বিষয়বস্তুতে চলুন

১৯৮৫ গুজরাট দাঙ্গা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
1985 Gujarat riots
Religious violence in India অংশ
Location of Gujarat state in India
তারিখFebruary 1985 to August 1985
অবস্থান
Cities of Gujarat State, India
পদ্ধতিKilling, arson, looting.[]
Led to 220–275 deaths, thousands of injuries and displaced tens of thousands.[][]

১৯৮৫ এর গুজরাট দাঙ্গা

১৯৮৫ সালের গুজরাট দাঙ্গা ১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের গুজরাট রাজ্যে শুরু হয়েছিল ইতিহাসের ঘৃণ্যতম হিন্দু- মুসলিম দাংগা, যা আগস্ট পর্যন্ত স্থায়ি হয়েছিল। বেশিরভাগ দাঙ্গা সংগঠিত হয় আহমেদাবাদ শহরে; এবং এ রাজ্যের রাজধানী গান্ধীনগর সহ আরো অনেক শহরে তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সহিংসতায় ২২০ থেকে ২৭৫ জন নিহত হন, কয়েক হাজার আহত হন এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। দাঙ্গার ফলে ব্যাপক সম্পত্তির ক্ষতিও হয়েছিল। [] []

১৯৮৫ সালের জানুয়ারিতে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী মাধব সিং সোলাঙ্কির সংরক্ষণ নীতিতে বেশ কিছু পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়, এর ফলে "অনগ্রসর" শ্রেণীর মানুষদের বেশ কিছু সুবিধা বৃদ্ধি পায়। উচ্চবর্ণের মানুষের মধ্যে এই নীতির প্রতি ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তারা ১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। প্রথমে এই আন্দোলন বয়কট এবং প্রতিবাদ মিছিলের রূপ নেয়, এবং দ্রুত সহিংসতা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। সরকারি সম্পত্তি এবং বাসগুলোকে উচ্চবর্ণের বিক্ষোভকারিরা টার্গেটে পরিণত করে এবং ভাংচুর করে। মার্চের শুরুতে, শহরের মুসলিম সংখ্যালঘুদের উপর হামলা শুরু করে,যার কারণে, সাম্প্রদায়িক সহিংসতাও শুরু হয়। রাজ্য পুলিশ প্রায়শই সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেউ এবং নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে, কিছু ক্ষেত্রে নিজেরা অংশগ্রহণ করে। শহরে টহল দেওয়ার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ডাকা হয় এবং ঘন ঘন কারফিউ ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৬ সালের আগস্টে সোলাঙ্কির পদত্যাগের পর এবং আন্দোলনকারীদের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর পর সহিংসতা কমে যায়। আহমেদাবাদের মুসলিমরা এই সহিংসতার প্রধান শিকার হয়; প্রায় ১০০ জন নিহত হয়,শত শত মানুষ গুরুতর আহত হয়, তাদের ২,৫০০ বাড়িঘর ধ্বংস করা হয় এবং ১২,০০০ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। []

ঐতিহাসিক এবং বিশেষজ্ঞদের মতে গুজরাটের জাতিগত দাঙ্গা এবং সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ছিল ইতিহাসের একটি কলংকিত অধ্যায়। [][] যার ফলে নিম্নবর্ণের মানুষের জন্য ক্রমবর্ধমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ- সুবিধা বৃদ্ধি পায় এবং মুসলিম ও আদিবাসীদের মধ্যে রাজনৈতিক জোট তৈরি হয়। যার কারণে উচ্চবর্ণের লোকেরা হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়ে। জাতিগত উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট দাঙ্গা এভাবে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার রূপ নেয়,[] এবং সংরক্ষণ বিতর্কে কোনও ভূমিকা না রাখা মুসলিমরা নির্যাতনের শিকার হন। []েই জাতিগত ধর্মীয় সহিংসতা হিন্দু জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকেও শক্তিশালী করে:[] [] উদাহরণস্বরূপ, গুজরাটে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রভাব বৃদ্ধি পায়। [] দাঙ্গার তদন্তকারী সরকারি কমিশনের মতে, বিজেপির সদস্যদের পাশাপাশি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্যরাও সহিংসতা আরও বাড়িয়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। [] সোলাঙ্কির সরকারকে রাজনৈতিক স্বার্থে সহিংসতা ছড়ানোর কাজে ব্যবহার করার করা হয়। [] []

