গৌতম বুদ্ধ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(সিদ্ধার্থ গৌতম থেকে পুনর্নির্দেশিত)
Jump to navigation Jump to search
গৌতম বুদ্ধ
Buddha in Sarnath Museum (Dhammajak Mutra).jpg
সারনাথ থেকে প্রাপ্ত বুদ্ধমূর্তি, খ্রিস্টীয় ৪র্থ শতাব্দী
জন্ম আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫৬৩ অব্দ বা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪৮০ অব্দ[১][২]
লুম্বিনী, শাক্য গণসংঘ (বৌদ্ধ মতানুসারে)[পাদটীকা ১]
মৃত্যু আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪৮৩ অব্দ বা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দ (৮০ বছর)
কুশীনগর, মল্ল গণসংঘ (বৌদ্ধ মতানুসারে)[পাদটীকা ২]
অন্য নাম সিদ্ধার্থ গৌতম, শাক্যমুনি
যে জন্য পরিচিত বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক
পূর্বসূরী কস্‌সপ বুদ্ধ
উত্তরসূরী মৈত্রেয়
পিতা-মাতা
টেমপ্লেট:তথ্যছক চীনা/ভিয়েতনামীয়
গৌতম বুদ্ধ
চীনা নাম
চীনা 佛陀
বর্মী নাম
বর্মী ভাষা ဂေါတမ ဗုဒ္ဓ
থাই নাম
থাই พระพุทธเจ้า
কোরীয় নাম
হাঙ্গুল 부처
জাপানি নাম
কাঞ্জি 釈迦
হিরাগানা しゃか
বাংলা নাম
বাংলা গৌতম বুদ্ধ
নেপালি নাম
নেপালি गौतम बुद्ध
san নাম
san गौतम बुद्ध

গৌতম বুদ্ধ ছিলেন একজন শ্রমণ (তপস্বী) ও জ্ঞানী[৩], যাঁর শিক্ষার ভিত্তিতে বৌদ্ধধর্ম প্রবর্তিত হয়।[web ২] তিনি সিদ্ধার্থ গৌতম, শাক্যমুনি বুদ্ধ,[note ১] বা ‘বুদ্ধ’ উপাধি অনুযায়ী শুধুমাত্র বুদ্ধ নামেও পরিচিত। অনুমান করা হয়, তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ থেকে ৪র্থ শতাব্দীর মধ্যবর্তী কোনও এক সময়ে প্রাচীন ভারতের পূর্বাঞ্চলে জীবিত ছিলেন এবং শিক্ষাদান করেছিলেন।[৪][note ২]

গৌতম বুদ্ধ ভোগবাসনা চরিতার্থ-করণ এবং তাঁর অঞ্চলে প্রচলিত শ্রমণ আন্দোলনের আদর্শ অনুসারে কঠোর তপস্যার মধ্যে মধ্যপন্থা শিক্ষা দিয়েছিলেন।[৫] পরবর্তীকালে তিনি মগধকোশল সহ পূর্ব ভারতের অন্যান্য অঞ্চলেও শিক্ষাদান করেন।[৪][৬]

গৌতম বুদ্ধ হলেন বৌদ্ধধর্মের কেন্দ্রীয় চরিত্র। বৌদ্ধরা তাঁকে সেই বোধিপ্রাপ্ত বা দিব্য[৭] শিক্ষক মনে করেন, যিনি সম্পূর্ণ বুদ্ধত্ব অর্জন করেছেন এবং নিজের অন্তর্দৃষ্টির কথা সকলকে জানিয়ে চেতন সত্ত্বাদের পুনর্জন্ম ও দুঃখের সমাপ্তি ঘটাতে সাহায্য করেছেন। বৌদ্ধরা বিশ্বাস করেন, গৌতম বুদ্ধের জীবনকাহিনি, কথোপকথনের বিবরণ, সন্ন্যাস নিয়মাবলি তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর অনুগামীরা সূত্রায়িত করেন এবং স্মরণে রাখেন। প্রায় ৪০০ বছর পরে তাঁর উপদেশ হিসেবে পরিচিত বিভিন্ন সংকলন মৌখিক প্রথা থেকে প্রথম লিপিবদ্ধ হয়

ঐতিহাসিক সিদ্ধার্থ গৌতম[সম্পাদনা]

