হ্যালো কিটি
| হ্যালো কিটি | |
|---|---|
| সানরিও চরিত্র | |
![]() | |
| প্রথম উপস্থিতি | মার্চ ১৯৭৫ (সৃষ্টি ১৯৭৪) |
| স্রষ্টা | ইউকো শিমিজু |
| কণ্ঠ প্রদান | মেগুমি হায়াশিবারা (১৯৯০–২০২৩), অন্যান্যরা[ক] |
| লিঙ্গ | নারী |
হ্যালো কিটি (জাপানি: ハロー・キティ, হেপবার্ন: Harō Kiti, ইংরেজি: Hello Kitty)[৫] এছাড়াও তার আসল নাম কিটি হোয়াইট (জাপানি: キティ・ホワイト, হেপবার্ন: Kiti Howaito, ইংরেজি: Kitty White) নামেও পরিচিত, এটি একটি কাল্পনিক চরিত্র, যাকে তৈরি করেছেন ইউকো শিমিজু, বর্তমানে যার নকশা করছেন ইউকো ইয়ামাগুচি, এবং যাকে মালিকানাধীন রেখেছে জাপানি কোম্পানি সানরিও।[৬][৭][৮] সানরিও হ্যালো কিটিকে একটি ব্রিটিশ মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন সাদা রঙের বিড়াল রূপে উপস্থাপন করে, যার মাথায় একটি লাল ফিতা থাকে এবং মুখ দৃশ্যমান নয়।[৯][১০] এর পটভূমি অনুযায়ী, সে তার পরিবার নিয়ে লন্ডনের একটি উপশহরে বাস করে এবং তার যমজ বোন মিমির সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যাকে একটি হলুদ পাগড়ি পরিহিত হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে।[১১]
হ্যালো কিটি ১৯৭৪ সালে তৈরি হয়েছিল এবং প্রথম পণ্য, একটি ভিনাইল কয়েন পার্স, ১৯৭৫ সালে পরিচিতি লাভ করে।[১২] [১৩]মূলত, হ্যালো কিটি শুধুমাত্র কিশোরী মেয়েদের জন্য বাজারজাত করা হয়েছিল, কিন্তু ১৯৯০ এর দশক থেকে, ব্র্যান্ডটি কিশোর এবং প্রাপ্তবয়স্ক গ্রাহকদের মধ্যে বাণিজ্যিক সফলতা অর্জন করে।[১৪] কাওয়াই (সুন্দর) সংস্কৃতির উত্থানের সাথে সাথে হ্যালো কিটির জনপ্রিয়তাও বৃদ্ধি পায়। [১৫] ১৯৯০-এর দশকের পর জাপানে ব্র্যান্ডটির পতন ঘটে, কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রসার অব্যাহত থাকে। [১৬]২০১০ সালের মধ্যে চরিত্রটি বছরে ৫ বিলিয়ন ডলারের মূল্য ধারণ করেছিল এবং নিউ ইয়র্ক টাইমস তাকে "গ্লোবাল মার্কেটিং প্রপঞ্চ" হিসেবে অভিহিত করেছিল।[১৬]২০১৩ সালে তার বিক্রির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার (৮০০ কোটি ডলার)।[১৭]
ইউনিসেফ হ্যালো কিটিকে শিশুদের 'দূত' হিসেবে নিয়োগ করেছে এবং জাপান সরকার তাঁকে 'পর্যটন দূত' হিসেবে নিয়োগ করেছে। [১৪] হ্যালো কিটি ভিত্তিক সানরিও থিম পার্কগুলি রয়েছে: হরমনিল্যান্ড, হিজি, ওইতা, জাপানে।[১৮] সানরিও পুরোল্যান্ড, তামা নিউ টাউন, টোকিও, জাপান, এবং হ্যালো কিটি শাংহাই টাইমস, শাংহাই, চীন।[১৯]হ্যালো কিটি মিডিয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি অনেক এনিমেটেড সিরিজের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যা শিশুদের লক্ষ্য করে তৈরি হয়েছে, এছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু কমিকস, এনিমে, ভিডিও গেম, বই, সঙ্গীত অ্যালবাম এবং অন্যান্য মিডিয়া প্রোডাকশন। বছরগুলো ধরে চরিত্রটি নিয়ে নানা ধরনের পণ্য বাজারে এসেছে, যেমন স্কুল সরঞ্জাম, পোশাক, অ্যাকসেসরি, এবং খেলনা, অন্যান্য আইটেম সহ। ২০০৮ সালে, ৫০,০০০ টিরও বেশি আলাদা হ্যালো কিটি ব্র্যান্ডেড পণ্য ছিল।[১৪]
হ্যালো কিটির প্রতিষ্ঠা
[সম্পাদনা]
