১৯৬৪ সালের পূর্ব-পাকিস্তানের দাঙ্গা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
১৯৬৪ সালের পূর্ব-পাকিস্তানের দাঙ্গা
East Bengal Map.png
স্থান পূর্ববঙ্গ বা পূর্ব-বাংলা(বর্তমান বাংলাদেশ)
তারিখ জানুয়ারি,১৯৬৪ হতে
লক্ষ্য বাঙালি হিন্দু
হামলার ধরন
হত্যাযজ্ঞ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, লুটপাট, অপহরণ, অগ্নিসংযোগ,ধর্ষণ
হামলাকারী দল পুলিশ,আনসার,সেনাবাহিনী,ইস্টপাকিস্তান রাইফেলস,স্থানীয় মুসলিম জনগোষ্ঠী
কারণ ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, মুসলিম জনগোষ্ঠী দ্বারা হিন্দু জনগোষ্ঠীর উপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ ধর্মীয় কারণে

১৯৬৪ সালের পূর্ব-পাকিস্তানের দাঙ্গা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান বা পূর্ববাংলার(বর্তমান বাংলাদেশ)বাঙ্গালী হিন্দুদেরকে জাতিগতভাবে নির্মূল করার জন্য তাদের উপর চালানো এক নিষ্ঠুর অমানবিক গণহত্যার নাম।ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে অবস্থিত হজরতবাল নামক তীর্থক্ষেত্রে নবী হজরত মুহাম্মদের(সঃ) সংরক্ষিত মাথার চুল চুরি করা হয়েছে-এই সংবাদ ছড়ানোর মাধ্যমে পূর্ব-বাংলায় বাঙ্গালীহিন্দু হত্যার সূচনা করা হয়।[১][২] এই গণহত্যার একটি বিশেষ লক্ষণীয় দিক হল-ঢাকার ও পূর্ব-বাংলার অন্যান্য শহরাঞ্চলের যে সব নির্দিষ্ট এলাকাতে হিন্দু জনগোষ্ঠী বসবাস করে সেখানে হত্যাযজ্ঞ চালানো এবং হিন্দু মালিকানাধীন কলকারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা করা।ফলশ্রুতিতে আরও একবার বাঙ্গালীহিন্দু শরণার্থীদের ঢেউ আছড়ে পড়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপর।এই আশ্রয়প্রার্থী পীড়িত-নির্যাতিত হিন্দু শরণার্থীরা ভারতের জাতীয় সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হয়।ভারত সরকার পূর্ববাংলার এই নিপীড়িত হিন্দুদেরকে মধ্যপ্রদেশের দণ্ডকারণ্যে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে।

পটভূমি[সম্পাদনা]

১৯৬৩ সালের ২৭ ডিসেম্বরে ভারতের শ্রীনগরে অবস্থিত হজরতবাল দরগাশরীফে সংরক্ষিত নবী হজরত মুহাম্মদের(সঃ) মাথার চুল চুরি হয়ে যায়।এজন্য ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে ব্যপক বিক্ষোভ সংগঠিত হয়।আব্দুল হাই নামে ইসলামিক বোর্ডের উপদেষ্টা কমিটির একজন সদস্য পূর্ব-পাকিস্তানের সকল হিন্দু এবং অমুসলিমদের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দেয়।[৩]ইসলামাবাদে ফেরার প্রাক্বালে ঢাকা বিমানবন্দরে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান ঘোষণা করেন যে,হজরতবাল ঘটনার কারণে পাকিস্তানের মুসলিমরা কোন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখালে তার কোন দায় নেই।[১] পাকিস্তান কনভেনশন মুসলিম লীগ ১৯৬৪ সালের ৩ জানুয়ারী কে ‘কাশ্মীর দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।[৪] ১৯৬৪ সালের ৪ জানুয়ারিতে হারিয়ে যাওয়া চুল খুঁজে পাওয়া গেলেও পরেরদিনই পাকিস্তান রেডিও থেকে ওই ঘটনাকে মিথ্যা বলে প্রচার করা হয়। [২]

হত্যাযজ্ঞ[সম্পাদনা]

খুলনা[সম্পাদনা]

ঢাকা[সম্পাদনা]

নারায়ণগঞ্জ[সম্পাদনা]

ঢাকা জেলা[সম্পাদনা]