বুদ্ধের সমসাময়িক প্রাচীন ভারতের রাজ্য ও শহরগুলির মানচিত্র

বুদ্ধের জীবনের ঐতিহাসিক তথ্য সম্পর্কে কোনও প্রকার দুর্বল দাবি উত্থাপন করতে গবেষকরা দ্বিধাবোধ করেন। তাঁদের অধিকাংশই মেনে নিয়েছেন যে, বুদ্ধ মহাজনপদের যুগে মগধ সাম্রাজ্যের শাসক বিম্বিসারের রাজত্বকালে জীবিত ছিলেন, শিক্ষাদান করেছিলেন এবং একটি ভিক্ষু সংঘ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন (আনু. 558 – আনু. 491 BCE),[৮][৯] তাঁর মৃত্যু হয়েছিল বিম্বিসারের উত্তরসূরি অজাতসত্তুর শাসনকালের প্রথম দিকে। সেই হিসেবে বুদ্ধ ছিলেন জৈন তীর্থঙ্কর মহাবীরের কনিষ্ঠ সমসাময়িক।[১০][১১] বৈদিক ব্রাহ্মণ্যবাদ ছাড়াও বুদ্ধের জীবন ছিল আজীবক, চার্বাক, জৈনধর্মঅঞ্জন প্রভৃতি প্রভাবশালী শ্রমণ চিন্তাধারার উদয়কালের সমসাময়িক।[১২] ব্রহ্মজল সুত্ত গ্রন্থে এই ধরনের বাষট্টিটি মতবাদের কথা বিবৃত হয়েছে। সেই যুগেই মহাবীর, পূরণ কস্সপ, মক্খলি গোসাল, অজিত কেশকম্বলী, পকুধ কচ্চায়ন, সঞ্জয় বেলট্ঠিপুত্ত প্রমুখ প্রভাবশালী দার্শনিক তাঁদের মত প্রচার করেছিলেন। সামান্নফল সুত্ত গ্রন্থের এঁদের কথা উল্লিখিত হয়েছে। বুদ্ধ নিশ্চয় এঁদের মতবাদ সম্পর্কে অবহিত ছিলেন।[১৩][১৪][পাদটীকা ৩] বুদ্ধের প্রধান দুই শিষ্য সারিপুত্তমোগ্‌গল্লান প্রথম জীবনে ছিলেন সংশয়বাদী সঞ্জয় বেলট্ঠিপুত্তর প্রধান শিষ্য।[১৫] তিপিটকে প্রায়শই দেখা যায় যে, বুদ্ধ তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মতধারার সমর্থকদের সঙ্গে বিতর্কে অংশ নিচ্ছেন। অর্থাৎ, বুদ্ধ নিজেও ছিলেন সমসাময়িক কালের অন্যতম শ্রমণ দার্শনিক।[১৬] এমনও প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে যে আলার কালামউদ্দক রামপুত্ত নামে দুই দার্শনিকও ঐতিহাসিক চরিত্র। খুব সম্ভবত এঁরা বুদ্ধকে ধ্যানের দুটি ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছিলেন।[১৭] বুদ্ধের জীবনকথায় “জন্ম, বয়ঃপ্রাপ্তি, সন্ন্যাসগ্রহণ, আধাত্মিক অনুসন্ধান, বোধিলাভ, শিক্ষাদান ও মৃত্যু”র ধারাটি সাধারণভাবে স্বীকৃত হলেও, প্রথাগত জীবনীগ্রন্থগুলিতে বিভিন্ন বিবরণের সত্যতা সম্পর্কে মতৈক্য খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা যায়।[১৮][১৯]

গৌতম বুদ্ধের জন্ম ও মৃত্যুর সময়কাল সম্বন্ধে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায় না। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিককার অধিকাংশ ঐতিহাসিক ৫৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৪৮৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে তাঁর জীবনকাল হিসেবে নিরূপণ করেন।[১][২০] ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে বুদ্ধের জীবনীর ওপর আয়োজিত একটি সম্মেলনে অধিকাংশের বক্তৃতায় ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের নিকটবর্তী বছরগুলির মধ্যে বুদ্ধের মৃত্যুর সময়কাল বলে নিরূপণ করেন।[১][২১][পাদটীকা ৪] এই বিকল্প মতবাদগুলি সমস্ত ঐতিহাসিকদের দ্বারা স্বীকৃত নয়।[২৬][২৭][পাদটীকা ৫]

প্রাচীন গ্রন্থগুলি থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, সিদ্ধার্থ গৌতম শাক্য জনগোষ্ঠীতে জন্মগ্রহণ করেন। এই গোষ্ঠী খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মূল ভূখন্ড থেকে সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক ভাবে কিছুটা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি ক্ষুদ্র গণতন্ত্র বা গোষ্ঠীতন্ত্র হিসেবে শাসন করত।[২৯] সিদ্ধার্থ গৌতমের পিতা শুদ্ধোধন একজন নির্বাচিত গোষ্ঠীপতি ছিলেন, যার ওপর রাজ্যশাসনের দায়িত্ব ছিল।[২৯] বৌদ্ধ ঐতিহ্যানুসারে, গৌতম অধুনা নেপালের লুম্বিনী নগরে জন্মগ্রহণ করেন ও কপিলাবস্তুতে বড় হয়ে ওঠেন।[পাদটীকা ১]

গৌতমের সময়কাল বা তাঁর মৃত্যুর কয়েক শতাব্দীর পর পর্যন্ত তাঁর সম্বন্ধে কোন লিখিত তথ্যসূত্র পাওয়া যায় না। প্রায় দুই শতাব্দী পরে সম্রাট অশোক গৌতমের জন্মস্থানে তীর্থ করতে গিয়ে লুম্বিনীতে স্তম্ভ স্থাপন করেন। তাঁর অন্য একটি স্তম্ভে বিভিন্ন ধম্ম পুথির উল্লেখ রয়েছে, যার দ্বারা মৌর্য যুগে লিখিত বৌদ্ধ ঐতিহ্যের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়।[পাদটীকা ৯] পূর্ব আফগানিস্তানের জালালাবাদের নিকটে হাড্ডা হতে আবিষ্কৃত খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় থেকে প্রথম শতাব্দীতে গান্ধারী ভাষায় রচিত ও খরোষ্ঠী লিপিতে লিখিত সাতাশটি বার্চের ছালের গান্ধার বৌদ্ধ পুঁথিগুলি বর্তমানে টিকে থাকা বৌদ্ধ পুঁথিগুলির মধ্যে প্রাচীনতম।[web ৯]

জীবনীগ্রন্থ[সম্পাদনা]

