স্ল্যাম ডাঙ্ক (মাঙ্গা)
| স্ল্যাম ডাঙ্ক | |
প্রথম তাঙ্কোবন খণ্ডের প্রচ্ছদ, যেখানে হানামিচি সাকুরাগিকে দেখা যাচ্ছে | |
| ধরন | |
|---|---|
| মাঙ্গা | |
| লেখক | তাকেহিকো ইনোউয়ে |
| প্রকাশক | শুয়েশা |
| ইংরেজি প্রকাশক | |
| মুদ্রণ | জাম্প কমিকস |
| সাময়িকী | সাপ্তাহিক শৌনেন জাম্প |
| ইংরেজি সাময়িকী | |
| মূল প্রকাশ | ১ অক্টোবর, ১৯৯০ – ১৭ জুন, ১৯৯৬ |
| খণ্ড | ৩১ |
| অ্যানিমে টেলিভিশন ধারাবাহিক | |
| পরিচালক | নোবুতাকা নিশিযাওয়া |
| লেখক |
|
| সুরকার |
|
| স্টুডিও | তোয়েই অ্যানিমেশন |
| লাইসেন্সকারী | |
| মূল নেটওয়ার্ক | এএনএন (টিভি আসাহি) |
| ইংরেজি নেটওয়ার্ক | |
| মূল প্রকাশ | ১৬ অক্টোবর, ১৯৯৩ – ২৩ মার্চ, ১৯৯৬ |
| পর্ব | ১০১ |
| অ্যানিমে চলচ্চিত্র | |
| পরিচালক | নোবুতাকা নিশিযাওয়া |
| স্টুডিও | তোয়েই অ্যানিমেশন |
| মুক্তি | ১২ মার্চ ১৯৯৪ |
| ব্যাপ্তিকাল | ৩০ মিনিট |
| অ্যানিমে চলচ্চিত্র | |
| কংকার দ্য নেশন, হানামিচি সাকুরাগি! | |
| পরিচালক | তোশিহিকো আরিসাকো |
| স্টুডিও | তোয়েই অ্যানিমেশন |
| মুক্তি | ৯ জুলাই ১৯৯৪ |
| ব্যাপ্তিকাল | ৪৫ মিনিট |
| অ্যানিমে চলচ্চিত্র | |
| শৌহোকু'স গ্রেটেস্ট চ্যালেঞ্জ! | |
| পরিচালক | হিরোয়ুকি কাকুদো |
| স্টুডিও | তোয়েই অ্যানিমেশন |
| মুক্তি | ১২ মার্চ ১৯৯৫ |
| ব্যাপ্তিকাল | ৪০ মিনিট |
| অ্যানিমে চলচ্চিত্র | |
| হাউলিং বাস্কেটম্যান স্পিরিট!! | |
| পরিচালক | মাসায়ুকি আকিহি |
| স্টুডিও | তোয়েই অ্যানিমেশন |
| মুক্তি | ১৫ জুলাই ১৯৯৫ |
| ব্যাপ্তিকাল | ৪০ মিনিট |
| অ্যানিমে চলচ্চিত্র | |
| |
স্ল্যাম ডাঙ্ক (জাপানি: SLAM DUNK) একটি জাপানি ক্রীড়া-বিষয়ক মাঙ্গা সিরিজ, যা রচনা ও অলঙ্করণ তাকেহিকো ইনোউয়ে করেছেন। এটি শুয়েইশার শৌনেন মাঙ্গা ম্যাগাজিন সাপ্তাহিক শৌনেন জাম্প-এ ১৯৯০ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৯৬ সালের জুন পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে অধ্যায়গুলো একত্র করে ৩১টি তাঙ্কোবন খণ্ডে প্রকাশ করা হয়। এর কাহিনী হানামিচি সাকুরাগি নামের এক উদ্ধত ও আবেগপ্রবণ হাই স্কুল ছাত্রকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে, যে জাপানের শৌনান অঞ্চলের শৌহোকু হাই স্কুলে বাস্কেটবল দলে যোগ দেয়।
মাঙ্গাটির জনপ্রিয়তার উপর ভিত্তি করে তোয়েই অ্যানিমেশন একটি আনিমে টেলিভিশন সিরিজ নির্মাণ করে, যা ১৯৯৩ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৯৬ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রচারিত হয়। সিরিজটি বিশ্বব্যাপী সম্প্রচারিত হয় এবং জাপান, ইউরোপসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে দ্য ফার্স্ট স্ল্যাম ডাঙ্ক নামে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য আনিমে চলচ্চিত্র জাপানে মুক্তি পায়।
স্ল্যাম ডাঙ্ক ইতিহাসের অন্যতম সর্বাধিক বিক্রিত মাঙ্গা সিরিজ, যার ১৮৫ মিলিয়নেরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। ১৯৯৪ সালে এটি শৌনেন বিভাগে ৪০তম শোগাকুকান মাঙ্গা পুরস্কার লাভ করে। জাপানে স্ল্যাম ডাঙ্ক-কে সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রীড়া মাঙ্গা হিসেবে গণ্য করা হয় এবং ১৯৯০-এর দশকে জাপানি তরুণদের মধ্যে বাস্কেটবলকে জনপ্রিয় করে তোলার অন্যতম কারিগর হিসেবে এর কৃতিত্ব দেওয়া হয়। জাপানে বাস্কেটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য তাকেহিকো ইনোউয়ে ২০১০ সালে জাপান বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশন থেকে বিশেষ সম্মাননা লাভ করেন।
কাহিনীসংক্ষেপ
[সম্পাদনা]
কাহিনীটি হানামিচি সাকুরাগি নামের এক হাই স্কুল ছাত্রকে কেন্দ্র করে, যে তার বদমেজাজ এবং মারামারির জন্য পরিচিত। মেয়েদের কাছে সে একেবারেই জনপ্রিয় নয় এবং এ পর্যন্ত পঞ্চাশবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। শৌহোকু হাই স্কুলে প্রথম বর্ষে তার সাথে হারুকো আকাগির দেখা হয়। হারুকো অন্য মেয়েদের মতো তাকে দেখে ভয় না পাওয়ায় সাকুরাগি তার প্রেমে পড়ে যায়। হারুকো সাকুরাগির শারীরিক গঠন ও ক্রীড়ানৈপুণ্য দেখে তাকে শৌহোকু বাস্কেটবল দলে যোগ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করে। বাস্কেটবলকে 'পরাজিতদের খেলা' মনে করায় এবং এ বিষয়ে কোনো অভিজ্ঞতা না থাকায় সাকুরাগি প্রথমে দলে যোগ দিতে চায় না (কারণ তার শেষ প্রত্যাখানের কারণ ছিল একজন বাস্কেটবল খেলোয়াড়)। তবে, হারুকোকে মুগ্ধ করার জন্য সে তার সব দ্বিধা ও বদমেজাজ সত্ত্বেও দলে যোগ দেয় এবং কিছুদিনের মধ্যেই একজন সহজাত ক্রীড়াবিদ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করে।
