বিষয়বস্তুতে চলুন

১৪ রবিউস সানি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

১৪ রবিউস সানি বা ১৪ রবিউল আখর হলো ইসলামি চান্দ্র বর্ষপঞ্জির চতুর্থ মাস রবিউস সানির চতুর্দশ দিন, যা হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বছরের ১০৩তম দিন হয়। তবে যদি সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে, তাহলে এটি হিজরি সনের ১০৪তম দিন হিসেবে গণ্য হয়। এই দিনের পর হিজরি বছর শেষ হতে আরো ২৫১ অথবা ২৫২ দিন বাকি থাকে।

ঘটনাবলি

[সম্পাদনা]
  • ৫৮৮ হিজরি — হাশাশিন গোষ্ঠী তৃতীয় ক্রুসেডের সময় জেরুজালেম রাজ্যের রাজা কনরাড অব মন্টফেরাতকে হত্যা করে।
  • ৬৮৮ হিজরি—মামলুক সুলতান আল-মানসুর কালাউনের নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী ক্রুসেডারদের থেকে ত্রিপোলি নগরী পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তিনি শাম অঞ্চল থেকে ক্রুসেডারদের উপস্থিতি নির্মূলের ক্ষেত্রে সুলতান বাইবার্সের প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছিলেন।
  • ১১৩৩ হিজরি — গ্রিকরা উসমানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে মোরেয়া উপদ্বীপে (পেলোপনেস) এক বৃহৎ বিদ্রোহ শুরু করে। এই বিদ্রোহ বিস্তৃত সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং অনেক এলাকা তাদের দখলে যায়। আন্দোলনটি প্রায় ছয় বছর স্থায়ী হয়।
  • ১৩৬৮ হিজরি — ইখওয়ানুল মুসলিমিনের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম হাসান আল-বান্না আততায়ীর হাতে নিহত হন।[]
  • ১৩৭১ হিজরি — মরক্কোর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একত্র হয়ে একটি জাতীয় ফ্রন্ট গঠন করে এবং স্বাধীনতার দাবিতে রাজার কাছে স্মারকলিপি পেশ করে।
  • ১৪২৪ হিজরি — রাস আল-খাইমাহ আমিরাতের শাসক শেখ সাকর বিন মুহাম্মদ আল-কাসিমি তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ খালিদকে যুবরাজের পদ থেকে অপসারণ করে শেখ সৌদকে নতুন উত্তরাধিকারী নিযুক্ত করেন।
  • ১৪২৯ হিজরি— লেবাননের কাতায়েব দলের কয়েকজন কর্মী জাহল শহরে তাদের দলীয় কার্যালয় উদ্বোধনের পর গুলিবর্ষণে নিহত হন।
  • ১৪৩০ হিজরি—আলজেরিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছয়জন প্রার্থী অংশ নেন, যাদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুলআজিজ বুতেফ্লিকা, ওয়ার্কার্স পার্টির নেত্রী লুইজা হানুন, মুসা তৌয়াতি, আলি ফাউজি রেবাইন, মোহাম্মদ জাহিদ তৌনসি ও মোহাম্মদ সাঈদ।
  • ১৪৩২ হিজরি —
    • দ্বিতীয় বেনগাজি যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৯৭৩ নম্বর প্রস্তাব অনুসারে লিবিয়ার আকাশসীমায় নো-ফ্লাই জোন কার্যকর করার লক্ষ্যে সামরিক অভিযান শুরু হয়।
    • মিশরে হোসনি মোবারকের পতনের পর সংবিধান সংশোধনী গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
  • ১৪৩৬ হিজরি — জর্ডানি পাইলট মুয়াজ কাসাসবাকে আইএসআইএস জঙ্গিরা হত্যা করে। এর জবাবে জর্ডান সরকার সাজিদা আল-রিশাওয়ি ও জিয়াদ কারবুলির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে।
  • ১৪৩৯ হিজরি—সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদ প্রতিরক্ষা, শিল্প ও তথ্য মন্ত্রণালয়ে কিছু পরিবর্তনসহ মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের নির্দেশ দেন।
  • ১৪৪০ হিজরি — ইন্দোনেশিয়ার সুন্দা প্রণালিতে সুনামি আঘাত হানে, যার ফলে অন্তত ৪৩৭ নিহত ও ১৪,০৫৯ জন আহত হন।
  • ১৪৪১ হিজরি — সৌদি আরামকো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রথম দিনেই প্রায় ১.৮৮ ট্রিলিয়ন ডলার বাজারমূল্যে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানিতে পরিণত হয়।
  • ১৪৪৭ হিজরি—মিশরীয় নাগরিক খালেদ আল-আনানি ইউনেস্কোর মহাপরিচালক নির্বাচিত হন এবং তিনি প্রথম আরব ব্যক্তি হিসেবে এই পদে নির্বাচিত হন।
  • ১৩২৫ হিজরি — আহমদ হাসান আল-বাকুরি, মিশরীয় আলেম ও ফকিহ
  • ১৩৩৬ হিজরি — তাম্মাম হাসান, মিশরীয় ব্যাকরণবিদভাষাবিজ্ঞানী
  • ১৩৬০ হিজরি — গারিব মাহমুদ, মিশরীয় অভিনেতা।
  • ১৩৬৯ হিজরি—সালওয়া কাত্রিব, লেবানীয় সংগীতশিল্পী।
  • ১৩৭৫ হিজরি — হাসান শেখ মাহমুদ, সোমালিয়ার অষ্টম রাষ্ট্রপতি।
  • ১৩৮৪ হিজরি — সাফা আল-তুখি, মিশরীয় অভিনেত্রী।
  • ১৩৮৮ হিজরি — হাসিবা বুলমেরকা, আলজেরীয় দৌড়বিদ
  • ১৩৯৩ হিজরি — মুনা আবু সুলায়মান, সৌদি গণমাধ্যম কর্মী।
  • ১৪০০ হিজরি—জিমি ত্রাওরে, মালিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়