রাজশাহী[সম্পাদনা]

হজরতবাল ঘটনার গুজব ছড়ানোর পর থেকেই পূর্ব-পাকিস্তান প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু ছাত্রাবাসের উপর পাথর নিক্ষেপ করে মুসলিমরা তাদের প্রচণ্ড আক্রোশের প্রকাশ করত।[৫] জামাত-ই-ইসলামের অনুগত মুসলিম শিক্ষার্থীরা প্রকাশ্যে হিন্দু শিক্ষার্থীদেরকে ভারতীয় অনুচর আখ্যা দিয়ে সাধারণ মুসলিমদের মাঝে ঘৃণার চাষ শুরু করে।তৎকালীন রাজশাহী জেলার নওগাঁর নিকটে অবস্থিত মইনাম গ্রামের সকল হিন্দু গ্রামবাসীকে নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করা হয়;শুধুমাত্র দুটি নাবালিকাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়।[৫] দুরুশা নামক স্থানের সাঁওতাল আদিবাসী সম্প্রদায়ও হিন্দু বিরোধী এই পাশবিক হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়।[৬]

সিলেট[সম্পাদনা]

সিলেটে রমযান মাসে হিন্দুসম্প্রদায়ের সকল দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়।কীর্তনসহ অন্যান্য ধর্মানুষ্ঠান নিশিদ্ধ করে দেয় বিরামহীন হিংসার প্রকাশ ঘটায় মুসলিমরা।[৭]সিলেটের ৩৫ টি চা বাগানের সকল হিন্দু শ্রমিকদেরকে ইসলাম গ্রহণের জন্য হুমকি দেয়া হয়।তাদেরকে গো-মাংস ভক্ষনে বাধ্য করা হয়।বাসুদেব শর্মা নামে একজন অত্যন্ত সজ্জন হিন্দু গুরু ছিলেন,যিনি সেখানকার হাজার হাজার হিন্দু শ্রমিকদের নিকট অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন।ঈদ-উল-ফিতরের দিনে নিরীহ এই মানুষটিকে মুসলিমরা জোর করে গো-মাংস ভক্ষণে বাধ্য করে।[৮]

ময়মনসিংহ[সম্পাদনা]

তৎকালীন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার নালিতাবাড়ী ,কলমাকান্দা,দুর্গাপুর,হালুয়াঘাট,শ্রীবরদী এলাকায় বসবাসকারী আদিবাসী গারো এবং হাজং জনগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ করা হয়।ফলে তাদের অনেকেই হাজার হাজার বছর ধরে আঁকড়ে থাকা স্বভূমি ত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।[৯]

হিন্দুজনগোষ্ঠীর উপর দমনমূলক ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ[সম্পাদনা]

পাকিস্তানে গণমাধ্যমের উপর সর্বোচ্চ বিধিনিষেধ আরোপ করে সম্পূর্ণভাবে কণ্ঠরোধ করা হয়।আলোকচিত্র ধারণ করাও নিশিদ্ধ করা হয়।[১০]দৈনিক ইত্তেফাক ও পাকিস্তান অবজারভার পত্রিকায় কিছু সত্য ঘটনা প্রকাশের জন্য সেগুলোর উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।এর প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের পাঁচটি দৈনিক পত্রিকা তাদের ছাপানো বন্ধ করে দেয়।[১১]আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করে যে,শুধুমাত্র ঢাকা শহরেই ১,০০০ এর উপর নিরীহ হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে।এ রিপোর্ট প্রকাশের পরে পাকিস্তান সরকার তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করে।[১২]

বাঙ্গালী হিন্দুদের পূর্ববঙ্গ ত্যাগ[সম্পাদনা]

চিত্র:1964 Hindu refugees.jpg
কলকাতার উদ্দ্যেশ্যে যাত্রাপথে পূর্ববঙ্গের হতভাগ্য হিন্দু শরণার্থী