প্রথমদিকে কেবল হারুকোর জন্য খেললেও, ধীরে ধীরে সাকুরাগি বাস্কেটবলের প্রতি সত্যিকার অর্থে ভালোবাসা অনুভব করতে শুরু করে। একই সময়ে, দলের তারকা খেলোয়াড় এবং মেয়েদের মধ্যে জনপ্রিয় কায়েদে রুকাওয়া দলে যোগ দেয়। হারুকোর রুকাওয়ার প্রতি দুর্বলতা থাকায় সাকুরাগি তাকে বাস্কেটবল এবং প্রেম—উভয় ক্ষেত্রেই তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখতে শুরু করে। কিছুদিন পর, আরও দুজন পুরনো সদস্য দলে ফিরে আসে: প্রাক্তন এমভিপি এবং দক্ষ থ্রি-পয়েন্ট শুটার হিসাশি মিৎসুই এবং খাটো কিন্তু দ্রুতগতির পয়েন্ট গার্ড রিয়োতা মিয়াগি। এরপর তারা চারজন মিলে দলের অধিনায়ক তাকেনোরি আকাগির জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার স্বপ্ন পূরণের জন্য একসাথে কাজ শুরু করে। জাতীয় প্রতিযোগিতায় অন্যতম শক্তিশালী একটি দলকে হারানোর পর, একসময়ের দুর্বল হিসেবে পরিচিত শৌহোকু বাস্কেটবল দল জাপানের অন্যতম সেরা প্রতিযোগী হিসেবে খ্যাতি লাভ করে।
প্রধান চরিত্রসমূহ
[সম্পাদনা]- হানামিচি সাকুরাগি (桜木 花道) – এই ধারাবাহিকের প্রধান চরিত্র এবং শোহোকু হাই স্কুলের প্রথম বর্ষের ছাত্র। পূর্বে সে একজন বখাটে ছিল এবং মেয়েদের কাছে প্রেম নিবেদন করে টানা ৫০ বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। হারুকোর প্রেমে পড়ার পর সে বাস্কেটবল খেলা শুরু করে এবং তার সহজাত শারীরিক দক্ষতা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন প্রতিভাবান খেলোয়াড় হিসেবে বিকশিত হয়।
- হারুকো আকাগি (赤木 晴子) – সিরিজের নায়িকা এবং প্রথম বর্ষের ছাত্রী। হানামিচি তার প্রতি অনুরক্ত এবং হারুকোই তাকে বাস্কেটবলের জগতে নিয়ে আসে। হানামিচি তাকে ভালোবাসলেও, হারুকো রুকাওয়ার প্রতি আগ্রহী।
- তাকেনোরি আকাগি (赤木 剛憲) – শোহোকু বাস্কেটবল দলের অধিনায়ক, তৃতীয় বর্ষের ছাত্র এবং হারুকোর বড় ভাই। তাকে "বাস্কেটের কিং কং" নামেও ডাকা হয়।
- কায়েদে রুকাওয়া (流川 楓) – প্রথম বর্ষের ছাত্র এবং মিডল স্কুল থেকেই একজন তারকা খেলোয়াড়। হানামিচি তাকে তার "চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী" হিসেবে গণ্য করে।
- হিসাশি মিৎসুই (三井 寿) – তৃতীয় বর্ষের ছাত্র এবং একজন অসাধারণ শুটার। জুনিয়র হাই স্কুলে থাকাকালীন সেরা খেলোয়াড় (MVP) নির্বাচিত হয়েছিল। আঘাতের কারণে খেলা ছেড়ে দিলেও, বাস্কেটবলের প্রতি ভালোবাসার টানে সে আবার দলে ফিরে আসে।
- রিয়োতা মিয়াগি (宮城 リョータ) – দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। খাটো হওয়া সত্ত্বেও সে একজন অত্যন্ত দক্ষ পয়েন্ট গার্ড এবং তাকে দলের পরবর্তী অধিনায়ক হিসেবে গণ্য করা হয়। সে দলের ম্যানেজার আয়াকো (彩子)-কে পছন্দ করে।
- কিমিনোবু কোগুরে (木暮 公延) – দলের সহ-অধিনায়ক এবং তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। সে মিডল স্কুল থেকেই আকাগির (赤木 剛憲) সেরা বন্ধু ও সতীর্থ।
- মিৎসুয়োশি আনযাই (安西 光義) – শোহোকু বাস্কেটবল দলের কোচ। পূর্বে তিনি "দানব কোচ" হিসেবে পরিচিত থাকলেও, এখন তিনি "শ্বেতকেশী বুদ্ধ" নামে পরিচিত এবং দলের সদস্যদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
নির্মাণ নেপথ্য
[সম্পাদনা]
স্ল্যাম ডাঙ্ক-এর স্রষ্টা তাকেহিকো ইনোউয়ে হাই স্কুল জীবন থেকেই বাস্কেটবলের প্রতি অনুরাগী ছিলেন এবং এই ভালোবাসা থেকেই তিনি সিরিজটি তৈরি করার অনুপ্রেরণা পান।[২] স্ল্যাম ডাঙ্ক শুরু করার আগে, তিনি আকা গা সুকি (赤が好き) নামে একটি ওয়ান-শট মাঙ্গা তৈরি করেন, যা ১৯৯০ সালে সাপ্তাহিক শৌনেন জাম্প সামার স্পেশাল-এ প্রকাশিত হয়েছিল। এই ওয়ান-শটটিতে হানামিচি সাকুরাগি এবং হারুকো আকাগির প্রাথমিক একটি সংস্করণ তুলে ধরা হয়েছিল, যার গল্প এবং চরিত্রগুলোর রসায়ন স্ল্যাম ডাঙ্ক-এর ভিত্তি স্থাপন করে।[৩]
সিরিজটি শুরুর পর ইনোউয়ে পাঠকদের কাছ থেকে চিঠি পেয়ে অবাক হয়েছিলেন, কারণ অনেকেই তার মাঙ্গা পড়ে বাস্কেটবল খেলা শুরু করেছিল। তার সম্পাদক তাকে বলেছিলেন যে "এই জগতে (মাঙ্গার) বাস্কেটবল একটি নিষিদ্ধ বিষয় ছিল।" পাঠকদের এই প্রতিক্রিয়ার কারণে ইনোউয়ে সিরিজটিতে আরও ভালোভাবে বাস্কেটবল খেলা ফুটিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।[২] এই সিরিজের মাধ্যমে লেখক ক্রীড়াবিদদের জয়-পরাজয় বা খেলার উন্নতির সময়কার অনুভূতি ও চিন্তাভাবনাগুলো তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। পরবর্তীতে তার ভাগাবন্ড নিয়ে কাজ করার সময় ইনোউয়ে উল্লেখ করেন যে, স্ল্যাম ডাঙ্ক-এ জীবনের প্রতি একটি সরল দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, কারণ সেখানে তিনি বিজয় এবং সাফল্যের ওপর বেশি মনোযোগ দিয়েছিলেন।
ইনোউয়ে চেয়েছিলেন পাঠকরা যেন এই সিরিজের মাধ্যমে খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা এবং সাফল্য অর্জনের অনুভূতি লাভ করতে পারে।[৪] তিনি মনে করতেন যে, একজন মাঙ্গা শিল্পী হিসেবে তার সাফল্যের পেছনে বাস্কেটবলের বড় অবদান রয়েছে। তাই এই খেলাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা হিসেবে এবং জাপানে এর জনপ্রিয়তা আরও বাড়াতে তিনি একটি 'স্ল্যাম ডাঙ্ক' শিক্ষাবৃত্তি চালু করেন। তবে, বাস্কেটবলের প্রতি পাঠকদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে ইনোউয়ে মন্তব্য করেন যে, স্ল্যাম ডাঙ্ক প্রযুক্তিগতভাবে একটি বাস্কেটবল মাঙ্গা হলেও, এর গল্পটি ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলা দিয়েও বলা যেত।[৫] তিনি আরও যোগ করেন যে, তার নতুন কাজ যেমন রিয়েল-এর তুলনায় এই মাঙ্গার অঙ্কনশৈলী অনেক বেশি "মাঙ্গাসুলভ" ছিল।
