বিষয়বস্তুতে চলুন

হ্যালাব্রুন চিড়িয়াখানা

হেলবার্ন চিড়িয়াখানা
১৯১৪ সালে তৈরি হাতির ঘর
খোলার তারিখ আগস্ট ১৯১১ (1911-08-01)[]
অবস্থানমিউনিখ, জার্মানি
স্থানাঙ্ক৪৮°৫′৫০″ উত্তর ১১°৩৩′১৫″ পূর্ব / ৪৮.০৯৭২২° উত্তর ১১.৫৫৪১৭° পূর্ব / 48.09722; 11.55417
প্রাণীর সংখ্যা১৮,৯৪৩ (২০১৪)[]
প্রজাতির সংখ্যা৭৬৭ (২০১৪)[]
বার্ষিক পরিদর্শক২,২৮৩,৭৩৯ (২০১৪)[]
সদস্যপদ
ওয়েবসাইটhellabrunn.de
মানচিত্র

হ্যালাব্রুন চিড়িয়াখানা (জার্মান: Tierpark Hellabrunn) জার্মানির বাভারিয়ায়র রাজধানী মিউনিখের ৪০ হেক্টর (৯৯ একর) স্থানে বিস্তৃত একটি প্রাণিবিদ্যাগত উদ্যান। চিড়িয়াখানাটি ইসার নদীর দক্ষিণ (ডান) তীরে মিউনিখের দক্ষিণে থালকিচানের নিকট অবস্থিত।

এটি বিশ্বের প্রথম চিড়িয়াখানার যা শুধু প্রজাতি দ্বারাই সংগঠিত না বরং ভৌগোলিক দিক থেকেও সুসংগঠিত। উদাহরণস্বরূপ, উড বাইসনরা তাদের স্থান প্রিয়ার কুকুরদের সাথে ভাগ করে।

২০১৩ সালে চিড়িয়াখানা ইউরোপে চতুর্থ সেরা চিড়িয়াখানায় স্থান পেয়েছিল (পূর্বে ১২তম স্থানে ছিলো।[][] এটি বিরল প্রজাতীর ড্রিল এবং রূপালি গিবনদের সংরক্ষণ এবং বন্দী প্রজননের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। এছাড়াও গরিলা, জিরাফ, হাতি, উড বাইসন, এল্ক এবং সুমেরু শিয়াল এই চিড়িয়াখানায় সফলভাবে বংশবিস্তার করে। এটি অল্পসংখ্যক চিড়িয়াখানাগুলির মধ্যে একটি যেখানে দর্শনার্থীরা তাদের সঙ্গে কুকুর আনার অনুমতি পায়।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
সাইবেরিয়ান এক জোড়া বাঘ হাঁটছে

২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯০৫ সালে মিউনিখ জুওলজিক্যাল গার্ডেন সোসাইটি (Verein Zoologischer Garten München e.V.) প্রতিষ্ঠিত হবার পর হ্যালাব্রুন এলাকাটি চিড়িয়াখানার অবস্থান হিসাবে নির্বাচন করা হয়। চিড়িয়াখানাটি স্থপতি ইমানুয়েল ফন সেডল কর্তৃক নকশাকৃত এবং ১৯১২ সালের ১ আগস্ট জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল।[]

১৯২২ সালে জার্মানিতে মুদ্রাস্ফীতির কারণে চিড়িয়াখানাটি বন্ধ হয়ে যায়। ১৯২৩ সালের ২৩ মে পুনরায় চিড়িয়াখানাটি খোলা হয়। এটি বিশ্বের প্রথম ভূ-চিড়িয়াখানা হয়ে উঠেছিল (প্রাণীগুলিকে একই ভৌগোলিক অঞ্চলের অন্যান্য প্রাণীদের সাথে দেখানো এবং রাখা হয়েছিল)।[]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্র বাহিনির বিমান হামলায় চিড়িয়াখানার ব্যাপক ক্ষতি হয়। ১৯৪৫ সালের মে মাসে পুনরায় চিড়িয়াখানাটি সক্রিয় করা হয়।

বর্তমান হ্যালাব্রুন

[সম্পাদনা]

২০১৪ সালের হিসেবে, হ্যালাব্রুন ৭৬৭ প্রজাতির প্রায় ১৮,৯৪৩ প্রাণীর নিবাস।[] টিয়ারপার্ক হ্যালাব্রুন প্রজনন, পুনঃপ্রবর্তন এবং সংরক্ষণ প্রকল্পে খুব সক্রিয়।

এখানে ভূগর্ভস্থ জলের স্তরটি উচ্চতর এবং উৎকৃষ্ট মানের জলের কারণেই চিড়িয়াখানাটি নিজস্ব কূপগুলি ব্যবহার করে। ২০১২ সালে ২.২ মিলিয়নের অধিক মানুষ হ্যালাব্রুন পরিদর্শন করেছিল।

আকর্ষণ

[সম্পাদনা]
২০০৫ সালে জঙ্গল ঘরটি শেষ হয়েছিল
  1. 1 2 3 "History of the Munich Zoo"tierpark-hellabrunn.de। Hellabrunn Zoo। ৮ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১১
  2. 1 2 3 "Geschäfts-Bericht 2012" [2012 Annual Report] (পিডিএফ)tierpark-hellabrunn.de (German ভাষায়)। Hellabrunn Zoo। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০১৪{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. "EAZA Member Zoos & Aquariums"eaza.netEAZA। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১১
  4. "Zoos and Aquariums of the World"waza.orgWAZA। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১১
  5. "Zoo-Ranking" (জার্মান ভাষায়)। Tierpark Hellabrunn। ২৯ আগস্ট ২০১৩। ২৯ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৬
  6. Sheridan, Anthony (২০১১)। Das A und O im Zoo Europas führende Zoologische Gärten 2010 - 2020। Münster, Westf: Schüling, K। আইএসবিএন ৯৭৮৩৮৬৫২৩১৮৪০
  7. "2010 Annual Report" (পিডিএফ)tierpark-hellabrunn.de। Hellabrunn Zoo। ১২ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ নভেম্বর ২০১১
  8. "Munich Zoo"zoo-infos.de। Zoo-Infos.de। ১ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০১১
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "zoo-infos" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]