হেমেন্দ্রকুমার রায়ের সাহিত্যকর্মের তালিকা
অবয়ব
সাহিত্যিক হেমেন্দ্রকুমার রায়-এর (১৮৮৮ - ১৯৬৩) সাহিত্যকর্মের একটি তালিকা নিচে প্রদত্ত হল।[১]
উপন্যাস
[সম্পাদনা]- আলেয়ার আলো (১৯১৯)
- জলের আল্পনা (১৯২০)
- কালবৈশাখী (১৯২১)
- পায়ের ধুলো (১৯২২)
- রসকলি (১৯২৩)
- ঝড়ের রাত্রি (১৯৩০)
- পদ্ম-কাঁটা (১৯২৬)
অন্যান্য উপন্যাসগুলি হল: ফুলশয্যা, পরীর প্রেম, মণিকাঞ্চন, পথের মেয়ে, মণিমালিনীর গলি, পঞ্চশরের কীর্তি ইত্যাদি।
কিশোর উপন্যাস
[সম্পাদনা]| নাম | প্রকাশের বছর | টীকা |
|---|---|---|
| মায়াকানন | ১৯২৩ | |
| বিজয়া | ১৯২৯ | |
| ময়নামতীর মায়াকানন | ১৯৩০ | ফ্যান্টাসি উপন্যাস, রোমাঞ্চকর উপন্যাস |
| যকের ধন | ১৯৩০ | রোমাঞ্চকর উপন্যাস (বিমল-কুমার সিরিজ) |
| যাদের নামে সবাই ভয় পায় | ১৯৩২ | ভৌতিক গল্পের সংকলন |
| মেঘদূতের মর্ত্যে আগমন | ১৯৩৩ | বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, রোমাঞ্চকর উপন্যাস |
| আবার যকের ধন | ১৯৩৩ | রোমাঞ্চকর উপন্যাস (কুমার-বিমল সিরিজ) |
| আজব দেশে অমলা | ১৯৩৪ | লুইস ক্যারল-এর অ্যালিস'স অ্যাডভেনচার্স ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড এর অনুবাদ |
| কিং কং | ১৯৩৪ | কিং কং গল্পের অনুপ্রেরণায় |
| মানুষের গন্ধ পাঁউ | ১৯৩৪ | ভৌতিক গল্পের সংকলন |
| সন্ধ্যার পরে সাবধান | ১৯৩৪ | ভৌতিক গল্পের সংকলন |
| অদৃশ্য মানুষ | ১৯৩৫ | এইচ. জি. ওয়েলস'এর দি ইনভিসিবল ম্যান এর অনুবাদ |
| হিমালয়ের ভয়ঙ্কর | ১৯৩৫ | |
| রক্তবাদল ঝরে | ১৯৩৬ | |
| জয়ন্তর কীর্তি | ১৯৩৭ | |
| অসম্ভবের দেশ | ১৯৩৭ | |
| পদ্মরাগ বুদ্ধ | ১৯৩৮ | |
| অমাবস্যার রাত | ১৯৩৯ | |
| ড্রাগনের দুঃস্বপ্ন | ১৯৩৯ | |
| মড়ার মৃত্যু | ১৯৩৯ | ভৌতিক উপন্যাস |
| মানুষ-পিশাচ | ১৯৩৯ | ভৌতিক উপন্যাস |
| মানুষের প্রথম অ্যাডভেঞ্চার | ১৯৩৯ | |
| অমৃত দ্বীপ | ১৯৪০ | |
| ছায়াকায়ার মায়াপুরে | ১৯৪০ | পাঁচটি ছোটগল্পের সংকলন সূচী: |
| আধুনিক রবিনহুড | ১৯৪০ | ছোটগল্পের সংকলন |
| অন্ধকারের বন্ধু | ১৯৪১ | গোয়েন্দা উপন্যাস (হেমন্ত-রবিন সিরিজ) |
| ভয় দেখানো ভয়ংকর | ১৯৪১ | |
| জেরিনার কণ্ঠহার | ১৯৪১ | |
| ভারতের দ্বিতীয় প্রভাতে | ১৯৪১ | ঐতিহাসিক উপন্যাস |