স্ল্যাম ডাঙ্ক-এর কাহিনীর ওপর ইনোউয়ের ব্যক্তিগত জীবনেরও গভীর প্রভাব রয়েছে। কৈশোরে ইনোউয়ে মেয়েদের কাছে জনপ্রিয় হওয়ার জন্য বাস্কেটবল খেলা শুরু করেছিলেন, কিন্তু পরে তিনি খেলাটির প্রতিই আগ্রহী হয়ে ওঠেন। এই অভিজ্ঞতার প্রতিচ্ছবি প্রধান চরিত্র হানামিচি সাকুরাগির মধ্যে দেখা যায়, যে একটি মেয়েকে মুগ্ধ করতে বাস্কেটবল খেলা শুরু করলেও পরে খেলাটির প্রকৃত অনুরাগী হয়ে ওঠে।[৬] মাঙ্গাটির জন্য "গবেষণা" হিসেবে ইনোউয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এনবিএ ফাইনালস এবং বার্সেলোনায় ১৯৯২ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক দেখতে গিয়েছিলেন।[৭] উত্তর আমেরিকায়, স্ল্যাম ডাঙ্কের ইংরেজি সংস্করণটি প্রথমে অধুনা-লুপ্ত গুটসুন! এন্টারটেইনমেন্ট দ্বারা প্রকাশিত হয়। ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তাদের মাঙ্গা সংকলন রাইজিন কমিকসে এটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং মোট পাঁচটি খণ্ড বাজারে আসে।[৮][৯][১০] গুটসুন! বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর, ভিজ মিডিয়া স্ল্যাম ডাঙ্কের লাইসেন্স কিনে নেয় এবং ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে শৌনেন জাম্পের উত্তর আমেরিকান সংস্করণে এর একটি প্রিভিউ প্রকাশ করে।[১১][১২][১৩] পরবর্তীতে ২০০৮ সালের মে মাস থেকে ম্যাগাজিনটিতে এর ধারাবাহিক প্রকাশ শুরু হয় এবং একই বছরের ২রা সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ খণ্ডের তাঙ্কোবন সংস্করণও প্রকাশ করা শুরু হয়, যা ২০১৩ সালের ৩রা ডিসেম্বর শেষ হয়।[১৪][১৫][১৬][১৭]
অ্যাফটার টেন ডেইজ
[সম্পাদনা]২০০৪ সালে, ইনোউয়ে স্ল্যাম ডাঙ্ক: অ্যাফটার টেন ডেইজ (Slam Dunk: 10 Days After) নামে একটি উপসংহার বা এপি লগ তৈরি করেন। এটি কানাগাওয়া অঞ্চলের একটি প্রাক্তন হাই স্কুলের ২৩টি চকবোর্ডে আঁকা হয়েছিল এবং ৩ থেকে ৫ই ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন দিনের জন্য একটি পাবলিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই এপি লগ এবং প্রদর্শনীর বিস্তারিত বিবরণ ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের সুইচ ম্যাগাজিনে ছাপা হয়েছিল।[১৮] এই ইভেন্টের উপর ভিত্তি করে একটি ডিভিডি ডকুমেন্টারিও প্রকাশিত হয়।[১৯] ২০০৯ সালের ১০ই এপ্রিল, এই এপি লগটি স্ল্যাম ডাঙ্ক অ্যাফটার টেন ডেইজ কমপ্লিট নামে বই আকারে প্রকাশিত হয়।[২০]
আনিমে সিরিজ
[সম্পাদনা]
তোয়েই অ্যানিমেশন কর্তৃক নির্মিত এবং নোবুতাকা নিশিযাওয়া পরিচালিত ১০১ পর্বের একটি আনিমে টেলিভিশন সিরিজ টিভি আসাহিতে ১৯৯৩ সালের ১৬ই অক্টোবর থেকে ১৯৯৬ সালের ২৩শে মার্চ পর্যন্ত সম্প্রচারিত হয়।[২১] এটি পরবর্তীতে স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক অ্যানিম্যাক্স-এও দেখানো হয়। আনিমেটি মূলত মাঙ্গার কাহিনী অনুসরণ করলেও, এতে ন্যাশনাল টুর্নামেন্টের খেলাগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। তোয়েই বিভিন্ন সময়ে এই সিরিজটি ডিভিডি এবং ব্লু-রে সংস্করণে প্রকাশ করেছে।[২২][২৩][২৪][২৫][২৬][২৭]
উত্তর আমেরিকায় তোয়েই এবং জেনিওন যৌথভাবে ডিভিডি প্রকাশের উদ্যোগ নিলেও, মাত্র কয়েকটি খণ্ড প্রকাশের পর তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।[২৮][২৯]
তবে, পরবর্তীতে ক্রাঞ্চিরোল এবং জুস্ট-এর মতো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে সিরিজটি উপলব্ধ করা হয়।[৩০][৩১][৩২]
আনিমেটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন তাকানোবু মাসুদা (পর্ব ১-৬১) এবং বিএমএফ (পর্ব ৬২-১০১)। জাপানে সিরিজটি চলার সময় তিনটি সিডি সাউন্ডট্র্যাক প্রকাশিত হয়।[৩৩][৩৪] ওপেনিং, এন্ডিং এবং অন্যান্য থিম গানগুলো নিয়ে দ্য বেস্ট অব টিভি অ্যানিমেশন স্ল্যাম ডাঙ্ক নামে একটি সংকলন অ্যালবাম ২০০৩ সালের ২১শে জুলাই প্রকাশিত হয়।[৩৫]
আনিমে চলচ্চিত্র
[সম্পাদনা]মাঙ্গা এবং টিভি ধারাবাহিক চলার সময়, ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে তোয়েই অ্যানিমেশন চারটি আনিমে চলচ্চিত্র নির্মাণ করে। এগুলোতে মূলত নতুন কাহিনী তুলে ধরা হয়, যা মাঙ্গায় বিস্তারিতভাবে ছিল না।[৩৬] এই চারটি চলচ্চিত্র বিভিন্ন সময়ে টিভিতে সম্প্রচারিত হয় এবং ২০০৪ সালে স্ল্যাম ডাঙ্ক দ্য মুভি নামে একটি ডিভিডি বক্সে প্রকাশ করা হয়।[৩৭]
প্রথম চারটি চলচ্চিত্র হলো:
- স্ল্যাম ডাঙ্ক (১২ই মার্চ, ১৯৯৪): শৌহোকু এবং তাকেজোনো হাই স্কুলের মধ্যে একটি অনুশীলন ম্যাচকে কেন্দ্র করে নির্মিত।[৩৮]
- জেনকোকু সিহা দা! সাকুরাগি হানামিচি[ক] (৯ই জুলাই, ১৯৯৪): শৌহোকুর বাছাইপর্বের চতুর্থ রাউন্ডে সুকুবু হাই স্কুলের বিরুদ্ধে খেলা নিয়ে নির্মিত।[৩৯]
- শৌহোকু সাইদাই নো কিকি! মোয়েরো সাকুরাগি হানামিচি[খ] (৪ঠা মার্চ, ১৯৯৫): কাইনান হাই স্কুলের কাছে হারের পর রিওকুফু হাই স্কুলের সাথে একটি অনুশীলন ম্যাচ নিয়ে তৈরি।[৪০]
- হোয়েরো বাসুকেটোমান তামাশাই!! হানামিচি তো রুকাওয়া নো আৎসুই নাৎসু[গ] (১৫ই জুন, ১৯৯৫): রুকাওয়ার মিডল স্কুলের জুনিয়র ইচিরো মিজুসাওয়ার শেষ ইচ্ছাপূরণের জন্য একটি ম্যাচ নিয়ে তৈরি।[৩৬][৪১]