হাজার হাজার হতভাগ্য অসহায় শরণার্থীর ঢেউ আছড়ে পরে প্রতিবেশী ভারতের উপরে।প্রতিদিনই ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ আর্ত হিন্দু সর্বস্ব ত্যাগ করে প্রাণ বাঁচানোর জন্য দেশান্তরী হবার উদ্দ্যেশ্যে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে জড় হত।কিন্তু মাত্র ৩০০-৪০০ ভাগ্যবান হিন্দুই ভারতে প্রবেশের অনুমতি লাভে সমর্থ হত।[১৩] অন্তহীন দেশান্তরের কারণে পূর্ব-পাকিস্তানের একমাত্র হিন্দু গরিষ্ঠ জেলা খুলনাও মুসলিম গরিষ্ঠ জেলাতে রূপান্তরিত হয়।[১৪]পূর্ব-পাকিস্তানের অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ছিটমহল গুলোতে পাকিস্তান রাইফেলস বাহিনীর অকথ্য নির্যাতনের ফলে বিশাল পরিমানে হিন্দু শরণার্থী ভারতের জলপাইগুড়িতে প্রবেশ করতে বাধ্য হয়।[১৫]২মার্চ 'দ্যা গ্লোব এ্যান্ড মেইল'(The Globe and Mail) তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করে,ঢাকার হাজার হাজার নিরুপায় হিন্দু ভারতে যাবার জন্য তীর্থের কাকের মত অপেক্ষা করছে।[১৬]ভারতীয় কর্তৃপক্ষের এক হিসাব থেকে জানা যায়,শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই কমপক্ষে ১,৩৫,০০০ বাঙালি হিন্দু শরণার্থী প্রবেশ করেছে।[১৭] এই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে নারায়ণগঞ্জের পানাম নগরের সকল হিন্দু পালিয়ে ভারতে চলে যায়।[১৮]

আদিবাসীদের উচ্ছেদ[সম্পাদনা]

ভারতসরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন[সম্পাদনা]

হতভাগ্য ,অসহায়, বাস্তুচ্যুত আশ্রয়প্রার্থীদেরকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,আসামত্রিপুরাতে স্থাপন করা অস্থায়ী শিবিরে ত্রান সাহায্য দেয়া হয়।পরবর্তীতে রিফিউজিদেরকে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে পুনর্বাসিত করা হয়।শিলচরে প্রায় ৬,০০০ চাকমা সম্প্রদায়ের মানুষকে আশ্রয় দেয়া হয়।[১৯]গারোপাহাড়ি অঞ্চলের তুরা নামক স্থানে স্থাপিত ১২ টি অস্থায়ী শিবিরে পূর্ব পাকিস্তানের ৫০,০০০ গারো ও অন্যান্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মাথা গোজার ঠাই মেলে।[২০]

পূর্ব-পাকিস্তানে ত্রাণ বিতরণ[সম্পাদনা]

১৫ জানুয়ারি, ১৯৬৪ তারিখে ঢাকার সূত্রাপুরের হেমন্দ্র দাস রোডের স্বদেশ নাগের বাড়িতে আশেপাশের ৩০০ জন উদ্বাস্তু হিন্দু তাদের স্ত্রী,পুত্র,কন্যা সহ আশ্রয়ের জন্য হাজির হয়। স্বদেশ নাগ তাদের জন্য ডাল-ভাতের ব্যবস্থা করেছিলেন।পরেরদিন পূর্ব-পাকিস্তান সরকার ঢাকার বিভিন্ন গোলযোগপূর্ণ এলাকা থেকে অসহায় হিন্দুদেরকে ট্রাকে করে ঢাকা কোর্ট চত্বরে নিয়ে আসতে শুরু করে।অল্প সময়ের মধ্যেই কোর্ট প্রাঙ্গনে আর তিল ধারনেও ঠাই ছিল না।১৭ জানুয়ারিতে কর্তৃপক্ষ সর্বহারা উদ্বাস্তু রিফুউজি হিন্দুদেরকে জগন্নাথ কলেজ চত্বরে অপসারিত করতে শুরু করে।জগন্নাথ কলেজ প্রাঙ্গনে প্রায় ৭,০০০ থেকে ১০,০০০ হিন্দু তাদের আবাস ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছিল।কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেখানে শৌচাগারের ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হয়। ফলে কয়েক দিনের মধ্যেই আশ্রয়কেন্দ্রটি রীতিমত অস্বাস্থ্যকর একটি নরকতুল্য স্থানে পরিণত হয়েছিল।[২১]নিকটস্থ তাঁতিবাজার ও শাঁখারীবাজারের বাঙ্গালি হিন্দুরা এই সব নিদারুন বিপর্যয়ে বিপর্যস্ত রিফিউজিদেরকে দু’দিন খিচুড়ি খেতে দেয়ার ব্যবস্থা করেছিল।[২২]ঢাকাতে ২৫ টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছিল[২৩] যার মাঝে একটি মাত্র কেন্দ্র পরিচালিত হত সরকারের সহায়তায়।বাকি একটিরও দায়িত্ব নিতে পূর্ব-পাকিস্তান সরকার অস্বীকার করে এবং সেগুলো বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও হিন্দু ব্যক্তির সাহায্যে পরিচালিত হত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৮০০ সম্বলহীন হতভাগ্য হিন্দু রিফিউজির সাথে দুই জন হিন্দু আইনপ্রনেতা জনপ্রতিনিধিও আশ্রয় নিয়েছিলেন।[২৪] বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুসারে জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে ঢাকার ২০ টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫০,০০০-৮০,০০০ বাস্তুচ্যুত হিন্দু ঠাই পেয়েছিল।.[২৫]

