স্তানিস্লাভ আসিভ
স্তানিস্লাভ আসিভ Станіслав Асєєв | |
|---|---|
| জন্ম | ১ অক্টোবর ১৯৮৯[১] দোনেৎস্ক, ইউক্রেনীয় এসএসআর, সোভিয়েত ইউনিয়ন |
| ছদ্মনাম | স্তানিস্লাভ ভাসিন |
| পেশা | ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক |
| জাতীয়তা | ইউক্রেনীয় |
| উল্লেখযোগ্য রচনা | দ্য টর্চার ক্যাম্প অন প্যারাডাইস স্ট্রীট |
| উল্লেখযোগ্য পুরস্কার |
ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ |
স্তানিস্লাভ আসিভ [ক] ( ইউক্রেনীয়: Станіслав Володимирович Асєєв ; জন্ম: ১ অক্টোবর ১৯৮৯) একজন ইউক্রেনীয় লেখক, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী এবং জাস্টিস ইনিশিয়েটিভ ফান্ডের প্রতিষ্ঠাতা। [২] তিনি রুশ-ইউক্রেনীয় যুদ্ধের একজন অভিজ্ঞ সৈনিক। তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ হলো "দ্য টর্চার ক্যাম্প অন প্যারাডাইস স্ট্রিট " (২০২০) উপন্যাস। ২০১৪ সালের মে মাসে তার জন্মস্থান দোনেৎস্ক রাশিয়ান জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেলেও তিনি সেখানেই থেকে যান। ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত আসিভ মিরর উইকলি সংবাদপত্র এবং অন্যান্য ইউক্রেনীয় গণমাধ্যমে তার প্রতিবেদন ( স্তানিস্লাভ ভাসিন ছদ্মনামে) প্রকাশ করেছিলেন। ২০১৭ সালের ২ জুন তিনি নিখোঁজ হন। ১৬ জুলাই দোনেৎস্ক গণপ্রজাতন্ত্রের (ডিপিআর) রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের একজন এজেন্ট নিশ্চিত করেন যে তাকে ডিপিআরের জঙ্গিরা অপহরণ করেছে। [৩] [৪] [৫]
ব্যাপক আন্তর্জাতিক সমর্থন সত্ত্বেও আসিভকে ১৫ বছরের [৬] কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং তাকে ৯৬২ দিন ইজোলিয়াতসিয়া কারাগারে কাটাতে হয়। ২০১৯ সালের ২৯শে ডিসেম্বর বন্দি বিনিময়ের অংশ হিসেবে তাকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। [৭]
জীবনী
[সম্পাদনা]আসিভের জন্ম ১৯৮৯ সালে দোনেৎস্ক শহরে। ২০০৬ সালে তিনি মাকিভকা শহরের মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ করেন এবং দোনেৎস্ক ন্যাশনাল টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেটিক্স অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে কোর্সে ভর্তি হন। সেখানে তিনি ২০১২ সালে ধর্মশাস্ত্রে অনার্স সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
বিংশ শতাব্দীর ফরাসি এবং জার্মান তত্ত্ববিদ্যা ছিল তার দার্শনিক আগ্রহের বিষয়গুলির মধ্যে একটি।
ইউনোস্ট ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি জীবনী অনুসারে, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার পর আসিভ প্যারিসে যান, যেখানে তিনি ফরাসি বিদেশী সৈন্যবাহিনীতে চাকরির জন্য আবেদন করেন, তারপর ইউক্রেনে ফিরে আসেন এবং লোডার, ব্যাংকে ইন্টার্ন, কবর খননকারী, একটি মেইলিং কোম্পানিতে অপারেটর এবং দোকান সহকারীর মতো বিভিন্ন পেশায় কাজ করেন। [৮]

দোনেৎস্কে সাংবাদিকতা
[সম্পাদনা]২০১৪ সালে রুশপন্থী জঙ্গিদের দোনেৎস্ক দখল করার পর আসিভ সেখানেই থেকে গিয়েছিলেন। তিনি তার উপন্যাস এবং সংবাদ প্রতিবেদনে ডনবাসের যুদ্ধ এবং দখলের অধীনে তার জীবন বর্ণনা করেছেন।
আসিভ রুশ সামরিক বাহিনী এবং রুশপন্থী জঙ্গিদের দখলে থাকা অঞ্চল থেকে প্রতিবেদন করার জন্য আসিভ স্তানিস্লাভ ভাসিন ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় এবং স্বঘোষিত ডিপিআরের বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর ব্যাপক নির্যাতনের কারণে তিনি ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন। আসিভের অবস্থান স্পষ্টভাবে ইউক্রেনীয়-পন্থী ছিল না (বিশ্লেষকরা প্রায়শই তাকে "দেশপ্রেমের অভাব" বা "রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির অপরিপক্কতা"-য় অভিযুক্ত করতেন)। ডিপিআর-এর অপরাধ উন্মচনকারী তার এই প্রতিবেদনগুলিতে প্রজাতন্ত্রের জঙ্গিদের যুদ্ধাপরাধ, ডনবাসে রাশিয়ান কার্যকলাপ এবং ইউক্রেনীয়পন্থী প্রতিরোধের বিবরণ অন্তর্ভুক্ত ছিল।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন][ তথ্যসূত্র প্রয়োজন ]

