সৈয়দ মুহাম্মদ আবেদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

মুহাম্মদ আবেদ দেওবন্দি (১৮৩৪-১৯১২, উর্দু : محمد عابد دیوبندی) ছিলেন দারুল উলূম দেওবন্দের প্রথম আচার্য এবং এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। তিনি হাজী আবেদ হোসেন নামেও পরিচিত। [১]

মুহাম্মদ আবেদ দেওবন্দি
محمد عابد دیوبندی
হাজী মুহাম্মদ আবেদ রহঃ.png
ব্যক্তিগত
জন্ম১৮৩৪
মৃত্যু১৯১২(1912-00-00) (বয়স ৭৭–৭৮)
ধর্মইসলাম
জাতীয়তাব্রিটিশ ভারত
উল্লেখযোগ্য কাজদারুল উলুম দেওবন্দ

জন্ম ও জীবন[সম্পাদনা]

হাজী সৈয়দ মুহাম্মদ আবিদ ভারতের সাহারানপুর জেলার দেওবন্দে ১৮৩৪ খ্রিস্টাব্দে (১২৫০ হিজরি) সৈয়দ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। কুরআন তেলওয়াত শিক্ষা সমাপ্তির পর তিনি ফারসি অধ্যয়ন শুরু করেন। পরে তিনি ইসলাম ধর্মের উচ্চতর পড়াশোনার জন্য দিল্লিতে চলে যান। তবে তিনি তাসাউফের সাথে চরম সংযুক্তির কারণে তাঁর পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি। তিনি মিয়া জি করিম বখশ রামপুরী এবং হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কির কাছ থেকে খেলাফত (আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার) পেয়েছিলেন ।

হাজী মোহাম্মদ আবিদ দারুল উলূম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাওলানা কাসেম নানুতুবির সাথে যোগ দিয়েছিলেন। মাওলানা নানুতুবির দৃষ্টি ছিল একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা, যা ইসলাম ধর্মের একটি নিয়মতান্ত্রিক ও ব্যাপক শিক্ষার ব্যবস্থা করতে পারে। যদিও প্রথমদিকে হাজী সৈয়দ মোহাম্মদ আবিদ এই মিশনের ব্যাপারে রাজি ছিলেন না। তবে মাওলানা কাসেম নানুতুবির অনেক জেদের পরে এবং ওনার এক বৃহৎ ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উৎসাহ দেখে হাজী মুহাম্মদ আবেদ তার মিশনে যোগ দিতে রাজি হয়েছিলেন এবং পরিণত হন দারুল উলূম দেওবন্দের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে।[২][৩][৪]

আধ্যাত্মিকতা[সম্পাদনা]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

তিনি ১৯১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ৮১ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সৈয়দ মাহবুব রিজভি। "আরবাব-ই-এহতেমাম"। হিস্টোরি অব দ্য দার আল-উলুম দেওবন্দ (২য় খণ্ড) (PDF)। অধ্যাপক মুরতাজ হুসাইন এফ. কুরাইশী কর্তৃক অনূদিত (১৯৮১ সংস্করণ)। ইদারা-ই-এহতেমাম, দারুল উলুম দেওবন্দ। পৃষ্ঠা ১৬৪—১৭৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০২০ 
  2. "Arbab-e-Ihtemam (Vice Chancellors) Page One"www.darululoom-deoband.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-২৮ 
  3. "FORMER RECTORS list"dud.edu.in। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-২৮ 
  4. ড. নওয়াজ দেওবন্দি। আকাবিরে দেওবন্দ: জীবন ও কর্ম। আনোয়ার লাইব্রেরি।