বিষয়বস্তুতে চলুন

সিভিল সার্ভিস ইসলামিক সোসাইটি, যুক্তরাজ্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সিভিল সার্ভিস ইসলামিক সোসাইটি
Civil Service Islamic Society
সংক্ষেপেCSIS, সিএসআইএস
প্রতিষ্ঠিতফেব্রুয়ারি ২০০৫ (2005-02)
ধরনঅরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবামূলক, সিভিল সার্ভিস
উদ্দেশ্যইসলামি মতামত, আন্তধর্মীয় সংলাপ
অবস্থান
সভাপতি
আজাদ আলী
অ্যাম্বাসেডর
গাস ও'ডনেল

সিভিল সার্ভিস ইসলামিক সোসাইটি (CSIS) একটি ব্রিটিশ অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক সোসাইটি, যা মূলধারার ইসলামি মতামতের প্রতিনিধিত্ব করে। সিভিল সার্ভিস ইসলামিক সোসাইটি ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবামূলক সংগঠন, যা যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় সরকারের ইসলামি মতামতের প্রতিনিধিত্ব করে।[][] এই সংস্থার লক্ষ্য হলো সিভিল সার্ভিসের উপকারে আন্তধর্মীয় সাধারণ মূল্যবোধের ভিত্তিতে কাজ করা।[] এটির মিশন হলো ইসলামের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোর ওপর প্রভাব বিস্তার এবং মুসলিম কর্মীদের ক্ষমতায়ন করা, যাতে এটি মূলধারার ইসলামি বিষয়াবলীর প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করতে পারে। এই সংগঠনের প্যাট্রন ও অ্যাম্বাসেডর হলেন গাস ও'ডনেল এবং সভাপতি হলেন আজাদ আলী।[][]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

সিভিল সার্ভিস ইসলামিক সোসাইটি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি সিভিল সার্ভিসের মধ্যে সততা, নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতার মূলনীতি মেনে কাজ করে। সংগঠনটি সরকারের মধ্যে মুসলিম কর্মচারীদের জন্য একটি মডারেট এবং ভারসাম্যপূর্ণ কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করে। CSIS-এর সদস্যপদ সকল মুসলিম সিভিল সার্ভেন্টদের জন্য উন্মুক্ত, যারা সংগঠনের সংবিধান এবং উদ্দেশ্যের সাথে একমত। বর্তমানে সদস্যপদ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক এবং অ্যাম্বাসেডর হলেন স্যার গাস ও’ডোনেল, যিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক ক্যাবিনেট সেক্রেটারি এবং হোম সিভিল সার্ভিসের প্রধান ছিলেন। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট হলেন আজাদ আলী।[][]

কার্যক্রম

[সম্পাদনা]

CSIS বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসবের মধ্যে সিভিল সার্ভিসের মধ্যে ইসলাম সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রচার এবং ভুল ধারণা দূর করা, মুসলিম কর্মচারীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নীতিগুলোর উপর প্রভাব বিস্তার করা এবং আন্তঃধর্মীয় সহযোগিতার দিয়ে মধ্যে সাধারণ মূল্যবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রভৃতি কাজের দিকে বেশি মনোযোগ দেয়। এটি প্রতিবছর রমজানের জন্য ম্যানেজারদের জন্য নির্দেশিকা এবং নামাজের কক্ষ সংক্রান্ত গাইডলাইন প্রকাশ করে থাকে। ইফতার, দাতব্য অনুষ্ঠান এবং আন্তঃধর্মীয় সেমিনারের মতো ইভেন্ট আয়োজন করে থাকে। সরকারি নীতিগুলোতে মুসলিম সম্প্রদায়ের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।[]

CSIS সিভিল সার্ভিসের মধ্যে মুসলিম কর্মচারীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এটি কর্মক্ষেত্রে ধর্মীয় বৈচিত্র্য উদযাপন এবং মুসলিম কর্মীদের জন্য ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করে। সংগঠনটি বিভিন্ন সরকারি বিভাগের সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে নীতি প্রণয়নে অবদান রাখে এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব বাড়ায়

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "News"। Civil Service। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১৩
  2. 1 2 Gardham, Duncan (১২ জুলাই ২০০৯)। "Muslim who justified killing British troops back at Treasury"The Daily Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১৩
  3. 1 2 Phillips, Melanie (২০১১)। Londonistan: How Britain Created a Terror State within। Gibson Square Books Ltd। পৃ. ১৬৯। আইএসবিএন ৯৭৮-১৯০৮০৯৬২৭২
  4. Richards, Paul (২ জুলাই ২০০৯)। "Civil Service fails the Islamist challenge"The Jewish Chronicle। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১৩
  5. Kemp, Arthur (২০১১)। Headline: The Best of BNP News Volume IILulu.com। পৃ. ৪০। আইএসবিএন ৯৭৮-১৪০৯২৮৯৯৫১

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]