সুজাতা সাহু
সুজাতা সাহু | |
|---|---|
| জন্ম | সুজাতা সেশন ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৬৮ নেভেলি, তামিলনাড়ু, ভারত |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| শিক্ষা | গণিতে বিজ্ঞান স্নাতক, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে স্নাতকোত্তর, পুনে (ভারত) বিশ্ববিদ্যালয় |
| পেশা | শিক্ষক দাতব্য কর্মীতে পরিবর্তিত |
| পরিচিতির কারণ | লাদাখ অঞ্চলে স্কুল শিক্ষায় সহায়তা প্রদান |
| দাম্পত্য সঙ্গী | সন্দীপ সাহু |
| সন্তান | হংস সাহু, নিখিল সাহু, সিদ্ধান্ত সাহু, অনুষ্কা সাহু এবং নীরজ সাহু। |
| পিতা-মাতা | আর আই সেশন, আইএএফ থেকে অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর (পিতা) গিরিজা সেশন (মা) |
| ওয়েবসাইট | www |
সুজাতা সাহু একজন ভারতীয় সামাজিক উদ্যোক্তা। একজন শিক্ষিকা হিসেবে কাজ করার পর, তিনি ১৭০০০ ফিট ফাউণ্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন লাদাখ এবং সিকিমের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে স্কুলের অবস্থার উন্নতির জন্য। এই বেসরকারি সংস্থাটি প্রত্যন্ত সীমান্তবর্তী স্কুলগুলিতে লাইব্রেরি, খেলার মাঠ এবং ডিজিল্যাব প্রদানের মাধ্যমে পুরো স্কুলের রূপান্তর এবং তার পাশাপাশি শিক্ষকদের কঠোর প্রশিক্ষণের প্রকল্প গ্রহণ করেছে। সুজাতা সাহুকে তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৫ সালের নারী শক্তি পুরস্কার এবং ২০১৯ সালের ডব্লিউটিআই (ভারত রূপান্তরকারী নারী) পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]সুজাতা সাহু নয় বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করেছিলেন এবং তারপর গুরগাঁওয়ে চলে আসেন এবং দিল্লির এনসিআরের শ্রী রাম স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। সেখানে তিনি গণিত এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়াতেন।[১][২][৩] ২০১০ সালের জুন মাসে, তিনি লাদাখে একাকী ট্রেকিংয়ে গিয়েছিলেন। যখন তিনি অতি-উচ্চতায় পৌঁছে ফুসফুসের শোথ অনুভব করেন, তখন তিনি একটি প্রত্যন্ত গ্রামে সুস্থ হওয়ার জন্য থামেন।[৩] সেখানকার পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করার পর, তিনি স্থানীয় স্কুলের শিশুদের জন্য উন্নত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নেন।[১]
১৭০০০ ফুট ফাউণ্ডেশন
[সম্পাদনা]২০১১ সালে, সুজাতা সাহু তাঁর স্বামী সন্দীপ সাহু এবং দাওয়া জোরার সাথে ১৭০০০ ফুট ফাউণ্ডেশন তৈরি করেছিলেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭,০০০ ফুট ওপরে তাঁদের করা একটি ট্রেকের নামানুসারে তাঁরা এই এনজিওটির নামকরণ করেছেন।[১] স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা পরিচালিত একটি গবেষণার মাধ্যমে তাঁরা লাদাখ জুড়ে ৬০০টি স্কুলকে চিহ্নিত ক'রে তাদের মানচিত্র তৈরি করেছেন। ফাউণ্ডেশনটি ১৪০টি স্কুলে খেলার মাঠ প্রদান করেছে এবং ২৩০টি স্কুলে লাইব্রেরি দান করেছে, যেখানে হিন্দু, ইংরেজি এবং উর্দুতে বই বিতরণ করা হয়েছে। যেহেতু লাদাখি ভাষা ভোটিতে কোনও বই ছিল না, তাই ২০১৫ সালে ফাউণ্ডেশনটি অনুবাদের জন্য অর্থায়ন করে এবং ২১,০০০ গল্পের বই সরবরাহ করে।[১] ২০১৩ সালে, ফাউণ্ডেশনটি ভলানট্যুর প্রোগ্রাম চালু করে, যেখানে স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষকদের স্কুলের সাথে মেলানো হয়।[৪] প্রতি বছর প্রতি স্কুলে একজন করে স্বেচ্ছাসেবক রাখা হয়েছে।[৫] সামাজিক উদ্যোগের জন্য সুজাতা সাহু ২০১৫ নারী শক্তি পুরস্কার পেয়েছেন।[২] ২০১৯ সালে, নীতি আয়োগ তাঁকে উইমেন ট্রান্সফর্মিং ইণ্ডিয়া পুরস্কারে ভূষিত করে।[২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 Chakrabarty, Roshni (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)। "This Iron Lady's haunting Ladakh trek is helping her transform govt schools at 17000 ft"। India Today (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২১।
- 1 2 3 Joshi, Komal (২৪ জুলাই ২০২০)। "Making Education and Technology Reach the Remote Villages of Ladakh"। The Stories Of Change। ২৭ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২১।
- 1 2 Pais, Nichola। "Sujata Sahu: Transforming lives of thousands of children in remote Ladakh"। Scoo News (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ Burman, Partho (৮ নভেম্বর ২০১৪)। "A teacher treks to a high altitude desert, only to reach out to underprivileged students"। The Weekend Leader (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ Ramesh, Rashmi (১৯ মে ২০১৮)। "Take a break, opt for some 'me-time': Brilliant options to make solo travel a dream"। The Economic Times। ১২ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২১।