হ্যালো কিটি জাপানের থিম পার্ক হারমোনিল্যান্ড এবং সানরিও পিউরোল্যান্ড-এ সানরিও লিভারির অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত "হ্যালো কিটি সাংহাই টাইমস" থিম পার্কটি ২০১৯ সালে চালু হয়। [১৯] ২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার জোহরের ইস্কান্দার পুটেরিতে "হ্যালো কিটি টাউন" নামে একটি থিম পার্ক বিদ্যমান ছিল। [২০] [২১] [২২] ২০১৪ সালে, সানরিও ইন্দোনেশিয়ান থিম পার্ক ডুফানের সাথে অংশীদারিত্ব করে "হ্যালো কিটি অ্যাডভেঞ্চার", একটি সিনেমা ভিত্তিক আকর্ষণ চালু করে। [২৩]
হ্যালো কিটি ক্যাফে গুলি বিশ্বজুড়ে খুলেছে, যার মধ্যে সিওল এবং দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যান্য স্থানে; [২৪] ব্যাংকক, থাইল্যান্ড ; [২৫] অ্যাডিলেড, অস্ট্রেলিয়া ; [২৬] আরভাইন, ক্যালিফোর্নিয়া ; [২৭] ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা অ্যানিটা মল, [২৮] এবং নেভাদার লাস ভেগাসে "পার্ক এমজিএম" ।
২০০৮ সালে তাইওয়ানের তাইপেই-তে “হ্যালো কিটি সুইটস” নামে একটি থিমযুক্ত রেস্টুরেন্ট খোলা হয়। রেস্টুরেন্টটির সাজসজ্জা এবং অনেক খাবারই হ্যালো কিটি চরিত্রের আদলে তৈরি করা হয়েছে। [২৯] অস্ট্রেলিয়ার সিডনির চ্যাটসউড এলাকায় “হ্যালো কিটি ডাইনার” নামে আরেকটি রেস্টুরেন্ট খোলা হয়েছিল [৩০] এবং হংকংয়ের কাউলুনে একটি "হ্যালো কিটি ডিম সাম" রেস্টুরেন্ট খোলা হয়। [৩১]
২০০৮ সালে, তাইওয়ানের ইউয়ানলিনে একটি হ্যালো কিটি-থিমযুক্ত মাতৃত্ব হাসপাতাল খোলা হয়। এখানে হ্যালো কিটির ছবি ব্যবহার করা হয়েছে নবজাতকের কম্বল, কক্ষের সজ্জা, বিছানার চাদর, জন্মসনদের কভার এবং নার্সদের ইউনিফর্মে। হাসপাতালের মালিক ব্যাখ্যা করেন যে, তিনি আশা করেছিলেন এই থিমটি সন্তান জন্মদানের সময়ের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। [৩২] [৩৩]
এর বৈশ্বিক প্রভাব
[সম্পাদনা]
১৯৯৪ সালে, শিল্পী টম স্যাচসকে "বার্নিজ নিউ ইয়র্ক"-এর বড়দিনের ডিসপ্লের জন্য একটি দৃশ্য তৈরি করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, এবং তিনি এর নাম দেন "হ্যালো কিটি নেটিভিটি"। সেই দৃশ্যে কুমারী মেরির স্থানে ছিল ম্যাডোনা, যিনি একটি খোলা শ্যানেল ব্রা পরিহিত ছিলেন; তিন জ্ঞানী রাজা ছিলেন তিনজন বার্ট সিম্পসন; গোয়ালঘরটি চিহ্নিত ছিল ম্যাকডোনাল্ড'স-এর লোগো দিয়ে; এবং যিশু খ্রিস্ট শিশুর স্থলে ছিল হ্যালো কিটি। এটি ছিল নেটিভিটি দৃশ্যের একটি সমকালীন পুনর্নির্মাণ। [৩৪] এই শিল্পকর্মটি স্যাচসের ভোক্তা-সাংস্কৃতিক প্রবণতা, ব্র্যান্ডিং, এবং পণ্যের সাংস্কৃতিক ফেটিশাইজেশনের প্রতি আগ্রহকে তুলে ধরেছিল। তবে অনেক দর্শক এই কাজটি অপমানজনক বলে মনে করেন। এটি খ্রিস্টীয় প্রতীক ব্যবহারে "অশ্রদ্ধার" অভিযোগে বেশ কয়েকটি ক্যাথলিক সংগঠনের প্রতিবাদ এবং সমালোচনার মুখে পড়ে।
২০০৯ সালে, টম স্যাক্সের ব্রোঞ্জ কালেকশন ম্যানহাটনের লিভার হাউসে পাবলিক আর্ট স্পেসে প্রদর্শিত হয়, পাশাপাশি অ্যাসপেন, কলোরাডোর বালডউইন গ্যালারী এবং প্যারিসের ট্রোকাডেরোতে। এই কালেকশনে ছিল সাদা ব্রোঞ্জে ঢালাই করা ফোম কোর হ্যালো কিটি ভাস্কর্য – যা শিল্পীর জন্য একটি বিশিষ্ট শৈলী। ২০১০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত, উইন্ড-আপ হ্যালো কিটি ভাস্কর্য এখনও লিভার হাউসে প্রদর্শিত হচ্ছে। [৩৫] যদিও স্যাক্স তার কাজের মধ্যে চরিত্রটি ব্যবহার করার জন্য অনুমতি চেয়েছিলেন না, সানরিওর একটি ব্র্যান্ড মার্কেটিং ম্যানেজার উদ্ধৃত হয়ে বলেছিলেন, "আপনি জানেন, ছিল মেরিলিন মনরো এবং অ্যান্ডি ওয়ারহোল, এবং তারপর মাইকেল জ্যাকসন এবং জেফ কুনস। যখন আপনি একটি আইকন হন, তখন এমনটাই হয়।"[২৭] ২০১৩ সালে, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলেছিল যে সানরিওর কপিরাইট সম্পর্কিত মনোভাব "লেজ-ফেয়ার" ছিল, ডিজনি মত কোম্পানির তুলনায়, এবং তারা শিল্পীদেরকে হ্যালো কিটির সাদৃশ্য ব্যবহার করতে দেওয়ার ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করেনি। [৩৬]
