হিমুরা কেনশিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হিমুরা কেনশিন
তোমো ১-১.jpg
রুরোনি কেনশিন কাঞ্জেনবেন-এর ভলিয়ম ১-এর কাভারে হিমুরা কেনশিন
চরিত্র চিত্রণ তাকেরো সাতোহ
Profile
অন্তর্ভুক্তি ইশিন শিশি (সাবেক)

হিমুরা কেনশিন (緋村 剣心?), কেনশিন হিমুরা হল ইংরেজি  ভাষার আনিমে ভাষান্তরের[১] একটি কাল্পনিক চরিত্র ও রুরোনি কেনশিন মাঙ্গার মূল চরিত্র, যার স্রষ্টা নবুহিরু ওয়াতসুকি। কেনশিনকে তৈরি করার সময়, ওয়াতসুকি তার শারীরিক নকশা করেন পুরোপুরি হিকো সেজিরোর বিপরীত, একটি চরিত্র যা ওয়াতসুকির প্রথম ওয়ান- শট মাঙ্গা  "ক্রিসেন্ট মুন ইন দি অয়ারিং স্টেট্‌স"-এ পাওয়া যায়, একই নামে একটি চরিত্র কেনশিনের অসিযুদ্ধ শিক্ষক হিসেবে রুরোনি কেনশিনে আবির্ভূত হয়।

কেনশিনের গল্পটি মেইজি শাসনামলের একটি কাল্পনিক সংস্করণ। কেনশিন একজন প্রাক্তন কিংবদন্তি গুপ্তঘাতক যিনি পরিচিত "হিতোকিরি বাতোসাই" (人斬り抜刀斎?)[টীকা ১] নামে (মিডিয়া ব্লাস্টার ইংরেজি আনিমে ভাষান্তরে বাতোসাই দ্য ম্যান স্লেয়ার নামে উল্লেখ করা হয়[১] সনি ইংরেজি ভাষান্তরে বাতোসাই দি ম্যান স্লেয়ার নামে[৪] এবং জাপানী কাঞ্জেবানের কাভারে দি আনশিদার নামে),  আরও উপযুক্ত নাম হিসেবে হিমুরা বাতোসাই (緋村抜刀斎?). বাকামাতসুর শেষে তিনি একজন ভবঘুরে সামুরাই তে পরিণত হন, তিনি সাকাবাতো নিয়ন্ত্রণ করতেন (逆刃刀?, lit. "reverse-blade sword"), একটি তলোয়ার যেটার ধারালো অংশটি ছিল ভেতরের দিকে বাঁকানো পাশটিতে, যে কারণে এটি দিয়ে হত্যা করা প্রায় অসম্ভব ছিল। কেনশিন জাপানের গ্রাম-গঞ্জে ভ্রমন করেছিলেন এবং যাদের প্রয়োজন তাদের নিরাপত্তা ও সহায়তা দিতেন, এক সময় গুপ্তঘাতক হিসেবে করা হত্যাগুলির প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে। টোকিও তে তার সাথে কামিয়া কাউরু নামের একজন তরুণীর সাক্ষাত হয়। যিনি কেনশিনের অতীত জেনেও, তাকে নিজের দোজো তে থাকার আমন্ত্রণ জানান। পুরো সিরিজ জুড়ে  কেনশিন অনেক মানুষের সাথে আজীবন সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন, যার মধ্যে ছিল তার প্রাক্তন শত্রু, নতুন ও পুরানো দের কে তাদের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দেবার পর।

কেনশিনের চরিত্রটিকে ভক্তেরা ভালভাবে গ্রহন করেছিলেন, সবগুলি পাঠক জনপ্রিয়তার ভোটে  তিনি শীর্ষ স্থান পেয়েছিলেন। সিরিজের সমালোচকেরা তার ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করেছিলেন,  যদিও মূল ভিডিও এনিমেশন (OVA) সিরিজে তার চারিত্রিক বিকাশের ব্যাপারে কিছু অভিযোগ ছিল যা মাঙ্গার থেকে আলাদা ছিল।কেনশিনের উপর ভিত্তি করে বেশ কিছু পণ্য তৈরি করা হয়েছিল, যার মধ্যে ছিল ফিগারিন, কি চেইন, প্লাস পুতুল এবং সাকাবাতো তলোয়ারের প্রতিরূপ।

সৃষ্টি ও উৎপত্তি[সম্পাদনা]

কাওয়াকামি গেনসাই এর উপর ভিত্তি করে কেনশিনের চরিত্র তৈরি করা হয়।

ওয়াতসুকি, কাওয়াকামি গেনসাই এর গল্পটি আবিস্কার করেছিলেন এবং এটিকে তিনি ব্যবহার করেন, একজন হিতোকিরি (人斬り?, literally "manslayer") যাকে মেইজি শাসকেরা মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। ওয়াতসুকির মতে, যখন তিনি জানতে পারলেন কাওয়াকামি তার মৃত সহযোদ্ধাদের প্রতি তার দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তিনি মূল চরিত্র তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। তখন ওয়াতসুকির প্রথম কাজটি ছিল, একজন লম্বা, কালো চুলের লোক,সাথে  জাঁকাল অস্ত্র, শিল্পী তার প্রথম তৈরি চরিত্রটির থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত একটি চরিত্র বানাতে চেয়েছিলেন, এবং কাজ শেষে তিনি মেয়েদের মত দেখতে একটি চরিত্র বানান। ওয়াতসুকির মতে কেনশিন কে তৈরির সময় তিনি কোন বাস্তব ধারণা অনুসরন করেননি এবং তাকে এক টি ক্রুশ আকৃতির দাগ দিয়েছিলেন যখন তিনি "জানতেন না যে  আর কি করা যায়"।[৫]

