হাউ আই কিলড্‌ প্লুটো অ্যান্ড হোয়াই ইট হ্যাড ইট কামিং

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হাউ আই কিলড প্লুটো অ্যান্ড হোয়াই ইট হ্যাড ইট কামিং
হাউ আই কিলড্‌ প্লুটো অ্যান্ড হোয়াই ইট হ্যাড ইট কামিং.jpg
লেখকমাইকেল ই. ব্রাউন
দেশযুক্তরাষ্ট্র
ভাষাইংরেজি
প্রকাশনার তারিখ
২০১০
আইএসবিএন০-৩৮৫-৫৩১০৮-৭

হাউ আই কিলড্ প্লুটো অ্যান্ড হোয়াই ইট হ্যাড ইট কামিং হল মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী মাইক ব্রাউন রচিত স্মৃতিগ্রন্থ যেখানে প্রাক্তন গ্রহ পলুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং বামন গ্রহ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ব্রাউনই এ জন্য সবচেয়ে বড় অবদান রেখে ছিলেন।[১][২]

সারসংক্ষেপ[সম্পাদনা]

গ্রহ-এর নতুন সংজ্ঞাদান বিষয়ক ঘটনাবলীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা স্মৃতি নিয়ে রচিত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্লুটো তার গ্রহের মর্যাদা হারায়। নেপচুনের কক্ষপথের বিক্ষিপ্ত চাকতির মধ্যে অবস্থিত এরিস নামক বামন গ্রহের আবিষ্কার এবং একে প্লুটোর থেকে বড় ভাবা — ইত্যাদি নিয়ে সংঘটিত ঘটনাবলী এখানে বিবৃত হয়েছে। বিশ্বের খ্যাতনামা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মাঝে চলে আসা দীর্ঘদিনের বৈজ্ঞানিক বিশ্বাস এবং এসম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ নিয়ে এর কাহিনি এগিয়ে চলে। ২০০৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নের ভোটে প্লুটোকে সৌরজগতের গ্রহের তালিকা হতে বাদ দেওয়া হয়।[১]

পর্যালোচনা[সম্পাদনা]

বইয়ের পর্যালোচনা সাধারণভাবে ইতিবাচক ছিল। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল থেকে জেমস কেনেডি এই বইকে নতুন গ্রহের সন্ধান এবং ধাপক্রমে গ্রহের সম্মান থেকে প্লুটোকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে "প্রাণবন্ত" এবং "আনন্দদায়ক...ক্রোনিকেল" হিসেবে আখ্যায়িত করেন।[৩] নিউ ইয়র্ক টাইমস থেকে নেট মসলিন এই বইকে "গবেষণার সংক্ষিপ্ত, আনন্দপ্রদায়ক স্মৃতিচিহ্ন" হিসেবে আখ্যায়িত করেন।[৪]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Lengel, Kerry (জানুয়ারি ২, ২০১১)। "'Republic' book pick for Jan.: 'How I Killed Pluto'"The Arizona Republic। পৃষ্ঠা AE4। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১১ 
  2. Brown, Michael E. (২০১০)। How I Killed Pluto and Why It Had It Comingআইএসবিএন 0-385-53108-7 
  3. Kennedy, James (নভেম্বর ২৬, ২০১০)। "The Man Who Made a Planet Vanish"Books and IdeasThe Wall Street Journal। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১১ 
  4. Maslin, Janet (ডিসেম্বর ৫, ২০১০)। "Downsizing: When a Heavenly Body Got the Boot"Artsদ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১১ 

গ্রন্থাবলী[সম্পাদনা]