সুরেশ চন্দ যাদব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সুবেদার মেজর (সহকারী কমান্ডার)

সুরেশ চন্দ যাদব

জন্ম(১৯৬১-০৬-০১)১ জুন ১৯৬১
আলওয়ার, রাজস্থান, ভারত
মৃত্যু২৫ সেপ্টেম্বর ২০০২(2002-09-25) (বয়স ৪১)
গান্ধীনগর, গুজরাট, ভারত
আনুগত্য ভারত
সার্ভিস/শাখা ভারতীয় সেনাবাহিনী
কার্যকাল১৯৭৯-২০০২
পদমর্যাদাসুবেদার মেজর (সহকারী কমান্ডার)
সার্ভিস নম্বরJC-56816ZM
ইউনিট১৩ মাহার
ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড
যুদ্ধ/সংগ্রামঅপারেশন বজ্র শক্তি
পুরস্কারAshoka Chakra ribbon.svg অশোক চক্র

সুবেদার মেজর (সহকারী কমান্ডার) সুরেশ চন্দ যাদব, এসি ছিলেন মাহার রেজিমেন্টের একজন ভারতীয় সেনা জুনিয়র কমিশনার অফিসার এবং ৫১ এসএজি এনএসজি-র একজন অফিসার, যিনি অপারেশন বজ্রশক্তিতে তার দুর্দান্ত সাহসিকতার জন্য মরণোত্তরভাবে ভারতের সর্বোচ্চ শান্তিকালীন সামরিক পুুুরস্কার অশোক চক্রকে ভূষিত হয়েছেন।

২০০২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর গুজরাতের অক্ষরধাম মন্দিরে সন্ত্রাসীদের সাথে লড়াই করার সময় তিনি অপারেশন বজ্রশক্তিতে প্রাণ দিয়েছিলেন। [১]

জীবনের প্রথমার্ধ[সম্পাদনা]

তিনি খাতান খেরা, আলওয়ার, রাজস্থানে ১ জুলাই ১৯৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। শ্রী গোকুল রাম যাদব তাঁর পিতা এবং শ্রীমতি দোদি দেবী তাঁর মা ছিলেন।

সামরিক ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

তিনি ১৯৭৯ সালে ভারতীয় সেনার ১৩ মাহার রেজিমেন্টে নামভুক্ত হন। তিনি ডিসেম্বর ২০০১ থেকে ৫১ এনএসজি এসএজে যোগ দিয়েছিলেন।

অপারেশন বজ্র শক্তি[সম্পাদনা]

২৪ সেপ্টেম্বর ২০০২-এ গুজরাটের গান্ধীনগরের অক্ষরধাম স্বামী নারায়ণ মন্দিরে দুটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী প্রবেশ করেছিল। তারা ভারী ফায়ার শুরু করে। সন্ত্রাসীরা ৩০ জনকে কিল মেরে এবং অভিযোগের মধ্যে উপস্থিত ১০ জনেরও বেশি লোককে আহত করে। এই পরিস্থিতিতে এনএসজিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। [২] সহকারী কমান্ড্যান্ট সুরেশ চাঁদ যাদব এই অপারেশনের একটি অংশ ছিলেন। তিনি সন্ত্রাসীদের বিভ্রান্ত করতে এবং সন্ত্রাসীদের আক্রমণ করতে অগ্রসর হওয়া অন্যান্য কমান্ডোদের কভার প্রদানের জন্য একদল কমান্ডো নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। সন্ত্রাসীরা অন্ধকারের আওতায় ছিল। এরই মধ্যে একজন কমান্ডো বন্দুকের গুলি পেয়েছিল, যাদব তার ব্যক্তিগত সুরক্ষা না নিয়েই ভারী ফায়ারের কবলে পড়ে এগিয়ে যায় এবং কমান্ডোকে নিরাপদে সরিয়ে দেয়। তাঁর

কমান্ডারং ভারী ফায়ারের কবলে পড়েছিলেন। যাদব তাঁর দলের কমান্ডারকে কভার ফায়ার দেওয়ার জন্য এগিয়ে গেলেন। তিনি তার দল কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছিলেন তিনি সে গ্রেনেড লুফে নিয়ে সন্ত্রাসীর দিকে গুলি চালান। তিনি সন্ত্রাসীদের সরাসরি গুলির কবলে পড়েছিলেন। তার সাহসী কাজের জন্য দলের বাকি দলগুলি নিরাপদে সন্ত্রাসীদের দিকে আক্রমণ করছিল। তিনি যখন সন্ত্রাসীর কাছ থেকে পাঁচ মিটার দূরে ছিলেন তখন তিনি তাঁর মুখমুখি শত্রুদের় গুলির আঘাতে গুরুতর আহত হন। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়া সত্ত্বেও তিনি সন্ত্রাসীর কাছাকাছি এসে় সন্ত্রাসীটিকে হত্যা করেছিলেন। তিনি আহত হয়ে় শহীদ হন এবং জাতির জন্য জীবন উৎসর্গ করেন। [৩][৪]

অশোক চক্র পুরস্কার প্রাপ্ত[সম্পাদনা]

অপারেশন বজ্র শক্তিতে তাঁর সাহসিকতা, অসাধারণ নেতৃত্ব এবং জাতির জন্য ত্যাগের জন্য সহকারী কমান্ড্যান্ট সুরেশ চাঁদ যাদবকে ভারতের সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্বের পুরস্কার অশোক চক্র প্রদান করা হয়েছিল । তিনি তাঁর মা শ্রীমতী দোদি দেবী, পিতা শ্রী গোকুল রাম যাদব, স্ত্রী শ্রীমতী চন্দ্রা এবং তিন সন্তানের নাম সুনিতা, মনোজ কুমার এবং সন্দীপ সিংহ এর মধ্যে জীবিত রয়েছেন। [৫][৬]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Akshardham hero honoured with Ashok Chakra"The Times of India। ২৬ জানু ২০০৩। 
  2. "3 hurdles that cramped commandos"The Telegraph। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০২। 
  3. Ashoka Chakra Recipient 
  4. "Suresh Chand Yadav"National Security Guard 
  5. "494 armed forces personnel selected for awards"The Tribune। ২৬ জানুয়ারি ২০০৩। 
  6. "Subedar Major (Assistant Commandant) Suresh Chand Yadav"Gallantry Awards