| মুখ ও মুখোশ | ১৯৪২ | গোয়েন্দা উপন্যাস (হেমন্ত-রবিন সিরিজ) |
| ভুত আর অদ্ভুত | ১৯৪৩ | |
| যশপতির রত্নপুরী | ১৯৪৩ | |
| সূর্যনগরীর গুপ্তধন | ১৯৪৪ | |
| মধুচ্ছত্র | ১৯৪৪ | |
| মানুষের গড়া দৈত্য | ১৯৪৪ | মেরি শেলির ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের আধারিত অনুবাদ |
| রহস্যের আলোছায়া | ১৯৪৪ | |
| তারা তিন বন্ধু | ১৯৪৫ | |
- বজ্রভৈরবের গল্প (১৯৪৬)
- দেড়শো খোকার কাণ্ড (১৯৪৭)
- মোহন মেলা (১৯৪৭)
- ভগবানের চাবুক (১৯৪৭)
- সুন্দরবনের রক্তপাগল (১৯৪৭)
- হত্যা এবং তারপর (১৯৪৭)
- মৃত্যুমল্লার (১৯৪৮)
- সুলু-সাগরের ভুতুড়ে দেশ (১৯৪৮)
- অজানা দ্বীপের রাণী (১৯৪৮)
- মোহনপুরের শ্মশান (১৯৪৯)
শেরিডন লে ফানুর একটি গল্প থেকে অনুবাদ
- কুমারের বাঘা গোয়েন্দা (১৯৪৯)
- বিশালগড়ের দুঃশাসন (১৯৪৯)
ব্রাক স্টোকারের ড্রাকুলার অনুবাদ
- ছোট্ট পমির অভিযান (১৯৪৯)
- সুন্দরবনের রক্তপাগল (১৯৫০)
- অমানুষিক মানুষ (১৯৫০)
- কাউন্ট অব মন্টে ক্রিস্টো (১৯৫১)
আলেকজান্ডার ডুমাস'এর একই নামের একটি গল্প থেকে অনুবাদ
- আলো দিয়ে গেল যারা (১৯৫২)
- নবযুগের মহাদানব (১৯৫২)
- পবন (১৯৫২)
- গুপ্তধনের দুঃস্বপ্ন (১৯৫২)
- তপোবন (১৯৫২)
- হিমাচলের স্বপ্ন (১৯৫২)
- সত্যিকার শার্লক হোমস্ (১৯৫৩)
- বাঘরাজার অভিযান (১৯৫৪)
- দিগ্বিজয়ী নেপোলিয়ন (১৯৫৬)
- চতুর্ভুজের স্বাক্ষর (১৯৫৬)
- ছত্রপতির ছোরা (১৯৫৭)
- নিশাচরী বিভীষিকা (১৯৫৭)
লেজলি চার্টারিস'এর পুরো সেন্ট থেকে অনুবাদ
- আলেকজান্ডার দি গ্রেট (১৯৫৭)
- ছোটদের শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৫৮)
- শাজাহানের ময়ূর (১৯৫৮)
- বিভীষণের জাগরণ (১৯৫৯)
- জয়ন্তর অ্যাডভেন্চার (১৯৫৯)
- গোয়েন্দা, ভূত ও মানুষ (১৯৫৯)
- চলো গল্প নিকেতনে (১৯৬০)
- রুনু-তুনুর অ্যাডভেন্চার (১৯৬০)
- ইতিহাসের রক্তাক্ত প্রান্তরে (১৯৬১)
- হে ইতিহাস গল্প বলো (১৯৬১)
- কুবেরপুরীর রহস্য (১৯৬১)
- ছোটদের ভালো ভালো গল্প (১৯৬১)
- রাত্রির যাত্রী (১৯৬১)
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ ভট্টাচার্য গোস্বামী, মহুয়া (২০১১)। বাংলা শিশু-কিশোর সাহিত্যের ইতিহাস ও বিবর্তন: ১৯৫০-২০০০ (১ম সংস্করণ)। কলকাতা: পত্রলেখা। পৃ. ৭৬–৭৭।