২০১৫ সালে তার প্রতিবেদন ইউক্রেইনস্কা প্রাভদায় প্রকাশিত হয়েছিল। ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তিনি মিরর উইকলির একজন সংবাদদাতা ছিলেন, যা একটি উল্লেখযোগ্য ইউক্রেনীয় সংবাদপত্র যেখানে তিনি ১৪টি নিবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন। এছাড়াও ২০১৬-২০১৭ সালে তিনি মার্কিন সরকার নিয়ন্ত্রিত রেডিও লিবার্টির জন্য প্রায় ৫০টি নিবন্ধ এবং ফটো-প্রতিবেদন লিখেছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন][ তথ্যসূত্র প্রয়োজন ]
অপহরণ
[সম্পাদনা]আসেয়েভের শেষ প্রতিবেদনটি ছিল আরএফই/আরএল-এর "ডনবাস রিয়ালিটিস" প্রকল্পের জন্য, যা ২ জুন ২০১৭ তারিখে পাঠানো হয়েছিল (এটি সত্যিই তিনি লিখেছিলেন কিনা, নাকি অপহরণকারীদের চাপে লেখা হয়েছে তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে)। তার ফেসবুক পেজ কিছু সময়ের জন্য সক্রিয় ছিল তবে সম্ভবত অন্য কেউ সেটি পরিচালনা করতেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন][ তথ্যসূত্র প্রয়োজন ]
দোনেৎস্কের কাছে মাকিভকাতে বসবাসকারী আসিভের মা, তার অ্যাপার্টমেন্টে গিয়ে অবৈধ প্রবেশ এবং তল্লাশির চিহ্ন দেখতে পান। [৯]
তার সহপাঠী এবং প্রাক্তন এমপি ইয়েহোর ফিরসভ ৬ জুন আসিভের নিখোঁজ হওয়ার খবর প্রকাশ করেন এবং রাশিয়া-সমর্থিত জঙ্গিদের অপহরণের অভিযোগ আনেন। পরে ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিষেবা, ইউক্রেনে জাতিসংঘের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ মিশন এবং ইউক্রেন সাংবাদিক ইউনিয়ন এই বিষয়ে মন্তব্য করে। আসিভ অপহরণের এই ঘটনা ছিল ন্যাক্কারজনক(nn)। [৪]
২০১৭ সালের ১৬ই জুলাই ডিএনআর-এর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের একজন এজেন্ট আসিভের মাকে নিশ্চিত করেন যে তার ছেলে তাদের হেফাজতে রয়েছে এবং তাকে গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে আটক করা হয়েছে। ডিএনআর-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে স্বাধীন গণমাধ্যমকে রিপোর্ট করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। [৫]
২০১৮ সালের জুলাই মাসে বন্দী অবস্থায় আসিভ অনশন শুরু করেছিলেন বলে জানা যায়। [১০]
২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে ডিএনআর-এর সুপ্রিম কোর্ট আসিভকে একটি চরমপন্থী গোষ্ঠী সংগঠিত করা, গুপ্তচরবৃত্তি এবং গুপ্তচরবৃত্তিতে প্ররোচনা দেওয়া এবং ডিএনআরের আঞ্চলিক অখণ্ডতা নষ্ট করার লক্ষ্যে জনসমক্ষে কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে; তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাংবাদিকের মুক্তির জন্য #FreeAseyev নামে একটি আন্তর্জাতিক প্রচারণা শুরু হয়েছিল। ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে সক্রিয় এই প্রচারণা কর্তৃপক্ষ, পেশাদার সম্প্রদায় এবং মানবাধিকার কর্মীদের সমর্থন লাভ করেছিল। ২০১৯ সালের ১৫ই নভেম্বর তার মুক্তির কয়েক সপ্তাহ আগে এই প্রচারণার শেষ কর্মসূচি পালিত হয়েছিল। "খালি চেয়ার দিবসে" কিয়েভ, [১১] লিভিভ, ক্রামাতোর্স্ক, নিউ ইয়র্ক, [১২] রোম এবং লন্ডনে মানুষজন জড়ো হয়েছিল। [১৩]
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস, ইউরোপীয় ফেডারেশন অফ জার্নালিস্টস, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, নরওয়েজিয়ান হেলসিঙ্কি কমিটি, ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থা, পেন ইন্টারন্যাশনাল, রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স এবং ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থার মার্কিন মিশন তার অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে। [৫] [১৪] [১৫] [১৬] [১৭] [১৮] [১৯] মার্কিন সিনেটর বব মেনেনডেজ এবং মার্কো রুবিও আসিভের প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়েছেন। [২০]
