সেপ ব্ল্যাটার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সেপ ব্ল্যাটার
২০০৯ সালে সেপ ব্ল্যাটার
৮ম ফিফা'র সভাপতি
দায়িত্ব
অধিকৃত অফিস
৮ জুন, ১৯৯৮
পূর্বসূরী জোয়াও হ্যাভেল্যাঞ্জ
উত্তরসূরী চলমান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম জোসেফ এস. ব্ল্যাটার
(১৯৩৬-০৩-১০) ১০ মার্চ ১৯৩৬ (বয়স ৭৯)
ভিস্প, ভ্যালেইজ, সুইজারল্যান্ড
জাতীয়তা সুইস
দাম্পত্য সঙ্গী গ্রাজাইলা বিয়াঙ্কা
সন্তান কোরিন ব্ল্যাটার
বাসস্থান জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
অধ্যয়নকৃত শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান
ইউনিভার্সিটি অব লাউজ্যান

জোসেফ এস. ব্ল্যাটার (জন্মঃ ১০ মার্চ, ১৯৩৬) সুইজারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ফুটবল প্রশাসক হিসেবে পরিচিত। তবে বিশ্বফুটবল জগতে তিনি সেপ (গিউসেপ) ব্ল্যাটার নামেই অধিক পরিচিত হয়ে আছেন। বিশ্ব ফুটবল সংস্থা ফিফা'র বর্তমান সভাপতি তিনি।

ফিফা[সম্পাদনা]

১৯৭৫ সাল থেকে তিনি ফিফায় কর্মরত আছেন। প্রথমতঃ ব্ল্যাটার ১৯৭৫-১৯৮১ সাল পর্যন্ত টেকনিক্যাল ডিরেক্টর, ১৯৮১-১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সেপ ব্ল্যাটার ফিফা'র ৮ম সভাপতি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ৮ জুন, ১৯৯৮ সালে তিনি ফিফা'র সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন ও জোয়াও হ্যাভেল্যাঞ্জের স্থলাভিষিক্ত হন। পরবর্তীতে ২০০২ পুণরায় নির্বাচিত হন তিনি। পুণরায় চার বছর মেয়াদে ৩১ মে, ২০০৭ সালে ফিফা সদস্যভূ্ক্ত ২০৭ দেশের মধ্যে মাত্র ৬৬ সদস্য তাকে মনোনীত করে।[১] ২০১১ সালে আবারো তিনি সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।

বিতর্ক[সম্পাদনা]

পরপর চার মেয়াদে ফিফা সভাপতি হলেও ব্ল্যাটার প্রায়শঃই বিতর্কজালে নিজেকে জড়িয়েছেন। তন্মধ্যে - ২০০২ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে আর্থিক তছরূপ, ভোট বাণিজ্যে অর্থ প্রদান, আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনসোমালী ফুটবল ফেডারেশনের কাছ থেকে অর্থগ্রহণ অন্যতম।

২০০৪ সালে ব্ল্যাটার মহিলা ফুটবল নিয়ে বক্তব্য প্রদান করে ব্যাপক সমালোচনার মুখোমুখি হন।[২] তিনি বলেছিলেন যে,

আরো মহিলা খেলোয়াড় সৃষ্টি করা উচিত। তাদেরকে আরো আটোসাঁটো ও স্বল্প পোষাক পরিধান করা উচিত। এতে করে আরো পুরুষ দর্শক আকৃষ্ট হয়ে মাঠে আসবে ও গণমাধ্যমে আলোচিত হবে।

সম্পৃক্ততা[সম্পাদনা]

ব্ল্যাটার বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন মানবধর্মী প্রকল্পে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। ১৯৯৮ সালে প্রথমবারের মতো সভাপতি হিসেবে নির্বাচনে বিজয়ী হবার পর শিশুদের অধিকার শীর্ষক জনসচেতনামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন। তিনি ফুটবলকে কেন্দ্র করে সামাজিক অবদানের মাধ্যমে বিশ্বে পিছিয়ে পড়া, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি ফুটবলের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষা, চরিত্র গঠন ও বিজয়ের মনোভাব, একে-অপরকে সম্মান করা, নিয়মানুবর্তিতা প্রভৃতি বিষয়কে সম্পৃক্ততা করার কথা তুলে করেন।[৩] তাঁর আদর্শ ও নীতিবোধ হচ্ছে -

ফুটবল সকলের জন্য, সকলের জন্য ফুটবল।

সম্মাননা[সম্পাদনা]

সেপ ব্ল্যাটার নিম্নলিখিত পুরস্কার ও সম্মাননা লাভের অধিকারী হয়েছেন -

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Blatter set for third FIFA term"। BBC Online। ২০০৭-০৪-০২। সংগৃহীত ২০০৭-০৪-০৩ 
  2. Christenson, Marcus (২০০৪-০১-১৬)। "Soccer chief's plan to boost women's game? Hotpants"। London: the Guardian। সংগৃহীত ২০০৭-০২-০৯ 
  3. About the President fifa.com. Retrieved 25 November 2011
  4. Jennings, Andrew (২০০৭)। Foul! The Secret World of FIFA: Bribes, Vote Rigging and Ticket ScandalsHarperSport। পৃ: 244–245। আইএসবিএন 978-0-00-720869-2 
  5. Jennings, Andrew (২০০৭)। Foul! The Secret World of FIFA: Bribes, Vote Rigging and Ticket ScandalsHarperSport। পৃ: ২০০। আইএসবিএন 978-0-00-720869-2 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

ক্রীড়া অবস্থান
পূর্বসূরী
জোয়াও হ্যাভেল্যাঞ্জ
ফিফা সভাপতি
১৯৯৮-বর্তমান
উত্তরসূরী
নির্ধারিত হয়নি