বিভিন্ন পরস্পরবিরোধী ঐতিহ্যশালী জীবনীগ্রন্থগুলি সিদ্ধার্থ গৌতমের জীবনীর উৎস।[৪১] এর মধ্যে দ্বিতীয় শতাব্দীতে [৪১] অশ্বঘোষ দ্বারা রচিত বুদ্ধচরিত[৪২][৪৩][৪৪] নামক মহাকাব্যটি বুদ্ধের প্রথম পূর্ণ জীবনীগ্রন্থ। তৃতীয় শতকে রচিত ললিতবিস্তার সূত্র গৌতম বুদ্ধের জীবনী নিয়ে লিখিত পরবর্তী গ্রন্থ।[৪৫] সম্ভবতঃ চতুর্থ শতাব্দীতে রচিত মহাসাঙ্ঘিক লোকোত্তরবাদ ঐতিহ্যের মহাবস্তু গ্রন্থটি অপর একটি প্রধান জীবনী গ্রন্থ হিসেবে পরিগণিত হয়।[৪৫] তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ শতাব্দীতে রচিত ধর্মগুপ্তক ঐতিহ্যের অভিনিষ্ক্রমণ সূত্র গ্রন্থটি বুদ্ধের একটি বিরাট জীবনীগ্রন্থ।[৪৬] সর্বশেষে পঞ্চম শতাব্দীতে রচিত বুদ্ধঘোষ রচিত থেরবাদ ঐতিহ্যের নিদানকথা উল্লেখ্য।[৪৭] ত্রিপিটকের অংশ হিসেবে জাতক,[৪৮] মহাপদন সূত্ত ও আচারিয়াভুত সুত্তে বুদ্ধের পূর্ণ জীবনী না থাকলেও কিছু নির্বাচিত অংশ রয়েছে।।

এই সমস্ত ঐতিহ্যশালী জীবনীগ্রন্থে সাধারণতঃ অলৌকিক ও অতিপ্রাকৃত কাহিনীতে পরিপূর্ণ। মহাবস্তু প্রভৃতি গ্রন্থে বুদ্ধকে লোকোত্তর সর্বোৎকৃষ্ট চরিত্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যিনি জাগতিক বিশ্বের সমস্ত ভার থেকে মুক্ত।[৪৯][৫০][৫১] কিন্তু তা হলেও এই সমস্ত গ্রন্থ থেকে খুটিনাটি সাধারণ বিবরণগুলিকে একত্র করে ও অলৌকিক কল্পকাহিনীগুলিকে অপসারণ করে বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন দিক সম্বন্ধে আলোকপাত সম্ভব হয়েছে।

প্রাচীন যুগের ভারতীয়রা ইতিহাস ও কালপঞ্জীর ব্যাপারে নির্লিপ্ত ছিলেন, বরং তাঁরা দর্শনের ওপর বেশি মনোযোগী ছিলেন। বৌদ্ধ গ্রন্থগুলিতে এই ধারার চিত্র লক্ষ্য করা যায়, যেখানে তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলি সম্বন্ধে যত বা উল্লেখ রয়েছে, তাঁর চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে তাঁর শিক্ষা ও দর্শনের বর্ণনা করা হয়েছে। এই গ্রন্থগুলিতে প্রাচীন ভারতের সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবন সম্বন্ধে ধারণা পাওয়া যায়।[৫২] যাই হোক না কেন, অলৌকিক কল্প কাহিনীর মধ্যে থেকে খুব কম তথ্যই ইতিহাস নির্ভর হলেও গৌতম বুদ্ধের ঐতিহাসিকতা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।[৫৩]

জীবনী[সম্পাদনা]

প্রথম জীবন[সম্পাদনা]

লুম্বিনী নগরে সিদ্ধার্থের জন্ম

সিদ্ধার্থ গৌতম শাক্য প্রজাতন্ত্রের নির্বাচিত প্রধান[৪] ক্ষত্রিয় বংশের[৫৪][৫৫] শুদ্ধোধনের পুত্র ছিলেন। তাঁর মাতা মায়াদেবী কোলিয় গণের রাজকন্যা ছিলেন। শাক্যদের প্রথা অনুসারে গর্ভাবস্থায় মায়াদেবী শ্বশুরালয় কপিলাবস্তু থেকে পিতৃরাজ্যে যাবার পথে অধুনা নেপালের তরাই অঞ্চলেরে অন্তর্গত লুম্বিনী গ্রামে এক শালগাছের তলায় সিদ্ধার্থের জন্ম দেন। তাঁর জন্মের সময় বা সপ্তম দিনে মায়াদেবীর জীবনাবসান হয়। শুদ্ধোধন শিশুর জন্মের পঞ্চম দিনে নামকরণের জন্য আটজন ব্রাহ্মণকে আমন্ত্রণ জানালে তাঁরা শিশুর নাম রাখেন সিদ্ধার্থ অর্থাৎ যিনি সিদ্ধিলাভ করেছেন।[৫৬] এই সময় পর্বতদেশ থেকে আগত অসিত নাম একজন সাধু নবজাত শিশুকে দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করেন যে এই শিশু পরবর্তীকালে একজন রাজচক্রবর্তী অথবা একজন সিদ্ধ সাধক হবেন।[৫৬] একমাত্র সর্বকনিষ্ঠ আমন্ত্রিত ব্রাহ্মণ কৌণ্ডিন্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এই শিশু পরবর্তীকালে বুদ্ধত্ব লাভ করবেন।[৫৭] মাতার মৃত্যুর পর তিনি বিমাতা মহাপজাপতি গোতমী কর্তৃক লালিত হন।[৫৮] ষোলো বছর বয়সে তাঁকে সংসারের প্রতি মনোযোগী করার জন্য তাঁর পিতামাতা তাঁকে কোলিয় গণের সুন্দরী কন্যা যশোধরার সাথে বিবাহ দেন ও রাহুল নামক এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। সিদ্ধার্থ তাঁর জীবনের প্রথম উনত্রিশ বছর রাজপুত্র হিসেবে অতিবাহিত করেন। বৌদ্ধ পুঁথিগুলি অনুসারে পিতা শুদ্ধোধন তাঁর জীবনে বিলাসিতার সমস্ত রকম ব্যবস্থা করা সত্ত্বেও সিদ্ধার্থ বস্তুগত ঐশ্বর্য্য যে জীবনের লক্ষ্য হতে পারে না, তা উপলব্ধি করা শুরু করেন।[৫৮]

মহাভিনিষ্ক্রমণ[সম্পাদনা]

