বিষয়বস্তুতে চলুন

স্পেনীয় গিনি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গিনি উপসাগরের স্পেনীয় অঞ্চল

Territorios Españoles del Golfo de Guinea (স্পেনীয়)
১৭৭৮–১৯৬৮
জাতীয় সঙ্গীত: মারশা রিয়াল (১৮৪৪–১৮৭৩, ১৮৭৪–১৯৩১, ১৯৪২–১৯৬৮)
হিমনো ডি রিয়েগো (১৮৭৩–১৮৭৪, ১৯৩১–১৯৪২)
আফ্রিকায় স্পেনীয় গিনির মানচিত্র
আফ্রিকায় স্পেনীয় গিনির মানচিত্র
অবস্থাস্পেনের নির্ভরশীল রাজ্য (১৮৫৮–১৯২৬)
স্পেনের উপনিবেশ (১৯২৫–১৯৫৬)
স্পেনের প্রদেশ (১৯৫৬–১৯৬৮)
রাজধানীসান্তা ইসাবেল
প্রচলিত ভাষাস্পেনীয় (আনুষ্ঠানিক)
অ্যানোবোনিস ক্রেওল
পিচিংলিস
ফ্যাং
ধর্ম
রোমান ক্যাথলিক ধর্ম
সরকারস্প্যানিশ ঔপনিবেশিক সরকার
রাজশাসককাউদিয়ো 
 ১৯৫৮–১৮৬৮ (প্রথম)
দ্বিতীয় ইসাবেলা
 ১৯৩৬–১৯৬৮ (শেষ)
ফ্রান্সিসকো ফ্রানকো
গভর্নর-জেনারেল 
 ১৯৫৮–১৮৫৯ (প্রথম)
কার্লোস চ্যাকন এবং মিশেলিনা
 ১৯৬৬–১৯৬৮ (শেষ)
ভিক্টর সুয়ানসেস ডিয়াজ ডেল রিও
ঐতিহাসিক যুগ
১১ মার্চ ১৭৭৮
 স্পেনীয়দের ফার্নান্দো পো দ্বীপ পরিত্যাগ
১৭৮০
 ফার্নান্দো পোর উপর স্প্যানিশ সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠিত
১৮৪৪
 রিও মুনির উপর সংরক্ষিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা
১৮৮৫
 প্যারিস চুক্তির অধীনে চূড়ান্ত ভূখণ্ড নির্ধারণ
১৯৯০
 বিভিন্ন উপনিবেশের প্রশাসনিক একীকরণ
১৯২৬
১২ অক্টোবর ১৯৬৮
মুদ্রাস্পেনীয় পেসেতা
পূর্বসূরী
উত্তরসূরী
ফার্নান্দো পোর গভর্নরতন্ত্র
ফ্যাং জনগোষ্ঠী
এলোবেয়, অ্যানোবোন, ও চরিস্কো
বিষুবীয় গিনি
বর্তমানে যার অংশবিষুবীয় গিনি

স্পেনীয় গিনি (স্পেনীয়: Guinea Española) মধ্য আফ্রিকার গিনি উপসাগর ও বনি উপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ ও স্থলভাগের অঞ্চল, যা ১৭৭৮ সাল থেকে স্পেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এটি ১৯৬৮ সালে স্বাধীনতা লাভ করে এবং বিষুবীয় গিনি নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৮শ–১৯শ শতাব্দী

[সম্পাদনা]
গিনি উপসাগরে স্পেনীয় অধিকারের বিবর্তন ও দাবি (১৭৭৮–১৯৬৮)

গিনি অঞ্চলে স্পেনীয় উপনিবেশ ১৭৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যখন স্পেনীয় সাম্রাজ্যপর্তুগিজ সাম্রাজ্যের মধ্যে এল পার্দো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৭৭৮ থেকে ১৮১০ সালের মধ্যে স্পেন উপনিবেশিক প্রশাসন ভাইসরয়্যালটি অব রিও দে লা প্লাতার মাধ্যমে বিষুবীয় গিনি অঞ্চলের শাসন পরিচালনা করত, যার কেন্দ্র ছিল বুয়েনোস আইরেস (বর্তমান আর্জেন্টিনা)।[]