মৃত্যু

[সম্পাদনা]
  • ৫৮৮ হিজরি — কনরাড, জেরুজালেম রাজ্যের রাজা।[]
  • ১৩৬৮ হিজরি — হাসান আল-বান্না, মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতিষ্ঠাতা।
  • ১৩৮১ হিজরি— সালেহ আবদুল হাই, প্রাচ্য সঙ্গীতের প্রখ্যাত শিল্পী।
  • ১৪১৬ হিজরি — মোহাম্মদ আল-হাজ সালাম আমজিয়ান, মরক্কোর রাজনীতিবিদ।
  • ১৪১৭ হিজরি — হান্না জাসের, ফিলিস্তিনি কবি।
  • ১৪২৭ হিজরি — হুসেইন মাজিক, সাবেক লিবীয় প্রধানমন্ত্রী।
  • ১৪২৮ হিজরি — ইমরান বাহর, মিশরীয় অভিনেতা।
  • ১৪৩২ হিজরি — মোহাম্মদ নাবুস, লিবীয় সাংবাদিক।
  • ১৪৩৬ হিজরি —
  • ১৪৩৮ হিজরি —
    • করিমা মুখতার, মিশরীয় অভিনেত্রী।
    • মুসাঈদ আল-রাশিদি, সৌদি কবি
  • ১৪৪০ হিজরি—তালাল বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ, সৌদি যুবরাজ।[][]

আরো দেখুন

[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "إسلام ويب - سعادة تمتد"www.islamweb.net (আরবি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  2. ابن الأثير (2008). الكامل في التاريخ، الجزء العاشر، أحداث 583 هـ. القاهرة: دار التوفيقية للطباعة। পৃ. ১৪৬–১৬৯।
  3. "عبدالعزيز بن طلال بن عبدالعزيز on Twitter"Twitter (কন্নড় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  4. Sputnik। "أمراء وأميرات يشعلون مواقع التواصل بسبب طلال بن عبد العزيز"arabic.sputniknews.com (আরবি ভাষায়)। ৭ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]