স্যাম ওয়ালটন
স্যাম ওয়ালটন | |
|---|---|
১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি কোন এক সময়ে ওয়ালটন | |
| জন্ম | স্যামুয়েল মুর ওয়ালটন ২৯ মার্চ ১৯১৮ কিংফিশার, ওকলাহোমা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
| মৃত্যু | ৫ এপ্রিল ১৯৯২ (বয়স ৭৪) |
| সমাধি | বেন্টনভিল কবরস্থান |
| মাতৃশিক্ষায়তন | মিজুরি বিশ্ববিদ্যালয় (বিজ্ঞানে স্নাতক) |
| পেশা | ধনাঢ্য ব্যবসায়ী |
| দাম্পত্য সঙ্গী | হেলেন রবসন (বি. ১৯৪৩) |
| সন্তান |
|
| আত্মীয় |
|
| সামরিক কর্মজীবন | |
| আনুগত্য | |
| সেবা/ | |
| কার্যকাল | ১৯৪২–১৯৪৫ |
| পদমর্যাদা | ক্যাপ্টেন |
| ইউনিট | সামরিক গোয়েন্দা বাহিনী |
| যুদ্ধ/সংগ্রাম | দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ |
স্যামুয়েল মুর ওয়ালটন (২৯ মার্চ, ১৯১৮- ৫ এপ্রিল, ১৯৯২) একজন মার্কিন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছিলেন, যিনি বিশ্বের সর্ববৃহৎ খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট এবং স্যাম'স ক্লাব প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি ১৯৬২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আর্কানসাস অঙ্গরাজ্যের রজার্স শহরে ওয়ালমার্ট এবং ১৯৮৩ সালে ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের মিডওয়েস্ট সিটিতে স্যাম'স ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। ওয়ালমার্ট স্টোরস ইঙ্ক আয়ের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম কর্পোরেশন এবং সেইসাথে বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি নিয়োগকর্তা প্রতিষ্ঠান৷[১] স্যাম ওয়ালটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একসময়কার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ছিলেন।[২] তার পরিবার পরপর কয়েক বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ধনী পরিবার হিসেবে রয়েছে। জানুয়ারী ২০২৫ পর্যন্ত তার পরিবারের সম্পদের পরিমাণ প্রায় $৪৪০.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ১৯৯২ সালে ৭৪ বছর বয়সে ওয়ালটন ব্লাড ক্যান্সারে মারা যান। আর্কানসাসের বাড়িতে বেন্টনভিল কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয় যা দীর্ঘদিন ধরে তার মালিকানাধীন ছিল।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]স্যামুয়েল মুর ওয়ালটন ওকলাহোমার কিংফিশারে থমাস গিবসন ওয়ালটন এবং ন্যান্সি লির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সেখানে ১৯২৩ সাল পর্যন্ত তার পিতামাতার সাথে তাদের খামার বাড়িতে বসবাস করেছিলেন। ওই সময়ে কৃষিকাজ থেকে প্রাপ্ত আয় দিয়ে একটি পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, ফলে তার বাবা থমাস ওয়ালটন খামারটি বন্ধক রেখেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি তার ভাইয়ের ওয়ালটন মর্টগেজ কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন যেটি মেট্রোপলিটন লাইফ ইন্স্যুরেন্সের এজেন্ট ছিল।[৩][৪]
১৯২১ সালে তার আরেক ভাই জেমস জন্মগ্রহণ করে। তিনি এবং তার পরিবার ওকলাহোমা থেকে চলে আসেন। তারা কয়েক বছর ধরে এক শহর থেকে অন্য শহরে বসবাসের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন, যেগুলির বেশিরভাগই মিজুরিতে। মিজুরির শেলবিনা শহরে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময় ওয়ালটন অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ঈগল স্কাউট হয়েছিলেন।[৫] প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে ওয়ালটন আমেরিকার বয় স্কাউটস থেকে বিশিষ্ট ঈগল স্কাউট পুরস্কার প্রাপ্ত হয়েছিলেন।[৬]