পূর্ববঙ্গের বাঙ্গালি হিন্দুদের উপর মুসলিমদের অসভ্য,বর্বর,মধ্যযুগীয় নির্যাতন সেখানকার প্রকৃত শিক্ষিত মুসলিমদের মনে সীমাহীন লজ্জা ও গ্লানির সূত্রপাত করেছিল।.[২৫]এসময়ে সেখানকার কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যেমন আতাউর রহমান খান,শেখ মুজিবুর রহমান,মামুদ আলী,জিল্লুর হোসেন,তোফাজ্জল হোসেন কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।[২৬]

সাহিত্য ও অন্যান্য সৃজনশীল মাধ্যমে গণহত্যার চিত্রায়ন[সম্পাদনা]

১৯৮৮ সালে বিখ্যাত লেখক অমিতাভ ঘোষের লেখা সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার প্রাপ্ত ইংরেজি উপন্যাস 'দ্যা শ্যাডো লাইন্স'(The Shadow Lines)'র অন্তর্নিহিত বিষয় ছিল ১৯৬৪ সালের পূর্ববঙ্গের গণহত্যা।এরকম আরেকটি বই শুভশ্রী ঘোষের লেখা 'এ্যাক্রস বর্ডারস'(Across Borders)।১৯৬৪ সালের গণহত্যায় বাঙালি হিন্দুদের পাশাপাশি পূর্ববঙ্গের অনেক নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী অত্যাচারের শিকার হয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।এমনই এক আদিবাসী সম্প্রদায় ছিল গারো জনগোষ্ঠী।এই ঘটনাকে উপজীব্য করে উমাকান্ত শর্মা ১৯৬৫ সালে অহমিয়া ভাষায় 'ছিমছাঙ্গার দুটো পাড়' (Chhimchhangar Duta Par) নামে একটি উপন্যাস লেখেন।এই গন্যহত্যার ফলে সৃষ্ট বাঙালিহিন্দুদের দেশত্যাগের বিষয়বস্তু নিয়ে বিখ্যাত বাংলাদেশি চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল 'চিত্রা নদীর পারে' নামে একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন ১৯৯৯ সালে।[২৭]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. Baidya, Kalidas (2005). Bangalir Muktiyuddhe Antaraler Sheikh Mujib. Kolkata: Shankar Karmakar. p. 84.
  2. Mukhopadhyay, Kali Prasad (2007). Partition, Bengal and After: The Great Tragedy of India. New Delhi: Reference Press. p. 48. ISBN 81-8405-034-8.
  3. Bhattacharyya, S.K. (1987). Genocide in East Pakistan/Bangladesh. Houston: A. Ghosh (Publisher). p. 89. ISBN 0-9611614-3-4.
  4. Trivedi, Rabindranath (২৩ জুলাই ২০০৭)। "The Legacy of the plight of Hindus in Bangladesh - Part-VII: Bengali Muslims Fight Communalism in 1964"Asian Tribune (World Institute for Asian Studies) 12 (492)। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০১৩ 
  5. Roy, Tathagata (২০০১)। My People, Uprooted: A Saga of the Hindus of Eastern Bengal। Kolkata: Ratna Prakashan। পৃ: 220–221। আইএসবিএন 81-85709-67-X 
  6. "Rajshahi Deanery"। Church of Bangladesh। সংগৃহীত ২৭ আগস্ট ২০১৩ 
  7. Bhattacharyya, S.K. (1987). Genocide in East Pakistan/Bangladesh. Houston: A. Ghosh (Publisher). p. 95. ISBN 0-9611614-3-4.
  8. Bhattacharyya, S.K. (1987). Genocide in East Pakistan/Bangladesh. Houston: A. Ghosh (Publisher). p. 103. ISBN 0-9611614-3-4.