পটভূমি এবং প্রেরণা

[সম্পাদনা]

১৯৮০ সালে অনুষ্ঠিত গুজরাট বিধানসভার নির্বাচনে, মাধব সিং সোলাঙ্কির নেতৃত্বে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় ফিরে আসে। [১০] ১৯৭৭ সাল থেকে, সোলাঙ্কি উচ্চ বর্ণীয় ক্ষত্রিয়দের সমর্থন নিয়ে একটি সফল রাজনৈতিক জোট গড়ে তোলেন, যারা ঐতিহ্যগতভাবে যোদ্ধা জাতি হিসেবে ভারতে পরিচিত ছিল, কিন্তু এরই মধ্যে নিম্ন বর্ণের বিভিন্ন গোষ্ঠী তাদের মর্যাদা উন্নত করতে চাইছিল;যেমন -হরিজন, বা দলিত, যারা ঐতিহাসিকভাবে অস্পৃশ্য নামে পরিচিত ছিল; আদিবাসী, বা আদিবাসী উপজাতি; এবং মুসলমান জাতি। এই জোটটি " KHAM " নামে পরিচিতি লাভ করে। [১১]

সোলাঙ্কি সরকার একটি "অনগ্রসর শ্রেণী কমিশন" গঠন করে্ন, যা ১৯৮৩ সালে "অনগ্রসর" জাতি গোষ্ঠীর লোকেদের জন্য সংরক্ষিত সরকারি চাকরির কোঠা অনুপাত ১০% থেকে বাড়িয়ে ২৮% করার সুপারিশ করে এবং এই কোটা অর্জনের মানদণ্ড হিসেবে তাদের জাতিগত বর্ণ পরিচয় বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। [১০][১২] ১৯৮৫ সালের মার্চ মাসে রাজ্যব্যাপী নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয় এবং এর আগে নিম্নবর্ণের মানুষদের সম্পর্ক জোরদারে কাজ করা হয়। সেই বছরের জানুয়ারিতে সরকার ঐক্য গঠন বাস্তবায়ন করেন; দলিত, আদিবাসী এবং "সামাজিক, মুসলিম ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণী" মানুষদের জন্য সংরক্ষিত চাকরির পাশাপাশি, ১৮% সরকারি পদ ও " অন্যান্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণী " এর জন্য আলাদা সংরক্ষণ করা হয়। [১১] [] তবে, কমিশনের সুপারিশের বিপরীতে, সরকার এই চাকরির কোটায় প্রবেশের জন্য মানদণ্ড হিসেবে জাতপাত বাদ দেয়নি। [১০][১২]

১৯৭০-এর দশকের শুরুতে, সুবিধাবঞ্চিত বর্ণের মানুষদের ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও সামাজিক গতিশীলতা বাড়তে থাকে, ফলে উচ্চবর্ণের মানুষেরা ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতার দিকে পরিচালিত হতে থাকে। [১৩] কংগ্রেস সরকার নিম্ন বর্ণের সমর্থন করে এবং ঐক্য গড়ে তোলার জন্য একযোগে প্রচেষ্টা চালাতে থাকে, ফলে সোলাঙ্কির নিম্ন বর্ণ-ভিত্তিক জোট সম্মিলিতভাবে উচ্চ বর্ণের রাজনৈতিক আধিপত্যবাদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে এবং এটি আরও তীব্র হয়ে ওঠে। [১৩] ১৯৭৫ সালে সংরক্ষণ নীতি চালু হওয়ার পর গুজরাটে উচ্চবর্ণের গোষ্ঠীগুলির সহিংস প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়; ১৯৭৫ সালে দাঙ্গা সংঘটিত হয় এবং ১৯৮১ সালে দাঙ্গা আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে, যেখানে পঞ্চাশজনেরও বেশি মানুষনিহত হয়, অসংখ্য মানুষ আহত হয়, যাদের বেশিরভাগই সুবিধাবঞ্চিত নিম্ন বর্ণের সদস্য, । [১২] ১৯৮১ সালে স্নাতকোত্তর চিকিৎসা কোর্সে সংরক্ষণ কোটা বাস্তবায়নের পর আন্দোলন শুরু হয় এবং আহমেদাবাদের একটি সরকারি মেডিকেল কলেজের ব্রাহ্মণ, বানিয়া এবং পাটিদার ছাত্ররা সংঘাত শুরু করে। যদিও সরকার এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের দাবি মেনে নেয়, তবুও আন্দোলন তীব্রতর হয় এবং তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে বিশেষ করে দলিতদের উপর ব্যাপক অত্যাচারের ঘটনা ঘটে। [১০] [১৪]

