হিউ হকিন্স
হিউ হকিন্স | |
|---|---|
| জন্ম | ৩ সেপ্টেম্বর ১৯২৯ |
| মৃত্যু | ৬ মে ২০১৬ (বয়স ৮৬) |
| পেশা | ইতিহাসবেত্তা |
| পুরস্কার | গুগেনহাইম সদস্যপদ (১৯৬১) |
| উচ্চশিক্ষায়তনিক পটভূমি | |
| মাতৃ-শিক্ষায়তন | |
| অভিসন্দর্ভ | দ্য বার্থ অব আ ইউনিভার্সিটি: আ হিস্ট্রি অব দ্য জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ফ্রম দ্য ডেথ অব দ্য ফাউন্ডার টু দি ইন্ড অব দ্য ফার্স্ট ইয়ার অব অ্যাকাডেমিক ওয়ার্ক, ১৮৭৩-১৮৭৭ (১৯৫৪) |
| ডক্টরাল উপদেষ্টা | চার্লস এ. বার্কার |
| উচ্চশিক্ষায়তনিক কর্ম | |
| উপ-বিষয় | বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস |
| প্রতিষ্ঠান | |
হিউ ডজ হকিন্স (৩ সেপ্টেম্বর, ১৯২৯ - ৬ মে, ২০১৬) ছিলেন একজন মার্কিন ইতিহাসবেত্তা। ১৯৬১ সালে গুগেনহাইম সদস্য হিসেবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের উপর তিনটি বই লিখেন: পাইওনিয়ার: আ হিস্ট্রি অব দ্য জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি (১৯৬০), বিটুইন হার্ভার্ড অ্যান্ড আমেরিকা (১৯৭২) এবং ব্যান্ডিং টুগেদার (১৯৯২)। তিনি আমহার্স্ট কলেজে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন, যেখানে তিনি ইতিহাস ও মার্কিন অধ্যয়নের উপর আনসন ডি. মোর্স অধ্যাপক হন।[১] অবসর গ্রহণের পর তিনি দুটি স্মৃতিকথা এবং একটি অর্ধ-আত্মজীবনীমূলক ছোটগল্পের সংগ্রহ লিখেন।[২]
জীবনী
[সম্পাদনা]হিউ ডজ হকিন্স ১৯২৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ক্যান্সাসের টাপিকায় জন্মগ্রহণ করেন।[১] রোয়েনা (জন্ম নাম এডি) এবং জেমস হকিন্সের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ।[২][৩] তার বাবার শিকাগো, রক আইল্যান্ড অ্যান্ড প্যাসিফিক রেলরোডে একজন বিতরণকারী হিসেবে চাকরির কারণে পরিবারটি ঘন ঘন স্থানান্তরিত হয়।[২][৩] তারপর একসময় তারা ওকলাহোমার এল রেনোতে চলে যান এবং সেখান থেকে তিনি উচ্চ বিদ্যালয় সম্পন্ন করেন।[৩]
ওয়াশবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার এক পর্ব পর তিনি ডিপাউ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত হন এবং সেখান থেকে ১৯৫০ সালে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।[১][৩] ১৯৫৪ সালে তিনি জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।[১][৩] তার ডক্টরেট গবেষণাপত্র দ্য বার্থ অব আ ইউনিভার্সিটি: আ হিস্ট্রি অব দ্য জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ফ্রম দ্য ডেথ অব দ্য ফাউন্ডার টু দি ইন্ড অব দ্য ফার্স্ট ইয়ার অব অ্যাকাডেমিক ওয়ার্ক, ১৮৭৩-১৮৭৭ চার্লস এ. বার্কার দ্বারা তত্ত্বাবধান করা হয়।[২]
১৯৫৪ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করেন,[১] যেখানে তিনি কেরানির কাজ করতেন।[৩] পরে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন এবং ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনা অ্যাট চ্যাপেল হিলের ইতিহাস প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১][৩] ১৯৫৭ সালে তিনি আমহার্স্ট কলেজে একজন প্রশিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৫৯ সালে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান।[১] অবশেষে তিনি আনসন ডি. মোর্স-এর ইতিহাস ও মার্কিন অধ্যয়নের অধ্যাপক নিযুক্ত হন।[৩] ২০০০ সালে তিনি আমহার্স্ট কলেজ থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং অধ্যাপক এমেরিটাস নিযুক্ত হন।[৩]
তার প্রথম রচনাগুলো ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস সম্পর্কিত বই: পাইওনিয়ার: আ হিস্ট্রি অব দ্য জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি (১৯৬০), বিটুইন হার্ভার্ড অ্যান্ড আমেরিকা এবং ব্যান্ডিং টুগেদার।[২][৩] পাইওনিয়ারের জন্য তিনি ১৯৫৯ সালে আমেরিকান হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের মোসেস কোইট টাইলার পুরস্কার লাভ করেন।[৪] ১৯৬১ সালে "১৮৬৫-১৯১৫ সময়কালে আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতিদের উপর গবেষণার জন্য" তাকে গুগেনহাইম সদস্যপদ প্রদান করা হয়।[১] তার প্রশাসনিক সাফল্যের মধ্যে একটি ছিল ইতিহাস এবং মার্কিন অধ্যয়ন বিভাগ, সেইসাথে নবীনদের প্রাথমিক উদারনৈতিক অধ্যয়ন কোর্সের উপর তার কাজ।[৩]