স্তাস আসিভ এবং তার কম পরিচিত সহকর্মী ওলেহ হালাজিউককে (ডিপিআর, লুহানস্ক গণপ্রজাতন্ত্রী এবং ইউক্রেনের মধ্যে একটি বিতর্কিত বন্দী বিনিময়ের অংশ হিসাবে) মুক্তি দেওয়া হয় এবং ২০১৯ সালের ২৯শে ডিসেম্বর ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। [৭]
রাজনৈতিক কার্যকলাপ
[সম্পাদনা]
মুক্তির পাওয়ার পর আসিভ রাশিয়া এবং অধিকৃত অঞ্চলগুলিতে অবৈধ কারাগারে বন্দীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে একটি সক্রিয় সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান গড়ে তোলেন। ২০২০ সালের ২৯শে জানুয়ারি আসিভ ইউরোপ কাউন্সিলে একটি বক্তৃতা দেন যেখানে তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার জন্য রাশিয়ার উপর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান। [২১] ২০২০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এই সাংবাদিক মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তৃতা দেন, যেখানে তিনি বন্দীদের উপর জঙ্গিদের অমানবিক আচরণ সম্পর্কে কথা বলেন। [২২]
২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী আসিভ দোনেৎস্ক অঞ্চলের অধিকৃত অঞ্চলগুলিতে অবশিষ্ট বন্দীদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করার জন্য রেডিও লিবার্টির প্রাগ অফিসে মার্কিন সিনেটরদের একটি দলের সাথে দেখা করেন।[২৩]
পালিচের মামলা
[সম্পাদনা]
আইজোলিয়াতসিয়া কারাগার থেকে মুক্তির দেড় বছর পর আসিভ জানতে পারেন যে কারাগারের প্রধান কমান্ড্যান্ট ডেনিস কুলিকোভস্কি ওরফে পালিচ, কিয়েভে স্বাধীনভাবে বসবাস করছেন। ক্রিস্টো গ্রোজেভ এবং অবসরপ্রাপ্ত ইউক্রেনীয় বিশেষ পরিষেবা কর্নেল রোমান চেরভিনস্কির সাথে একত্রে আসিভ একটি তদন্ত পরিচালনা করেন যার ফলে কিয়েভে পালিচের ঠিকানা আবিষ্কার হয় এবং ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিষেবা তাকে গ্রেপ্তার করে।
বর্তমানে পালিচ-কুলিকোভস্কি কিয়েভের একটি আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ১৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। [২৪]
ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী
[সম্পাদনা]
২০২৩ সালে আসিভ ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীতে পদাতিক সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন। ২০২৪ সালে ডনবাসে যুদ্ধ চলাকালীন আসিভ আঘাত পান এবং কিছুকাল হাসপাতালে কাটানোর পর তিনি আবার ফ্রন্টে ফিরে আসেন। [২৫] দুই মাস পর আসিভ আবারও তার ঘাড় এবং বুকে মাইন-শার্পনেলের আঘাত পান, যার কারণে তাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। [২৬]
২০২৪ সালের শরতে বন্দিদশা থেকে মুক্তির প্রেক্ষিতে আসিভকে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অব্যহতি কারণ ছিল ক্ষতির কারণে তার ব্যাটালিয়ন ভেঙে দেওয়া এবং আসিভকে প্রধান গোয়েন্দা অধিদপ্তরে স্থানান্তরের আদেশ প্রত্যাখ্যান করা। তাঁর সেবার জন্য তাঁকে ব্রিগেড ক্রস প্রদান করা হয়েছিল। [২৭]
সেদনায়া কারাগার
[সম্পাদনা]
আসিভ ছিলেন প্রথম ইউক্রেনীয় সাংবাদিক যিনি সিরিয়ার সেদনায়া মৃত্যু শিবির থেকে প্রতিবেদন করেছিলেন। তিনি দামেস্কে পৌঁছান ইউক্রেনের প্রধান গোয়েন্দা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে, যারা সিরিয়া থেকে ইউক্রেনীয় নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। এরপর আসিভ সেদনায়া কারাগারে যান এবং সেখান থেকে একটি চিত্র প্রতিবেদন তৈরি করেন। তিনি ছিলেন প্রথম ইউক্রেনীয় যিনি বাশার আল-আসাদের শাসনামলে সেই কারাগারের ভয়াবহতার কথা জাতীয় গণমাধ্যমে তুলে ধরেন।[২৮][২৯]
সাহিত্য