রুরোনি, মেইজি অসি যোদ্ধার রোমাঞ্চকর কাহিনী, ধারাবাহিকটির অগ্রণী প্রকল্পগুলি তৈরির সময়, ওয়াতসুকি ও তার সম্পাদক কেনশিনের কথোপকথনের ধরন নিয়ে বিতর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন। তারা একমত হয়েছিলেন "কথ্য"  ধরনটি রাখতে। প্রথম রোমাঞ্চকর কাহিনীর চূড়ান্ত সংস্করনে, ওয়াতসুকি সংলাপগুলি সমন্বয় করেন, তার মতে, কেনশিনকে যেন এমন শোনায় "আমি তাকে আরও বেশি পছন্দ করছি"[৬] ওয়াতসুকি ইংরেজি ভাষার শব্দ অপ সাবলীলতা "হাহ" কে কেনশিনের ট্রেডমার্ক "অরো" দ্বারা পরিবর্তন করেন। ওয়াতসুকি উল্লেখ করেন যে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন এটা দেখে যে সিরিজের শেষ পর্যন্ত কতবার শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।[৭] ওয়াতসুকি আরও পরিকল্পনা করেন কেনশিনকে ৩০ থেকে বেশী বয়সের তৈরি করবেন, তার সম্পাদক মন্তব্য করেন, এটা বিস্ময়কর ছিল যে একটি মাঙ্গার মূল চরিত্রের বয়স অনেক বেশি ছিল, তাই তিনি কেনশিনকে ২৮ বছর বয়সী হিসেবে তৈরি করেন।[৮]

ধারাবাহিকটির শেষে , কেনশিন কে ছোট চুলে দেখা যায়, কেনশিনের ছোট চুলসহ আবির্ভাব ঘটে। প্রথমদিকে, ওয়াতসুকি পরিকল্পনা করেছিলেন, শেষ হওয়ার আগেই তার ছোট চুল দেখাবেন, শেষমেশ তিনি দেখেন যে এটি টু হার্ট এর মাল্টি চরিত্রটির সাথে মিলে যাচ্ছে।[৯] ওয়াতসুকি কেনশিনের অধিকাংশ অসি চালনার কৌশলগুলি কে  মাতসুবায়াসি হেন্যাসাই নামের  একজন  টোকোগাওয়া আমলের অসি যোদ্ধার সাথে মিল রেখে তৈরি করেন, যিনি  ক্রীড়া কৌশলে দক্ষ ছিলেন।[১০] শিশিও মাকাতোর আর্মির সাথে তার লড়াইয়ের সময়, কেনশিন কে নতুন একটি তলোয়ার দেয়ায় হয় যেটার খাপ ছিল কাঠের তৈরি ।ওয়াতসুকি তলোয়ারটিকে পুনঃনকশা করার সিদ্ধান্ত নেন, যাতে এটিকে সিরিজের প্রথমে ব্যবহৃত তলোয়ারটির মত দেখায়, যদিও এটি আঁকা কঠিন ছিল।[১১]

প্রথম রুরোনি কেনশিন কাঞ্জেবানে, যা জুলাই ২০০৬ সালে জাপানে প্রকাশিত হয় , ওয়াতসুকি একটি খসড়া পাতা সংযোজন করেন যাতে কেনশিনের চরিত্রটির পুনঃ নকশা ছিল।  তার ক্রুশ জাতীয় চিহ্নটিকে আরও দৃশ্যমান করার জন্য, ওয়াতসুকি এটিকে আরও বাড়িয়ে দেন যাতে তা তার নাক ছাড়িয়ে যায়। অপরদিকে কেনশিনের চুল বাধা ছিল, যাতে তাকে আরও কম বয়সী দেখাত। কিন্তু আরও কম দৈর্ঘ্যের, যাতে সমলিঙ্গের বৈশিষ্ট্য না থাকে।  ওয়াতসুকি কেনশিনের তলোয়ারে হাবাকি সংযোজন করেন যাতে এর কাঠামো আঁকা সহজ হয়,যা তার শক্তিমত্তা তুলে ধরে[১২] কেনশিনের হিতোকিরি রূপ কিছুটা পরিবর্তন করা হয়,  তার পোশাক আরও বেশি  ক্ষতিগ্রস্থ  দেখান হয় ,এবং তাকে ইয়ুকিশিরো তম এর ওড়না দেয়া হয়।[১৩]

রুরোনি কেনশিনের আনিমে সংস্করনে, ওয়াতসুকির নকশার সাথে মায়ো সুজুকাযে নামক কণ্ঠশিল্পীর কণ্ঠ সংযোজন করা হয়, তিনি ছিলেন নারী কণ্ঠশিল্পী। সিরিজটির ইংরেজি ভাষান্তর সংস্করনে, মোনা মার্শাল কে একজন চূড়ান্ত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে মিডিয়া ব্লাস্টার বিবেচনা করেছিল, এমনকি রিচারড হাওরথ কে এই ভুমিকার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল, কেনশিনের কণ্ঠ কে আরও পুরুষালি করে তুলতে। মার্শাল কে নির্বাচিত করা হয়েছিল পেছনের কাহিনীতে কেনশিনের ছেলেবেলার কণ্ঠ দেয়ার জন্য। মিডিয়া ব্লাস্টার ভাষান্তরের লেখক ক্লার্ক চেং বলেন, কেনশিনের সবিশেষ শব্দগুলিকে স্থানীয়করণ সহজ ছিল না। তার ব্যবহৃত "দে গজারো " এবং "অরো " শুধু চারিত্রিক ট্রেডমার্ক ছিলনা যা দিয়ে কেনশিনের মনের অবস্থা বোঝা যেত, কিন্তু গল্পের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ছিল। তত্সত্ত্বেও, কিছুই সরাসরি ইংরেজি ভাষান্তরের উপযোগী ছিলনা, এবং শেষ দিকে কোম্পানি "দে গজারো" কে " আমি যা করেছি"  "আমি যে রকম" "আমি যা করি" দ্বারা পরিবর্তন করে। কেনশিনের   নিজস্ব শব্দ "অরো"কে "হাহ" দ্বারা পরিবর্তন করা হয়, যা একটি মজার শব্দ হিসেবে ছিল, যার কোন বাস্তব অর্থ ছিলনা।[১৪] অতাকু ইউএসএ এর ডেরেল সুরাট বলেন মিডিয়া ব্লাস্টার ভাষান্তর ও উপাখ্যা তে  কেনশিনের সংলাপের ব্যকরন গুলি স্টার ওয়ার্সের ইওডা চরিত্রটির সংলাপের সাথে মিলে যায় ।[১৫]