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তুলিতে সিদ্ধার্থের মহাভিনিষ্ক্রমণ

কথিত আছে, উনত্রিশ বছর বয়সে রাজকুমার সিদ্ধার্থ প্রাসাদ থেকে কয়েকবার ভ্রমণে বেরোলে তিনি একজন বৃদ্ধ মানুষ, একজন অসুস্থ মানুষ, একজন মৃত মানুষ ও একজন সন্ন্যাসীকে দেখতে পান। সাংসারিক দুঃখ কষ্টে সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ সিদ্ধার্থ তাঁর সারথি ছন্নকে এঁদের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে, ছন্ন তাঁকে বুঝিয়ে বলেন যে সকল মানুষের নিয়তি যে তাঁরা একসময় বৃদ্ধ, অসুস্থ হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হবে। মুণ্ডিতমস্তক পীতবর্ণের জীর্ণ বাস পরিহিত সন্ন্যাসী সম্বন্ধে ছন্ন তাঁকে বলেন, যে তিনি মানুষের দুঃখের জন্য নিজ গার্হস্থ্য জীবন ত্যাগ করেছেন, তিনিই সন্ন্যাসী। এই নূতন অভিজ্ঞতায় বিষাদগ্রস্ত সিদ্ধার্থ বাধর্ক্য, জরা ও মৃত্যুকে জয় করার জন্য বদ্ধপরিকর হয়ে একজন সন্ন্যাসীর জীবনযাপনের সিদ্ধান্ত নেন।[৫৯] সংসারের প্রতি বীতরাগ সিদ্ধার্থ এক রাত্রে ঘুমন্ত স্ত্রী, পুত্র, পরিবারকে নিঃশব্দ বিদায় জানিয়ে প্রিয় অশ্ব কন্থক ও সারথি ছন্নকে নিয়ে প্রাসাদ ত্যাগ করেন। প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে বনের শেষ প্রান্তে পৌঁছে রাজবস্ত্র ত্যাগ করে তলোয়ার দিয়ে তাঁর লম্বা চুল কেটে মুণ্ডিতমস্তক হন। এরপর কন্থকছন্নকে বিদায় জানিয়ে রাজগৃহের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

বোধিলাভ[সম্পাদনা]

কঠিন তপস্যার ফলে অস্থিচর্মসার সিদ্ধার্থ

প্রথমে তিনি আলার কালাম নামক একজন সন্ন্যাসীর নিকট যোগ শিক্ষা করেন।[৬০][৬১][৬২] কিন্তু তাঁর প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর লাভ না করায় এরপর তিনি উদ্দক রামপুত্ত নামক অপর একজন সন্ন্যাসীর নিকট শিষ্যত্ব গ্রহণ করে যোগশিক্ষা লাভ করেন।[৬৩] কিন্তু এখানেও তাঁর জিজ্ঞাসা পূরণ না হওয়ায় তিনি তাঁকে ত্যাগ করে[৬৪] বুদ্ধগয়ার নিকট উরুবিল্ব নামক একটি রম্য স্থানে গমন করেন।

শরীরকে অপরিসীম কষ্ট প্রদানের মাধ্যমে মুক্তিলাভ হয় এই বিশ্বাসে তিনি ও অন্য পাঁচজন তপস্বী ছয় বছর ধরে অনশন, শারীরিক নিপীড়ন ও কঠোর সাধনায় অতিবাহিত করেন। দীর্ঘকাল ধরে কঠোর তপস্যার পর তাঁর শরীর অস্থিচর্মসার হয়ে পড়ে ও তাঁর অঙ্গসঞ্চালনের ক্ষমতা কমে গিয়ে তিনি মরণাপন্ন হলে তাঁর উপলব্ধি হয় যে, অনশনক্লিষ্ট দুর্বল দেহে শরীরকে অপরিসীম কষ্ট দিয়ে কঠোর তপস্যা করে বোধিলাভ সম্ভব নয়।[web ১০] ধর্মচক্রপ্রবর্তন সূত্রানুসারে[web ১০], অসংযত বিলাসবহুল জীবনযাপন এবং কঠোর তপস্যার মধ্যবর্তী একটি মধ্যম পথের সন্ধান করে বোধিলাভ সম্ভব বলে তিনি উপলব্ধি করেন।[web ১০] তিনি তাই আবার খাদ্য গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিলেন ও সুজাতা নাম্নী এক স্থানীয় গ্রাম্য কন্যার কাছ থেকে তিনি এক পাত্র পরমান্ন আহার করেন।[web ১১] সিদ্ধার্থকে খাদ্য গ্রহণ করতে দেখে তাঁর পাঁচজন সঙ্গী তাঁর ওপর বিরক্ত হয়ে তাঁকে ছেড়ে চলে যান।

এই ঘটনার পরে একটি অশ্বত্থ গাছের তলায় তিনি ধ্যানে বসেন এবং সত্যলাভ না করে স্থানত্যাগ করবেন না বলে প্রতিজ্ঞা করেন।[৬৫] উনপঞ্চাশ দিন ধরে ধ্যান করার পর তিনি বোধি প্রাপ্ত হন।[৬৫][web ১২] এই সময় তিনি মানব জীবনে দুঃখ ও তাঁর কারণ এবং দুঃখ নিবারণের উপায় সম্বন্ধে অন্তর্দৃষ্টি লাভ করেন, যা চতুরার্য সত্য নামে খ্যাত হয়।[web ১২] তাঁর মতে এই সত্য সম্বন্ধে জ্ঞানলাভ করলে মুক্তি বা নির্বাণ লাভ সম্ভব।

ধর্মপ্রচার[সম্পাদনা]

সারনাথে অবস্থিত যে স্থানে গৌতম বুদ্ধ পাঁচজন শিষ্যকে প্রথম ধর্মশিক্ষা প্রদান করেন, সেই স্থানে নির্মিত ধমেখ স্তূপ

