সেসেলিয়া জয়েস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সেসেলিয়া জয়েস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামসেসেলিয়া নোরা ইসোবেল মেরি জয়েস
জন্ম (1983-07-25) ২৫ জুলাই ১৯৮৩ (বয়স ৩৬)
উইকলো, আয়ারল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি লেগ ব্রেক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক১৪ জুলাই ২০০১ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ ওডিআই১৪ জানুয়ারি ২০১৪ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
টি২০আই অভিষেক২৭ জুন ২০০৮ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ টি২০আই৫ ডিসেম্বর ২০১৫ বনাম বাংলাদেশ
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই টি২০আই
ম্যাচ সংখ্যা ৪৭ ২৮
রানের সংখ্যা ৯৬৫ ৪০৮
ব্যাটিং গড় ২৩.৫৩ ২০.৪০
১০০/৫০ ০/৩ ০/০
সর্বোচ্চ রান ৭৮* ৪১
বল করেছে ১১২ ১৮
উইকেট
বোলিং গড় ১০৪.০০ ৩১.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ১/১২ ১/৩১
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৭/– ৪/১
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো, ৯ ডিসেম্বর ২০১৫

সেসেলিয়া নোরা ইসোবেল মেরি জয়েস (জন্ম: ২৫ জুলাই, ১৯৮৩) উইকলো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী আয়ারল্যান্ডের বিশিষ্ট প্রমিলা ক্রিকেটার।[১] আয়ারল্যান্ড মহিলা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য তিনি। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতে ব্যাটিং করে থাকেন। পাশাপাশি লেগ স্পিন বোলিংয়েও পারদর্শিতা দেখিয়েছেন সেসেলিয়া জয়েস[১]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৪ জুলাই, ২০০১ তারিখে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ওডিআইয়ে তার অভিষেক ঘটে। এছাড়াও, সিরিজের তৃতীয় খেলায় অংশ নেন। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশীপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন।[২] জুলাই, ২০০৩ সালে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত আইডব্লিউসিসি ট্রফিতে দলের সদস্য ছিলেন।[৩] পরের বছর ডাবলিনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি ওডিআইয়ে খেলেন।[২] ২০০৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ক্রিকেট বিশ্বকাপে আইরিশ ক্রিকেটের প্রতিনিধিত্ব করেন।[৪] এছাড়াও তিনি ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে[২] এবং ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশীপে খেলেন।[৫] ২০০৬ সালে ভারত ও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে দু’টি করে মোট চারটি ওডিআইয়ে অংশ নেন।[২]

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

জুলাই, ২০০১ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।[২] আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে এ পর্যন্ত ৪৭টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন। একদিনের আন্তর্জাতিকে জয়েস ২৩.৫৩ গড়ে সর্বমোট ৯৬৫ রান তুলেছেন। ২০১০ সালের নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নিজস্ব সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭৮* তুলেছেন।[১][৬] এছাড়াও, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বোলিং করে একমাত্র উইকেটটি তুলেছেন।[৭]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ক্রিকেট পরিবার থেকে জয়েস এসেছেন। তার যমজ বোন ইসোবেল আয়ারল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে খেলছেন। ক্রীড়ানুরাগী পরিবারের সন্তান জয়েসের অন্য তিন ভাই - ডমিনিক, এড ও গাস সকলেই আয়ারল্যান্ডের পুরুষ ক্রিকেট দলে খেলছেন। তন্মধ্যে, এড ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলে প্রতিনিধিত্ব করেন।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]