[সম্পাদনা]অবৈধ আটক এবং কারাবাসের আগে আসিভ একটি গদ্য রচনা প্রকাশ করেছিলেন - আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস দ্য মেলচিওর এলিফ্যান্ট, অর আ ম্যান হু থট (রুশ ভাষায়)। এটি প্রথমে মস্কোতে ইউনোস্ট ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিল (#১— #৬, ২০১৫) এবং পরের বছর কিয়েভের কায়ালা ( ইউক্রেনীয়: Каяла ) প্রকাশনা সংস্থা থেকে হার্ডকভারে প্রকাশিত হয়। ইউনোস্ট-এর সম্পাদক ইয়েভগেনি মালভিচের মতে: "তার দৃষ্টিভঙ্গি সাংবাদিকের মতো নয়, এমনকি একজন লেখকের মতোও নয়, বরং তিনি একজন তরুণ দার্শনিক। তার উপন্যাসে স্তানিস্লাভ নিজের ভেতরকে বাইরে নিয়ে এসে, একটি ছোট শহরের জগৎ এবং দেশকে দ্বিখণ্ডিত করে দেওয়া যুদ্ধের চিত্র তুলে ধরেন"। [৩০]

রাশিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় সেখানে শত্রুতা শুরু থেকে তার জন্মস্থান ডনবাস অঞ্চলে থাকাকালীন, আসিভ ভাসিন ছদ্মনামে বিশিষ্ট ইউক্রেনীয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পরিস্থিতি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন পাঠাতেন। " ইন আইসোলেশন" (ইউক্রেনীয় এবং রুশ ভাষায়) শিরোনামে সংকলিত প্রতিবেদনের একটি বই তিনি বন্দী থাকা অবস্থায় প্রকাশিত হয়েছিল।
মুক্তি পাওয়ার পর আসিভ "দ্য টর্চার ক্যাম্প অন প্যারাডাইস স্ট্রিট" (ইউক্রেনীয় ভাষায়) শিরোনামে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি অবৈধ কারাগার আইজোলিয়াতসিয়া-তে তার সময়কাল এবং রুশ-নিয়ন্ত্রিত প্রশাসনের হাতে বন্দীদের উপর যে দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা হয়েছিল তার বর্ণনা দিয়েছেন।
পুরস্কার
[সম্পাদনা]- ফ্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০২০ [৩১]
- জাতীয় মত প্রকাশের স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২০ [৩২]
- তারাস শেভচেঙ্কো জাতীয় পুরস্কার (শেভচেঙ্কো পুরস্কার) ২০২১ [৩৩]
- সাহসিকতার জন্য ডায়ানা অর্টিজ পুরস্কার ২০২৩ [৩৪]
- এনএনডব্লিউ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব পুরস্কার "দ্য ডোর টু ফ্রিডম" [৩৫]
- পরিষেবার জন্য ব্রিগেড ক্রস [৩৬]
- স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪[৩৭]
কাজ
[সম্পাদনা]- Шестой день: сб. поэм, рассказов и стихов / Станислав Владимирович Асеев. — Донецк: Норд-Пресс, 2011. — 207 с. — আইএসবিএন ৯৭৮-৯৬৬-৩৮০-৪৮০-৪[৩৮] (রুশ ভাষায়)
- Андерхилльские ведьмы: драма: в 2 ч. Проза / Станислав Владимирович Асеев. — Донецк: Донбасс, 2011. — 228 с. — আইএসবিএন ৯৭৮-৬১৭-৬৩৮-০৬৫-৮[৩৮] (রুশ ভাষায়)
- Мельхиоровый слон, или Человек, который думал: Роман-автобиография / С. Асеев // Юность. — 2015. — No. 1—6.(রুশ ভাষায়)
- Мельхиоровый слон, или Человек, который думал: роман-автобиография / Станислав Асеев. — Киев : Каяла, 2016. — 267 с. — আইএসবিএন ৯৭৮-৬১৭-৭৩৯০-০৫-২[৩৮] (রুশ ভাষায়)
- В ізоляції / Станіслав Асєєв, тексти, фото; передм. Мар'яни Драч, Сергія Рахманіна, Дмитра Крапивенка; ілюстр. Сергія Захарова // К.: Люта справа, 2018. — 208 с. — আইএসবিএন ৯৭৮-৬১৭-৭৪২০-১৮-৬
- আইসোলেশন: অধিকৃত ডনবাস থেকে পাঠানো খবর (২০২২) লিডিয়া ওলানস্কি কর্তৃক অনূদিত। কেমব্রিজ: হার্ভার্ড ইউক্রেনিয়ান রিসার্চ ইনস্টিটিউট।আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৭৪-২৬৮৭৮-৪
- স্তানিস্লাভ আসিভ (২০২০)। Svitlyĭ Shli͡akh: istorii͡a odnoho kont͡staboru [আলোকময় পথ: একটি কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের ইতিহাস] (রুশ ভাষায়)। Viktoriia Stakh কর্তৃক অনূদিত (1st সংস্করণ)। লিভিভ: The Old Lion। আইএসবিএন ৯৭৮-৬১৭-৬৭৯-৮৫৪-৫। ওসিএলসি 1389777078। ওএল 43803667M। Wikidata Q107392599।