বোধিলাভের পর গৌতম বুদ্ধের সঙ্গে তপুস্স ও ভল্লিক নামক বলখ অঞ্চলের দুইজন ব্যবসায়ীর সাক্ষাত হহয়, যারা তাঁকে মধু ও বার্লি নিবেদন করেন। এই দুইজন বুদ্ধের প্রথম সাধারণ শিষ্য। বুদ্ধ তার প্রাক্তন শিক্ষক আলার কালামউদ্দক রামপুত্তের সাথে সাক্ষাত করে তাঁর নবলব্ধ জ্ঞানের কথা আলোচনার জন্য উৎসাহী ছিলেন, কিন্তু তাঁদের দুইজনেরই ততদিনে জীবনাবসান হয়ে গেছিল। এরপর তিনি বারাণসীর নিকট ঋষিপতনের মৃগ উদ্যানে যাত্রা করে তাঁর সাধনার সময়ের পাঁচ প্রাক্তন সঙ্গী, যারা তাঁকে একসম পরিত্যাগ করেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন ও তাঁদেরকে তাঁর প্রথম শিক্ষা প্রদান করেন, যা বৌদ্ধ ঐতিহ্যে ধর্মচক্রপ্রবর্তন নামে খ্যাত। এই ভাবে তাঁদের নিয়ে ইতিহাসের প্রথম বৌদ্ধ সংঘ গঠিত হয়।

এরপর মহাকশ্যপ নামক এক অগ্নি-উপাসক ব্রাহ্মণ ও তাঁর অনুগামীরা সংঘে যোগদান করেন। বুদ্ধ সম্রাট বিম্বিসারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিমতো বুদ্ধত্ব লাভের পরে রাজগৃহ যাত্রা করলে সঞ্জয় বেলাঢ্বিপুত্তের দুইজন শিষ্য সারিপুত্তমৌদ্গল্যায়ন সংঘে যোগদান করেন। বুদ্ধত্ব লাভের এক বছর পরে শুদ্ধোধন তাঁর পুত্রকে কপিলাবস্তু শহরে আমন্ত্রণ জানান। একদা রাজপুত্র গৌতম রাজধানীতে সংঘের সাথে ভিক্ষা করে খাদ্য সংগ্রহ করেন। কপিলাবস্তুতে তাঁর পুত্র রাহুল তাঁর নিকট শ্রমণের দীক্ষাগ্রহণ করেন। এছাড়া আনন্দঅনুরুদ্ধ নামক তাঁর দুইজন আত্মীয় তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। মহাকশ্যপ, সারিপুত্ত, মৌদ্গল্যায়ন, আনন্দ, অনুরুদ্ধরাহুল ছাড়াও উপলি, মহাকাত্যায়ন, পুণ্ণসুভূতি বুদ্ধের দশজন প্রধান শিষ্য ছিলেন।

তিন বছর পরে রোহিণী নদীর জলের অংশ নিয়ে শাক্যদের সাথে কোলীয় গণের একটি বিবাদ উপস্থিত হলে বুদ্ধ সেই বিবাদের মীমাংসা করেন। এর কয়েকদিনের মধ্যে শুদ্ধোধন মৃত্যুবরণ করলে গৌতম বুদ্ধের বিমাতা মহাপজাপতি গোতমী সংঘে যোগদানে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। গৌতম প্রথমে নারীদের সংঘে যোগদানের ব্যাপারে অমত প্রকাশ করলেও আনন্দের উৎসাহে তিনি সংঘ গঠনের পাঁচ বছর পরে সংঘে নারীদের ভিক্ষুণী হিসেবে প্রবেশের অনুমতি দেন।

মহাপরিনির্বাণ[সম্পাদনা]

গৌতম বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণ

মহাপরিনিব্বাণ সুত্ত অনুসারে গৌতম বুদ্ধের বয়স যখন আশি বছর, তখন তিনি তাঁর আসন্ন মৃত্যুর কথা ঘোষণা করেন। পওয়া নামক একটি স্থানে অবস্থান করার সময় চণ্ড নামক এক কামার তাঁকে ভাত ও শূকরমদ্দভ ইত্যাদি খাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান। এই খাবার খাওয়ার পরে গৌতম আমাশয় দ্বারা আক্রান্ত হন। চণ্ডের দেওয়া খাবার যে তাঁর মৃত্যু কারণ নয়, আনন্দ যাতে তা চণ্ডকে বোঝান, সেই ব্যাপারে বুদ্ধ নির্দেশ দেন। [web ১৩] এরপর আনন্দের আপত্তি সত্ত্বেও অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় তিনি কুশীনগর যাত্রা করেন। এইখানে তিনি আনন্দকে নির্দেশ দেন যাতে দুইটি শাল বৃক্ষের মধ্যের একটি জমিতে একটি কাপড় বিছিয়ে তাঁকে যেন শুইয়ে দেওয়া হয়। এরপর শায়িত অবস্থায় বুদ্ধ উপস্থিত সকল ভিক্ষু ও সাধারণ মানুষকে তাঁর শেষ উপদেশ প্রদান করেন। তাঁর অন্তিম বাণী ছিল “বয়ধম্মা সঙ্খারা অপ্পমাদেন সম্পাদেথা”, অর্থাৎ “সকল জাগতিক বস্তুর বিনাশ আছে। অধ্যবসায়ের সাথে আপনার মুক্তির জন্য সংগ্রাম কর।”