২০২১ সালের ৭ই জানুয়ারি, তাকেহিকো ইনোউয়ে ঘোষণা করেন যে সিরিজটির একটি নতুন আনিমে চলচ্চিত্র নির্মিত হবে। দ্য ফার্স্ট স্ল্যাম ডাঙ্ক শিরোনামের এই চলচ্চিত্রটির লেখক ও পরিচালক ছিলেন ইনোউয়ে নিজেই। এটি ২০২২ সালের ৩রা ডিসেম্বর জাপানে মুক্তি পায়।[৪২][৪৩][৪৪]
ভিডিও গেম
[সম্পাদনা]স্ল্যাম ডাঙ্ক-এর উপর ভিত্তি করে অসংখ্য ভিডিও গেম জাপানের বাজারে প্রকাশিত হয়েছে, যার বেশিরভাগই ব্যানপ্রেস্টো দ্বারা তৈরি এবং বান্দাই দ্বারা প্রযোজিত। গেম বয়, সুপার ফ্যামিকম, গেম গিয়ার, মেগা ড্রাইভ এবং সেগা স্যাটার্ন-এর মতো বিভিন্ন কনসোলের জন্য গেম প্রকাশিত হয়েছে।[৪৫][৪৬][৪৭][৪৮][৪৯][৫০][৫১][৫২] এই সিরিজের চরিত্রগুলো নিন্টেন্ডো ডিএস-এর জনপ্রিয় গেম জাম্প সুপার স্টারস এবং জাম্প আলটিমেট স্টারস-এও উপস্থিত হয়েছে।[৫৩][৫৪]
অন্যান্য মাধ্যম
[সম্পাদনা]এই সিরিজের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে আর্টবুক, উপন্যাস এবং অন্যান্য বই প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৯৪ সালে ইয়োশিয়ুকি সুগা একটি মৌলিক কাহিনী নিয়ে একটি উপন্যাস প্রকাশ করেন।[৫৫] স্ল্যাম ডাঙ্ক-এর অলঙ্করণ নিয়ে Inoue Takehiko Illustrations (১৯৯৭) এবং Plus/Slam Dunk Illustrations 2 (২০২০) নামে দুটি আর্টবুক প্রকাশিত হয়।[৫৬][৫৭]
অভ্যর্থনা
[সম্পাদনা]মাঙ্গা
[সম্পাদনা]স্ল্যাম ডাঙ্ক মাঙ্গাটি সমালোচক এবং পাঠক উভয়ের কাছ থেকেই ব্যাপক প্রশংসা লাভ করেছে। ১৯৯৪ সালে এটি শোনেন বিভাগে ৪০তম শোগাকুকান মাঙ্গা পুরস্কার অর্জন করে।[৫৮] এরপর বহু বছর ধরে বিভিন্ন জরিপে এটি ধারাবাহিকভাবে শীর্ষস্থান দখল করে আসছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০০৬ সালে ১০ম জাপান মিডিয়া আর্টস ফেস্টিভ্যাল-এ প্রায় ৭৯,০০০ জাপানি পাঠকের ভোটে এটি সর্বকালের সেরা মাঙ্গার স্বীকৃতি পায়।[৫৯] একইভাবে, ২০০৯ সালে জাপান সরকারের মিডিয়া আর্টস ১০০ জরিপেও এটি মাঙ্গা বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে।[৬০] ২০১৭ সালে সুথায়া কমিক অ্যাওয়ার্ড-এর সর্বকালের সেরা বিভাগে এটি কিংডম-এর পর দ্বিতীয় স্থানে ছিল।[৬১] ২০২১ সালে টিভি আসাহির "মাঙ্গা স্যোসেনকিয়ো" জরিপে দেড় লক্ষ ভোটের ভিত্তিতে এটি ওয়ান পিস এবং ডেমন স্লেয়ার: কিমেৎসু নো ইয়াইবা-এর পর তৃতীয় সেরা মাঙ্গা নির্বাচিত হয়।[৬২][৬৩]
এছাড়াও, বিভিন্ন সময়ে পাঠকদের পছন্দের তালিকায় এর নাম উঠে এসেছে। ২০০৯ সালের এক জরিপে ভক্তরা এটিকে লাইভ-অ্যাকশন চলচ্চিত্রে রূপান্তরের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মাঙ্গা হিসেবে ভোট দেয়।[৬৪] ফরাসি সংবাদপত্র ল্য ফিগারো ২০১৯ সালের প্যারিস বইমেলায় তাদের ছয়টি প্রস্তাবিত মাঙ্গার মধ্যে এই সিরিজটিকে নির্বাচন করে।[৬৫]
বিক্রয়
[সম্পাদনা]বিক্রির দিক থেকেও স্ল্যাম ডাঙ্ক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। ২০০৪ সালের মধ্যে শুধু জাপানেই এর ১০০ মিলিয়নের বেশি কপি বিক্রি হয়, যা ২০১৪ সাল নাগাদ ১২১ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়।[৬৬][৬৭][৬৮] ২০১৭ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী এর বিক্রি ১৭০ মিলিয়ন এবং ২০২৪ সাল নাগাদ ১৮৫ মিলিয়নে পৌঁছায়।[৬৯][৭০] এর ২১ থেকে ২৩তম খণ্ডগুলো প্রাথমিক মুদ্রণে ২.৫ মিলিয়ন কপির রেকর্ড গড়েছিল, যা ২০০২ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ ছিল।[৭১] মাঙ্গাটির ২০১৮ সালের শিনসোবান সংস্করণটিও ব্যাপক সাফল্য পায়, যার ফলে সে বছর এটি জাপানের চতুর্থ সর্বাধিক বিক্রিত মাঙ্গায় পরিণত হয়।[৭২][৭৩] এর ইংরেজি সংস্করণটিও প্রশংসিত হয় এবং পাবলিশার্স উইকলি কর্তৃক ২০০৮ সালের অন্যতম সেরা কমিক হিসেবে নির্বাচিত হয়।[৭৪]
২০২৩ সালের প্রথমার্ধে স্ল্যাম ডাঙ্ক ৪.২ মিলিয়ন কপি বিক্রি করে তৃতীয় সর্বাধিক বিক্রিত মাঙ্গা সিরিজে পরিণত হয়।[৭৫]
সমালোচকদের মন্তব্য
[সম্পাদনা]অ্যানিমে নিউজ নেটওয়ার্ক-এর কার্লো সান্তোস স্ল্যাম ডাঙ্ক-কে "একটি পরিপূর্ণ প্যাকেজ" হিসেবে প্রশংসা করে বলেন যে সমস্ত মাঙ্গা সিরিজেরই এর মতো হওয়ার হওয়া উচিত।[৭৬] দ্য জাপান টাইমস-এর ক্রিস কোসাকা লিখেছেন যে, এটি প্রচলিত ক্রীড়া-বিষয়ক গল্পের মতো নয়, বরং এর প্রতিটি পাতায় ইনোউয়ের বাস্কেটবলের প্রতি ভালোবাসা স্পষ্ট।[৭৭] পর্যালোচকরা প্রায়শই এর কোর্টের বাইরের চরিত্র-কেন্দ্রিক কাহিনীগুলোকে এর মূল শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।[৭৬]
প্রধান চরিত্র হানামিচি সাকুরাগিকে একজন "অনুপ্রেরণামূলক পছন্দ" হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তার বদমেজাজি এবং ভুল উদ্দেশ্য নিয়ে খেলা শুরু করা সত্ত্বেও, হাস্যরসাত্মক মুহূর্তগুলোর মাধ্যমে চরিত্রটি সহজেই পাঠকের ভালোবাসা অর্জন করে।[৭৮] স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড-এর বেন সিন প্রধান চরিত্র এবং তার সতীর্থের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে "মজাদার" বলে উল্লেখ করেছেন এবং ইনোউয়ের অঙ্কনশৈলীর প্রশংসা করে বলেছেন, "ইনোউয়ে এক প্যানেলে কোনো চরিত্রের আবেগঘন ও বিস্তারিত ছবি আঁকতে পারেন, আবার পরের প্যানেলেই তার মুখের ভঙ্গিমায় ১৮০-ডিগ্রি পরিবর্তন আনতে পারেন।"[৭৯]