এই বর্ণ-ভিত্তিক উত্তেজনা পরবর্তী কয়েক বছর ধরে অব্যাহতভাবে চলতে থাকে, যদিও সুবিধাবঞ্চিত নিম্ন বর্ণের মানুষদের জন্য নির্ধারিত কোটার খুব কম অংশই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়। [১০] [১৪] ১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, সংরক্ষণ নীতির পরিবর্তনের বিষয়ে উচ্চবর্ণের মধ্যে ক্ষোভ আবারও দাঙ্গার দিকে পরিচালিত করে, কারণ সুবিধাভোগী বর্ণের সদস্যরা সরকারি সম্পত্তিতে আক্রমণ শুরু করে। [১২] [১১] [১৫] কিন্তু হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয় মুসলিম সংখ্যালঘুদের উপর, ফলে দাঙ্গা দ্রুত ধর্মীয় সহিংসতায় রূপ নেয়। [][১২] ১৯৬৯ সালের গুজরাট দাঙ্গার সময়,যেসব সহিংসতা সংগঠিত হয়,তা দেশভাগের পর থেকে ভারতের সবচেয়ে খারাপ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল গুজরাট। [১৬]

দাঙ্গা

[সম্পাদনা]

১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ

[সম্পাদনা]
পুরাতন শহর আহমেদাবাদ, যেখানে ২৫ তারিখের বনধ বিশেষভাবে কার্যকর ছিল। [১৭]

যদিও সংরক্ষণ নীতির পরিবর্তন জানুয়ারিতে ঘোষণা করা হয়, কিন্তু ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত কোনও বড় আকারের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। [১৮] [১৯] সে সময়ে, আহমেদাবাদের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদে ১৮ ফেব্রুয়ারির নির্ধারিত তাদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ছাত্ররা অল-গুজরাট এডুকেশনাল রিফর্ম অ্যাকশন কমিটি (AGERAC) নামে একটি কমিটি গঠন করে এবং সমস্ত পরীক্ষা বর্জন করে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় । ফলে, সরকার সমস্ত স্কুল এবং কলেজ বন্ধ করে দেয়। [১৮] শিক্ষার্থীরা প্রথমে ধর্মঘট পালন করে এবং প্রতিবাদ মিটিং- মিছিলে অংশ নেয়। শীঘ্রই তাদের আন্দোলন সহিংস হয়ে ওঠে। অগ্নিসংযোগ ও পাথর ছুঁড়ে সরকারি ও পৌরসভার সম্পত্তির যথেষ্ট ক্ষতি করে। এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা মূলত উচ্চবর্ণের ছাত্র ছিল এবং এবং নিম্ন বর্ণের ছাত্র-জনতা নির্যাতনের মুখে পড়ে। সহিংসতা প্রাথমিকভাবে শহরের পশ্চিম অংশে সীমাবদ্ধ থাকে। [১৮] AGERAC বা অল-গুজরাট এডুকেশনাল রিফর্ম অ্যাকশন কমিটি ২৫শে ফেব্রুয়ারী বন্ধ বা সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। শহরের কিছু অংশে ধর্মঘট পালিত হলেও অন্য অংশে তা পালিত হয়নি। এই ধর্মঘটে কিছু আইনজীবী এবং ডাক্তার ও পাশাপাশি বিজেপির সাথে যুক্ত ছাত্র গোষ্ঠীগুলো সমর্থন দেয়। [২০] [২১] এই আন্দোলনকারিদের অধিকাংশই উচ্চবর্ণ ও ধনি পরিবারের সদস্য ছিল। যারা ১৯৮১ সালের আন্দোলনকেও সমর্থন করেছিল। [২১]