বিভিন্ন পুঁথিতে অনুবাদবিভ্রাট ও লিখনশৈলীর পার্থক্যের জন্য গৌতম বুদ্ধের অন্তিম আহার্য্য বস্তু সম্বন্ধে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। আর্থার ওয়েলির মতে থেরবাদ ঐতিহ্যানুসারে শূকরমদ্দভ বলতে শূকরের নরম মাংস বোঝানো হয়। যদিও কার্ল ইউজিন নিউম্যান এই শদের অর্থ করেছেন শূকরের নরম আহার। নিউম্যানওয়েলি আবার এও মত প্রকাশ করেছেন যে এই আহারের সাথে শূকর শব্দটি যুক্ত হলেও হয়তো এটি একটি শুধুমাত্র একটি উদ্ভিদ, যাকে আহার হিসেবে ব্যবহার করা হত। পরবর্তীকালে কয়েক শতাব্দী পরে বুদ্ধের জীবনী রচনার সময় এই শব্দের অর্থ সাধারণ ব্যবহারে অপ্রচলিত হয়ে পড়ায় শূকরমদ্দভ শব্দটি শূকরের নরম মাংস হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে।[৬৬] অস্কার ভন হিনুবার মত প্রকাশ করেছেন যে, বুদ্ধের মৃত্যু খাদ্যে বিষক্রিয়ার মাধ্যমে হয় নি, বরং সুপিরিয়র মেসেন্ট্রিক আর্টারি সিন্ড্রোম নামক বার্ধক্যের সময়ের একটি রোগের কারণে হয়েছিল।[৬৭][web ১৪]

