সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া
জন্ম(১৯৩৩-০১-১৭)১৭ জানুয়ারি ১৯৩৩
মৃত্যু৩১ মে ১৯৯৬(1996-05-31) (বয়স ৬৩)
পেশাসাংবাদিক, রাজনীতিবিদ
সন্তান
পুরস্কারএকুশে পদক (২০১৬)

সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া (১৭ জানুয়ারি ১৯৩৩ - ৩১ মে ১৯৯৬) ছিলেন বাংলাদেশী সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।[১] বাংলা ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০১৬ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।[২]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

গোলাম কিবরিয়া ১৯৩৩ সালের ১৭ই জানুয়ারি মাদারীপুর জেলায় তার নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সৈয়দ মোছাদ্দের আলী এবং মাতা মোসাঃ হাজেরা খাতুন। তিনি মাদারীপুর ইউনাইটেড ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। পরবর্তী কালে তিনি বরিশাল বি.এম. কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন এবং একই কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।[৩]

তিনি ১৯৫১-৫২ সালে বরিশাল বি.এম. কলেজের নির্বাচিত সহ-সভাপতি ছিলেন এবং বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। কিবরিয়া ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলন চলাকালীন বাকেরগঞ্জ জেলা সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ-এর আহ্বায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বে অসহযোগ আন্দোলনেও তিনি নেতৃত্ব দেন। এই সময়ে তিনি গৌরনদী থানা সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।[৩]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

কিবরিয়া দৈনিক আজাদ ও দৈনিক ভোরের কাগজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘকাল তিনি সাপ্তাহিক দুর্জয় পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।[৩]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

তার চার কন্যা ও তিন পুত্র সন্তান রয়েছে।[৩] তিনি ১৯৯৬ সালের ৩১শে মে মৃত্যুবরণ করেন।[৪]

পুরস্কার[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া"দৈনিক যুগান্তর। ৩ জুন ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০১৯ 
  2. "একুশে পদক পাচ্ছেন ১৬ জন"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  3. ইকবাল, মুহম্মদ (২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)। "ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১৯ 
  4. "সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ গোলাম কিবরিয়ার ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল"। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। ৩০ মে ২০১৪।