সুইচগিয়ার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে শর্ট সার্কিট এবং অন্যান্য ত্রুটিজনিত ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষিত করার জন্য পূর্বে থেকেই ব্যবস্থা নিতে হয় আর এ কাজের জন্য সুইচগিয়ার ব্যবহার করা হয় , যার সাহায্যে ক্ষতিকারক প্রভাব নিয়ন্ত্রনে রাখা যায় এবং স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক অবস্থায় বৈদ্যুতিক সিস্টেমকে ‘চালু’ বা ‘বন্ধ’ করে দেওয়া যায়। তাছাড়া সুইচগিয়ারকে সাধারনভাবে বলতে গেলে এটি এক প্রকার সুইচিং ডিভাইস এবং একিসাথে সংশ্লিস্ট নিয়ন্ত্রন ,আরক্ষ ও মাপার সরঞ্জাম বসানোর কাঠামো ,কক্ষ ও কানেকশনের সমষ্টিকে বোঝায় ।

সুইচগিয়ার এর গুরুত্ব[সম্পাদনা]

সুইচগিয়ার দ্বারা কোন একটি বা একক জিনিসকে বোঝায় না । এটি বৈদ্যুতিক সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যকলাপের সংযোগকারী , বিচ্ছিন্নকারী , রক্ষণাবেক্ষণকারী ,নিয়ন্ত্রণকারী , পাঠদানকারী ও ভারসাম্য রক্ষাকারী যন্ত্রপাতির সহঅবস্থানকে বোঝায় । তাছাড়া নিজেদের মধ্যে সংযোগ ব্যবস্থা ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতির সহঅবস্থানের ব্যাবস্থাপনাকেও বোঝায় । এর প্রধান দুটি উপাদান হলো – রিলে ও সার্কিট ব্রেকার । এছাড়াও অন্যান্য উপাদানগুলো হল- সি.টি , পি.টি , বাসবার , কন্ডাক্টর ও ট্রিপিং মেক্যানিজম ইত্যাদি । বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবস্থাকে সম্পুর্নরুপে ত্রুটিমুক্ত করা সম্ভব নয় তবে ত্রুটির পরিমান কমিয়ে সিস্টেমে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব । অস্বাভাবিক অবস্থায় যেকোনো বিপদের হাত থেকে সিস্টেমে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তথা গোটা সিস্টেমকে রক্ষা করার জন্য খুব দক্ষ ও নিখুতভাবে কম সময়ে ভালো অংশকে ত্রুটিপূর্ণ অংশ থেকে আলাদা করার ব্যবস্থাকে প্রটেকশন স্কীম বলে । ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ শক্তির চাহিদা পূরনের জন্য বর্তমানে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারন সিস্টেম ব্যবহার করে সিস্টেমের ক্ষমতা বর্ধিত করা হচ্ছে । বর্ধিত ক্ষমতায় পুরো ব্যবস্থাকে সঠিকসময়ে ত্রুটির কবল থেকে রক্ষা করার জন্য সুইচগিয়ার এবং প্রটেকটিভ ডিভাইসসমুহের কার্যকরী ব্যবহার অপরিহার্য । [১]

সুইচগিয়ারের তালিকা[সম্পাদনা]

ভোল্টেজ অনুযায়ী সুইচগিয়ার ২ প্রকার ।

• এলটি সুইচগিয়ার , • এইচটি সুইচগিয়ার ।

ব্যবহারিক ক্ষেত্র অনুযায়ী সুইচগিয়ারকে আবার ২ ভাগে ভাগ করা যায় ।

• ইনডোর সুইচগিয়ার , • আউটডোর সুইচগিয়ার । [২]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

সুইচগিয়ার এর উপাদানসমূহ[সম্পাদনা]

• সুইচ , সুইচ আবার দুই প্রকার । যথাঃ –

  •  এয়ার সুইচ ,
  •  অয়েল সুইচ ।

ফিউজ , • সার্কিট ব্রেকার , • রিলে , • বাসবার , • ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার , • কন্ডাক্টর , • কারেন্ট ট্রান্সফরমার, • ভোল্টেজ ট্রান্সফরমার, • ট্রিপিং যন্ত্রপাতি ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. মোঃ নুরুল হক এবং খন্দকার শফিকুল ইসলাম সুইচগিয়ার এন্ড প্রটেকশন’’ একাদশ সংস্করণ, প্রকাশকাল- ১ ফেব্রুয়ারী - ২০১৭, হক পাবলিকেশন ( ১.২ অনুচ্ছেদ- পৃষ্ঠা ১৭).
  2. মোঃ নুরুল হক এবং খন্দকার শফিকুল ইসলাম সুইচগিয়ার এন্ড প্রটেকশন’’ একাদশ সংস্করণ, প্রকাশকাল- ১ ফেব্রুয়ারী - ২০১৭, হক পাবলিকেশন ( ১.৩ অনুচ্ছেদ- পৃষ্ঠা ১৮).