২০০৪–০৫ জাতীয় ফুটবল লিগ (ভারত)
অবয়ব
| মৌসুম | ২০০৪–০৫ |
|---|---|
| তারিখ | ১২ জানুয়ারি – ২১ মে ২০০৫ |
| চ্যাম্পিয়ন | ডেম্পো ১ম এনএফএল শিরোপা ১ম ভারতীয় শিরোপা |
| অবনমন | চার্চিল ব্রাদার্স ভাস্কো ত্রিবাঙ্কুর রাজ্য ব্যাঙ্ক টালিগঞ্জ অগ্রগামী |
| এএফসি কাপ | ডেম্পো মহিন্দ্র ইউনাইটেড |
| মোট খেলা | ১৩২ |
| মোট গোলসংখ্যা | ৩১৪ (ম্যাচ প্রতি ২.৩৮টি) |
| শীর্ষ গোলদাতা | ডুডু ওমাগবেমি (২১ গোল)[১] |
| সবচেয়ে বড় স্বাগতিক জয় | ইস্টবেঙ্গল ৫–০ টালিগঞ্জ অগ্রগামী (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৫)[২] ভাস্কো ৫–০ টালিগঞ্জ অগ্রগামী (২৩ মার্চ ২০০৫)[৩] |
| সবচেয়ে বড় অতিথি জয় | ডেম্পো ০–৪ স্পোর্টিং গোয়া (১৬ মার্চ ২০০৫)[৪] চার্চিল ব্রাদার্স ০–৪ স্পোর্টিং গোয়া (৩১ মার্চ ২০০৫)[৫] টালিগঞ্জ অগ্রগামী ০–৪ মোহনবাগান (৫ মে ২০০৫)[৬] |
| সর্বোচ্চ স্কোরিং | সালগাওকর ৩–৪ ত্রিবাঙ্কুর রাজ্য ব্যাংক (১৪ জানুয়ারি ২০০৫)[৭] স্পোর্টিং গোয়া ৫–২ ভাস্কো (২৯ এপ্রিল ২০০৫)[৮] |
← ২০০৩–০৪ ২০০৫–০৬ → | |
২০০৪–০৫ জাতীয় ফুটবল লিগ হল উক্ত প্রতিযোগিতার নবম আসর। এই আসরের শেষ বারের মতো ১২টি রল অংশগ্রহণ করেছিল এবং ডেম্পো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।[১]
দল
[সম্পাদনা]দল পরিবর্তন
[সম্পাদনা]| ২০০৩–০৪ এনএফএল থেকে অবনমিত |
|
|---|---|
| ২০০৩–০৪ এনএফএল ২ থেকে উত্তীর্ণ |
পয়েন্ট তালিকা
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ডেম্পো (C) | ২২ | ১৪ | ৫ | ৩ | ২৮ | ১৭ | +১১ | ৪৭ | চ্যাম্পিয়ন ও ২০০৬ এএফসি কাপ |
| ২ | স্পোর্টিং গোয়া | ২২ | ১৪ | ৩ | ৫ | ৪৬ | ২৩ | +২৩ | ৪৫ | |
| ৩ | ইস্টবেঙ্গল | ২২ | ১৩ | ৪ | ৫ | ৩৪ | ১৬ | +১৮ | ৪৩ | |
| ৪ | মহিন্দ্র ইউনাইটেড | ২২ | ৮ | ১১ | ৩ | ২৯ | ২১ | +৮ | ৩৫ | ২০০৬ এএফসি কাপ[ক] |
| ৫ | ফ্রান্সা-পাক্স | ২২ | ৮ | ৬ | ৮ | ২৪ | ২৬ | −২ | ৩০ | |
| ৬ | সালগাওকর | ২২ | ৭ | ৭ | ৮ | ২৬ | ২৪ | +২ | ২৮ | |
| ৭ | জেসিটি | ২২ | ৭ | ৭ | ৮ | ১৯ | ১৯ | ০ | ২৮ | |
| ৮ | মোহনবাগান | ২২ | ৫ | ৮ | ৯ | ১৬ | ১৯ | −৩ | ২৩ | |
| ৯ | চার্চিল ব্রাদার্স (R) | ২২ | ৫ | ৮ | ৯ | ২৩ | ৩৩ | −১০ | ২৩ | এনএফএল ২-এ অবনমন |
| ১০ | ভাস্কো (R) | ২২ | ৫ | ৫ | ১২ | ২৫ | ৩৭ | −১২ | ২০ | |
| ১১ | ত্রিবাঙ্কুর রাজ্য ব্যাঙ্ক (R) | ২২ | ৪ | ৬ | ১২ | ২৪ | ৩৪ | −১০ | ১৮ | |
| ১২ | টালিগঞ্জ অগ্রগামী (R) | ২২ | ৩ | ৮ | ১১ | ২০ | ৪৫ | −২৫ | ১৭ |
- ↑ মহিন্দ্র ইউনাইটেড ২০০৫ ইন্ডিয়ান ফেডারেশন কাপ বিজয়ী হিসেবে ২০০৬ এএফসি কাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছিল।
পুরস্কার
[সম্পাদনা]| পুরস্কার | বিজয়ী | ক্লাব |
|---|---|---|
| শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়[৯] | ডুডু ওমাগবেমি | স্পোর্টিং গোয়া |
| শ্রেষ্ঠ ফরওয়ার্ড | ডুডু ওমাগবেমি | স্পোর্টিং গোয়া |
| শ্রেষ্ঠ মিডফিল্ডার | ক্লাইম্যাক্স লরেন্স | ইস্টবেঙ্গল |
| শ্রেষ্ঠ গোলরক্ষক | সতীশ কুমার | ডেম্পো |
| শ্রেষ্ঠ ডিফেন্ডার | মহেশ গাওলি | মহিন্দ্র ইউনাইটেড |
| ফেয়ার প্লে পুরস্কার | জেসিটি | |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "National Football League"। rediff.com। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৪।
- ↑ "East Bengal crush Tollygunge 5-0"। Rediff.com। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "Vasco thrash Tollygunge"। Rediff.com। ২৩ মার্চ ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "Sporting rout Dempo"। Rediff.com। ১৬ মার্চ ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "Sporting thrash Churchill Brothers"। Rediff.com। ১ এপ্রিল ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "Bagan rout Tollygunge"। Rediff.com। ৫ মে ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "SBT back with a bang"। Rediff.com। ১৪ জানুয়ারি ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "Sporting Clube rout Vasco"। Rediff.com। ২৯ এপ্রিল ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "Omagbemi adjudged best"। Rediff.com। ২৭ মে ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০১৮।