আনিমে
[সম্পাদনা]আনিমে সংস্করণটিও জাপানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০০৫ সালে টিভি আসাহির একাধিক জরিপে এটি শীর্ষ ১০ জনপ্রিয় আনিমের তালিকায় স্থান পায়।[৮০][৮১] এর ডিভিডি ও ব্লু-রে সংস্করণগুলোও বিক্রির দিক থেকে সফল ছিল এবং প্রায়শই অরিকন-এর চার্টে স্থান পেত।[৮২][৮৩][৮৪]
চলচ্চিত্রগুলোও বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে। বিশেষ করে ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দ্য ফার্স্ট স্ল্যাম ডাঙ্ক বিশ্বব্যাপী ২৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি আয় করে এবং সর্বকালের অন্যতম সর্বাধিক আয়কারী আনিমে চলচ্চিত্রে পরিণত হয়।[৮৫][৮৬]
উত্তরাধিকার ও প্রভাব
[সম্পাদনা]
স্ল্যাম ডাঙ্ক-কে জাপানের অন্যতম প্রভাবশালী মাঙ্গা সিরিজ এবং সর্বকালের সেরা ক্রীড়া মাঙ্গাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৯০-এর দশকে জাপানি তরুণদের মধ্যে বাস্কেটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পেছনে এই সিরিজটির সাফল্যকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।[৮৭] ইয়াহু স্পোর্টস-এর অ্যালেক্স ওং লিখেছেন যে এই কাজটি "জাপানে বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের একটি পুরো প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছিল।"[৮৮] পেশাদার বাস্কেটবল খেলোয়াড় রুই হাচিমুরা এবং ইউতা ওয়াতানাবে উভয়েই স্ল্যাম ডাঙ্ক-কে তাদের অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।[৮৮] এমনকি খেলোয়াড় জে. আর. সাকুরাগি জাপানের নাগরিকত্ব নেওয়ার সময় সিরিজের প্রধান চরিত্র হানামিচি সাকুরাগির নামানুসারে আংশিকভাবে নিজের শেষ নাম গ্রহণ করেন।[৮৯]
জাপানি ওয়েবসাইট রিয়েল সাউন্ড-এর আযুসা তাকাহাশি-এর মতে, স্ল্যাম ডাঙ্ক-এর আবেদন এবং খেলাটির জনপ্রিয়তার ওপর এর প্রভাবের মূল কারণ হলো এর বাস্তবতা। এতে কেবল আকর্ষণীয় খেলার দৃশ্যই নয়, বরং নিয়মিত অনুশীলনের দৃশ্যও বিশদভাবে দেখানো হয়েছে।[৯০] এই খেলাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং এর জনপ্রিয়তা আরও বাড়াতে, ইনোউয়ে এবং শুয়েইশা ২০০৬ সালে 'স্ল্যাম ডাঙ্ক স্কলারশিপ' প্রোগ্রাম চালু করেন। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে জাপানের প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড়দের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হয়।[৯১] জাপানে বাস্কেটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য ইনোউয়ে ২০১০ সালে জাপান বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশন থেকে বিশেষ সম্মাননা লাভ করেন।[৯২]
বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পেলেও, স্ল্যাম ডাঙ্ক উত্তর আমেরিকায় ততটা মূলধারার সাফল্য পায়নি। ভিজ মিডিয়ার সম্পাদকের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত ক্রীড়া-বিষয়ক মাঙ্গাগুলোর বিক্রি তুলনামূলকভাবে কম।[৮৮] তবে, অ্যানিমের প্রভাব জাপানের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। আনিমে সিরিজের ওপেনিং-এ দেখানো এনোশিমা ইলেকট্রিক রেলওয়ের 'কামাকুরাকোকোমায়ে নং ১' রেলরোড ক্রসিংটি স্ল্যাম ডাঙ্ক-এর ভক্তদের জন্য একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র বা সেইচি জুনরেই (তীর্থস্থান)-এ পরিণত হয়েছে।[৯৩][৯৪] পর্যটকদের, বিশেষ করে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার ভক্তদের, অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে স্থানীয় সরকারকে সেখানে নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ করতে হয়েছে।[৯৩][৯৪] এমনকি তাইওয়ানের তাইমালি শহরে এই ক্রসিংটির একটি প্রতিরূপও তৈরি করা হয়েছে।[৯৫]
পদটীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "The Official Website for Slam Dunk"। Viz Media। ২৯ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০১৭।
- 1 2 Inoue, Takehiko (১৯৯৬)। "Afterword"। Slam Dunk, Volume 31। Shueisha। আইএসবিএন ৪-০৮-৮৭১৮৩৯-৯।
- ↑ Mukaihara, Kota (২৮ মার্চ ২০২৩)। 『SLAM DUNK』は不良漫画だった? 連載直前の読切作品『赤が好き』で描かれた“別の世界線の桜木花道। Real Sound (জাপানি ভাষায়)। Blueprint Co., Ltd.। ২৮ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "Takehiko Inoue Talks about Visit to Kinokuniya"। Comipress.com। ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। ৫ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০০৯।
- ↑ Sevakis, Justin (২১ নভেম্বর ২০০৭)। "Takehiko Inoue at Kinokuniya NYC"। Anime News Network। ২৯ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০০৯।
- ↑ Cha, Kai-Ming; MacDonald, Heidi (২৬ নভেম্বর ২০০৭)। "Takehiko Inoue Unveils Mural at New Kinokuniya"। Publishers Weekly। ২৬ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ নভেম্বর ২০০৯।
- ↑ Inoue, Takehiko (১৯৯২) [2010]। Slam Dunk, Volume 9। Viz Media। পৃ. ১। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪২১৫-২৮৬৪-৯।