১৮২৭ থেকে ১৮৪৩ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্য বিওকো (ঐতিহাসিকভাবে ফার্নান্দো পো) দ্বীপে একটি ঘাঁটি স্থাপন করে যার উদ্দেশ্য ছিল স্পেন এবং অন্যান্য অবৈধ ব্যবসায়ীদের দ্বারা পরিচালিত আটলান্টিক দাসব্যবসা দমন করা।[] ১৮৪৩ সালে স্পেনের সঙ্গে করা একটি চুক্তির ভিত্তিতে ব্রিটেন তার ঘাঁটি সরিয়ে নেয় এবং তা পশ্চিম আফ্রিকার নিজস্ব উপনিবেশ সিয়েরা লিওনে স্থানান্তরিত করে। ১৮৪৪ সালে স্পেনীয় শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে, অঞ্চলটি টেরিটোরিওস এস্পানিওলেস দেল গলফো দে গিনি (গিনি উপসাগরের স্পেনীয় অঞ্চল) নামে পরিচিত হয়।

বিংশ শতাব্দী

[সম্পাদনা]

স্পেন কখনোই বিয়াফ্রা উপসাগরের বিস্তৃত অঞ্চলে উপনিবেশ গড়ে তোলেনি, যদিও চুক্তির মাধ্যমে তারা এ এলাকার ওপর অধিকার পেয়েছিল। এরই মধ্যে ফ্রান্স তাদের দখল বৃদ্ধি করতে থাকে, যার ফলে স্পেন তার দাবিকৃত এলাকার একটি বড় অংশ হারায়। ১৯০০ সালের প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে স্পেন শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৬,০০০ বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ড (রিও মুনি) সংরক্ষণ করতে পারে, যেখানে আগে তারা উবাংগি নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ৩,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দাবি করেছিল।[]

কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি

[সম্পাদনা]

১৯শ শতকের শেষের দিকে, স্পেনীয়, পর্তুগিজ, জার্মান এবং ফার্নান্দিনো চাষীরা ফার্নান্দো পো দ্বীপে বৃহৎ কোকোয়া বাগান গড়ে তুলতে শুরু করে।[] তবে রোগ ও বাধ্যতামূলক শ্রমের কারণে স্থানীয় বুবি জনগোষ্ঠী ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে দ্বীপের অর্থনীতি আমদানিকৃত চুক্তিভিত্তিক কৃষি শ্রমিকদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

১৯১৪ সালে, লাইবেরিয়ার সঙ্গে একটি শ্রম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার আওতায় জার্মানির অন্যতম বৃহৎ জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি ওয়েরমান-লিনি সমুদ্রপথে প্রায় ১৫,০০০ শ্রমিক পরিবহন করে।[] ১৯৩০ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) একটি কমিশন তদন্ত করে দেখতে পায় যে লাইবেরীয় চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের অপরাধমূলক জোরপূর্বক নিয়োগ করা হয়েছে যা দাস শিকার ও দাস ব্যবসার কাছাকাছি।”[] এরপর স্পেনীয় গিনির জন্য লাইবেরীয় শ্রমিক নিয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়।

তবে কোকোয়া, কফি এবং কাঠ শিল্পে শ্রমিক সংকট চলতে থাকায় নাইজেরিয়ার পূর্ব প্রদেশ থেকে ইগবো ও ইবিবিও জনগোষ্ঠীর শ্রমিকদের অবৈধভাবে ডিঙ্গি নৌকায় পাচার করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। ১৯৪২ সালের মধ্যে ফার্নান্দো পো দ্বীপে এই গোপন শ্রমিকদের সংখ্যা বেড়ে ২০,০০০-এ পৌঁছে যায়।[] ঐ বছরই ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে একটি শ্রম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা নাইজেরীয় শ্রমিকদের স্পেনীয় গিনিতে যাওয়ার পথ উন্মুক্ত করে। ১৯৬৮ সালে দেশটি স্বাধীনতা লাভের সময় প্রায় ১,০০,০০০ নাইজেরীয় বংশোদ্ভূত মানুষ বিষুবীয় গিনিতে বসবাস ও কাজ করছিল।[]

