বিষয়বস্তুতে চলুন

সূর্যকান্তা পাতিল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সূর্যকান্তা পাতিল
सुर्यकांता पाटील
২০০৬ সালে সূর্যকান্তা পাতিল
গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ভারত সরকার
কাজের মেয়াদ
২০০৪ - ২০০৯
প্রধানমন্ত্রীমনমোহন সিং
পূর্বসূরীভেঙ্কাইয়া নাইডু
উত্তরসূরীআগাথা সাংমা (গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রক)
ভি. নারায়ণস্বামী (সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
সংসদ সদস্য, লোকসভা
কাজের মেয়াদ
২০০৪ - ২০০৯
পূর্বসূরীশিবাজি মানে
উত্তরসূরীসুভাষ ওয়াংখেড়ে
নির্বাচনী এলাকাহিঙ্গোলি
কাজের মেয়াদ
১৯৯৮ - ১৯৯৯
পূর্বসূরীশিবাজি মানে
উত্তরসূরীশিবাজি মানে
নির্বাচনী এলাকাহিঙ্গোলি
কাজের মেয়াদ
১৯৯১  ১৯৯৬
পূর্বসূরীভেঙ্কটেশ কাবদে
উত্তরসূরীগঙ্গাধররাও দেশমুখ-কুন্টুরকর
নির্বাচনী এলাকানান্দেড়
সংসদ সদস্য, রাজ্যসভা
কাজের মেয়াদ
১৯৮৬-৯১
উত্তরসূরীরজনী পাটিল
নির্বাচনী এলাকামহারাষ্ট্র
মহারাষ্ট্র বিধানসভা সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৮০-৮৫
পূর্বসূরীনিবৃত্তিরাও পাওয়ার-জাওয়ালগাঁওকর
উত্তরসূরীবাপুরাও শিন্দে
নির্বাচনী এলাকাহাদগাঁও-হিমায়তনগর
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মসূর্যকান্তা জয়বন্তরাও পাতিল
(1948-08-15) ১৫ আগস্ট ১৯৪৮ (বয়স ৭৮)
ইয়োৎমাল, মহারাষ্ট্র
রাজনৈতিক দলজাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি - শরদচন্দ্র পওয়ার (২০২৪–বর্তমান)
ভারতীয় জনতা পার্টি (২০১৪-২০২৪)
জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি (২০০৪–২০১৪)
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (২০০৪ সাল পর্যন্ত)
দাম্পত্য সঙ্গীআর. বি. মাস্কে[]
সন্তান১ পুত্র এবং ১ কন্যা[]
বাসস্থানভাগ্য নগর, নান্দেড়
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৬ অনুযায়ী
উৎস:

সূর্যকান্তা পাতিল (জন্ম: ১৫ আগস্ট ১৯৪৮)[] হলেন মহারাষ্ট্রের একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। তিনি লোকসভার প্রাক্তন সদস্য। তিনি মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলিনান্দেদের কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।

সূর্যকান্তা জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে, দল থেকে পদত্যাগ করেন এবং ডঃ মাধবরাও কিনহালকরের সাথে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন।[]

তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তিনি মহারাষ্ট্রের নান্দেড় শহরের ওয়াইফানায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৬ সালের ২রা জানুয়ারি আর. বি. মাস্কেকে বিবাহ করেন।[]

সাংবাদিক হিসেবে

[সম্পাদনা]

সূর্যকান্তা মারাঠির একটি দৈনিক গোদাবরী টাইমস–এর সম্পাদক ছিলেন। তিনি ১৯৮০ সাল থেকে জেলা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ছিলেন, এটি অখিল ভারতীয় সাংবাদিক পরিষদের সাথে যুক্ত। তিনি এডিটর লিটারেসি আর্টিস্টিক এবং সায়েন্টিফিক অ্যাকমপ্লিশমেন্ট-এর সাংবাদিক ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবন

[সম্পাদনা]

সূর্যকান্তা নান্দেড়-ওয়াঘালা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কর্পোরেটর হিসেবে কাজ করেছেন।