২০১৫ সালে, শিল্পী সেবাস্টিয়ান মাসুদা দ্বারা একটি নয় ফুট উচ্চতার পার্লেসেন্ট হ্যালো কিটি ভাস্কর্য নিউ ইয়র্ক সিটির ড্যাগ হ্যামারস্কজোল্ড প্লাজায় প্রদর্শিত হয়েছিল, যা জাপান সোসাইটির প্রদর্শনী "লাইফ অফ ক্যাটস: সিলেকশনস ফ্রম দ্য হিরাকি ইউকিও-ই কালেকশন"-এর অংশ হিসেবে। [৩৭]
২০২২ সালে, স্যাটারডে নাইট লাইভ একটি স্কেচ সম্প্রচার করেছিল যা হ্যালো কিটির ব্যাকস্টোরির প্যারোডি ছিল (যা এ.ভি. ক্লাব দ্বারা "অসঙ্গত, কর্পোরেট-অনুমোদিত" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে) এবং সানরিওর এটি পরিচালনা করা। [৩৮] [৩৯] স্কেচটি একটি কাল্পনিক হ্যালো কিটি স্টোরের ম্যানেজারদের উপর কেন্দ্রীভূত। তারা চরিত্রটিকে পরস্পরবিরোধী ভাষায় বর্ণনা করে "ছোট মানব মেয়ে" হিসেবে যে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে এবং ৪৮ বছর বয়সী। [৩৯] দা আটলান্টিক স্কেচটিকে "ক্রমবর্ধমান হ্যালো কিটি বাণিজ্যিক মহাবিশ্বের একটি বিচ্যুতি" এবং সেই সময়ের সত্যের গ্যাসলাইটিং এবং হেরফেরকে ধারণকারী হিসাবে বর্ণনা করেছে। [৩৯]
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ জাপানি: ফুয়ুমি শিরাইশি (কিটি অ্যান্ড মিমির নতুন ছাতা); মামি কায়ামা (হ্যালো কিটির সিন্ডারেলা); আকেমি ওকামুরা (হ্যালো কিটির ফারি টেল থিয়েটার); মেগুমি হায়াশিবারা (সানরিও ওয়ার্ল্ড অফ অ্যানিমেশন, হ্যালো কিটির প্যারাডাইস, বিভিন্ন সানরিও পুরোল্যান্ড শো)।[১][২] ইংরেজি: তারা স্ট্রং (হ্যালো কিটির ফারি টেল থিয়েটার); কারেন বার্নস্টাইন (হ্যালো কিটি অ্যান্ড ফ্রেন্ডস); মেলিসা ফাহন (হ্যালো কিটির প্যারাডাইস); মোনিকা রিয়াল (হ্যালো কিটির অ্যানিমেশন থিয়েটার); কাতিয়া শিরাসু (হ্যালো কিটি ফান); শ্য্যানন সেটলমাইর (গ্রোয়িং আপ উইথ হ্যালো কিটি); সোনেস স্টিভেন্স;[৩] জুলিয়েট সিমন্স (হ্যালো কিটি অ্যান্ড ফ্রেন্ডস - লেট’স লার্ন টুগেদার);[৪] জুলিয়া সেলেস (দ্য ওয়ার্ল্ড অব হ্যালো কিটি);[৪] সারা অ্যান উইলিয়ামস (হ্যালো কিটি অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপারকিউট অ্যাডভেঞ্চারস)।[৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Megumi House" (জাপানি ভাষায়)। ২ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
কিং রেকর্ডস কর্তৃক হায়াশিবারার পরিচিতি পৃষ্ঠা। উপস্থিতির তালিকায় হ্যালো কিটির উল্লেখ নেই
- ↑ "কিটি-চানের কণ্ঠ অভিনেত্রী আসলে একজন বিখ্যাত ভয়েস অভিনেত্রী! চিনতে পারো কে? | গ্যাজেট নিউজ GetNews"। Getnews.jp। ১৮ আগস্ট ২০১০। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "Your Speaker Coach — Your Speaking Journey"। Your Speaking Journey। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০২০।
