সৃষ্টিকর্মের প্রকার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

শিল্পকলা, বিনোদন ও যোগাযোগ মাধ্যমের আলোচনায় সৃষ্টিকর্মের প্রকার বলতে পাঠক-শ্রোতা-দর্শকের উপভোগের জন্য সৃষ্ট বিভিন্ন পাঠ্য, শ্রাব্য বা দৃশ্য সৃষ্টিকর্মের একটি প্রকারভেদ, ধরন বা শ্রেণীকে নির্দেশ করা হয়, যেটির অন্তর্ভুক্ত সৃষ্টিকর্মগুলির বিষয়, আখ্যাবস্তু, রচনাকৌশল, গঠন, শৈলী, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, ইত্যাদি একই প্রকৃতির হয়ে থাকে।[১][২] একে ইংরেজি ও ফরাসিতে "জঁর" (Genre) বলা হয়। সাধারণত একটিমাত্র বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে কোনও প্রকারকে সংজ্ঞায়িত করা সম্ভব হয় না; বরং একাধিক পুনরাবৃত্ত বিষয়গত, শৈলীগত, গাঠনিক, যোগাযোগমূলক, নান্দনিক, ক্রিয়ামূলক বা আলংকারিক উপাদানের একটি সমষ্টির ভিত্তিতে একটি প্রকারকে সংজ্ঞায়িত করা হয়। সৃষ্টিকর্মের প্রকারগুলি বহুকাল ধরে সৃষ্টিকর্তা বা শিল্পী ও পাঠক-শ্রোতা-দর্শকদের মধ্যে আন্তঃক্রিয়া ও সমঝোতার মধ্য দিয়ে গঠিত রীতিনীতি ও নিয়মকানুনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। সৃষ্টিকর্মের কোনও কোনও প্রকার বিশ্বজনীন হতে পারে, আবার কোনও কোনও প্রকার নির্দিষ্ট দেশ, অঞ্চল, জাতি, সম্প্রদায় বা সংস্কৃতির অভ্যন্তরে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। সৃষ্টিকর্মের কোনও কোনও প্রকার কঠোর নিয়মকানুন ও রীতিনীতি মেনে চলতে পারে, আবার অন্য কোনও কোনও প্রকার সুসংজ্ঞায়িত না-ও হতে পারে। অনেক সময় সৃষ্টিকর্মের প্রকারগুলির একাধিক উপপ্রকার (সাবজঁর Subgenre) থাকতে পারে। অনেক সময় একই সৃষ্টিকর্ম একাধিক প্রকারের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Genre"collinsdictionary.com 
  2. "Genre"lexico.com (Oxford)