পর্যায়ক্রমে তার পরিবার মিজুরির কলম্বিয়াতে চলে আসে। মহামন্দার সময় তিনি বেড়ে ওঠেন। ওই সময়ে তিনি তার পরিবারের আর্থিক চাহিদা মেটাতে ঘরোয়া কাজে সাহায্য করতেন। সে পরিবারের গরুর দুধ দোহন করতেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত দুধ বোতলজাত করতেন এবং গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতেন। এরপর তিনি কলম্বিয়া ডেইলি ট্রিবিউন সংবাদপত্র বিতরণ শুরু করেন। এছাড়াও তিনি ম্যাগাজিনের গ্রাহকপত্র বিক্রি করতেন।[৭] কলম্বিয়ার ডেভিড এইচ. হিকম্যান হাই স্কুল থেকে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন, যেখানে তিনি "সবচেয়ে বহুমুখী ছেলে" নির্বাচিত হন।[৮]

উচ্চ বিদ্যালয় শেষ করে ওয়ালটন কলেজে পড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি তার পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করতে চেয়েছিলেন। তিনি রিজার্ভ অফিসার প্রশিক্ষণ কর্পস ক্যাডেট হিসেবে মিজুরি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। এই সময়ে তিনি খাবারের বিনিময়ে ওয়েটিং টেবিলসহ বিভিন্ন ছোটখাটো কাজ করেন। কলেজে পড়ার সময় ওয়ালটন বিটা থিটা পাই নামক ভ্রাতৃত্ব সংগঠনের জেটা ফি চ্যাপ্টারে যোগদান করেন। তিনি শীর্ষস্থানীয় সিনিয়রদের সম্মান জানানোর জন্য ক্যাম্পাসের সুপরিচিত গোপন সমিতি কিউইবিএইচ এবং জাতীয় সামরিক সম্মান সমিতি স্ক্যাবার্ড অ্যান্ড ব্লেড-এ কাজ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি মিজুরি বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্টিফেনস কলেজের একটি বৃহৎ অংশের ছাত্রদের সংগঠন বুরাল বাইবেল ক্লাসের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৯] ১৯৪০ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি ক্লাসের "স্থায়ী সভাপতি" নির্বাচিত হন।[১০]
ওয়ালটনের মতে তিনি খুব ছোটবেলা থেকেই বুঝতে পেরেছিলেন যে পরিবারের ছোটদেরও পরিবারের ভরণপোষণে অবদান রাখা উচিত। তিনি বুঝতে পারেন যে গ্রহণকারীর চেয়ে দাতা হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সেনাবাহিনীতে চাকরি করার সময় ওয়ালটন অনুভব করেন যে তার খুচরো ব্যবসায় নামা উচিত এবং তিনি নিজের ব্যবসায় শুরু করতে চান।[১১]
কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার তিন দিন পর ওয়ালটন আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডি মোয়েনের,[১০] জে. সি. পেনিতে একজন ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে যোগদান করেন।[৭] এই পদে তিনি মাসে মার্কিন $৭৫ বেতন পেতেন। ওয়ালটন জে. সি. পেনিতে প্রায় ১৮ মাস চাকরী করেন।[১২] দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সেনাবাহিনীতে যোগদানের ইচ্ছায় তিনি ১৯৪২ সালে জে. সি. পেনি থেকে পদত্যাগ করেন।[৭] ইতিমধ্যে, তিনি ওকলাহোমায় ডুপন্ট নামের একটি অস্ত্র কারখানায় কাজ শুরু করেন। এর কিছুদিন পরেই ওয়ালটন মার্কিন সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থায় যোগদান করেন, যেখানে তিনি বিমান কারখানার নিরাপত্তা তত্ত্বাবধান করেন। এই পদে তিনি ইউটা অঙ্গরাজ্যের সল্ট লেক সিটির ফোর্ট ডগলাসে দায়িত্ব পালন করেন। পর্যায়ক্রমে তিনি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পদে অভীষ্ট হন।
প্রথম দোকান
[সম্পাদনা]১৯৪৫ সালে সামরিক বাহিনী ছাড়ার পর ওয়ালটন ২৬ বছর বয়সে তার প্রথম রকমারি দোকান শুরু করেন।[১৩] তার শ্বশুর লেল্যান্ড রবসনের কাছ থেকে ২০,০০০ ডলার ঋণ এবং সেনাবাহিনীতে থাকাকালীন সময়ে তার সঞ্চিত ৫,০০০ ডলারের দিয়ে তিনি আর্কানসাসের নিউপোর্ট শহরে একটি বেন ফ্র্যাঙ্কলিন রকমারি দোকান কিনেছিলেন।[৭] দোকানটি বাটলার ব্রাদার্স চেইনের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ছিল।