- 1 2 3 "Hello Kitty Voices - Behind The Voice Actors"। behindthevoiceactors.com (চেক মার্ক নির্দেশ করে যে ভূমিকা নিশ্চিত করা হয়েছে ক্লোজিং ক্রেডিট ও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে)। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২০।
- ↑ サンリオキャラクターたちの本名、言えますか? (জাপানি ভাষায়)। ১১ জুলাই ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০০৮।
- ↑ "Hello Kitty | cartoon character"। Encyclopædia Britannica। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Hello Kitty celebrates 30"। China News Daily। ১৯ আগস্ট ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ Takagi, Jun (২১ আগস্ট ২০০৮)। "10 Questions for Yuko Yamaguchi"। TIME। ২৬ আগস্ট ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০০৯।
- ↑ Miranda, Carolina A. (২৬ আগস্ট ২০১৪)। "Hello Kitty is not a cat, plus more reveals before her L.A. tour"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৮।
- ↑ Ashcroft, Brian (২৮ আগস্ট ২০১৪)। "Don't Be Silly, Hello Kitty Is a Cat"। Kotaku। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৪।
- ↑ "Sanrio Friend of the Month: Hello Kitty"। Sanrio। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Anderson, Kirsten (২০১৯)। What Is the Story of Hello Kitty?। Penguin Random House। পৃ. ১৬–১৯। আইএসবিএন ৯৭৮১৫২৪৭৮৮৩৯১।
- ↑ Phoenix, Woodrow (২০০৬)। Plastic Culture: How Japanese Toys Conquered the World। Kodansha International। পৃ. ৪০। আইএসবিএন ৯৭৮৪৭৭০০৩০১৭৭।
- 1 2 3 Walker, Esther (২১ মে ২০০৮)। "Top cat: how 'Hello Kitty' conquered the world"। The Independent। London। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮।
- ↑ Gomez, Edward (১৪ জুলাই ২০০৪)। "How Hello Kitty Came to Rule the World / With little advertising and no TV spinoff, Sanrio's 30-year-old feline turned cute into the ultimate brand"। SF Gate। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০২০।
- 1 2 Tabuchi, Hiroko (১৪ মে ২০১০)। "In Search of Adorable, as Hello Kitty Gets Closer to Goodbye"। The New York Times।
- ↑ Martinez, Michael; Hurtado, Jaqueline (২ নভেম্বর ২০১৪)। "Hello Kitty turns 40, draws 25,000 fans to convention"। CNN। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ "Sanrio Character Park Harmonyland"। Harmonyland।
- 1 2 "Hello Kitty Shanghai Times"। China Daily। ১০ মে ২০১৯।
- ↑ "Hello Kitty Town to shut down in Johor's indoor theme park near Legoland"। The Straits Times। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯।
- ↑ "Fans say goodbye to Hello Kitty as Johor theme park calls it a day"। The Straits Times। জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ "Sanrio Hello Kitty Town | Attractions in Puteri Harbour JB Malaysia"। Puteri Harbour (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ এপ্রিল ২০১৯।
- ↑ "Hello Kitty park to entertain Jakarta fans"। The Jakarta Post (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Lim, Hyun-wook (২০ নভেম্বর ২০১০)। "Hongdae's bohemian raps and dancing"। Joongang Daily। ৯ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৩।