উপস্থিতি[সম্পাদনা]

রুরোনি কেনশিন[সম্পাদনা]

হিমুরা কেনশিন (আসল নাম শিনটা) ২০ জুন, ১৮৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।[১৬] সাবেক কিংবদন্তি গুপ্তঘাতক হিসেবে, তিনি প্রচণ্ড শক্তিশালী একজন অসি যোদ্ধা ছিলেন এবং তার দক্ষতা ছিল বস্তুত অতুলনীয়, কেনশিন হিতেন মিতসুরুগি-রু (飛天御剣流?, lit. "Flying Heaven Honorable Sword Style") কৌশল অনুশীলন করতেন, একটি কাল্পনিক প্রাচীন অসি চালনার কৌশল, যা বাত্তজুতসুর উপর ভিত্তি করে করা যেত, যা তাকে অতিমানবীয় গতি ও অভিব্যক্তি দিয়েছিল, লড়াইয়ের সময় প্রতিদ্বন্দ্বীর গতিবিধি অবগত হওয়া এবং অনুমান করা,তার সাথে আরও শক্তিশালী অসি চালনার কৌশল প্রয়োগ করা।[১৭] তার অধিকাংশ কৌশল ক্ষতিকর ছিল, কিন্তু কেনশিন তার কখনও হত্যা না করার প্রতিজ্ঞার কারণে কৌশল গুলি ব্যাবহারে কিছু পরিবর্তন এনেছিলেন। এই কারণে তিনি সাকাবাতো (A reversed-edge sword) নিয়ে লড়াই করতেন।[১৭]

হত্যাকারী "হিতোকিরি বাতোসাই" হিসেবে ঈশিন শিশিতে কাজ করবার পর কেনশিন ভবঘুরের জীবন বেছে নেন।বিপ্লবের দশ বছর  পর ,তিনি টোকিও পৌঁছান, সেখানে কামিয়া কাউরু এর সাথে তার সাক্ষাত হয় । কেনশিন "বাতোসাই" জেনেও তিনি তাকে নিজের দোজো তে থাকার আমন্ত্রন জানান।[১৭] দোজোতে থাকার সময় কেনশিন অনেক মানুষের সাথে আজীবনের সম্পর্ক গড়ে তোলেন, যার মধ্যে ছিল সাবেক শত্রু , তার মধ্যে সাবেক শিনশেনগুমি সদস্য সাইতো হাজিমি ছিলেন।[১৮]  কেনশিন প্রত্যেকটি  মানুষকে বিপদ থেকে সুরক্ষা দিতে চাইতেন কিন্তু অন্যের ক্ষতি না করে।[১৯] "সব থেকে শক্তিশালি হিতোকিরি" হিসেবে তিনি পরিচিত হয়েছিলেন, যে কারণে তিনি অনেক পুরানো শত্রুর লক্ষবস্তু ছিলেন যারা তার এই তকমা ছিনিয়ে নিতে চাইত। এ কারণে তিনি অন্যদের তার খুব কাছাকাছি থাকতে বাধা দিতেন, তাদের নিজেদের সুরক্ষার জন্য। তা সত্ত্বেও, তিনি তার বন্ধুদের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেন, তাদেরকে তার পাশে লড়াই করবার সুযোগ দিয়ে।[২০]

যখন শিশিও মাকাতো, যিনি নিষ্ঠুর চো-শু হিতোকিরি হিসেবে কেনশিনের এক কালের উত্তরসুরি ছিলেন,মেইজি সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছিল, কেনশিন তাকে নিবৃত করতে টোকিও ত্যাগ করেন।[২১] এ ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করতে, কেনশিন কে আবারও তার শিক্ষক হিকো সেজিরোর সাথে সম্পর্ক তৈরি করে তার শিক্ষা সম্পন্ন করতে হয়, যিনি কেনশিন কে লালন-পালন করেছিলেন এবং কেনশিন কে শেখাতেন,যার নাম ছোটবেলায় ছিলশিনতা (心太?)। তার ছোটবেলার শিক্ষা মাঝপথে থেমে যায় যখন কেনশিন জাপানের মানুষকে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন।[২২] তিনি কুজু রু-সেন (九頭龍閃?, lit. "Nine-headed Dragon Strike") শিক্ষা লাভ করেন, যার মাধ্যমে অসিযুদ্ধের মৌলিক লক্ষ্য অনুযায়ী পর পর নয়টি আঘাত হানা হয়।[২২] যদিও কুজু রু-সেন কে আমাকাকের রু -নো - হিরোমেকি (天翔龍閃?, lit. "Heavens Gliding Dragon Flash"; Viz translation - "Dragon Flight of Heaven"), শেখার একটি অংশ হিসেবে ধরা হয় ,একজন হিতেন মিতসুরুগি রু বাত্তজুতসু কুজু রু-সেন এর গতি কে অতিক্রম করেন।[১৯][২৩] যদি আঘাত টি এড়িয়ে যাওয়া বা থামিয়ে দেয়া যায়, অস্বাভাবিক দ্রুত আঘাতের শক্তি এর আশেপাশের বাতাসকে সরিয়ে দেয়, এর আলোড়ন বায়ু শূন্য অবস্থার সৃষ্টি করে  এবং প্রতিদ্বন্দ্বীকে এর ভেতর টেনে নেয়,  যেভাবে এটি সম্পন্ন হয়, দ্বিতীয় শক্তিশালী আঘাতে শরীর কেটে যায়।[২১][২৪] পুরো অনুশীলন জুড়ে, কেনশিন এর আরও একটি আকাঙ্খা তৈরি হয়,তা হলো যেকোনো লড়াইতে টিকে যাওয়া যাতে কউরু তার মৃত্যুর কারণে কষ্ট না পান। তার অনুশীলন শেষে,কেনশিনের সব বন্ধু তার সাথে যোগ দেয় এবং শিশিও ও তার সেনাবাহিনীকে পরাজিত করতে সাহায্য করে।[২৫]