পার্টির মধ্যে

[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালে সূর্যকান্তা নান্দেড় জেলা কংগ্রেস কমিটির (মহিলা শাখা) সভাপতি হন। তিনি ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৪ পর্যন্ত জেলা যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ডিসিসি (ভারত) নান্দেড়ের প্রতিষ্ঠাতা করেন এবং ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত এর প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৮০ সালে তিনি নান্দেড় পৌর পরিষদের সদস্য হন। ১৯৮০ থেক ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তিনি মহারাষ্ট্র বিধানসভায় হাদগাঁও-হিমায়তনগরের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। ১৯৮১ সালে তিনি অধীনস্থ আইন প্রণয়ন কমিটির সভাপতি হন এবং ১৯৮২ সাল পর্যন্ত এই পদে আসীন ছিলেন। তিনি ১৯৮১-৮৫ সাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের প্রদেশ যুব কংগ্রেস (আই)-এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি সিপিপি কংগ্রেস সংসদীয় দল (আই)-এর নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি প্রদেশ কংগ্রেসের কমিটির সহ-সভাপতি হন এবং ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত এই পদে আসীন ছিলেন।[]

আইনসভায়

[সম্পাদনা]

সূর্যকান্তা ১৯৮৬ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের হয়ে মহারাষ্ট্র নির্বাচনী এলাকা থেকে রাজ্যসভায় সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।[] ১৯৮৮ সালে তিনি পেট্রোলিয়াম ও রাসায়নিক মন্ত্রনালয়ের পরামর্শদাতা কমিটিতে সদস্য হিসেবে স্থান পান। ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি বিধি কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি ইস্পাত ও খনি মন্ত্রণালয় এবং জলসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিন্দি সালাহকর সমিতির সদস্য ছিলেন। তিনি ভূপৃষ্ঠ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে লাইট হাউসের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছিলেন।

১৯৯১ সালে তিনি নান্দেড় লোকসভা কেন্দ্র থেকে দশম লোকসভায় নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৮ সালে দ্বাদশ লোকসভায় (দ্বিতীয় মেয়াদে) তিনি পুনর্নির্বাচিত হন। ১৯৯৮ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তিনি প্রতিরক্ষা কমিটি এবং এর উপ-কমিটি-১-এর সদস্য ছিলেন। তিনি নারীর ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত যৌথ কমিটি এবং নারী সম্পর্কিত ফৌজদারি আইন মূল্যায়ন সংক্রান্ত উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৯৯ সালে তিনি পুনের মহারাষ্ট্র কৃষি শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের (এমসিএইআর) উপ-সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ২০০৪ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন। ২০০৪ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি এনসিপি কোটা থেকে এমপি এবং গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন।[]

বিশেষ আগ্রহ

[সম্পাদনা]

তিনি নারীর সমস্যা সমাধানে, শ্রমিক আন্দোলনে, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং দরিদ্র ও নিপীড়িতদের উন্নয়নের জন্য অগ্রণী ছিলেন। তাঁর প্রিয় বিনোদন হল বই পড়া, গান শোনা এবং প্রকৃতির সান্নিধ্য উপভোগ করা। তিনি খেলাধুলা ভালোবাসেন এবং সাঁতার, শুটিং ও টেবিল-টেনিস তাঁর প্রিয় খেলা। তিনি একজন রাজনৈতিক ও সমাজকর্মী ও ট্রেড ইউনিয়নবাদী।

পরিদর্শন করা দেশ

[সম্পাদনা]

তিনি জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, মিশর, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, নিউজিল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, গুয়াতেমালা, নিকারাগুয়া ইত্যাদি দেশে ভ্রমণ করেছেন।

অন্যান্য তথ্য

[সম্পাদনা]

জনতা দলের শাসন কালে তিনি তিনবার কারাবরণ করেন এবং শাহ কমিশনের সামনে হাজির হন। তিনি পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শদাতা কমিটির সদস্য, নান্দেড়ের পৌর পরিষদের শিক্ষা কমিটির সভাপতি হয়েছেন। ১৯৭৭-৭৮ সালে সালে গঠিত হওয়ার পর থেকে তিনি মহিলা শিল্প বিকাশ সংস্থার সভাপতি, নান্দেড়ের বহুমুখী শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, নান্দেড় জেলার হাদগাঁও তালুকের সূর্যনগর হুতাত্মা জয়বন্তরাও পাতিল সমবায় চিনি কারখানার সভাপতি। ১৯৮৮ সাল থেকে তিনি নান্দেড় জেলা সমবায় গ্রাহক ফেডারেশনের পরিচালক এবং মুম্বাইয়ের মহারাষ্ট্র রাজ্য সমবায় ব্যাংকের পরিচালক।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 4 5 6 7 "Biographical Sketch"India Press। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  2. "Ahead of polls, NCP sees exodus of leaders to Shiv Sena, BJP"। First Post। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১৫
  3. "Rajya Sabha members"। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]