দীপবংশমহাবংশ নামক শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থানুসারে, বুদ্ধের মৃত্যুর ২১৮ বছর পরে সম্রাট অশোকের রাজ্যাভিষেক হয়, সেই অনুযায়ী ৪৮৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বুদ্ধের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে চীনা পুঁথি (十八部論部執異論) অনুসারে, বুদ্ধের মৃত্যুর ১১৬ বছর পরে অশোকের রাজ্যাভিষেক হয়, সেই অনুযায়ী ৩৮৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বুদ্ধের মৃত্যু হয়। যাই হোক, থেরবাদ বৌদ্ধ ঐতিহ্যে ৫৪৪ বা ৫৪৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণ ঘটে বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। মায়ানমারের বৌদ্ধরা ৫৪৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ১৩ই মে[৬৮] এবং থাইল্যান্ডের বৌদ্ধরা ৫৪৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ১১ই মার্চ বুদ্ধের মৃত্যুদিবস বলে মনে করেন।[৬৯]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. বৌদ্ধ ঐতিহ্যের নিদানকথা[web ৬]জাতক কাহিনী অনুসারে, গৌতম অধুনা নেপালের লুম্বিনী নগরে জন্মগ্রহণ করেন [web ৭][web ৮] খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীর মধ্যভাগে সম্রাট অশোক গৌতমের জন্মস্থান হিসেবে লুম্বিনীকে চিহ্নিত করে সেখানে একটি স্তম্ভ স্থাপন করে ...এই স্থানে বুদ্ধ শাক্যমুনি জন্মগ্রহণ করেন এই রকম উৎকীর্ণ করান।[৩০]
    কয়েকটি প্রস্তরলিপির ওপর নির্ভর করে মনে করা হয়ে থাকে যে ভারতের পূর্বসমদ্রতটে অধুনা উড়িষ্যা রাজ্যের কপিলেশ্বর গ্রামের লুম্বেই অঞ্চলটিই হল প্রাচীন লুম্বিনী।[৩১][৩২][৩৩] হার্টম্যান এই তত্ত্ব পর্যালোচনা করে এই মতকে মিথ্যা প্রমাণ করে বলেন যে এই প্রস্তরলিপিগুলি ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দের পরে নির্মিত।[৩৪]
    গৌতম কপিলাবস্তুতে বড় হয়ে ওঠেন[৩৫][পাদটীকা ৬][পাদটীকা ৭], যদিও কপিলাবস্তুকে অনেকে তাঁর জন্মস্থান হিসেবেও মনে করেন।[পাদটীকা ৮] প্রাচীন কপিলাবস্তুর সঠিক অবস্থান এখনো নির্ণীত নয়।[৩৫] উত্তর ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের পিপরাহ্বা[৩৮][৩৫] বা নেপালের তিলোরাকোটের[৩৯][৩৫] মধ্যে একটি শহরে প্রাচীন কপিলাবস্তুর অবস্থান বলে অনুমান করা হয়। এই দুই শহর মাত্র পনেরো মাইলের দুরত্বের ব্যবধানে অবস্থিত।{sfn
  2. মহাপরিনিব্বান সুত্ত অনুসারে,[web ১] গৌতম বুদ্ধের মৃত্যু হয়েছিল অধুনা ভারতের অন্তর্গত উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের কুশীনগরে
  3. According to Alexander Berzin, "Buddhism developed as a shramana school that accepted rebirth under the force of karma, while rejecting the existence of the type of soul that other schools asserted. In addition, the Buddha accepted as parts of the path to liberation the use of logic and reasoning, as well as ethical behavior, but not to the degree of Jain asceticism. In this way, Buddhism avoided the extremes of the previous four shramana schools."[web ৩]
    • ৪১১–৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ: Dundas 2002, পৃ. 24: "...as is now almost universally accepted by informed Indological scholarship, a re-examination of early Buddhist historical material, [...], necessitates a redating of the Buddha's death to between 411 and 400 BCE..."
    • ৪০৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ: [২২][২৩][২৪][২৫]
    • ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ: Narain, Awadh Kishore, সম্পাদক (২০০৩), The Date of the Historical Śākyamuni Buddha, New Delhi: BR Publishing, আইএসবিএন 81-7646-353-1 [২] Notes on the Dates of the Buddha Íåkyamuni দেখুন
  4. ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে প্রত্নতাত্ত্বিক রবার্ট কনিংহ্যাম লুম্বিনীর মায়াদেবী মন্দিরে ৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের একটি বৃক্ষ মঠের অবশেষ আবিষ্কার করে মতপ্রকাশ করেন যে, এটি একটি বৌদ্ধ মঠ হতে পারে, এবং তা সত্য হলে বুদ্ধের জন্মের সময় পিছিয়ে যেতে পারে।[web ৪] অবশ্য প্রত্নতাত্ত্বিকরা এই মঠ প্রাক-বুদ্ধ যুগের বৃক্ষপূজার স্থান কিনা তা নিয়ে সাবধানী এবং এ নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।[web ৪]
    রিচার্ড গোমব্রিখ অবশ্য কনিংহ্যামের মতকে বাতিল করে দিয়েছেন।[web ৫]
    জিওফ্রি স্যামুয়েলসের মতে বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের আদি যুগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বিভিন্ন স্থানগুলি যক্ষ পূজার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল, যেখানে বৃক্ষের পূজা করা হত, যেগুলির অধিকাংশ পরবর্তীকালে বৌদ্ধ তীর্থে পরিণত হয়।[২৮]
  5. "The Buddha [...] was born in the Sakya Republic, which was the city state of Kapilavastu, a very small state just inside the modern state boundary of Nepal against the Northern Indian frontier.[৪]
  6. "He belonged to the Sakya clan dwelling on the edge of the Himalayas, his actual birthplace being a few miles north of the present-day Northern Indian border, in Nepal. His father was in fact an elected chief of the clan rather than the king he was later made out to be, though his title was raja – a term which only partly corresponds to our word 'king'. Some of the states of North India at that time were kingdoms and others republics, and the Sakyan republic was subject to the powerful king of neighbouring Kosala, which lay to the south[৩৬]
  7. "The earliest Buddhist sources state that the future Buddha was born Siddhārtha Gautama (Pali Siddhattha Gotama), the son of a local chieftain — a rājan — in Kapilavastu (Pali Kapilavatthu) what is now the Indian–Nepalese border."[৩৭]
  8. "These Dhamma texts – Extracts from the Discipline, the Noble Way of Life, the Fears to Come, the Poem on the Silent Sage, the Discourse on the Pure Life, Upatisa's Questions, and the Advice to Rahula which was spoken by the Buddha concerning false speech – these Dhamma texts, reverend sirs, I desire that all the monks and nuns may constantly listen to and remember. Likewise the laymen and laywomen."[৪০]
    "There is disagreement amongst scholars concerning which Pali suttas correspond to some of the text. Vinaya samukose: probably the Atthavasa Vagga, Anguttara Nikaya, 1:98-100. Aliya vasani: either the Ariyavasa Sutta, Anguttara Nikaya, V:29, or the Ariyavamsa Sutta, Anguttara Nikaya, II: 27-28. Anagata bhayani: probably the Anagata Sutta, Anguttara Nikaya, III:100. Muni gatha: Muni Sutta, Sutta Nipata 207-221. Upatisa pasine: Sariputta Sutta, Sutta Nipata 955-975. Laghulavade: Rahulavada Sutta, Majjhima Nikaya, I:421."[৪০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Cousins 1996, পৃ. 57–63।
  2. Norman 1997, পৃ. 33।
  3. Baroni 2002, পৃ. 230।
  4. Warder 2000, পৃ. 45।
  5. Laumakis 2008, পৃ. 4।
  6. Skilton 2004, পৃ. 41।
  7. Guang Xing (2005). The Three Bodies of the Buddha: The Origin and Development of the Trikaya Theory. Oxford: Routledge Curzon: pp.1 and 85
  8. Rawlinson, Hugh George. (1950) A Concise History of the Indian People, Oxford University Press. p. 46.
  9. Muller, F. Max. (2001) The Dhammapada And Sutta-nipata, Routledge (UK). p. xlvii. ISBN 0-7007-1548-7.
  10. Smith 1924, পৃ. 34, 48।
  11. Schumann 2003, পৃ. 1-5।
  12. Jayatilleke 1963, chpt. 1-3।
  13. Walshe 1995, পৃ. 268।
  14. Collins 2009, পৃ. 199–200।
  15. Nakamura 1980, পৃ. 20।
  16. Warder 1998, পৃ. 45।
  17. Wynne 2007, পৃ. 8–23, ch. 2।
  18. Buswell 2003, পৃ. 352।
  19. Lopez 1995, পৃ. 16।
  20. Schumann 2003, পৃ. 10–13।
  21. Prebish 2008, পৃ. 2।
  22. Gombrich 1992
  23. Uni. Heidelberg .
  24. Hartmann 1991
  25. Gombrich 2000
  26. Schumann 2003, পৃ. xv।
  27. Wayman 1993, পৃ. 37–58।
  28. Samuels 2010, পৃ. 140–52।
  29. Gombrich 1988, পৃ. 49।
  30. Gethin 1998, পৃ. 19।
  31. Mahāpātra 1977
  32. Mohāpātra 2000, পৃ. 114।
  33. Tripathy 2014
  34. Hartmann 1991, পৃ. 38–39।
  35. Keown ও Prebish 2013, পৃ. 436।
  36. Walsh 1995, পৃ. 20।
  37. Gethin 1998, পৃ. 14।
  38. Nakamura 1980, পৃ. 18।
  39. Huntington 1986
  40. Dhammika 1993
  41. Fowler 2005, পৃ. 32।
  42. Beal 1883
  43. Cowell 1894
  44. Willemen 2009
  45. Karetzky 2000, পৃ. xxi।
  46. Beal 1875
  47. Swearer 2004, পৃ. 177।
  48. Schober 2002, পৃ. 20।
  49. Jones 1949
  50. Jones 1952
  51. Jones 1956
  52. Carrithers 2001, পৃ. 15।
  53. Armstrong 2000, পৃ. xii।
  54. Samuel 2010
  55. Hiltebeitel 2002
  56. Narada 1992, পৃ. 9–12।
  57. Narada 1992, পৃ. 11-12।
  58. Narada 1992, পৃ. 14।
  59. Conze 1959, পৃ. 39-40।
  60. Upadhyaya 1971, পৃ. 95।
  61. Laumakis 2008, পৃ. 8।
  62. Grubin 2010
  63. Armstrong 2004, পৃ. 77।
  64. Narada 1992, পৃ. 19-20।
  65. Gyatso 2007, পৃ. 8–9।
  66. Waley 1932, পৃ. 343–54।
  67. Mettanando 2000
  68. Kala 1724, পৃ. 39।
  69. Eade 1995, পৃ. 15–16।