অবসর গ্রহণের পর তিনি ঐতিহাসিক বইয়ের বাইরের লেখালেখিতেও আগ্রহী হয়ে ওঠেন।[৩] তিনি দুটি স্মৃতিকথা লিখেছেন, রেলওয়েম্যান'স সন (২০১০) এবং দে স্পোক, আই লিসেনড: আ লাইফ ইন কোটস (২০১৪), পাশাপাশি দ্য এস্কেপ অব দ্য ফ্যাকাল্টি ওয়াইফ অ্যান্ড আদার স্টোরিজ নামে একটি অর্ধ-আত্মজীবনীমূলক ছোটগল্প সংকলনও লিখেছেন।[২][৩]
হকিন্স সমকামী ছিলেন।[৩] তিনি ম্যাসাচুসেটসের প্লেইনফিল্ডে ওয়াল্টার রিচার্ডের সাথে বসবাস করতেন, যিনি ১৯৫০ সাল থেকে ২০১২ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হকিন্সের দীর্ঘমেয়াদী সঙ্গী ছিলেন।[২][৩] তিনি নাগরিক অধিকার আন্দোলনকেও সমর্থন করেন, সেলমা-মন্টগোমেরি মিছিলে ভ্রমণ করেন এবং আফ্রিকীয়-মার্কিন অধ্যয়নের অন্তর্ভুক্তি ও বৃহত্তর বৈচিত্র্যের পক্ষে ছিলেন।[৩]
হকিন্স ২০১৬ সালের ৬ মে ৮৬ বছর বয়সে নিউমোনিয়াজনিত জটিলতায় মারা যান।[৩] আমহার্স্ট কলেজের হিউ হকিন্স বক্তৃতাটি তার নামে নামকরণ করা হয়।[৫]
গ্রন্থপঞ্জি
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 8 Reports of the President and the Treasurer। John Simon Guggenheim Memorial Foundation। ১৯৬১। পৃ. ২৬–২৭।
- 1 2 3 4 5 6 7 "Hugh Hawkins" (পিডিএফ)। Amherst College।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 Marquard, Bryan (২৬ মে ২০১৬)। "Hugh Hawkins, 86, author, longtime Amherst professor"। The Boston Globe। পৃ. B৭ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "Moses Coit Tyler Prize (1957–61)"। American Historical Association। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২৫।
- ↑ "Hugh Hawkins Lecture"। Amherst College। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২৫।
- ↑ Braeman, John (১৯৬১)। "Review of Pioneer: A History of the Johns Hopkins University, 1874-1889": ৩৫৩–৩৫৪। ডিওআই:10.2307/1978068। আইএসএসএন 0022-1546। জেস্টোর 1978068।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Chessman, G. Wallace (১৯৬১)। "Review of Pioneer: A History of the Johns Hopkins University, 1874-1889": ১৭১–১৭১। ডিওআই:10.2307/40222655। আইএসএসএন 0001-026X। জেস্টোর 40222655।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Holmes, Brian (১৯৬১)। "Review of Pioneer; A History of the Johns Hopkins University 1874-1889": ১১১–১১২। ডিওআই:10.2307/3118733। আইএসএসএন 0007-1005। জেস্টোর 3118733।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Nichols, Roy F. (১৯৬১)। "Review of Pioneer: A History of the Johns Hopkins University, 1874-1889": ১৩৪–১৩৫। ডিওআই:10.2307/1902436। আইএসএসএন 0161-391X। জেস্টোর 1902436।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Smith, Wilson (১৯৬১)। "Review of Recording America's Past: An Interpretation of the Development of Historical Studies in America, 1607-1884; Pioneer: A History of the Johns Hopkins University, 1874-1889": ৫২১–৫২৩। ডিওআই:10.2307/2204313। আইএসএসএন 0022-4642। জেস্টোর 2204313।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Storr, Richard J. (১৯৬১)। "Review of Pioneer: A History of the Johns Hopkins University, 1874-1889": ১০৭০–১০৭২। ডিওআই:10.2307/1845926। আইএসএসএন 0002-8762। জেস্টোর 1845926।