স্পেনীয় গিনির উপনিবেশ

[সম্পাদনা]
পর্তুগিজ ও স্পেনীয় গিনির প্রতীক
স্পেনীয় রিও মুনি উপনিবেশের প্রতীক

১৯২৬ থেকে ১৯৫৯ সালের মধ্যে স্পেনীয় ঔপনিবেশিক প্রশাসন বিওকো ও রিও মুনিকে একত্রিত করে "স্পেনীয় গিনি" উপনিবেশ হিসেবে ঘোষণা করে। অর্থনীতি মূলত বৃহৎ বাগানে কােকােয়া ও কফির উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল ছিল, পাশাপাশি কাঠ কাটার অনুমতি দেওয়া হয়। এই শিল্পগুলোর জন্য মূলত লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়াক্যামেরুন থেকে আসা অভিবাসী চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের নিয়োগ করা হতো।[] ১৯২০-এর দশকে স্পেন আদিবাসী ফাং জনগোষ্ঠীকে দমন করতে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে, কারণ লাইবেরিয়া তাদের শ্রমিক নিয়োগ সীমিত করার চেষ্টা করছিল। ১৯২৬ সালের মধ্যে স্পেনীয় প্রশাসন পুরো অঞ্চলে ঔপনিবেশিক রক্ষীবাহিনীর ঘাঁটি স্থাপন করে এবং ১৯২৯ সালের মধ্যে পুরো উপনিবেশকে "নিরাপদ" ঘোষণা করা হয়।[]

রিও মুনির জনসংখ্যা ছিল কম, ১৯৩০-এর দশকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১,০০,০০০-এর কিছু বেশি। এখানকার মানুষ সহজেই ক্যামেরুন বা গ্যাবনের সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে যেতে পারত। তাছাড়া, কাঠ শিল্পে ক্রমবর্ধমান শ্রমিকের প্রয়োজন ছিল এবং কফি চাষের বিস্তার নতুন করে কর প্রদান ও আয় উপার্জনের বিকল্প পথ তৈরি করেছিল।

ফার্নান্দো পো দ্বীপ শ্রম সংকটে ভুগছিল। ফরাসিরা ক্যামেরুন থেকে শ্রমিক নিয়োগের অনুমতি কিছু সময়ের জন্য দিলেও তা স্থায়ী হয়নি। ফলে চাষিরা নাইজেরিয়ার কালাবার থেকে ইগবো শ্রমিকদের অবৈধভাবে ডিঙ্গি নৌকায় পাচার করে আনতে শুরু করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফার্নান্দো পো আফ্রিকার অন্যতম উৎপাদনশীল কৃষি অঞ্চলে পরিণত হয়।[]

উপনিবেশের অবসান

[সম্পাদনা]

স্পেনীয় গিনির যুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক ইতিহাস তিনটি স্বতন্ত্র পর্যায়ে বিভক্ত। ১৯৪৬ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত, এটি "উপনিবেশ" থেকে "প্রদেশ" হিসেবে উন্নীত হয়, কারণ পর্তুগিজ সাম্রাজ্য এটি দখল করার আগ্রহ দেখিয়েছিল। ১৯৬০ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত স্পেন আংশিক স্বাধীনতার একটি ব্যবস্থা চালু করার চেষ্টা করে যাতে প্রদেশটি স্পেনীয় ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে বজায় থাকে। তবে গিনির জনগণের অব্যাহত ঔপনিবেশিক-বিরোধী কার্যকলাপের কারণে এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। ১৯৬৮ সালের ১২ অক্টোবরে স্পেন বিষুবীয় গিনি প্রজাতন্ত্রের স্বাধীনতা মঞ্জুর করে। ফ্রান্সিসকো মাকিয়াস এনগুয়েমা দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন।[১০]

ঔপনিবেশিক জনসংখ্যা

[সম্পাদনা]
১৯২৪ সালের ২০ পয়সার ডাকটিকিট

স্পেনীয় গিনির উপনিবেশের জনসংখ্যা সামাজিকভাবে স্তরভিত্তিক ছিল (দাসপ্রথা বিলুপ্ত হওয়ার আগে)। এই ব্যবস্থা কিছুটা ফরাসি, ব্রিটিশ এবং পর্তুগিজ উপনিবেশগুলোর মতো ছিল:[১১]

