter-finals (2013)
 উত্তর কোরিয়া Group G winners 2nd Group stage (2013)
 দক্ষিণ কোরিয়া Group H winners 2nd Fourth place (2013)
 জাপান Group I winners 2nd Quarter-finals (2013)
 গণচীন Group J winners 2nd Group stage (2013)
 থাইল্যান্ড 1st best runners-up (Group G) 1st Debut
 ইরান 2nd best runners-up (Group C) 2nd Group stage (2013)
 ভিয়েতনাম 3rd best runners-up (Group I) 1st Debut
 ইয়েমেন 4th best runners-up (Group D) 2nd Group stage (2013)
 উজবেকিস্তান 5th best runners-up (Group E) 2nd Group stage (2013)

মাঠ[সম্পাদনা]

প্রতিযোগিতার সকল খেলা স্বাগতিক শহর দোহার চারটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

ড্র[সম্পাদনা]

প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য ড্র অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় ১২.০০টায়, কাতারের রাজধানী দোহার ফোর সেশনস হোটেলে। এতে ১৬টি দলকে প্রতিটি গ্রুপে ৪টি দল করে ৪টি গ্রুপে ভাগ করা হয়।

পাত্র ১ পাত্র ২ পাত্র ৩ পাত্র ৪

 কাতার (স্বাগতিক; অবস্থান A1)
 ইরাক
 সৌদি আরব
 জর্দান

 দক্ষিণ কোরিয়া
 সিরিয়া
 অস্ট্রেলিয়া
 জাপান

 সংযুক্ত আরব আমিরাত
 ইরান
 উত্তর কোরিয়া
 উজবেকিস্তান

 গণচীন
 ইয়েমেন
 থাইল্যান্ড
 ভিয়েতনাম

অফিসিয়াল[সম্পাদনা]

স্কোয়াড[সম্পাদনা]

গ্রুপ পর্ব[সম্পাদনা]

নকআউট পর্ব[সম্পাদনা]

ব্রাকেট[সম্পাদনা]

 
কোয়াটার-ফাইনালসেমি-ফাইনালফাইনাল
 
          
 
22 January – দোহা
 
 
 কাতার (অ.স.প.)2
 
26 January – দোহা
 
 উত্তর কোরিয়া1
 
 কাতার1
 
২৩ January – দোহা
 
 দক্ষিণ কোরিয়া3
 
 দক্ষিণ কোরিয়া1
 
30 January – দোহা
 
 জর্দান0
 
 দক্ষিণ কোরিয়া2
 
22 January – দোহা
 
 জাপান3
 
 জাপান (অ.স.প.)3
 
26 January – দোহা
 
 ইরান0
 
 জাপান2
 
২৩ January – দোহা
 
 ইরাক1 তৃতীয় স্থান
 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত1
 
29 January – দোহা
 
 ইরাক (অ.স.প.)3
 
 কাতার1
 
 
 ইরাক (অ.স.প.)2
 

কোয়ার্টার ফাইনাল[সম্পাদনা]



দক্ষিণ কোরিয়া ১–০ জর্দান
Moon Chang-jin গোল ২৩' প্রতিবেদন
দর্শক সংখ্যা: 3,126
রেফারি: Alireza Faghani (ইরান)

সেমি-ফাইনাল[সম্পাদনা]

বিজয়ী দল ২০১৬ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।


তৃতীয় স্থান নির্ধারনী খেলা[সম্পাদনা]

বিজয়ী দল ২০১৬ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

কাতার ১–২ (অ.স.প.) ইরাক
আহমেদ আলা গোল 27' প্রতিবেদন আব্দুর রহিম গোল 86'
আয়মান হুসেইন গোল 109'

ফাইনাল[সম্পাদনা]

দক্ষিণ কোরিয়া ২–৩ জাপান
কউন চ্যাংড়া হুন গোল 20'
জিন সুং উক গোল 47'
প্রতিবেদন আসানো গোল 66'81'
ইয়াজিমা গোল 68'
দর্শক সংখ্যা: 5,394
রেফারি: Abdulrahman Al-Jassim (কাতার)

বিজয়ী[সম্পাদনা]

২০১৬ এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপ
জাপান
জাপান
প্রথম শিরোপা

পুরস্কার[সম্পাদনা]

Top Goalscorer[২] Most Valuable Player[৩] Fair Play award[৩]
কাতার Ahmed Alaa জাপান Shoya Nakajima জাপান Japan

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

গোলস্কোর[সম্পাদনা]

প্রতিযোগিতার ক্রমিক অবস্থান[সম্পাদনা]

প্রতি খেলায় নির্দিষ্ট সময়ে বিজয়ী নির্ধারিত না হলে, বিজয়ী ও পরাজিত দল নির্ধারনের জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয় এবং তারপরেও সমাধান না হলে পেনাল্টি শুট আউট পদ্ধতি ব্যবহার করার বদলে খেলা ড্র ধরা হয়।

অব দল খে ড্র হা স্বগো বিগো গোপা পয়েন্ট চুড়ান্ত ফলাফল
১  জাপান ১৫ +১১ ১৮ চ্যাম্পিয়ন
২  দক্ষিণ কোরিয়া ১৪ +৮ ১৩ রানার্স-আপ
৩  ইরাক ১২ +৫ ১৩ তৃতীয় স্থান
 কাতার (H) ১৩ ১০ +৩ ১২ চতুর্থ স্থান
 সংযুক্ত আরব আমিরাত কোয়ার্টার ফাইনাল
থেকে বিদায়
 ইরান −১
 জর্দান +১
 উত্তর কোরিয়া −২
 অস্ট্রেলিয়া +১ গ্রুপ পর্ব
থেকে বিদায়
১০  উজবেকিস্তান
১১  সিরিয়া −২
১২  সৌদি আরব −১
১৩  থাইল্যান্ড −৪
১৪  গণচীন −৫
১৫  ভিয়েতনাম −৫
১৬  ইয়েমেন ১০ −৯
উৎস: এএফসি
(H) স্বাগতিক।

অলিম্পিকের জন্য যোগ্যতা অর্জন[সম্পাদনা]

এএফসি থেকে তিনটি দল ২০১৬ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের জন্য যোগ্যতা অর্জন করে।

দল বাছাইয়ের তারিখ পূর্বতন গেমসে উপস্থিতি1
 জাপান ২৬ জানুয়ারি ২০১৬ ৯ (1936, 1956, 1964, 1968, 1996, 2000, 2004, 2008, 2012)
 দক্ষিণ কোরিয়া ২৬ জানুয়ারি ২০১৬ ৯ (1948, 1964, 1988, 1992, 1996, 2000, 2004, 2008, 2012)
 ইরাক ২৬ জানুয়ারি ২০১৬ ৪ (1980, 1984, 1988, 2004)
1 ইটালিক দ্বারা বছরের স্বাগতিককে নির্দেশ করা হয়েছে। পরিসংখ্যানে সকল অলিম্পিক বিন্যাস অন্তর্ভুক্ত (অলিম্পিকে অনূর্ধ্ব ২৩ বিন্যাস চালু হয় ১৯৯২ সালে).

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Participants for AFC U-23 Championship Qatar 2016 confirmed"। the-AFC.com। ২১ মে ২০১৫। 
  2. "Ahmed Alaa lands U23 Top Scorer award"। AFC। ৩১ জানুয়ারি ২০১৬। 
  3. "Nakajima named AFC U23 Championship MVP"। AFC। ৩১ জানুয়ারি ২০১৬। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:২০১৬ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে ফুটবল বাছাইপর্ব