মাস খানেক পর, ইয়ুকিশিরো এনিশি নামের এক ব্যক্তি কেনশিনের সাথে সাক্ষাত করা সব লোক কে হত্যা করতে থাকে, তার বোন ইয়ুকিশিরো তম এর হত্যার প্রতিশোধ নিতে।[২৬] সেই সময় ,আবিষ্কৃত হয় কেনশিন বাকামাতসুর সময়ে তম কে বিয়ে করেছিলেন এবং এক দল ঘাতকের কাছ থেকে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে  দুর্ঘটনাক্রমে তাকে হত্যা করেন।[২৭] যখন এনিশি কাউরুর প্রতি কেনশিনের অনুভূতি জানতে পারেন, এনিশি তাকে অপহরনের চেস্টা করেন। তিনি সফল হন এবং পেশাদার লোক দিয়ে একটি টোপ তৈরি করেন কাউরুর বুকে তলোয়ার দিয়ে, সবাইকে বিশ্বাস করান যে তাকে হত্যা করা হয়েছে।[২৮] কেনশিন তীব্র দুঃখ অনুভব করেন এবং একটি ভবঘুরেদের গ্রামে পালিয়ে গিয়ে শোক পালন করতে থাকেন।[২৯] তারপর, তিনি তার বিষণ্ণতা কাটিয়ে ওঠেন যখন তার বন্ধুরা আবিস্কার করে কাউরু জীবিত। তার দল কাউরু কে উদ্ধার করতে এনিশির দ্বীপে যায়।[৩০] কেনশিন ও এনিশির লড়াই হয় এবং কেনশিন জেতার পর কাউরু ঘরে ফেরেন।[৩১] এরপর, কেনশিন জানতে পারেন হিতেন মিতসুরুগি-রু শুধুমাত্র সেজিরোর মত চওড়া পুরুষালী দের উপযোগী কৌশল, তার শরীর ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে এবং তিনি তাড়াতাড়ি এটি পুনরায় ব্যাবহার করার শক্তি হারাতে থাকেন। [১৮] পাঁচ বছর পর, কেনশিন কাউরু কে বিয়ে করেন এবং তাদের ছেলের নাম রাখেন কেনজি। কাউরুর ছাত্র ইয়াহিকো মুজ্জিনের সাথে এক লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়ে কেনশিন তার সাকাবাতো তাকে তার আগামী দিনের জন্য উপহার দেন।[৩২]

অন্যান্য মিডিয়াতে[সম্পাদনা]

চিত্র:Himura Kenshin OVA.jpg
ট্রাস্ট অ্যান্ড বিট্রেয়াল OVA তে হিমুরা কেনশিন

কেনশিনের প্রথম আবির্ভাব ঘটে রুরোনি কেনশিনের দুটি অধ্যায়ে, মেইজি অসি যোদ্ধার রোমাঞ্চপূর্ণ কাহিনী, মাঙ্গার প্রকল্প অধ্যায়ে, যাতে তিনি টোকিও আসেন এবং তার পরিবারকে আক্রমণ করা কিছু দুষ্কৃতকারীকে পরাজিত করেন। এই গল্পগুলিতে,কেনশিন কে সিরিজের চরিত্রের মতো ব্যক্তিত্ব দেয়া হয়, কিন্তু  তার নাম উল্লেখ করা ছিলোনা। [৬][৩৩]

পরবর্তীতে, রুরোনি কেনশিনঃ দি মোশন পিকচার মুভিতে কেনশিন এর তাকিমি শিগুরে নামের একজন অসি যোদ্ধার সাথে দেখা হয়, যে মেইজি সরকারকে উৎখাত করতে এবং বাকামাতসুর সময় তার পরিবারকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন। কেনশিন শিগুরের মুখোমুখি হন এবং তাকে পরাজিত করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেন।[৩৪]