  1. পেনিনসুলারস — শ্বেতাঙ্গ স্পেনীয় জনগোষ্ঠী, যাদের অভিবাসন স্পেনীয় সরকারের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল।
  2. এমানসিপাদোস — কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকান জনগোষ্ঠী, যারা স্পেনীয় ক্যাথলিক শিক্ষার মাধ্যমে পেনিনসুলারদের সংস্কৃতিতে একীভূত হয়েছিল। তাদের মধ্যে অনেকে ছিল মুক্ত কিউবান দাসদের বংশধর, যারা স্পেনের রাজকীয় আদেশ অনুযায়ী ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮৪৫ (স্বেচ্ছাসেবী) ও ২০ জুন ১৮৬১ (নির্বাসিত) সালে আফ্রিকায় পুনর্বাসিত হয়েছিল। এই গোষ্ঠীর মধ্যে মেস্তিজো (আদিবাসী-ইউরোপীয়) এবং মুলাটো (আফ্রিকান-ইউরোপীয়) বংশোদ্ভূত ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যারা শ্বেতাঙ্গ পিতার স্বীকৃতি পেয়েছিল।[১২]
  3. ফার্নান্দিনোস — ক্রেওল জনগোষ্ঠী, যারা বহুজাতিক বা বহুজাতিগত ছিল এবং স্পেনীয় গিনির ফার্নান্দো পো (বর্তমান বিওকো) দ্বীপের স্থানীয় পিজিন ইংরেজি ভাষায় কথা বলত।
  4. "পৃষ্ঠপোষকতার অধীনে রঙিন ব্যক্তি" — এই গোষ্ঠীতে অধিকাংশ আদিবাসী কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকান জনগোষ্ঠী অন্তর্ভুক্ত ছিল, পাশাপাশি যেসব মেস্তিজো ও মুলাটোরা শ্বেতাঙ্গ পিতার স্বীকৃতি পায়নি এবং যারা আমেরিকা থেকে নির্বাসিত হয়েছিল। গিনির আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে বেশিরভাগই ছিল বুবি এবং বান্টু জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে রিও মুনির ফাং জাতিগোষ্ঠী।
  5. অন্যান্য — মূলত নাইজেরীয়, ক্যামেরুনীয়, হান চীনা এবং ভারতীয় জনগোষ্ঠী, যারা চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিল এবং একপ্রকার বাধ্যতামূলক শ্রম ব্যবস্থার অধীনে কাজ করত।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Hubert de Vries (১১ নভেম্বর ২০০৮)। "Guinea Ecuatorial"www.hubert-herald.nl। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০২৩টেমপ্লেট:Reliable source?
  2. "Fernando Po", Encyclopædia Britannica, 1911.
  3. 1 2 William Gervase Clarence-Smith, 1986 "Spanish Equatorial Guinea, 1898-1940", in The Cambridge History of Africa: From 1905 to 1940 Ed. J. D. Fage, A. D. Roberts, & Roland Anthony Oliver. Cambridge: Cambridge University Press>"The Cambridge History of Africa, Volume 7~ from 1905 to 1940 (0521225051, 1986)"। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩
  4. Clarence-Smith, William G. "African and European Cocoa Producers on Fernando Po, 1880s to 1910s." Journal of African History 35 (1994): 179-179.
  5. Sundiata, Ibrahim K. From Slaving to Neoslavery: the Bight of Biafra and Fernando Po in the Era of Abolition, 1827-1930, Madison, WI: Univ of Wisconsin Press, 1996.
  6. "Slavery Conditions in Liberia"The Times। ২৭ অক্টোবর ১৯৩০। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০২৩[পূর্ণ তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
  7. 1 2 Enrique Martino (২০১২)। "Clandestine Recruitment Networks in the Bight of Biafra: Fernando Pó's Answer to the Labour Question, 1926–1945" (পিডিএফ)International Review of Social History৫৭: ৩৯–৭২। ডিওআই:10.1017/S0020859012000417। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০২৩
  8. Pélissier, René. Los Territorios Espanoles De Africa. Madrid: Consejo Superior de Investigaciones Científicas, 1964.
  9. Nerín, Gustau. "La última selva de España:" antropófagos, misioneros y guardias civiles. Crónica de la conquista de los Fang de la Guinea Española, 1914–1930 (The last jungle of Spain: cannibals, missionaries and civil guards. Chronicle of the conquest of the Fang of Spanish Guinea, 1914–1930), Catarata, 2010.
  10. Campos, Alicia. "The decolonization of Equatorial Guinea: the relevance of the international factor", Journal of African History (2003): 95–116.
  11. Justo Bolekia Boleká (২০০৫)। "Panorama de la literatura en español en Guinea Ecuatorial"Instituto Cervantes (স্পেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০২৩
  12. Espacio, Tiempo y Forma, Serie V, Hª Contemporánea, t. 11, 1998, págs. 113-138, "Penología e indigenismo en la antigua Guinea española" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১১-০৫-৩০ তারিখে, Pedro María Belmonte Medina