  9. "Bangladesh: Indigenous Leaders Demand Land Commission For Restoration Of Their Dispossessed Lands In Greater Mymensigh Area". Commercial Pressures on Land. International Land Coalition. Retrieved 1 September 2013.
  10. Bhattacharyya, S.K. (1987). Genocide in East Pakistan/Bangladesh. Houston: A. Ghosh (Publisher). p. 91. ISBN 0-9611614-3-4.
  11. Bhattacharyya, S.K. (1987). Genocide in East Pakistan/Bangladesh. Houston: A. Ghosh (Publisher). p. 101. ISBN 0-9611614-3-4.
  12. Bhattacharyya, S.K. (1987). Genocide in East Pakistan/Bangladesh. Houston: A. Ghosh (Publisher). p. 102. ISBN 0-9611614-3-4.
  13. Baidya, Kalidas (2005). Bangalir Muktiyuddhe Antaraler Sheikh Mujib. Kolkata: Shankar Karmakar. p. 91.
  14. Ghosh Dastidar, Sachi (2008). Empire's Last Casualty: Indian Subcontinent's vanishing Hindu and other Minorities. Kolkata: Firma KLM. p. 170. ISBN 81-7102-151-4.
  15. Bhattacharyya, S.K. (1987). Genocide in East Pakistan/Bangladesh. Houston: A. Ghosh (Publisher). p. 95. ISBN 0-9611614-3-4.
  16. "none"। The Globe and Mail (Toronto)। মার্চ ২, ১৯৬৪। 
  17. Brady, Thomas F. (৫ এপ্রিল ১৯৬৪)। "Moslem-Hindu Violence Flares Again"New York Times (New York)। সংগৃহীত ১৭ আগস্ট ২০১৪ 
  18. Ahmed, Iftekhar (২০০৬)। "A Participatory Approach to Conservation: Working With Community To Save The Cultural Heritage of Panamnagar"BRAC University Journal (Dhaka) 3 (2): ২৬। সংগৃহীত ১৭ আগস্ট ২০১৪ 
  19. Mukhopadhyay, Kali Prasad (2007). Partition, Bengal and After: The Great Tragedy of India. New Delhi: Reference Press. p. 50. ISBN 81-8405-034-8.
  20. Bhattacharyya, S.K. (১৯৮৭)। Genocide in East Pakistan/Bangladesh। Houston: A. Ghosh (Publisher)। পৃ: ১০৯। আইএসবিএন 0-9611614-3-4 
  21. Mukhopadhyay, Kali Prasad (2007). Partition, Bengal and After: The Great Tragedy of India. New Delhi: Reference Press. p. 47. ISBN 81-8405-034-8.
  22. Mukhopadhyay, Kali Prasad (2007). Partition, Bengal and After: The Great Tragedy of India. New Delhi: Reference Press. p. 47. ISBN 81-8405-034-8.
  23. Bhattacharyya, S.K. (1987). Genocide in East Pakistan/Bangladesh. Houston: A. Ghosh (Publisher). p. 106. ISBN 0-9611614-3-4.
  24. Halder, Dhirendra Nath। "Jagannath Hall - Background"। Jagannath Hall Alumni Association UK। সংগৃহীত ১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  25. Nevard, Jacques (২৪ জানুয়ারি ১৯৬৪)। "Riots Arouse Moslem Shame"New York Times (New York)। সংগৃহীত ১৭ আগস্ট ২০১৪ 
  26. Mukhopadhyay, Kali Prasad (2007). Partition, Bengal and After: The Great Tragedy of India. New Delhi: Reference Press. p. 47. ISBN 81-8405-034-8.
  27. "চিত্রা নদীর পারে : একটি পরিপূর্ণ অর্থের বাংলাদেশী চলচ্চিত্র - বাংলা মুভি ডেটাবেজ"