২৮শে ফেব্রুয়ারি সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে এবং বাসে অগ্নিসংযোগ করা হলে একজন যাত্রী পুড়ে মারা যান, কিন্তু মার্চের প্রথম সপ্তাহে সহিংসতা কিছুটা থেমে যায়। এই সময়ে গুজরাট রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন নির্ধারিত সময় অনুষ্ঠিত হয় এবং সোলাঙ্কির নেতৃত্বে কংগ্রেস পার্টি ১৮২টি আসনের মধ্যে ১৪৯টিতে জয়লাভ করে। [২০] সোলাঙ্কি মন্ত্রিসভা গঠন করেন, যেখানে ২০ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১৪ জনই ছিলেন তার KHAM জাতি জোটের সদস্য। উচ্চ বর্ণের মানুষেরা এটি মেনে নিতে পারেনি, ফলে উচ্চ বর্ণের ছাত্র আন্দোলন আবার শুরু হয়; ব্যক্তিগত যানবাহন সহ অনেক বাসে আক্রমণ করা হয় এবং দুটি বাস পুড়িয়ে দেওয়া হয়। [২১] [২০] ১৮ মার্চ আবারও রাজ্যব্যাপী বনধ বা ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। এর প্রতিক্রিয়ায়, সরকার সংরক্ষণ নীতিতে যেকোনো পরিবর্তন এক বছরের জন্য স্থগিত করে, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত করে এবং সংরক্ষণ নীতিতে পরিবর্তনের সুপারিশকারী কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেয়। আন্দোলনকারীরা তাদের অবস্থান আরও দৃঢ় করে এবং তারা সকল সংরক্ষণ নীতির অবসান চান। [২০]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 Iyengar, Sudarshan; Patel, Sujata (১৩ জুলাই ১৯৮৫)। "Violence with a Difference": ১১৭৪–১১৭৫। জেস্টোর 4374584 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  2. 1 2 3 Shani 2007, পৃ. 87–88।
  3. 1 2 Spodek 1989, পৃ. 765–766।
  4. 1 2 3 Fuller, C. J. (২০১১)। A Companion to the Anthropology of India। Wiley-Blackwell। পৃ. ২০০৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১৪০৫১৯৮৯২৯
  5. 1 2 Spodek, Howard (আগস্ট ২০০৯)। "Reviewed Work(s): Communalism, Caste and Hindu Nationalism: The Violence in Gujarat by Ornit Shani": ১০১৭–১০১৯। ডিওআই:10.1017/S0021911809990581জেস্টোর 20619847 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  6. Shani 2007, পৃ. 158–160।
  7. Engineer 2003, পৃ. 12–13।
  8. 1 2 3 Sheth, Suchitra; Yājñika, Acyuta (২০০৫)। The Shaping of Modern Gujarat: Plurality, Hindutva, and Beyond। Penguin। পৃ. ২৫৬আইএসবিএন ৯৭৮-০১৪৪০০০৩৮৮ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Sheth&Yajnika2005" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  9. Spodek 1989, পৃ. 769।
  10. 1 2 3 4 5 Jaffrelot, Christophe (২০০৩)। India's Silent Revolution: The Rise of the Lower Castes in North India। Hurst। পৃ. ৩২৫–৩২৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১৮৫০৬৫৩৯৮১ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Jaffrelot2003" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  11. 1 2 3 Spodek 1989, পৃ. 767–768।
  12. 1 2 3 4 5 Brass, Paul R. (১৯৯৪)। The New Cambridge History of India: The Politics of India Since Independence। Cambridge University Press। পৃ. ২৬০–২৬৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৪৫৩৬২-২ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Brass1994" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  13. 1 2 Shani 2007, পৃ. 66–70।
  14. 1 2 Shani 2007, পৃ. 62–66।
  15. Shani 2007, পৃ. 16–17।
  16. Shani 2007, পৃ. 15–16।
  17. Shani 2007, পৃ. 80।
  18. 1 2 3 Shani 2007, পৃ. 79–80।
  19. Spodek 1989, পৃ. 767–769।
  20. 1 2 3 4 Shani 2007, পৃ. 80–81।
  21. 1 2 3 Spodek 1989, পৃ. 768–769।