- ↑ "Raijin Comics"। Gutsoon!। ১৯ মে ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০০৯।
- ↑ Inoue, Takehiko (২০০৩)। Slam Dunk Volume 1 (Paperback)। Gutsoon Entertainment। আইএসবিএন ০৯৭২৫০৩৭৯X।
- ↑ Inoue, Takehiko (এপ্রিল ২০০৪)। Slam Dunk Volume 5 (Slam Dunk (Gutsoon))। Gutsoon! Entertainment। আইএসবিএন ১৯৩২৪৫৪২৬৮।
- ↑ "Raijin on hiatus"। Gutsoon!। ৪ জুন ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০০৯।
- ↑ Loo, Egan (৫ নভেম্বর ২০০৭)। "SJ Runs Yu-Gi-Oh's End, Slam Dunk's Debut, Naruto's Origin"। Anime News Network। ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০০৯।
- ↑ "Viz Media Announces Biggest Issue Ever Of Shonen Jump"। Comipress.com। ২ নভেম্বর ২০০৭। ৮ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০০৯।
- ↑ "Slam Dunk, Vol. 1"। Viz Media। ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০০৮।
- ↑ Loo, Egan (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। "USA's Shonen Jump Replaces Hikaru no Go with Slam Dunk"। Anime News Network। ২৪ জুলাই ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০০৯।
- ↑ "Shonen Jump USA Drops Hikaru no Go for Slam Dunk"। Comipress.com। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। ২৫ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০০৯।
- ↑ "Slam Dunk, Vol. 31"। Viz Media। ২৭ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ Loo, Egan (২৪ জানুয়ারি ২০০৯)। "Slam Dunk 10 Days After Epilogue's Reprint Confirmed"। Anime News Network। ২৭ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০০৯।
- ↑ "SLAM DUNK 10 DAYS AFTER"। Takehiko Inoue official website (জাপানি ভাষায়)। ৭ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২৪।
- ↑ "SLAM DUNK 10 DAYS AFTER complete"। Takehiko Inoue official website (জাপানি ভাষায়)। ১৬ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২৪।
- ↑ "Slam Dunk - Property info"। Toei Animation। ১২ মে ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০০৯।
- ↑ "SLAM DUNK VOL.1 DVD" (জাপানি ভাষায়)। ১০ ডিসেম্বর ২০০৪। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ "SLAM DUNK VOL.17 DVD" (জাপানি ভাষায়)। ২১ মে ২০০৫। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ "SLAM DUNK DVDコレクション VOL.1" (জাপানি ভাষায়)। ৮ আগস্ট ২০০৮। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ "SLAM DUNK DVD-Collection Vol.3" (জাপানি ভাষায়)। ২১ অক্টোবর ২০০৮। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ "SLAM DUNK DVD-Collection Vol.2" (জাপানি ভাষায়)। ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৮। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০০৯।
- ↑ アニメ「SLAM DUNK」がBlu-rayに!スペシャル版も収録। কমিক ন্যাটালি (জাপানি ভাষায়)। Natasha, Inc.। ২০ মার্চ ২০১৪। ১৭ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০২০।
- ↑ Macdonald, Christopher (২৩ নভেম্বর ২০০৪)। "Toei Announces First Releases"। Anime News Network। ৭ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ Macdonald, Christopher (১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৬)। "Toei DVDs Cancelled"। Anime News Network। ১৯ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ Loo, Egan (৪ জুন ২০০৮)। "First Slam Dunk Episode Streamed with English Subs"। Anime News Network। ২২ জুলাই ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ Loo, Egan (২৭ অক্টোবর ২০০৮)। "Toei Animation Adds Anime to Crunchyroll Website Today"। Anime News Network। ২২ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০০৯।
- ↑ Loo, Egan (১ মে ২০০৯)। "Joost Streams All 101 Episodes of Slam Dunk"। Anime News Network। ১৯ মে ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০০৯।
- ↑ "Slam Dunk" スラム・ダンク (জাপানি ভাষায়)। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ スラムダンク ― オリジナル·サウンドトラック 3 '95サマー (জাপানি ভাষায়)। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ "THE BEST OF TV ANIMATION SLAM DUNK - Single Collection"। CDJapan.co.jp। ২৭ মার্চ ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- 1 2 "Slam Dunk The Movie"। Toei Animation। ১২ মে ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ "SLAM DUNK THE MOVIE DVD" (জাপানি ভাষায়)। ১০ ডিসেম্বর ২০০৪। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ 映画 アニメ SLAM DUNK (1994) [Theatrical Anime: Slam Dunk (1994)] (জাপানি ভাষায়)। AllCinema Movie & DVD Database। ৪ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৩।
