হিমলকুচি (প্রজাপতি)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে


হিমলকুচি
(Blue Tiger)
Blue tiger (Tirumala limniace).jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Arthropoda
শ্রেণী: Insecta
বর্গ: Lepidoptera
পরিবার: Nymphalidae
গণ: Tirumala
প্রজাতি: T. limniace
দ্বিপদী নাম
Tirumala limniace
(Cramer, [1775])
Subspecies

See text

Tirumala limniace - Distribution.png
প্রতিশব্দ
  • Papilio limniace Cramer, [1775]
  • Danais limniace fruhstorferi van Eecke, 1915
  • Danaida limniace kuchingana Moulton, 1915

হিমলকুচি (বৈজ্ঞানিক নাম: Tirumala limniace exuticus) যা নীল ডোরা বা নীল বাঘ হিসেবেও পরিচিত, এক প্রজাতির মাঝারি আকারের প্রজাপতি। এরা ‘নিমফ্যালিডি’ পরিবারের সদস্য এবং 'ডানায়িনি' উপগোত্রের অন্তর্ভুক্ত।[১] এদের ভারতে দেখতে পাওয়া যায় এবং এরা যূথচর পরিযায়ী আচরণ করে থাকে।

উপপ্রজাতি[সম্পাদনা]

ক্রমানুযায়ী এর উপপ্রজাতিগুলো হলোঃ[২]

  • T. l. bentenga (Martin, 1910) – Selajar
  • T. l. conjuncta Moore, 1883জাভা, বালি, Kangean, Bawean, Lesser Sunda Is.
  • T. l. exotica (Gmelin, 1790)
  • T. l. ino (Butler, 1871)সুলা
  • T. l. leopardus (Butler, 1866) – Ceylon, ভারত - S.Burma
  • T. l. limniace (Cramer, [1775]) – S.China, Indo-China, Hainan, Taiwan
  • T. l. makassara (Martin, 1910) – S.Sulawesi
  • T. l. orestilla (Fruhstorfer, 1910) – Philippines (Luzon)
  • T. l. vaneeckeni <small:(Bryk, 1937) – Timor, Wetar

আকার[সম্পাদনা]

প্রসারিত অবস্থায় হিমলকুচির ডানার আকার ৯০-১০০ মিলিমিটার দৈর্ঘের হয়।

বিস্তার[সম্পাদনা]

সাধারণত এই জাতীয় প্রজাপতিটি মরু অঞ্চল ও হিমালয়ের অত্যাধিক উচ্চতা ছাড়া প্রায় সর্বত্র দেখা যায়, বিশেষত সমভূমিতে। হিমলকুচিরা সচরাচর হাল্কা জঞ্জল ও অনুচ্চ ঝোপঝাড় এবং এরা ছাওয়া পরিবেশ পছন্দ করে। এছাড়া শ্রীলঙ্কা, নেপাল, বাংলাদেশ, মায়ানমার এবং হংকং এও এদের দেখা পাওয়া যায়। [৩]

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

Imago on Indian Turnsole (হাতিশুঁড়) Heliotropium indicum at Pocharam Lake, Andhra Pradesh,India

ডিম[সম্পাদনা]

  • হিমলকুচির ডিম চকচকে রূপালি সাদা বর্নের আবার কখনও কখনও হলদেটে বর্নের হয়। দেখতে গম্বুজাকৃতি এবং অল্প লম্বাটে, গায়ে ওপর-নীচে শির টানা।

শূককীট[সম্পাদনা]

মূককীট[সম্পাদনা]

  • মূককীট এর রঙ উজ্জ্বল সবুজ হয় এবং গায়ে সোনালি বিন্দু বিন্দু থাকে। দেহখন্ডের মাঝামাঝি একটা সোনালি বিন্দুর রেখা দেখা যায়।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সুন্দরবনের নীল বাঘ, আ ন ম আমিনুর রহমান, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: আগস্ট ১৫, ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
  2. Tirumala limniace. funet.fi
  3. Dāśagupta, Yudhājit̲̲̲̲̲̲a (২০০৬)। Paścimabaṅgera prajāpati (1. saṃskaraṇa. সংস্করণ)। Kalakātā: Ānanda। পৃ: 112। আইএসবিএন 81-7756-558-3 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]