২০০১–০২ জাতীয় ফুটবল লিগ (ভারত)
অবয়ব
| মৌসুম | ২০০১–০২ |
|---|---|
| তারিখ | ১২ ডিসেম্বর ২০০১ – ১৫ এপ্রিল ২০০২ |
| চ্যাম্পিয়ন | মোহনবাগান ৩য় এনএফএল শিরোপা ৩য় ভারতীয় শিরোপা |
| অবনমন | কোচিন পাঞ্জাব পুলিশ |
| এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ | মোহনবাগান চার্চিল ব্রাদার্স |
| মোট খেলা | ১৩২ |
| মোট গোলসংখ্যা | ৩০২ (ম্যাচ প্রতি ২.২৯টি) |
| শীর্ষ গোলদাতা | ইউসুফ ইয়াকুবু (১৮ গোল)[১] |
← ২০০০–০১ ২০০২–০৩ → | |
২০০১–০২ জাতীয় ফুটবল লিগ হল উক্ত প্রতিযোগিতার ষষ্ঠ আসর। এই আসরে ১২টি দল অংশগ্রহণ করেছিল এবং মোহনবাগান চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এবং চার্চিল ব্রাদার্স রানার্স-আপ হয়েছিল।
দল
[সম্পাদনা]দল পরিবর্তন
[সম্পাদনা]| ২০০০–০১ এনএফএল থেকে অবনমিত |
|
|---|---|
| ২০০০–০১ এনএফএল ২ থেকে উত্তীর্ণ |
পয়েন্ট তালিকা
[সম্পাদনা]| অব | দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | গোপা | পয়েন্ট | যোগ্যতা অর্জন |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | মোহনবাগান | ২২ | ১৩ | ৫ | ৪ | ৩১ | ১৯ | +১২ | ৪৪ | চ্যাম্পিয়ন ও ২০০২–০৩ এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ |
| ২ | চার্চিল ব্রাদার্স | ২২ | ১২ | ৬ | ৪ | ৪৪ | ১৯ | +২৫ | ৪২ | ২০০২–০৩ এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ[ক] |
| ৩ | ভাস্কো | ২২ | ১২ | ৪ | ৬ | ২৮ | ২০ | +৮ | ৪০ | |
| ৪ | সালগাওকর | ২২ | ১০ | ৯ | ৩ | ৩২ | ১৭ | +১৫ | ৩৯ | |
| ৫ | ইস্টবেঙ্গল | ২২ | ১১ | ৩ | ৮ | ৩১ | ২৩ | +৮ | ৩৬ | |
| ৬ | মহিন্দ্র ইউনাইটেড | ২২ | ৯ | ৬ | ৭ | ২৫ | ১৯ | +৬ | ৩৩ | |
| ৭ | আইটিআই | ২২ | ৮ | ৬ | ৮ | ২৬ | ২৬ | ০ | ৩০ | |
| ৮ | হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড | ২২ | ৮ | ৪ | ১০ | ১৮ | ২৬ | −৮ | ২৮ | |
| ৯ | টালিগঞ্জ অগ্রগামী | ২২ | ৬ | ৫ | ১১ | ২৬ | ৩৭ | −১১ | ২৩ | |
| ১০ | জেসিটি | ২২ | ৫ | ৬ | ১১ | ১৮ | ২৬ | −৮ | ২১ | |
| ১১ | কোচিন | ২২ | ৪ | ৫ | ১৩ | ১২ | ৩২ | −২০ | ১৭ | এনএফএল ২-এ অবনমন |
| ১২ | পাঞ্জাব পুলিশ | ২২ | ৩ | ৩ | ১৬ | ১১ | ৩৮ | −২৭ | ১২ |
উৎস: rsssf.com
টীকা:
টীকা:
- ↑ এই মরসুমে ফেডারেশন কাপ অনুষ্ঠিত না হওয়ায়, লিগ রানার্স-আপ হিসেবে চার্চিল ব্রাদার্স নবনির্মিত এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিল।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "From the History Book"। All India Football Federation। the-aiff.com। ১৭ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০১৮।