- ↑ 映画 アニメ SLAM DUNK 全国制覇だ!桜木花道 [Theatrical Anime: Slam Dunk Conquer the Nation, Hanamichi Sakuragi!] (জাপানি ভাষায়)। AllCinema Movie & DVD Database। ৪ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৩।
- ↑ "映画 アニメ SLAM DUNK 湘北最大の危機!燃えろ桜木花道" [Theatrical Anime: Slam Dunk Shohoku's Greatest Challenge! Burning Hanamichi Sakuragi] (জাপানি ভাষায়)। AllCinema Movie & DVD Database। ৪ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৩।
- ↑ "映画 アニメ SLAM DUNK 吠えろバスケットマン魂!!花道と流川の熱き夏" [Theatrical Anime: Slam Dunk Howling Basketman Spirit!! Hanamichi and Rukawa's Hot Summer] (জাপানি ভাষায়)। AllCinema Movie & DVD Database। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৩।
- ↑ Pineda, Rafael Antonio (৬ জানুয়ারি ২০২১)। "Slam Dunk Basketball Manga Gets New Anime Film (Updated)"। Anime News Network। ৭ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ Hodgkins, Crystalyn (২ জুলাই ২০২২)। "Slam Dunk Anime Film Opens in Japan on December 3 (Updated)" (ইংরেজি ভাষায়)। Anime News Network। ২ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০২২।
- ↑ Loo, Egan (১৩ আগস্ট ২০২১)। "Slam Dunk Manga Creator Takehiko Inoue Helms, Pens New Anime Film for Fall 2022"। Anime News Network। ১৩ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০২১।
- ↑ スラムダンクがけっぷちの決勝リーグ (জাপানি ভাষায়)। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১৭।
- ↑ "Slam Dunk 2"। GameSpot। ৭ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ "スラムダンク From TV animation 四強激突!!" (জাপানি ভাষায়)।
- ↑ "Slam Dunk 2: IH Yosen Kanzenban!!"। GameSpot। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ "Slam Dunk SD Heat Up!!"। GameSpot। ৭ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০০৯।
- ↑ テレビアニメ スラムダンク 【ゲームギア】 (জাপানি ভাষায়)।
- ↑ "テレビアニメ スラムダンク MD 【メガドライブ】" (জাপানি ভাষায়)।
- ↑ テレビアニメ スラムダンク アイラブバスケットボール (জাপানি ভাষায়)।
- ↑ "スラムダンク - キャラクター紹介"। Nintendo। ১৮ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১২।
- ↑ ジャンプアルティメットスターズファーストアルティガイド। Shueisha। ২০০৬। পৃ. ১৮৩–১৮৪। আইএসবিএন ৪-০৮-৭৭৯৩৯২-৩।
- ↑ "SLAM DUNK" (জাপানি ভাষায়)। Shueisha। ১০ জুন ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২৪।
- ↑ "INOUE TAKEHIKO ILLUSTRATIONS" (জাপানি ভাষায়)। Shueisha। ২৫ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২৪।
- ↑ "PLUS/SLAM DUNK ILLUSTRATIONS 2" (জাপানি ভাষায়)। Shueisha। ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২৪।
- ↑ 小学館漫画賞: 歴代受賞者 (জাপানি ভাষায়)। Shogakukan। ১০ জুলাই ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০০৭।
- ↑ Macdonald, Christopher (৬ অক্টোবর ২০০৬)। "Top 10 Anime and Manga at Japan Media Arts Festival"। Anime News Network। ১৪ নভেম্বর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০০৬।
- ↑ Loo, Egan (৮ মার্চ ২০০৯)। "Slam Dunk's Inoue Wins Japanese Government Prize"। Anime News Network। ১২ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০০৯।
- ↑ みんなが選ぶTSUTAYAコミック大賞2017 結果発表!। Tsutaya (জাপানি ভাষায়)। Culture Convenience Club। ২ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
- ↑ テレビ朝日『国民15万人がガチで投票!漫画総選挙』ランキング結果まとめ! 栄えある1位に輝く漫画は!?। Animate Times (জাপানি ভাষায়)। ৩ জানুয়ারি ২০২১। ৩ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ Loveridge, Lynzee (৫ জানুয়ারি ২০২১)। "TV Asahi Announces Top 100 Manga Voted on By 150,000 Readers"। Anime News Network। ২৬ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ Loo, Egan (৩ মে ২০০৯)। "Survey: Slam Dunk Manga is #1 Choice for Live-Action (Updated)"। Anime News Network। ২৯ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০০৯।
- ↑ Paquot, Valentin (১৪ মার্চ ২০১৯)। "Six mangas à découvrir au Salon du livre 2019"। Le Figaro (ফরাসি ভাষায়)। ২৫ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ Loo, Egan (২৬ এপ্রিল ২০১০)। "Naruto is 5th Shueisha Manga with 100 Million+ Copies in Print"। Anime News Network। ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ Nelkin, Sarah (২৩ অক্টোবর ২০১২)। "Top 10 Shonen Jump Manga by All-Time Volume Sales"। Anime News Network। ৮ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ "Shueisha Media Guide 2014 少年コミック誌・青年コミック誌" [Boy's & Men's Comic Magazines] (পিডিএফ) (জাপানি ভাষায়)। Shueisha। পৃ. ২। ৩০ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১৭।