উৎস[সম্পাদনা]

প্রকাশিত উৎস[সম্পাদনা]

  • Armstrong, Karen (২০০০), Buddha, Orion, আইএসবিএন 978-0-7538-1340-9 
  • ——— (১৮৮৩), The Fo-sho-hing-tsan-king, a life of Buddha, Beal, Samuel, transl., Oxford: Clarendon 
  • Bareau, André (১৯৭৫), "Les récits canoniques des funérailles du Buddha et leurs anomalies: nouvel essai d'interprétation" [The canonical accounts of the Buddha’s funerals and their anomalies: new interpretative essay], Bulletin de l'Ecole française d'Extrême-Orient (ফরাসি ভাষায়), Persée, LXII: 151–89 
  • ——— (১৯৭৯), "La composition et les étapes de la formation progressive du Mahaparinirvanasutra ancien" [The composition and the etapes of the progressive formation of the ancient Mahaparinirvanasutra], Bulletin de l'Ecole française d'Extrême-Orient (ফরাসি ভাষায়), Persée, LXII: 45–103 
  • Baroni, Helen J. (২০০২), The Illustrated Encyclopedia of Zen Buddhism, Rosen 
  • Beal, Samuel, transl. (১৮৭৫), The romantic legend of Sâkya Buddha (Abhiniṣkramaṇa Sūtra), London: Trübner 
  • Bronkhorst, Johannes (১৯৯৩), The Two Traditions of Meditation In Ancient India, Motilal Banarsidass 
  • Buswell, Robert E, সম্পাদক (২০০৩), Encyclopedia of Buddhism, 1, US: Macmillan Reference, আইএসবিএন 0-02-865910-4 
  • Carrithers, M. (২০০১), The Buddha: A Very Short Introduction, Oxford University Press, আইএসবিএন 0-02-865910-4 
  • Collins, Randall (২০০৯), The Sociology of Philosophies, Harvard University Press, আইএসবিএন 978-0-67402977-4 , 1120 pp.
  • Conze, Edward, trans. (১৯৫৯), Buddhist Scriptures, London: Penguin 
  • Cousins, LS (১৯৯৬), "The dating of the historical Buddha: a review article", Journal of the Royal Asiatic Society, 3, Indology, 6 (1): 57–63 
  • Cowell, Edward Byles, transl. (১৮৯৪), "The Buddha-Karita of Ashvaghosa", Müller, Max, Sacred Books of the East (PDF), XLIX, Oxford: Clarendon 
  • Davidson, Ronald M. (২০০৩), Indian Esoteric Buddhism, Columbia University Press, আইএসবিএন 0-231-12618-2 
  • Dhammika, S. (১৯৯৩), The Edicts of King Asoka: An English Rendering, The Wheel Publication (386/387), Kandy Sri Lanka: Buddhist Publication Society, আইএসবিএন 955-24-0104-6 
  • Dundas, Paul (২০০২), The Jains (Google Books) (2nd সংস্করণ), Routledge, পৃষ্ঠা 24, আইএসবিএন 978-0-41526606-2, সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১২ 
  • Eade, JC (১৯৯৫), The Calendrical Systems of Mainland South-East Asia (illustrated সংস্করণ), Brill, আইএসবিএন 978-900410437-2 
  • Epstein, Ronald (২০০৩), Buddhist Text Translation Society's Buddhism A to Z (illustrated সংস্করণ), Burlingame, CA: Buddhist Text Translation Society 
  • Fowler, Mark (২০০৫), Zen Buddhism: beliefs and practices, Sussex Academic Press 
  • Gethin, Rupert, ML (১৯৯৮), Foundations of Buddhism, Oxford University Press 
  • Gombrich, Richard F (১৯৮৮), Theravada Buddhism: A Social History from Ancient Benares to Modern Colombo, Routledge and Kegan Paul 
  • ——— (১৯৯২), "Dating the Buddha: a red herring revealed", Bechert, Heinz, Die Datierung des historischen Buddha [The Dating of the Historical Buddha], Symposien zur Buddhismus forschung (জার্মান ভাষায়), IV (2), Gottingen: Vandenhoeck and Ruprecht, পৃষ্ঠা 237–59 .
  • ——— (১৯৯৭), How Buddhism Began, Munshiram Manoharlal 
  • ——— (২০০০), "Discovering the Buddha's date", Perera, Lakshman S, Buddhism for the New Millennium, London: World Buddhist Foundation, পৃষ্ঠা 9–25 .
  • Grubin, David (Director), Gere, Richard (Narrator) (২০১০), The Buddha: The Story of Siddhartha (DVD), David Grubin Productions, 27:25 minutes in, ASIN B0033XUHAO 
  • Gyatso, Geshe Kelsang (২০০৭), Introduction to Buddhism An Explanation of the Buddhist Way of Life, Tharpa, আইএসবিএন 978-0-9789067-7-1 
  • Hamilton, Sue (২০০০), Early Buddhism: A New Approach: The I of the Beholder, Routledge 
  • Hartmann, Jens Uwe (১৯৯১), "Research on the date of the Buddha", Bechert, Heinz, The Dating of the Historical Buddha (PDF), 1, Göttingen: Vandenhoeck and Ruprecht, পