সুজাতা মনোহর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মাননীয় বিচারপতি
সুজাতা ভি. মনোহর
ভাারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক
কাজের মেয়াদ
৮ নভেম্বর ১৯৯৪ – ২৭ আগস্ট ১৯৯৯
কেরালা উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি
কাজের মেয়াদ
২১ এপ্রিল ১৯৯৪ – ০৭ নভেম্বর ১৯৯৪
বোম্বে উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি
কাজের মেয়াদ
১৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ – ২০ এপ্রিল ১৯৯৪
বোম্বে উচ্চ আদালতের বিচারপতি
কাজের মেয়াদ
২৩ জানুয়ারি ১৯৭৮ – ১৪ এপ্রিল ১৯৯৪
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1934-08-28) ২৮ আগস্ট ১৯৩৪ (বয়স ৮৪)
বোম্বর
নাগরিকত্বভারতীয়
জাতীয়তা ভারত
পিতামাতাবিচারপতি কে. টি. দেশাই (পিতা)
শিক্ষাবি.এ. (Oxon.), ব্যারিষ্টার
প্রাক্তন শিক্ষার্থীলেডি মার্গারেট হল, অক্সোফোর্ড
ধর্মহিন্দু
ওয়েবসাইটSupreme Court of India

সুজাতা ভাসসান্ত মনোহর (জন্ম ২৮ আগস্ট ১৯৩৪) হচ্ছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক (১৯৯৯ সালে অবসরপ্রাপ্ত) এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এর সাবেক সদস্য।[১][২][৩][৪]

প্রারম্ভের জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

মনোহর একটি আইনি পেশার সঙ্গে জড়িত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন - তার পিতা কান্তিলাল ঠাকুরদাস দেশাই গুজরাট উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। তিনি মুম্বাইয়ের এরপিনস্টোন কলেজ থেকে স্নাতক হন, এবং পরেলেডি মার্গারেট হল, অক্সফোর্ড যান সেখানে তিনি দর্শন, রাজনীতি এবং অর্থনীতি অধ্যয়ন করেন।[৫]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

অক্সফোর্ডের পরে, তাকে লিংকন'স ইন বারে ঢাকা হয় এবং তিনি বার পরিক্ষায় ১ম ও ২য় পত্রে প্রথম বারেই পাশ করেন। ভারতে ফিরে এসে তিনি ১৯৫৮ সালে বোম্বে উচ্চ আদালতে অনুশীলন শুরু করেন। তিনি প্রাথমিকভাবে বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে কাজ করেছিলেন, কিন্তু আইনি সহায়তা পরিকল্পনার অধীনে অনেক পারিবারিক আইন মামলাও গ্রহণ করেন। এর আগে ভারতে একটি আনুষ্ঠানিক রাজ্য আইনি সহায়তা কর্মসূচী ছিল, তাই তিনি স্বেচ্ছায় ৩০ টি বেসরকারি সংস্থার সাথে নিজেকে যুক্ত করেন।[৬]

প্রায় ২০ বছর অনুশীলন করার পর, ১৯৭৮ সালে বোম্বে উচ্চ আদালতের বিচারক নিযুক্ত হন তিনি, এবং সেই আদালতের প্রথম মহিলা বিচারক হন। ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে, তিনি বোম্বে উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন, এই পদে অধিষ্ঠিত প্রথম নারী। ১৯৯৪ সালের এপ্রিল মাসে তাকে কেরালা উচ্চ আদালত এর প্রধান বিচারপতি হিসাবে স্থানান্তর করা হয়, আবারও সেই পদে অধিষ্ঠিত প্রথম নারী তিনি। ১৯৯৪ সালের (নভেম্বর) শেষে, উচ্চ আদালতের বিচারক হিসাবে ১৬ বছর দায়িত্ব পালনের পর, তিনি ভারতের সর্বোচ্চ আদালত ভারতের সুপ্রিম কোর্ট-এর, বিচারক নিযুক্ত হন, সেই পদ থেকে ১৯৯৯ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।[৭]

বিচারক হিসাবে, তিনি রাজনৈতিক ও জনসাধারণের চাপের বিরুদ্ধে আইনের শাসন রক্ষায় দৃঢ়ভাবে স্বাধীন অবস্থান গ্রহণ করেন[৮]

অবসর গ্রহণের পর তাকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে নিযুক্ত করা হয়। তিনি লেডি মার্গারেট হল, অক্সফোর্ডের সম্মানীয় সহকর্মী এবং লন্ডনের লিঙ্কন ইন এর সম্মানীয় বেঞ্চার (ইংল্যান্ডের আইনজীবী সম্প্রদায়ের প্রভাবশালী সদস্য)। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কমনওয়েলথ আইন সাময়িকির পৃষ্ঠপোষক।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]