- ↑ 6000万部突破、1年で約4倍 新刊18巻の書影初公開". (জাপানি ভাষায়)। Sankei। ৬ আগস্ট ২০১৭। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- ↑ "#About Slam Dunk"। The First Slam Dunk Film Partners। ৪ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ Macdonald, Christopher (১০ জুলাই ২০০২)। "One Piece breaks sales record"। Anime News Network। ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ Loo, Egan (২৯ নভেম্বর ২০১৮)। "Top-Selling Manga in Japan by Series: 2018"। Anime News Network। ৩০ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ Loo, Egan (১৯ ডিসেম্বর ২০১৮)। "Top-Selling Media Franchises in Japan: 2018"। Anime News Network। ১৮ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ Ermelino, Louisa (৩ নভেম্বর ২০০৮)। "PW's Best Books of the Year"। Publishers Weekly। ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৩।
- ↑ Loo, Egan (৩০ মে ২০২৩)। "Top-Selling Manga in Japan by Series: 2023 (1st Half) — Blue Lock Sells 8 Million After Anime"। Anime News Network। ৩১ মে ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২৩।
- 1 2 Santos, Carlo (২৭ জুলাই ২০০৮)। "Slam Dunk GN 2 - Review"। Anime News Network। ৯ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ Kosaka, Kris (২৮ জানুয়ারি ২০১৭)। "'Slam Dunk': Japan's greatest sports manga?"। The Japan Times। ৬ মার্চ ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২৪।
- ↑ Kimlinger, Carl (২৭ জুলাই ২০০৮)। "Slam Dunk GN 1 - Review"। Anime News Network। ৮ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ Sin, Ben (৭ মে ২০১৩)। "Slam Dunk: How Japan's Love of Basketball Can Be Traced Back to a Comic"। Sports Illustrated। ৯ জুন ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২৪।
- ↑ Macdonald, Christopher (২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৫)। "TV Asahi Top 100 Anime Part 2"। Anime News Network। ৩০ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৫।
- ↑ Macdonald, Christopher (২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৫)। "TV Asahi Top 100 Anime"। Anime News Network। ২১ জুন ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০০৯।
- ↑ Loo, Egan (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮)। "Japanese Animation DVD Ranking, September 17–23"। Anime News Network। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৫।
- ↑ Loo, Egan (৩০ অক্টোবর ২০০৮)। "Japanese Animation DVD Ranking, October 21–28"। Anime News Network। ২ নভেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৫।
- ↑ Loo, Egan (১৩ জানুয়ারি ২০১৫)। "Japan's Animation Blu-ray Disc Ranking, January 5–11"। Anime News Network। ১৩ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ Harding, Daryl (২৪ এপ্রিল ২০২৩)। "THE FIRST SLAM DUNK's 1st Three Days in China Nets US$50 Million, Now 10th Highest-Grossing Anime Film Worldwide"। Crunchyroll। ২৪ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ "Eiga Slam Dunk (2022)"। The Numbers। ২৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ "スポーツとメディアの関係性 (Relation between sports and media)"। students of Rikkyo University। ৩ জুলাই ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 3 Wong, Alex (৯ অক্টোবর ২০১৯)। "The comic that sparked Japan's interest in the NBA"। Yahoo! Sports। ১০ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০২৩।
- ↑ Crowe, Jerry (২১ জানুয়ারি ২০০৮)। "Former Bruin is now Japan's J.R. Sakuragi"। Los Angeles Times। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০২৩।
- ↑ Takahashi, Azusa (৫ নভেম্বর ২০২০)। 『SLAM DUNK』が追求したリアリティと『黒子のバスケ』が放つエンタメ性 両者の違いを考察। Real Sound (জাপানি ভাষায়)। ৫ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Koulikov, Mikhail (৩ অক্টোবর ২০০৭)। "First Slam Dunk Basketball Scholarship Awarded"। Anime News Network। ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ Loo, Egan (৯ জুন ২০১০)। "Japan Basketball Association Awards Slam Dunk's Inoue"। Anime News Network। ৭ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৩।
- 1 2 "Japan's Kamakura tightens measures at crossing popular with fans of manga 'Slam Dunk'"। The Mainichi। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩। ২৬ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০২৪।
- 1 2 "Kamakura steps up guards as tourists to anime site increase"। The Asahi Shimbun। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩। ২০ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০২৪।
- ↑ "Sakuragi Railroad Crossing"। Discover Taitung। ৭ মার্চ ২০২২। ১১ জুন ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০২৪।