স্টু গিলেস্পি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
স্টু গিলেস্পি
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামস্টুয়ার্ট রস গিলেস্পি
জন্ম (1957-03-02) ২ মার্চ ১৯৫৭ (বয়স ৬৪)
ওয়াঙ্গানুই, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ১৫৭)
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৫২)
১১ জানুয়ারি ১৯৮৬ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই২০ জানুয়ারি ১৯৮৮ বনাম অস্ট্রেলিয়া
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১৯ ৩৬ ৬১
রানের সংখ্যা ২৮ ৭০ ৫৯৯ ৩২৫
ব্যাটিং গড় ২৮.০০ ১১.৬৬ ১৪.৯৭ ১০.৮৩
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ০/৩ ০/৯
সর্বোচ্চ রান ২৮ ১৮* ৭৩ ২৫
বল করেছে ১৬২ ৯৬৩ ৬,২৮৩ ১,৯৮৩
উইকেট ২৩ ৯৯ ৭৭
বোলিং গড় ৭৯.০০ ৩২.০০ ২৭.১৬ ২৫.৭৫
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - - -
সেরা বোলিং ১/৭৯ ৪/৩০ ৫/৩০ ৪/৩০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/- ৭/- ১৮/- ১৯/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২২ অক্টোবর ২০২০

স্টুয়ার্ট রস গিলেস্পি (ইংরেজি: Stu Gillespie; জন্ম: ২ মার্চ, ১৯৫৭) ওয়াঙ্গানুই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।[১][২][৩]

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস এবং ইংরেজ ক্রিকেটে নর্দাম্বারল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন স্টু গিলেস্পি

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৭৯-৮০ মৌসুম থেকে ১৯৮৮-৮৯ মৌসুম পর্যন্ত স্টু গিলেস্পি’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। মাঝে-মধ্যে মিডিয়াম পেস বোলিং করতেন স্টু গিলেস্পি। নিচেরসারির ব্যাটসম্যান ছিলেন। সাধারণ মানের খেলোয়াড়ী জীবনে তুলনামূলকভাবে বেশ দেরীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ পান।

১৯৭৯-৮০ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন। এ মৌসুমটিই তার সেরা মৌসুমরূপে চিত্রিত হয়ে যায়। ২২.১৭ গড়ে ৪৫ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। চার বছর নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের পক্ষে খেলার পর অকল্যান্ডের দিকে ধাবিত হন। এ পর্যায়ে মূলতঃ একদিনের খেলায় অংশ নিতেন ও সাধারণ মানের সফলতা পান।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্ট ও ঊনিশটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন স্টু গিলেস্পি। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬ তারিখে ওয়েলিংটনে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। অন্যদিকে, ১১ জানুয়ারি, ১৯৮৬ তারিখে ব্রিসবেনে ভারত দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। ২০ জানুয়ারি, ১৯৮৮ তারিখে সিডনিতে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি।

মূলতঃ সিম বোলার হিসেবে খেলতেন স্টু গিলেস্পি। তবে, নিজের একমাত্র ইনিংসে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে খেলে ২৮ রান তুলতে পেরেছিলেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব সিরিজ কাপে ১৩ উইকেট লাভ করেছিলেন। এরপরই তাকে টেস্ট দলে খেলার জন্যে মনোনীত করা হয়। তবে, পূর্ববর্তী দুই মৌসুমে তিনি কেবলমাত্র দুইটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ঐ টেস্টে তিনি ১/৭৯ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। ফলশ্রুতিতে, তাকে আর দলে রাখা হয়নি। একই মৌসুমে সফররত অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে ৬০-এর অধিক গড়ে তিন উইকেট পেলে তাকে বাদ দেয়া হয়।

১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত বেনসন এন্ড হেজেস সিরিজে বিস্ময়করভাবে তাকে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ২০.৩৮ গড়ে ১৩ উইকেট পান। ফলশ্রুতিতে, ঐ গ্রীষ্মের শেষদিকে ওয়েলিংটনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলার জন্যে মনোনীত হন। স্মরণীয় কিছু অবদান রাখতে পারেননি।

১৯৮৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় তাকে নিউজিল্যান্ড দলে রাখা হয়নি। তবে, ঐ প্রতিযোগিতার পরপরই বিশ্ব সিরিজ কাপে তাকে খেলানো হয়। আট খেলার সবকটিতে অংশ নিয়ে তিনি সাত উইকেট পান। সিরিজের চূড়ান্ত খেলায় তার পরিবর্তে রিচার্ড হ্যাডলিকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়।

এরপর আর তাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে দেখা যায়নি। পরের মৌসুমে ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেন তিনি। টেস্ট দল থেকে প্রত্যাখ্যাত হলেও আরও দুইটি একদিনের সিরিজে অংশ নেন। কিন্তু, দলে স্থান লাভে ব্যর্থ হলে অবসর গ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. List of New Zealand Test Cricketers
  2. "New Zealand Test Batting Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২০ 
  3. "New Zealand Test Bowling Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]