ওভিএতে কেনশিনকে আরও বেশি মানবিক নকশা দেয়া হয়েছে। মাঙ্গার চরিত্রটি থেকে এখানে অসংখ্য পরিবর্তন দেখানো হয়, তার মধ্যে ছিল রুরোনি কেনশিনঃ ট্রাস্ট এন্ড বিট্রেয়ালতে কিভাবে তিনি ক্রুশ আকৃতির দাগ টি পেয়েছিলেন।[৩৫] রুরোনি কেনশিন রিফ্লেক্সন-এ যত সময় অতিবাহিত হয় কেনশিন ততোই নতুন করে নির্যাতিত  হতে থাকেন এই কষ্ট অনুভব করে যে এতো ধ্বংসাত্মক অতীত থাকা সত্ত্বেও তিনি শান্তিতে জীবনযাপন করছেন। তিনি আবারও ভবঘুরে জীবনযাপন করার সিদ্ধান্ত নেন, কাউরু তাকে জোরাল সমর্থন দেন, তাকে কথা দেন যে, তিনি তাদের সন্তান কে নিয়ে তাকে সহাস্যে স্বাগত জানাবেন। অবশেষে কেনশিন একটি অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকেন। তারপরেও তিনি মেইজি সরকারকে তার দেয়া প্রতিজ্ঞা অনুসারে প্রথম সিনো-জাপানি যুদ্ধে সাহায্য করতে মনঃস্থির  করেন। যুদ্ধ শেষে, সাগারা সানাসুকে কেনশিন কে খারাপভাবে আহত অবস্থায় সমুদ্রের তীরে আবিস্কার করেন, তিনি স্মৃতি হারিয়ে ফেলেন এবং জাপান ফিরতে অসমর্থ ছিলেন। সানাসুকে কেনশিন কে টোকিও তে কাউরুর কাছে ফেরানোর ব্যবস্থা করেন।সবশেষে দুজনের দেখা হয়, এবং কেনশিন তার বাহুতে ভেঙ্গে পড়েন এবং তাকে ধরে রাখেন।কাউরু লক্ষ্য করেন কেনশিনের মুখের দাগটি মিলিয়ে গেছে এবং এটি তার মৃত্যু কে নির্দেশ করে।[৩৬] শেষ ওভিএটিতে কাহিনীটি যেভাবে শেষ হয় তা দেখার পর নবুহিরু ওয়াতসুকি খুব অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন, তিনি বলেন কেনশিন অনেক বেশি ঘৃণিত অবস্থার মধ্যে দিয়ে গেছেন, তাই তিনি একটি সুখী সমাপ্তি পাবার যোগ্য।[৭]

সবগুলি রুরোনি কেনশিন ভিডিও গেইমে কেনশিন একজন খেলার উপযোগী চরিত্র,[৩৭] জাম্প সুপার স্টার[৩৮] ও জাম্প আল্টিমেট স্টারস সহ।[৩৯] জুন ২০১৩-এ, কেনশিন কে ব্লেচ এর ইচিগো কুরোসাকি এর পাশাপাশি জে স্টার ভিক্টরি ভারসাস, প্লে স্টেশন ৩-এর একজন খেলার উপযোগী চরিত্র হিসেবে নিশ্চিত করা হয়।

মাঙ্গা রুরোনি কেনশিনঃ রেস্টোরেশন এ কেনশিন মূল সিরিজের মতো টোকিও তে  থাকেন. এটির আগে ওয়াতসুকি একটি প্রারম্ভিক অধ্যায় লিখেছিলেন যেখানে কেনশিনের সাথে একজন পশ্চিমা চিকিৎসকের দেখা হয় যখন তিনি ভবঘুরে জীবনযাপন করছিলেন।[৪০]

লাইভ অ্যাকশন মুভি ত্রিলজিতে, হিমুরা চরিত্র টি করেছেন তাকেরু সাতোহ

লাইভ অ্যাকশন মুভি ত্রিলজিতে, হিমুরা চরিত্র টি করেছেন তাকেরু সাতোহ।[৪১] ওয়াতসুকি সাতোহ এর কাজ দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন সেই সাথে প্রথম মুভিটির স্পেশাল ইফেক্ট দেখে যা কেনশিনএর চরিত্রটিকে বাস্তব করে তুলেছিল।[৪০]

অভ্যর্থনা[সম্পাদনা]

রুরোনি কেনশিন পাঠকবৃন্দের ভেতর কেনশিন তুমুল জনপ্রিয়, প্রত্যেকটি শনেন জাম্প জনপ্রিয়তা জরিপে তার স্থান প্রথম, প্রত্যেকবার দ্বিতীয় ভোটে দুগুনের বেশি ভোটে পেয়েছেন।[১৯][৪২] অফিসিয়াল রুরোনি কেনশিন আনিমে জরিপে কেনশিন কে সিরিজটির সব থেকে জনপ্রিয় চরিত্র হিসেবে পাওয়া যায়। প্রথমে, কেনশিন প্রথম স্থান পান, দ্বিতীয়বার পান দ্বিতীয় স্থান। তার বাতোসাই প্রতিমূর্তি ছিল পঞ্চম স্থানে।[৪৩] ওয়াতসুকি ভক্তদের চিঠি পড়ে জানতে পারেন মেগুমি অগাতার সিডি বুক এর কণ্ঠ কেনশিনের সাথে মানিয়ে গেছে। ওয়ায়সুকি বলেন তিনি কেনশিনের কণ্ঠ আরও বেশি নির্লিপ্ত কল্পনা করেছিলেন।[৪৪] প্রকৃতপক্ষে, সিডি বুক কণ্ঠশিল্পীরা, বিশেষ করে অগাতা ও তমাকাজু সেকি যিনি সানাসুকের কণ্ঠ দিয়েছিলেন, আনিমে তে তাদের এই চরিত্রগুলিতে কণ্ঠ দিতে পারেননি যা ওয়াতসুকি কে হতাশ করেছিল।[৪৫] অনেকবার আনিমে গ্র্যান্ড প্রিক্স জরিপে, কেনশিনকে অন্যতম জনপ্রিয় পুরুষ চরিত্র হিসেবে স্থান দেয়া হয়।[৪৬][৪৭][৪৮]

কেনশিনের উপর ভিত্তি করে প্রচুর পণ্য বাজারে এসেছিল যেমন কি চেইন,[৪৯][৫০] অ্যাকশান ফিগার,[৫১] এবং প্লাস ডল।[৫২] মাঙ্গা প্রকাশিত হবার পর, অ- ক্রিয়ামূলক [৫৩]  এবং অ- ক্রিয়ামূলক[৫৪] সাকাবাতো তৈরি করা হয় ভক্ত ও সংগ্রাহকদের ক্রয় করা জন্য।