- ↑ "Hello Kitty House, Bangkok - Siam - Restaurant Reviews, Phone Number & Photos - TripAdvisor"। ২ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Hello Kitty, how do you dine?"। SBS (ইংরেজি ভাষায়)। ৩ নভেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২০।
- 1 2 LUNA, NANCY। "First Hello Kitty 'pop-up' cafe opens in Irvine"। The Orange County Register (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০১৭।
- ↑ Eidell, Lynsey (১০ এপ্রিল ২০১৭)। "Sorry, Starbucks: There's Now a PERMANENT Hello Kitty Café"। Teenvogue.com। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ Shu, Catherine (২৭ মার্চ ২০০৯)। "RESTAURANTS : Hello Kitty Sweets"। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০০৯।
- ↑ "Here Kitty Kitty...Hello Kitty Diner Comes To Sydney"। Notquitenigella.com। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। Time। ১০ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮।
- ↑ "Hello baby! Hello Kitty welcomes Taiwan newborns"। Reuters.com। ৫ ডিসেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ "Taiwan hospital a hit with Hello Kitty fans"। The Sydney Morning Herald। ২১ জানুয়ারি ২০০৯। ৯ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০০৯।
- ↑ Weber, Bruce (১৩ ডিসেম্বর ১৯৯৪)। "Barneys Halts Store Display Of Pop Creche in Window"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০১০।
- ↑ "Bronze Collection"। Tom Sachs website। ১২ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Keane, Meghan (১২ এপ্রিল ২০১৩)। "How Hello Kitty Conquered the World"। The Wall Street Journal। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২২।
- ↑ Mlynar, Phillip (২৯ এপ্রিল ২০১৫)। "A Giant Hello Kitty Sculpture Just Popped Up In New York City - Catster"। Catster.com। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "SNL returns for its best episode of the season with host Keke Palmer."। The A.V. Club (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ ডিসেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০২২।
- 1 2 3 Garber, Megan (৪ ডিসেম্বর ২০২২)। "The 'SNL' Sketch That Perfectly Mocks Our Upside-Down Reality"। The Atlantic (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০২২।
বাহ্যিক লিঙ্ক
[সম্পাদনা]- বিজ্ঞাপনে নারী চরিত্র
- অ্যানিমে ও মাঙ্গার শিশু চরিত্র
- সাহিত্যে শিশু চরিত্র
- টেলিভিশনে শিশু চরিত্র
- ভিডিও গেমে শিশু চরিত্র
- গণমাধ্যম ফ্র্যানচাইজ
- জাপানি মাস্কট
- খেলনা মাস্কট
- খেলনা ব্র্যান্ড
- টেলিভিশন মাস্কট
- ১৯৭৪-এ প্রবর্তিত মাস্কট
- কাল্পনিক যমজ
- লন্ডনের কাল্পনিক ব্যক্তি
- টেলিভিশনে নারী চরিত্র
- অ্যানিমেশনে নারী চরিত্র
- শিশু সুপারহিরো
- শিশুদের মাঙ্গা
- অ্যানিমেশনে শিশু চরিত্র
- বিড়ালের মাস্কট
- নৃতাত্ত্বিক বিড়াল
- কার্টুন মাস্কট
