বিষয়বস্তুতে চলুন

হিমলচুলি

হিমলচুলি
দক্ষিণ দিক থেকে হিমলচুলি
সর্বোচ্চ বিন্দু
উচ্চতা৭,৮৯৩ মিটার (২৫,৮৯৬ ফুট) [১]
১৮তম উচ্চতম পর্বত
সুপ্রত্যক্ষতা১,৬৩৩ মিটার (৫,৩৫৮ ফুট) [১]
তালিকাভুক্তিআল্ট্রা
স্থানাঙ্ক২৮°২৬′০৩″ উত্তর ৮৪°৩৮′১৫″ পূর্ব / ২৮.৪৩৪১৭° উত্তর ৮৪.৬৩৭৫০° পূর্ব / 28.43417; 84.63750 [১]
ভূগোল
টেমপ্লেট:OSM Himalaya
নেপালে অবস্থান
অবস্থানলামজুং, গোরখা-গণ্ডকি প্রদেশ, নেপাল
পর্বতশ্রেণীমানসিরি হিমাল, হিমালয়
আরোহণ
প্রথম আরোহণ২৪ মে, ১৯৬০ – হিশাশি তানাবে ও মাসাহিরো হারাদা
সহজ পথহিমবাহ/তুষার/বরফ আরোহন

হিমলচুলি (মাঝেমধ্যে হিমাল চুলি হিসেবেও লেখা হয়) নেপালের হিমালয় পর্বতমালার অংশ মানসিরি হিমালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত, এবং এটি বিশ্বের ১৮তম সর্বোচ্চ পর্বত।

গোরখা দরবার প্রাঙ্গণ থেকে তোলা হিমলচুলির সাদাকালো ছবি

এই পর্বতটি চিতওয়ান অঞ্চল থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়।

বৈশিষ্ট্য

[সম্পাদনা]

মানাসলু এবং নগদি চুলির দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত হিমলচুলি মানসিরি হিমালের তিনটি প্রধান পর্বতের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং সবচেয়ে দক্ষিণে অবস্থিত। এটি একটি জটিল পর্বতগুচ্ছ, যার বিস্তৃতি বেশ প্রশস্ত এবং অনুভূমিকভাবে বিস্তৃত। এটির সাথে বিভিন্ন খাড়া ও আঁকাবাঁকা শৃঙ্খল দ্বারা সংযুক্ত ছোট উপগিরি যেমন বৌদ্ধ (৬,৬৭২ মিটার (২১,৮৯০ ফুট)) অবস্থিত।

পর্বতটির একটি কেন্দ্রীয় মালভূমি সম্পূর্ণরূপে ৭০০০ মিটার উচ্চতার উপরে অবস্থিত, যা ঘিরে রেখেছে এর তিনটি প্রধান শিখর: পূর্ব (৭,৮৯৩ মিটার (২৫,৮৯৬ ফুট)), পশ্চিম (৭,৫৪০ মিটার (২৪,৭৪০ ফুট)) এবং উত্তর (৭,৩৭১ মিটার (২৪,১৮৩ ফুট))। পূর্ব শিখরের প্রধান পিরামিড আকৃতির চূড়াটি পৃথিবীর ১৮তম সর্বোচ্চ স্বতন্ত্র পর্বত হিসেবে বিবেচিত।

হিমলচুলি তার স্থানীয় ভূপ্রকৃতির তুলনায় বিশাল উল্লম্ব উচ্চতার জন্যও উল্লেখযোগ্য। উদাহরণস্বরূপ, এটি মার্স্যাংদি নদীর দক্ষিণ-পশ্চিম তীর থেকে আনুমানিক ৭,০০০ মিটার (২৩,০০০ ফুট) উচ্চতায় উঠে গেছে, যা প্রায় ২৭ কিমি (১৭ মা) অনুভূমিক দূরত্বে বিস্তৃত।

আরোহন ইতিহাস

[সম্পাদনা]

এই পর্বতে অন্বেষণমূলক সফর প্রথম হয় ১৯৫০ ও ১৯৫৪ সালে, তবে ১৯৫৫ সালের প্রথম অভিযান শুরুর আগেই ব্যর্থ হয়। পরবর্তী বছরগুলোতে, অর্থাৎ ১৯৫৮ ও ১৯৫৯ সালে পুনরায় পর্যবেক্ষণ ও আরোহণের চেষ্টা চালানো হয়।

অবশেষে, ১৯৬০ সালের ২৪ মে হিশাশি তানাবে এবং মাসাহিরো হারাদা নামের দুই জাপানি পর্বতারোহী হিমলচুলির শিখরে পৌঁছাতে সক্ষম হন। তাঁরা দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের "সিকল রিজ" ধরে আরোহণ করেন। পশ্চিম ও মূল শিখরের মধ্যবর্তী স্যাডলে তাঁরা তাদের ষষ্ঠ এবং সর্বশেষ ক্যাম্প স্থাপন করেন। আশ্চর্যের বিষয়, এটি একটি ৮০০০ মিটার-নিম্ন পর্বত হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার করেন।

হিমালয়ান ইনডেক্স ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৭ জুলাই ২০১৭ তারিখে অনুযায়ী, হিমলচুলিতে এ পর্যন্ত আরও পাঁচটি সফল আরোহণ এবং দশটি ব্যর্থ প্রচেষ্টা হয়েছে। এসব অভিযান দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক দিয়ে পরিচালিত হয়েছে।

দোর্দি নদী

১৯৭৮ সালে জাপানের একটি অভিযানের দুই সদস্য পশ্চিম শিখরে প্রথম আরোহণ করেন। তাঁরা দক্ষিণ দিক (দোর্দি খোলা) থেকে আরোহণ শুরু করে পূর্ব দিক হয়ে পশ্চিম শিখরে পৌঁছান।

উত্তর শিখরে প্রথম আরোহণ ঘটে ১৯৮৫ সালে, একটি কোরিয়ান অভিযানের মাধ্যমে। তাঁরা উত্তর-পশ্চিম মুখ দিয়ে শৃঙ্গটি জয় করেন।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 "High Asia II: Himalaya of Nepal, Bhutan, Sikkim and adjoining region of Tibet"। Peaklist.org। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০১৪।

অন্য উৎস

[সম্পাদনা]