বিভিন্ন মাঙ্গা, আনিমে এবং ভিডিও গেইমস প্রকাশন এবং অন্যান্য মিডিয়া চরিত্রটির প্রশংসা ও সমালোচনা করেছে। T.H.E.M. আনিমে পর্যালোচকেরা সমালোচনা করেন যে,  কৌতুকপূর্ণ দৃশ্যগুলিতে কেনশিনের অতি-অঙ্গহীন উপস্থাপনা সিরিজটির আবহ ও চরিত্রের সাথে খাপ খায় না।[৫৫] ম্যানিয়া ডট কম ভলিউম ৮ পর্যালোচনায় উল্লেখ করে  কেনশিনের একটি "অতি চালাক" ভাব রয়েছে, তারা মন্তব্য করে, এটি আনিমের একটি সাধারন মনোভাব যা তাকে তার চরিত্র থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।[৫৬] আনিমে নিউজ নেটওয়ার্ক কেনশিনের প্রশংসা করে বলে, চরিত্রটি সব মানুষ দেখতে পছন্দ করে এর কৌতুকপূর্ণ দৃশ্যগুলির জন্য।[৫৭] সাইফাই ডট কম উল্লেখ করে, "কেনশিনের নিষ্ঠুর হত্যাকারী ও গ্রাম্য ব্যক্তিত্তের অন্যমনস্ক ব্যক্তিগত বিরোধগুলি " ভালো গল্প তৈরির উপযোগী।[৫৮] আবাউট ডট কম এর "শীর্ষ দশ আনিমে প্রণয় কাহিনী" ,কেনশিন ও কাউরুর সম্পর্ক অষ্টম স্থান পায়, কাথেরিন লুথার মন্তব্য করেন এটি একটি " অতুলনীয় প্রণয়াখ্যান"[৫৯] আইজিএন-এর সর্বকালের শীর্ষ ২৫ আনিমে চরিত্রের মধ্যে কেনশিন ছিলেন এবং ক্রিস মাকেঞ্জি তার সম্পর্কে বলেন, একজন অতুলনীয় আনিমের অতুলনীয় উদাহরণ, একজন শান্তিকামী হত্যাকারী।[৬০] মার্চ ২০১০ এ একটি নিউটাইপ জরিপে কেনশিন ১৯৯০-এর দশক থেকে জনপ্রিয় পুরুষ আনিমে চরিত্রের মধ্যে অষ্টম স্থান অর্জন করেন।[৬১] কেনশিনের আমাকাকের রু -নো - হিরোমেকি কৌশল  জাপানী মাঙ্গা ও আনিমের জনপ্রিয় কৌশল জরিপে তৃতীয় স্থান লাভ করে।[৬২] ২০১৪-এ আইজিএন তাকে সব সময়ের পঞ্চম সেরা আনিমে চরিত্র হিসেবে স্থান দেয়, তারা উল্লেখ করে, "যদিও কেনশিনের সময় তাকে একটি সম্পূর্ণ একগুঁয়ে হিসেবে তৈরি করে এবং কিছু স্মরণীয়  আনিমে অসি যুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করে,  বিপদ চলে গেলে কেনশিন আবার আগের সুন্দর চরিত্রে চলে যায়"।[৬৩]

রুরোনি কেনশিনঃ রিফ্লেক্সশন ওভিএ সিরিজটিতে কেনশিনের বিকাশ নিয়ে অনেকগুলি প্রকাশন নেতিবাচক মন্তব্য করেছে। আনিমে নিউজ নেটওয়ার্ক যোগ করে,রিফ্লেক্সশন এ সে "আবার সেই আগের নিজের মত বিষণ্ণ হয়ে যাচ্ছিল" এবং সমালোচনা করে  বলে, সে কখোনোই "অরো" বলেনি,[৫৭] আইজিএন উল্লেখ করে কেনশিন ও কাউরুর সম্পর্কের কিছু কিছু মুহূর্ত বিষাদ পূর্ণ ছিল।[৬৪] তা সত্ত্বেও, কিছু আলোচক বলেন, ওভিএ-তে কেনশিনের ব্যক্তিত্ব ছিল জটিল আনিমের চরিত্রগুলির মধ্যে কারণ শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করেও সে নিজের রক্ত মাখা অতীত কে ভুলে যেতে পারত না। কেনশিনের কণ্ঠ দাতা মায়ো সুযুকাযের একটি সাক্ষাতকারে বলেন, কেনশিনের কণ্ঠে অনেক বছর কাজ করার পর তিনি কেনশিনের মত অনুভব করতে শুরু করেছেন, এবং এই চরিত্রটির কণ্ঠ দেয়া তার জন্য অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতাগুলির একটি বলে তিনি মন্তব্য করেন।[৬৫][৬৬]

নবম এশিয়ান ফিল্ম এওয়ার্ডসে, তাকেরু সাতোহ কেনশিন চরিত্রে অভিনয়ের জন্য "শ্রেষ্ঠ অভিনেতা" বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিলেন।[৬৭]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. "Hitokiri". The term refers to an assassin and translates as "manslayer". Within the Rurouni Kenshin universe "Battōsai" refers to someone who has mastered battōjutsu.[২] Assassins during the bakumatsu adopted professional names; for instance Kawakami Gensai was known as Hitokiri Gensai.[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ "Rurouni Kenshin TV Series Season One Box"Media Blastersআসল থেকে জুলাই ১৪, ২০১১-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত জুলাই ১৫, ২০০৯ 
  2. Watsuki, Nobuhiro (২০০৩)। "Act 13: The Meaning of the Name"। Rurouni Kenshin, Volume 2Viz Mediaআইএসবিএন 1-59116-249-1 
  3. Watsuki, Nobuhiro। "Glossary of the Restoration"। Rurouni Kenshin, Volume 3Viz Media। পৃ: ১৯০। 
  4. "Samurai X A Killer Without Mercy."
  5. Watsuki, Nobuhiro (২০০৩)। "The Secret Life of Characters (1) Himura Kenshin"। Rurouni Kenshin, Volume 1Viz Media। পৃ: ৫৬। আইএসবিএন 1-59116-220-3 
  6. ৬.০ ৬.১ Watsuki, Nobuhiro। "Rurouni: Meiji Swordsman Romantic Story (1)"। Rurouni Kenshin, Volume 1Viz Media। পৃ: ১৬৮। আইএসবিএন 1-4215-0674-2 
  7. ৭.০ ৭.১ Tei, Andrew। "Anime Expo 2002: Friday Report"। AnimeOnDVD.com। সংগৃহীত ২০০৮-০৫-০৮ 
  8. Watsuki, Nobuhiro (২০০৬)। Rurouni Kenshin, Volume 27Viz Media। পৃ: ২। আইএসবিএন 1-59116-220-3 
  9. Watsuki, Nobuhiro (২০০৬)। "The Secret Life of Characters (54) Himura Kenji and the characters from Meiji 15"। Rurouni Kenshin, Volume 28Viz Media। পৃ: ১৫৪। আইএসবিএন 1-4215-0675-0 
  10. Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। "The Secret Life of Characters (36) Henya Kariwa"। Rurouni Kenshin, Volume 15Viz Media। পৃ: ৬৬। আইএসবিএন 1-59116-810-4 
  11. Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। "The Secret Life of Characters (30), Seiku family"। Rurouni Kenshin, Volume 10Viz Media। পৃ: ১২৮। আইএসবিএন 978-1-59116-703-7 
  12. Watsuki, Nobuhiro (২০০৬)। Rurouni Kenshin Kanzenban, Volume 1Shueisha। পৃ: ২। আইএসবিএন 4-08-874150-1 
  13. Watsuki, Nobuhiro (২০০৭)। Rurouni Kenshin Kanzenban, Volume 15Shueisha। পৃ: ২। আইএসবিএন 978-4-08-874164-2 
  14. "Interview with Clark Cheng"। Dub Review। নভেম্বর ২০০৩। আসল থেকে মে ১, ২০০৮-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০০৮-০৫-০৭ 
  15. Surat, Daryl. "Heart of Steel." Otaku USA. Volume 4, Number 1. August 2010. 36.
  16. Rurouni Kenshin ProfilesViz Media। ২০০৫। আইএসবিএন 978-1-4215-0160-4 
  17. ১৭.০ ১৭.১ ১৭.২ Watsuki, Nobuhiro (২০০৩)। "Act 1: Kenshin ● Himura Battōsai"। Rurouni Kenshin, Volume 1Viz Mediaআইএসবিএন 1-59116-220-3 
  18. ১৮.০ ১৮.১ Watsuki, Nobuhiro (২০০৬)। "Act 252: Autumn Wind"। Rurouni Kenshin, Volume 28Viz Mediaআইএসবিএন 1-4215-0675-0 
  19. Watsuki, Nobuhiro (২০০৬)। "Chapter 187"। Rurouni Kenshin, Volume 22Viz Media। পৃ: ১৯। আইএসবিএন 1-4215-0196-1 
  20. ২১.০ ২১.১ Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। "Chapter 143"। Rurouni Kenshin, Volume 17Viz Mediaআইএসবিএন 1-59116-876-7 
  21. ২২.০ ২২.১ Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। "Chapter 95"। Rurouni Kenshin, Volume 12Viz Mediaআইএসবিএন 1-59116-712-4 
  22. Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। "Chapter 96"। Rurouni Kenshin, Volume 12Viz Mediaআইএসবিএন 1-59116-712-4 
  23. Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। "Chapter 145"। Rurouni Kenshin, Volume 17Viz Media। পৃ: ১৩৬। আইএসবিএন 1-59116-876-7 
  24. Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। "Chapter 151"। Rurouni Kenshin, Volume 18Viz Mediaআইএসবিএন 978-1-59116-959-8 
  25. Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। "Chapter 163"। Rurouni Kenshin, Volume 19Viz Mediaআইএসবিএন 978-1-59116-927-7 
  26. Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। "Chapter 178"। Rurouni Kenshin, Volume 21Viz Media। পৃ: 20–23। আইএসবিএন 1-4215-0082-5 
  27. Watsuki, Nobuhiro (২০০৬)। "Chapter 211"। Rurouni Kenshin, Volume 24Viz Mediaআইএসবিএন 1-4215-0338-7 
  28. Watsuki, Nobuhiro (২০০৬)। "Chapter 208"। Rurouni Kenshin, Volume 24Viz Media। পৃ: 32–33। আইএসবিএন 1-4215-0338-7 
  29. Watsuki, Nobuhiro (২০০৬)। "Act 236: Landing"। Rurouni Kenshin, Volume 26Viz Media। পৃ: 167–168। আইএসবিএন 1-4215-0673-4 