- স্তানিস্লাভ আসিভ (২০২১), The Torture Camp on Paradise Street (ইংরেজি ভাষায়), Nina Murray; Zenia Tompkins কর্তৃক অনূদিত, লিভিভ: The Old Lion, Wikidata Q107392497
- দ্য টর্চার ক্যাম্প অন প্যারাডাইস স্ট্রিট, (২০২২) যেনিয়া টম্পকিন্স এবং নিনা মারে কর্তৃক অনূদিত। কেমব্রিজ, ম্যাসাচুসেটস: হার্ভার্ড ইউক্রেনিয়ান রিসার্চ ইনস্টিটিউট।আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৭৪-২৯১০৭-২ (hardcover)
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ আসিয়েভ হিসেবেও বর্ণান্তরিত করা হয়।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Журналіст Асєєв вже другий день народження відзначає в полоні бойовиків
- ↑ "Justice Initiative Fund"। ১ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ Serhiy, Rahmanin। "The land of Stas" (ইউক্রেনীয় ভাষায়)। Mirror Weekly। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- 1 2 "Ukraine Journalists Union Asks OSCE For Help Locating Missing Blogger"। Radio Free Europe/Radio Liberty। ১২ জুন ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- 1 2 3 "Urgent Action: Imprisoned Journalist Must Be Released" (পিডিএফ) (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Amnesty International। ২১ জুলাই ২০১৭। ১০ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮।
- ↑ "Ukrainian Journalist Stanislav Aseev Sentenced to 15 Years in Occupied Donbas"। en.hromadske.ua। ২২ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২০।
- 1 2 Zoria, Yuri (২৯ ডিসেম্বর ২০১৯)। "Ukraine swaps 127 prisoners including defendants of Maidan massacre to 76 Ukrainians held in occupied Donbas ·"। Euromaidan Press। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ "texts from Yunost magazine on poezia.ru web-site" (রুশ ভাষায়)। poezia.ru। ২০ জুন ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ Зникнення Станіслава Васіна (ইউক্রেনীয় ভাষায়)। Radio Free Europe/Radio Liberty। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Ukrainian Blogger Held By Russia-Backed Separatists Declares Hunger Strike"। RadioFreeEurope/RadioLiberty (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ জুলাই ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Solidarity Day #FreeAseyev action on November 15th"। imi.org.ua (ইংরেজি ভাষায়)। Institute of Mass Information। ৬ নভেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ "Empty Chair Day: Day of action to support Stanislav Aseyev"। PEN America (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ নভেম্বর ২০১৯। ১১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ "Sentsov joins campaign in support of Aseyev in London"। www.ukrinform.net (ইংরেজি ভাষায়)। Ukrinform। ১৬ নভেম্বর ২০১৯।
- ↑ "OSCE Representative calls for immediate release of Donetsk journalist Stanislav Aseev one year after his illegal detention" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Organization for Security and Co-operation in Europe। ১ জুন ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- ↑ "The land of Stas"। Radio Free Europe/Radio Liberty। ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "EFJ calls again for immediate release of Donetsk journalist Stanislav Aseev" (ইংরেজি ভাষায়)। European Federation of Journalists। ২১ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "Украина: Блогер удерживается про-российскими сепаратистами" (রুশ ভাষায়)। Human Rights Watch। ১৮ জুলাই ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Stanislav Aseyev's Detention Approaches Two-Year Mark Amid Global Please for His Release" (ইংরেজি ভাষায়)। PEN America। ৩১ মে ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "US at OSCE urges to release Stanislav Aseyev and other imprisoned Ukrainians" (ইংরেজি ভাষায়)। Ukrinform। ৪ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "Where Are..." (ইংরেজি ভাষায়)। Radio Free Europe/Radio Liberty। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯। ১৮ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০১৯।
- ↑ "Асєєв у Раді Європи попросив натиснути на Москву"। www.ukrinform.ua (ইউক্রেনীয় ভাষায়)। ৩০ জানুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ "4th Ukrainian Lunch "Ukraine – Moving Ahead" on the Margins of the Munich Security Conference (Live)"। YouTube। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- ↑ Свобода, Радіо (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Асєєв попросив сенаторів США сприяти звільненню решти ув'язнених на окупованому Донбасі"। Радіо Свобода (ইউক্রেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ "How «Isolation» chief torturer «Palych» fell into the hands of Ukrainian justice and what happened afterwards"।
- ↑ "Ukrainian writer Stanislav Aseyev injured on front line"।
- ↑ "Ukrainian writer-turned-soldier Aseyev suffers shrapnel injuries"। ২ জুলাই ২০২৪।
- ↑ @AseyevStanislav (১৩ অক্টোবর ২০২৪)। "Dear friends, as you know, our battalion ceased to exist, so I was faced with three options..." (টুইট) – টুইটার এর মাধ্যমে।
- ↑ Асєєв, Станіслав (২৩ ডিসেম্বর ২০২৪)। "Седная – табір смерті імені Башара Асада"। Радіо Свобода।
- ↑ https://x.com/AseyevStanislav/status/1870417651194896465?s=19
- ↑ Malevich, Yevgeniy। "Yunost's editor met the students of the Gomel State University" (রুশ ভাষায়)। Правда Гомель। ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০২৫।
- ↑ "Stanislav Aseyev - Ukraina"। Fritt Ord (নরওয়েজিয়ান বোকমাল ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ "Донецький журналіст Асєєв - лауреат Національної премії за захист свободи слова"। Ukrinform (ইউক্রেনীয় ভাষায়)। ১১ মার্চ ২০২০।
- ↑ Морі, Євгеній (৯ মার্চ ২০২১)। "Шевченківська премія-2021: стали відомі імена переможців"। Суспільне | Новини (ইউক্রেনীয় ভাষায়)।
- ↑ "Stanislav Aseev Otrimav Premiu za Zahis Prav Ludini v Ukraini ta za ii Mezami"। suspilne.media।
- ↑ @AseyevStanislav (৩০ আগস্ট ২০২৩)। "With gratitude I received the award "The Door to Freedom" of NNW International Film Festival - for courage in fighting for freedom." (টুইট) – টুইটার এর মাধ্যমে।
- ↑ @AseyevStanislav (১৩ অক্টোবর ২০২৪)। "I was also awarded the Brigade Cross by its commander, a great honor." (টুইট) – টুইটার এর মাধ্যমে।
- ↑ https://suspilne.media/crimea/927083-stanislava-aseeva-i-olgu-skripnik-nagorodili-miznarodnou-premieu-freedom-award-2024/
- 1 2 3 "Національна бібліотека України імені В. І. Вернадського. Пошук за автором"। Національна бібліотека України імені В. І. Вернадського।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- মিরর উইকলি ওয়েবসাইটে স্ট্যানিস্লাভের লেখক পাতা
- আরএফই/আরএল-এ স্ট্যানিস্লাভের প্রকাশনার তালিকা এবং সাংবাদিকের অন্তর্ধান সম্পর্কে সম্পাদকীয় বার্তা
- প্রথম সাক্ষাৎকারের পর