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Allmendinger, David F. (১৯৭৩)। "Strong Men of the Academic Revolution": ৪১৫–৪২৫। ডিওআই:10.2307/367386। আইএসএসএন 0018-2680। জেস্টোর 367386।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Beach, Mark (১৯৭৩)। "Review of Between Harvard and America: The Educational Leadership of Charles W. Eliot": ৭৩৪–৭৩৬। ডিওআই:10.2307/1980606। আইএসএসএন 0022-1546। জেস্টোর 1980606।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Borden, Philip (১৯৭৪)। "Review of Between Harvard and America: The Educational Leadership of Charles W. Eliot": ৩১৫–৩১৬। ডিওআই:10.2307/491837। আইএসএসএন 0018-2745। জেস্টোর 491837।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Johnston, D. J. (১৯৭৩)। "Review of Between Harvard and America: The Educational Leadership of Charles W. Eliot": ৩৪৬–৩৪৭। ডিওআই:10.2307/3120343। আইএসএসএন 0007-1005। জেস্টোর 3120343।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Leab, Daniel (১৯৭৩)। "Review of Between Harvard and America: The Educational Leadership of Charles W. Eliot": ৩২৩–৩২৫। ডিওআই:10.2307/364136। আইএসএসএন 0028-4866। জেস্টোর 364136।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Pullias, Earl V. (১৯৭৩)। "Biography Fails to Capture Eliot's 'Genuine Greatness'": ৮০–৮১। আইএসএসএন 0031-7217। জেস্টোর 20297440।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Rulon, Philip Reed (১৯৭৪)। "Review of Between Harvard and America: The Educational Leadership of Charles W. Eliot": ৫৬১–৫৬২। আইএসএসএন 0018-2370। জেস্টোর 24443780।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Sloan, Douglas (১৯৭৪)। "Review of Between Harvard and America: The Educational Leadership of Charles W. Eliot; Congress and Higher Education in the Nineteenth Century": ৯২–৯৬। ডিওআই:10.2307/40224711। আইএসএসএন 0001-026X। জেস্টোর 40224711।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Veysey, Laurence (১৯৭৩)। "Review of Between Harvard and America: The Educational Leadership of Charles W. Eliot": ৪৭৮–৪৮০। ডিওআই:10.2307/2936835। আইএসএসএন 0021-8723। জেস্টোর 2936835।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Bloland, Harland G. (১৯৯৪)। "Review of Banding Together: The Rise of National Associations in American Higher Education, 1887-1950": ২২৮–২৩০। ডিওআই:10.2307/2943927। আইএসএসএন 0022-1546। জেস্টোর 2943927।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Diner, Steven J. (১৯৯৩)। "Review of Banding Together: The Rise of National Associations in American Higher Education, 1887-1950": ৫২১–৫২২। ডিওআই:10.2307/2074388। আইএসএসএন 0094-3061। জেস্টোর 2074388।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Hearn, James C. (১৯৯৩)। "Review of Banding Together: The Rise of National Associations in American Higher Education, 1887-1950.": ৫০৫–৫০৬। আইএসএসএন 0002-9602। জেস্টোর 2781702।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Mattingly, Paul H. (১৯৯৩)। "Review of Banding Together: The Rise of National Associations in American Higher Education, 1887-1950": ১১১২–১১১৩। ডিওআই:10.2307/2080503। আইএসএসএন 0021-8723। জেস্টোর 2080503।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Schwantes, Carlos A. (২০০৭)। "Review of Railwayman's Son: A Plains Family Memoir": ২১৩–২১৩। আইএসএসএন 0275-7664। জেস্টোর 23533867।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য)