  30. Watsuki, Nobuhiro (২০০৬)। "Act 250: Smile Once More"। Rurouni Kenshin, Volume 28Viz Mediaআইএসবিএন 1-4215-0675-0 
  31. Watsuki, Nobuhiro (২০০৬)। "Act 255: Toward a New Era"। Rurouni Kenshin, Volume 28Viz Mediaআইএসবিএন 1-4215-0675-0 
  32. Watsuki, Nobuhiro (২০০৪)। "Rurouni: Meiji Swordsman Romantic Story (2)"। Rurouni Kenshin, Volume 3Viz Mediaআইএসবিএন 1-59116-356-0 
  33. (DVD) Samurai X - The Motion Picture. ADV Films. 2001. http://www.amazon.com/Samurai-Motion-Picture-Rurouni-Kenshin/dp/B000056HOW। সংগৃহীত হয়েছে 2015-08-23.
  34. (DVD) Samurai X: Trust & Betrayal (Director's Cut). ADV Films. 2003. http://www.amazon.com/Samurai-Trust-Betrayal-Directors-Cut/dp/B00008G8PP। সংগৃহীত হয়েছে 2015-08-23.
  35. (DVD) Samurai X: Reflection. ADV Films. 2003. http://www.amazon.com/Samurai-X-Reflection-Rurouni-Kenshin/dp/B0000844K0। সংগৃহীত হয়েছে 2015-08-23.
  36. "Rurouni Kenshin: Enjou! Kyoto Rinne official website"Banpresto। সংগৃহীত ২০০৮-০২-০৬ 
  37. "Jump Super Stars official website"Nintendo। সংগৃহীত ২০০৮-০২-০৬ 
  38. "Jump Ultimate Stars official website"Nintendo। সংগৃহীত ২০০৮-০২-০৬ 
  39. ৪০.০ ৪০.১ Watsuki, Nobuhiro (২০১৩)। Rurouni Kenshin Restoration 1। পৃ: Free Talk। 
  40. "Rurouni Kenshin Manga Gets Live-Action Film in 2012 (Updated)"Anime News Network। সংগৃহীত এপ্রিল ২৪, ২০১২ 
  41. Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। "Chapter 113"। Rurouni Kenshin, Volume 14Viz Media। পৃ: ২৮। আইএসবিএন 1-59116-767-1 
  42. "Rurouni Kenshin Poll: Favorite Character Then & Now"Anime News Network। জুন ২, ২০১১। সংগৃহীত জুন ২, ২০১১ 
  43. Watsuki, Nobuhiro। "Free Talk"। Rurouni Kenshin, Volume 2Viz Media। পৃ: ৭৭। আইএসবিএন 1-59116-249-1 
  44. Watsuki, Nobuhiro (২০০৫)। Rurouni Kenshin, Volume 10Viz Media। পৃ: ৯৯। আইএসবিএন 978-1-59116-703-7 
  45. (Japanese ভাষায়)। Animage http://animage.jp/old/gp/gp_1997.html। সংগৃহীত এপ্রিল ১১, ২০১১  |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  46. (Japanese ভাষায়)। Animage http://animage.jp/old/gp/gp_1998.html। সংগৃহীত এপ্রিল ১১, ২০১১  |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  47. (Japanese ভাষায়)। Animage http://animage.jp/old/gp/gp_1999.html। সংগৃহীত এপ্রিল ১১, ২০১১  |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  48. "Rurouni Kenshin, Karou, Sanosuke Group Key Chain"Amazon.com। সংগৃহীত ২০০৮-০১-২৮ 
  49. "Rurouni Kenshin Story Image Figure! - Himura Kenshin"Amazon.com। সংগৃহীত ২০০৮-০১-২৮ 
  50. "Rurouni Kenshin: Kenshin Battousai Ver. 8" Plush"Amazon.com। সংগৃহীত ২০০৮-০১-২৮ 
  51. "Reverse Blade Rurouni Sword"Japanimation। সংগৃহীত ২০০৮-০২-১৩ 
  52. "Reverse Blade Rurouni Sword".
  53. "Deluxe Reverse Blade Sword - Rurouni Kenshin Sakabato"। True Swords। সংগৃহীত ২০০৮-০৩-০৪ 
  54. Ross, Carlos। "Rurouni Kenshin manga review"T.H.E.M. Anime Reviews। সংগৃহীত ২০০৮-০১-২৫ 
  55. Lavey, Megan। "Rurouni Kenshin Vol. #08 of 28"। Mania.com। সংগৃহীত ২০০৮-০২-১১ 
  56. ৫৭.০ ৫৭.১ Crandol, Mike (২০০২-০১-২২)। "Ruroni Kenshin second OAV series Seisouhen, part 1"Anime News Network। সংগৃহীত ২০০৮-০১-২৫ 
  57. Robinson, Tasha। "Rurouni Kenshin TV The first steps down a very popular road"SciFi.comআসল থেকে এপ্রিল ১৮, ২০০৮-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০০৮-০৫-০১ 
  58. Luther, Katherine। "Top 8 Anime Love Stories"About.com। সংগৃহীত জুন ২৬, ২০০৯ 
  59. Mackenzie, Chris (অক্টোবর ২০, ২০০৯)। "Top 25 Anime Characters of All Time"IGN। সংগৃহীত অক্টোবর ২১, ২০০৯ 
  60. "NT Research"। Newtype, Issue 4 (Kadokawa Shoten)। মার্চ ২০১০। 
  61. "Interest: Cobs' Japanese Survey of Favorite Manga Weapon/Move"Anime News Network। জানুয়ারি ১৪, ২০১১। সংগৃহীত জানুয়ারি ১৬, ২০১১ 
  62. Isler, Ramsey (ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৪)। "Top 25 Greatest Anime Characters"। IGN। সংগৃহীত মার্চ ১৩, ২০১৪ 
  63. Diaz, Efrain Jr. (২০০৪-০৪-০৯)। "Samurai X"IGN। সংগৃহীত ২০০৮-০২-০৬ 
  64. Nelson, Robert। "Rurouni Kenshin: Reflection review"T.H.E.M. Anime Reviews। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ৬, ২০০৮ 
  65. Suzukaze, Mayo. (2002). Rurouni Kenshin Seisouhen 2. [DVD]. Sony. http://www.amazon.com/Rurouni-Kenshin-Inferno-Japanese-Subtitles/dp/B00RPTO5XM। সংগৃহীত হয়েছে 2015-08-23.
  66. "Rurouni Kenshin, Parasyte, Tokyo Tribes Nominated for 9th Asian Film Awards"Anime News Network। ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৫। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]