ওয়ালটন অনেক ব্যতিক্রমী ধারণার পথিকৃৎ ছিলেন যা তার ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ওয়ালটনের মতে, যদি তিনি শহরের চার ঘন্টা দূরত্বে অবস্থিত দোকানগুলির মতো বা তার চেয়ে ন্যায্য দামে পণ্যদ্রব্য দিতে পারেন তাহলে ক্রেতারা ঘরে বসেই বা তাদের বাসার পাশের দোকান থেকেই কেনাকাটা করবে।[১৪] ওয়ালটন তার ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে পণ্যদ্রব্য তাকগুলোতে ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রাখার ধারণা দেন। এতে গ্রাহক তার প্রয়োজনীয় পণ্য সহজেই কিনতে পারবে। তার দ্বিতীয় দোকান "ঈগল" ডিপার্টমেন্টাল স্টোর নিউপোর্টে প্রধান প্রতিযোগী দোকানের পাশেই অবস্থিত ছিল।
তিন বছরে বিক্রির পরিমাণ $৮০,০০০ থেকে বেড়ে $২২৫,০০০-এ পৌঁছায়। বিষয়টি ওয়ালটনের বাড়িওয়ালা পি. কে. হোমসের নজরে আসে, যাদের পরিবার অতীতে খুচরা ব্যবসায় করতেন।[১৫] তিনি ওয়ালটনের দুর্দান্ত সাফল্যের প্রশংসা করে এবং তার ছেলের জন্য দোকানটি (এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি অধিকার) পুনরুদ্ধার করতে আগ্রহী হয়ে বাড়ির ইজারা নবায়ন করতে অস্বীকৃতি জানান। ইজারা নবায়নের বিকল্প না থাকা এবং মোট বিক্রয়ের প্রায় ৫% ভাড়ার জন্য দেয়া ওয়ালটনের কাছে এই ব্যবসায়ের অন্যতম বাঁধা বলে মনে হয় এবং তিনি এই ঘটনা থেকে একটা প্রাথমিক ব্যবসায়িক শিক্ষা লাভ করে। যদিও তাকে জোর করে তাড়িয়ে দেওয়ার হয়েছে, তথাপি হোমস তাঁর দোকানের জিনিসপত্র এবং আসবাবপত্র $৫০,০০০-এ কিনে নেন। ওয়ালটন এটিকে "ন্যায্য মূল্য" বলে অভিহিত করেন।

এক বছর ইজারার মেয়াদ বাকি থাকলেও দোকানটি তাদের ছেড়ে দিতে হয়। তিনি, তার স্ত্রী হেলেন এবং তার শ্বশুর আর্কানসাসের বেন্টনভিলের ডাউনটাউন স্কোয়ারে একটি নতুন জায়গা কেনার জন্য আলোচনা করতে সক্ষম হন। ওয়ালটন বেন্টনভিল স্টোর নামের একটি ছোট দোকান কেনার এবং ভবনের মালিকানার জন্য আলোচনা করেন। ওয়ালটন যেখানে শর্ত দেন যে তিনি পাশের দোকানটি সম্প্রসারণের জন্য ৯৯ বছরের ইজারা পাবেন। যদিও পাশের দোকানের মালিক ছয়বার ওয়ালটনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং ওয়ালটন প্রায় হাল ছেড়ে দেন। কিন্তু তাঁর শ্বশুর তাঁর অজান্তেই দোকানের মালিকের সাথে শেষ বারের জন্য দেখা করতে যান এবং ইজারার বিষয়টি নিশ্চিত করে দোকান মালিককে ২০,০০০ ডলার অগ্রিম প্রদান করেন। ওয়ালটন তাঁর প্রথম দোকান বিক্রির টাকা থেকে তাঁর শ্বশুরের পাওনা পরিশোধ করে দেন। ওয়ালটন ১৯৫০ সালের ৯ মে নতুন করে আবার ব্যবসা শুরু করেন।[১৫]
বেন্টনভিল স্টোর কেনার আগে, এটির বার্ষিক বিক্রয় ছিল $৭২,০০০ ডলার এবং প্রথম বছরেই তা বেড়ে দাঁড়ায় $১০৫,০০০ ডলারে এবং পরবর্তীতে $১৪০,০০০ এবং $১৭৫,০০০ ডলারে উন্নীত হয়।[১৬]
বেন ফ্র্যাঙ্কলিন চেইন স্টোর
[সম্পাদনা]তরুণ বয়সেই অর্থকষ্টে থাকা ওয়ালটনকে দায়িত্ব অর্পণ করতে শিখিয়েছে। তাকে ২২০ মাইল দূরত্বেও ব্যবসা খুলতে উদ্যমী করেছে। তিনি নতুন বেন্টনভিলে "ফাইভ অ্যান্ড ডাইম" নামে ব্যবসা শুরু করে।[১৭][১৮]
এত দূরত্বে দুটি স্টোর নিয়ে সফল হওয়ার পর ওয়ালটন আরও লোকেশন খুঁজে বের করতে এবং আরও বেন ফ্র্যাঙ্কলিন ফ্র্যাঞ্চাইজি খোলার ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে ওঠে। (যুদ্ধের সময়ে তিনি তার ভাই জেমস "বাড" ওয়ালটনের সাথে একজন পাইলট হিসেবে কাজ করে। ফলে তিনি বিমানের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং একটি ছোট সেকেন্ড-হ্যান্ড বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি এবং তার ছেলে জন উভয়েই পরবর্তীতে পরিপূর্ণ পাইলট হন এবং পারিবারিক ব্যবসা প্রসারিত করেন)।[১৭]
১৯৫৪ সালে তিনি ক্যানসাস সিটি, মিজুরির শহরতলি রাস্কিন হাইটসের একটি শপিং সেন্টারে তার ভাই বাডের সাথে একটি দোকান খোলেন। তার ভাই এবং শ্বশুরের সহায়তায় তিনি অনেক নতুন রকমারি দোকান খুলতে পেরেছিলেন। তিনি তার ব্যবস্থাপকদের বিনিয়োগ করতে এবং ব্যবসায়ের মালিকানায় অংশ নিতে উত্সাহিত করেছিলেন। (এতে ব্যবস্থাপকরা তাদের পরিচালনা দক্ষতা আরও বৃদ্ধি করতে সমর্থ হয় এবং ব্যবসায় মালিকানা নিতে অনুপ্রাণিত করেছিল।)[১৭] ১৯৬২ সাল নাগাদ তার ভাই বাডের সাথে তিনি আর্কানসাস, মিজুরি এবং কানসাসে ১৬টি স্টোরের মালিক হয় (১৫টি বেন ফ্র্যাঙ্কলিন এবং একটি ফায়েটভিলের ইন্ডিপেন্ডেন্টে)।[১৯]
প্রথম ওয়ালমার্ট
[সম্পাদনা]প্রথম সত্যিকারের ওয়ালমার্ট ১৯৬২ সালের ২ জুলাই আর্কানসাস অঙ্গরাজ্যের রজার্স শহরে খোলা হয়েছিল।[২০] এটি ওয়াল-মার্ট ডিসকাউন্ট সিটি স্টোর নামে পরিচিত এবং ৭১৯ পশ্চিম আখরোট স্ট্রিটে অবস্থিত ছিল। ওয়ালটন আমেরিকার তৈরি পণ্য বাজারজাত করার জন্য একটি দৃঢ় প্রয়াস শুরু করেন। এজন্য তিনি আমেরিকান উৎপাদনকারীদের খুঁজে বের করেন যারা শুধুমাত্র ওয়ালমার্ট চেইনের জন্য বিদেশী পণ্যের বিকল্প মেটাতে যথেষ্ট কম দামে পণ্যদ্রব্য সরবরাহ করতে পারে।[২১]
মেইজার চেইন সপের জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে এটি ওয়ালটনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তিনি স্বীকার করেন যে, তার ওয়ান-স্টপ-শপিং সেন্টার পদ্ধতিটি মেইজারের মূল উদ্ভাবনী ধারণার উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।[২২] মার্কিন ডিসকাউন্ট স্টোর চেইনের প্রচলিত প্রথার বিপরীতে ওয়ালটন বড় শহরে পরিবর্তে ছোট শহরে স্টোর স্থাপন শুরু করে। সেই সময়ে ভোক্তাদের কাছাকাছি থাকার জন্য একমাত্র বিকল্প ছিল ছোট শহরে আউটলেট খোলা। ওয়ালটনের মডেলে দুটি সুবিধা ছিল, প্রথমত, বিদ্যমান প্রতিযোগিতা কম ছিল এবং দ্বিতীয়ত, যদি একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান শহর এবং এর আশেপাশের এলাকায় ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যথেষ্ট বড় হয়, তবে অন্যান্য ব্যবসায়ীরা বাজারে প্রবেশ করতে নিরুৎসাহিত হবে।[১৪]
তার প্রণীত মডেল ঠিকভাবে কাজ করার জন্য তিনি লজিস্টিকসের উপর বিশেষ জোর দেন। বিশেষ করে ওয়ালমার্টের আঞ্চলিক গুদামগুলির এক দিনের ড্রাইভের মধ্যে খুচরা দোকান স্থাপন করা এবং নিজস্ব পরিবহণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পণ্যদ্রব্য বিতরণ করা শুরু করেন। বেশি পরিমাণে পণ্য ক্রয় করা এবং দক্ষ সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে ওয়ালমার্ট ভালো ব্র্যান্ডের পণ্যদ্রব্যও অধিক ছাড়ে বিক্রয় করতে পারে। একারণে ওয়ালমার্ট টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সমর্থ হয়। এটি ১৯৭৭ সালে মাত্র ১৯০টি ষ্টোর থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে ৮০০টি ষ্টোর খুলতে পেরেছিল।[১০]
ব্যাপ্তি এবং অর্থনৈতিক প্রভাবের ফলে ওয়ালমার্ট যে কোন অঞ্চলে ষ্টোর স্থাপন করে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে। এই ইতিবাচক এবং নেতিবাচক উভয়ই প্রভাবগুলি "ওয়ালমার্ট প্রভাব" নামে পরিচিত।[২৩]
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]ওয়ালটন ১৯৪৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে হেলেন রবসনকে বিয়ে করেন।[৭] তাদের চার জন সন্তান ছিল: স্যামুয়েল রবসন (রব) ১৯৪৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন, জন থমাস (১৯৪৬-২০০৫), জিম ওয়ালটন ১৯৪৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং অ্যালিস লুইস ১৯৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।[২৪]
ওয়ালটন বিভিন্ন দাতব্য কাজে সহায়তা করেছে। তিনি এবং হেলেন বেন্টনভিলের ১ম প্রেসবিটারিয়ান চার্চে সক্রিয় ছিলেন;[২৫] ওয়ালটন সানডে স্কুলের একজন প্রবীণ শিক্ষক হিসাবে কাজ করেছেন। সেখানে তিনি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়িয়েছেন।[২৬] ওয়ালটন পরিবার ধর্মসভা বা মণ্ডলীতে যথেষ্ট অবদান রেখেছিল। ওয়ালটন খ্রিস্টের একজন সেবক নেতা হওয়ার ধারণার উপর ভিত্তি করে ওয়ালমার্টের কর্পোরেট কাঠামোতে "পরিষেবা নেতৃত্ব" ধারণা নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি খ্রিস্টধর্মের ভিত্তি ''অন্যদের সেবা'' করার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন।[২৭]
ওয়ালটনের কান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তার কান্সারের চিকিৎসা করা হয়েছিল।[২৮]
মৃত্যু
[সম্পাদনা]ওয়ালটন মজ্জাকোষার্বুদে[২৯](এক প্রকার ব্লাড ক্যান্সার) আক্রান্ত হয়ে ১৯৯২ সালের ৫ এপ্রিল রবিবার লিটল রক, আর্কানসাসে মারা যান।[৩০] তার ছেলের মতে মৃত্যুর কয়েকদিন আগে ওয়ালটন হাসপাতালের বিছানায় বসেও বিক্রয় তথ্য পর্যালোচনা করছিলেন।[৩১] স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর ১,৯৬০টি ওয়ালমার্ট স্টোরে পৌঁছে দেয়া হয়েছিল।[৩২] সেই সময়ে তার কোম্পানির নিয়োগকৃত জনবল ছিল প্রায় ৪০০,০০০ জন। ওইসময়ে ১,৭৩৫টি ওয়ালমার্ট, ২১২টি স্যাম'স ক্লাব এবং ১৩টি সুপারসেন্টারের বার্ষিক বিক্রয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় $৫০ বিলিয়ন ডলার।[১০]
তার দেহাবশেষ বেন্টনভিল কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। তিনি ওয়ালমার্টের মালিকানা তার স্ত্রী এবং সন্তানদের উপর ছেড়ে দিয়েছিলেন। রব ওয়ালটন তার বাবার স্থলাভিষিক্ত হয়ে ওয়ালমার্টের চেয়ারম্যান হন এবং জন ওয়ালটন ২০০৫ সালের বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পরিচালক ছিলেন। অন্যরা সরাসরি কোম্পানির সাথে জড়িত নন (শেয়ারহোল্ডার হিসেবে তাদের ভোটাধিকার ব্যতীত), তবে তার ছেলে জিম ওয়ালটন আরভেস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান। ২০০৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ দশ ধনী ব্যক্তির মধ্যে ওয়ালটন পরিবার পঞ্চম স্থানে ছিলো। ওয়ালটনের ভাই বাড ওয়ালটনের দুই মেয়ে— অ্যান ক্রোয়েঙ্ক এবং ন্যান্সি লরি—ওয়ালমার্টে অল্প শেয়ারের মালিকানা রয়েছে।[৩৩]
কিংবদন্তি
[সম্পাদনা]
১৯৯৮ সালে ওয়াল্টন টাইমের '২০ শতকের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায়' অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।[৩৪] খুচরা ব্যবসায় তার অবদানের জন্য ১৯৯২ সালের মার্চ মাসে, তার মৃত্যুর মাত্র এক মাস আগে, ওয়ালটন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জর্জ এইচডব্লিউ বুশের কাছ থেকে প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম পান।[৩২]
ফোর্বস স্যাম ওয়ালটনকে ১৯৮২ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসাবে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৮৯ সালে ফোর্বস জন ক্লুজকে শীর্ষ ধনী ব্যক্তি হিসাবে স্বীকৃতি দেয়। কারণ উল্লেখ করা হয় যে, ওয়ালটনের সম্পদের মালিকানা যৌথভাবে তার চার সন্তানদেরও রয়েছে।[৩৫] ওয়ালটনের মৃত্যুর বছর অর্থাৎ ১৯৯২ সালে বিল গেটস প্রথমবারের মত শীর্ষ ধনীর তালিকায় স্থান পায়। ওয়ালমার্ট স্টোরস ইঙ্ক স্যাম'স ক্লাবের গুদামও পরিচালনা করে।[৩৬] ওয়ালমার্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং পনেরটিরও বেশি আন্তর্জাতিক বাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করে, যার মধ্যে রয়েছে: আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কানাডা, চিলি, চীন, কোস্টা রিকা, এল সালভাদোর, গুয়াতেমালা, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা, ঘানা, মালাউই, মোজাম্বিক, নামিবিয়া, তানজানিয়া, উগান্ডা, জাম্বিয়া, কেনিয়া, লেসোথো, ইসোয়াতিনি (সোয়াজিল্যান্ড), হন্ডুরাস, জাপান, মেক্সিকো, নিকারাগুয়া এবং যুক্তরাজ্য।[৩৭]
আর্কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস কলেজ (স্যাম এম. ওয়ালটন কলেজ অব বিজনেস) তার সম্মানে নামকরণ করা হয়েছে। ওয়ালটন ১৯৯২ সালে জুনিয়র অ্যাচিভমেন্ট ইউএস বিজনেস হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হন।[৩৮]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Sam Walton Biography"। 7infi.com। ১০ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ Harris, Art (১৭ নভেম্বর ১৯৮৫)। "America's Richest Man Lives...Here?Sam Walton, Waiting in Line At the Wal-Mart With Everybody Else"। Washington Post (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0190-8286। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০২১।
- ↑ Walton, Sam (২০১২)। Sam Walton: Made in America। Random House Publishing Group। পৃ. ৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩৪৫-৫৩৮৪৪-৪।
- ↑ Lee, Sally (২০০৭)। Sam Walton: Business Genius of Wal-Mart। Enslow Publishers, Inc.। পৃ. ১৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০৭৬৬০২৬৯২৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Townley, Alvin (২৬ ডিসেম্বর ২০০৬)। Legacy of Honor: The Values and Influence of America's Eagle Scouts। St. Martin's Press। পৃ. ৮৮–৮৯। আইএসবিএন ০-৩১২-৩৬৬৫৩-১। ১৯ ডিসেম্বর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০০৬।
- ↑ "Distinguished Eagle Scouts" (পিডিএফ)। Scouting.org। ১২ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১০।
- 1 2 3 4 5 Gross, Daniel; Forbes Magazine Staff (আগস্ট ১৯৯৭)। Greatest Business Stories of All Time (First সংস্করণ)। John Wiley & Sonsf। পৃ. ২৬৯। আইএসবিএন ০-৪৭১-১৯৬৫৩-৩। ১০ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯।
- ↑ "Sam and Bud Walton"। SHSMO Historic Missourians (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ Walton, Sam (২০১২)। Sam Walton: Made in America। Random House Publishing Group। পৃ. ১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩৪৫-৫৩৮৪৪-৪।
- 1 2 3 4 "Sam Walton"। Encyclopædia Britannica Inc। ২০১২। ২১ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১২।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Walton, Sam (১৯৯২)। Sam Walton, Made in America: My Story। Doubleday। পৃ. ৫, ১ and ২০।
- ↑ Walton, Sam (২০১২)। Sam Walton: Made in America। Random House Publishing Group। পৃ. ১৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩৪৫-৫৩৮৪৪-৪।
- ↑ "Lessons from Sam Walton: How a social-local strategy brings the human touch back to business"। Hearsay Systems (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৪ জুন ২০১২। ২৩ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০২০।
- 1 2 Sandra S. Vance, Roy V. Scott (১৯৯৪)। Wal-Mart। Twayne Publishers। পৃ. ৪১। আইএসবিএন ০-৮০৫৭-৯৮৩৩-১।
- 1 2 "Sam Walton"। Butler Center for Arkansas Studies। ১৮ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১২।
- ↑ Wenz, Peter S. (২০১২)। Take Back the Center: Progressive Taxation for a New Progressive Agenda। MIT Press। পৃ. ৬০। আইএসবিএন ৯৭৮-০২৬২০১৭৮৮৬। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- 1 2 3 Walton, Sam; John Huey (১৯৯২)। Made in America: My Story। Doubleday। আইএসবিএন ০-৩৮৫-৪২৬১৫-১।
- ↑ Trimble, Vance H. (১৯৯১)। Sam Walton: the Inside Story of America's Richest Man। Penguin Books। আইএসবিএন ০-৪৫১-১৭১৬১-৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৫১-১৭১৬১-০
- ↑ Kavita Kumar (৮ সেপ্টেম্বর ২০১২)। "Ben Franklin store, a throwback to the five-and-dime, finally closes"। St. Louis Post-Dispatch। ৩০ আগস্ট ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৪।
- ↑ Gross, Daniel; Forbes Magazine Staff (১৯৯৭)। Greatest Business Stories of All Time (First সংস্করণ)। John Wiley & Sons, Inc। পৃ. ২৭২। আইএসবিএন ০-৪৭১-১৯৬৫৩-৩।
- ↑ Yohannan T. Abraham; Yunus Kathawala (২৬ ডিসেম্বর ২০০৬)। "Sam Walton: Walmart Corporation"। The Journal of Business Leadership, Volume I, Number 1, Spring 1988। American National Business Hall of Fame। ২০ জানুয়ারি ২০০২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৪।
- ↑ "Fred Meijer, West Michigan billionaire grocery magnate, dies at 91"। MLive.com। ২৬ নভেম্বর ২০১১। ১০ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১১।
- ↑ Fishman, Charles (২০০৬)। How The World's Most Powerful Company Really Works – and How It's Transforming the American Economy। The Penguin Press, Inc।
- ↑ Tedlow, Richard S. (২৩ জুলাই ২০০১)। "Sam Walton: Great From the Start"। Harvard Business School। ১৬ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১২।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Hodges, Sam (২০ এপ্রিল ২০০৭)। "Presbyterian obit on Wal-Mart founder's widow"। The Dallas Morning News। ১ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৯।
- ↑ Robert Frank (২৫ জুলাই ২০০৯)। "Nickel and Dimed"। The New York Times। ২১ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Walsh, Colleen (১৯ নভেম্বর ২০০৯)। "God and Walmart"। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ Hayes, Thomas (৬ এপ্রিল ১৯৯২)। "Sam Walton Is Dead At 74; the Founder Of Wal-Mart Stores"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০২২।
- ↑ Walton, Sam (১৯৯৩)। Sam Walton: Made in America। Bantam Books। পৃ. ৩২৯। আইএসবিএন ০-৫৫৩-৫৬২৮৩-৫।
- ↑ Ortega, Bob। "In Sam We Trust: The Untold Story of Sam Walton and How Wal-Mart Is Devouring America"। The New York Times। ৯ এপ্রিল ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৭।
- ↑ Fishman, Charles (২০০৬)। The Wal-Mart Effect। Penguin Press। পৃ. ৩১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৪-৩০৩৮৭৮-৮।
- 1 2 Gross, Daniel; Forbes Staff (আগস্ট ১৯৯৭)। Greatest Business Stories of All Time (First সংস্করণ)। John Wiley & Sons, Inc। পৃ. ২৮৩। আইএসবিএন ০-৪৭১-১৯৬৫৩-৩।
- ↑ Forbes https://www.forbes.com/profile/ann-walton-kroenke/। ২৭ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০১৯।
{{ম্যাগাজিন উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) - ↑ Time Magazine। ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৮ https://web.archive.org/web/20001018095153/http://www.time.com/time/time100/builder/profile/walton.html। ১৮ অক্টোবর ২০০০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১২।
{{ম্যাগাজিন উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) at Wayback Machine - ↑ Clare O'Connor (৯ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "Billionaire John Kluge Dies At 96"। Forbes। ২০ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- ↑ "Walmart's test store for new technology, Sam's Club Now, opens next week in Dallas"। TechCrunch (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ International Operations Data Sheet ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জানুয়ারি ১১, ২০১০ তারিখে Walmart Corporation, July 2009.
- ↑ Patty de Llosa and Jessica Skelly von Brachel (২৩ মার্চ ১৯৯২)। "The National BUSINESS HALL OF FAME"। Fortune। Peter Nulty Reporter Associates। ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৬।
উৎস
[সম্পাদনা]- বিয়ানকো, অ্যান্টনি (২০০৬)। The Bully of Bentonville: how the high cost of Wal-Mart's everyday low prices is hurting America। কারেন্সি/ডাবলডে। আইএসবিএন ০-৩৮৫-৫১৩৫৬-৯।
- স্কট, রয় ভার্নন; ভ্যান্স, স্যান্ড্রা স্ট্রিংগার (১৯৯৪)। Wal-Mart: A History of Sam Walton's Retail Phenomenon। টোয়েন পাবলিশার্স। আইএসবিএন ০-৮০৫৭-৯৮৩৩-১।
- ফিশম্যান, সি. (২০০৬)। The Wal-Mart Effect: How the World's Most Powerful Company Really Works – and HowIt's Transforming the American Economy. পেঙ্গুইন।
- মার্কোয়ার্ড, ডব্লিউ. এইচ. (২০০৬)। Wal-Smart: What it really takes to profit in a Wal-Mart world. ম্যাকগ্রা হিল প্রফেশনাল।
- স্যাম ওয়ালটন, গ্রন্থপঞ্জি.
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- "Wal-Mart brought low prices to small cities, but its creator also changed the way Big Business is run"। টাইম। ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৮। ১৮ অক্টোবর ২০০০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১২। at Wayback Machine
- সাপ্তাহিক স্যাম ওয়ালটন: The King of the Discounters August 8, 2004
- স্যাম এম. ওয়ালটন কলেজ অব বিজনেস, আর্কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়য় ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত মে ৮, ২০১৫ তারিখে
- ফাইন্ড এ গ্রেইভে স্যাম ওয়ালটন (ইংরেজি)
- Voices of Oklahoma interview, Chapters 12–16, with Frank Robson. First person interview conducted on November 2, 2009, with Frank Robson, brother-in-law of Sam Walton.
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ট্রিম্বল, ভ্যান্স এইচ. (১৯৯১)। Sam Walton: the Inside Story of America's Richest Man। পেঙ্গুইন বুকস। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৫১-১৭১৬১-০।
- ওয়ালটন, স্যাম; জন হিউই (১৯৯২)। Made in America: My Story। ডাবলডে। আইএসবিএন ০-৩৮৫-৪২৬১৬-X।
- উদ্ধৃতি শৈলী ত্রুটি: শিরোনাম অনুপস্থিত
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন ব্যবসায়ী
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনা কর্মকর্তা
- মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম প্রাপক
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মার্কিন সেনা কর্মকর্তা
- মার্কিন শতকোটিপতি
- ১৯৯২-এ মৃত্যু
- ১৯১৮-এ জন্ম
- ওয়ালটন পরিবার
- ওকলাহোমার ব্যবসায়ী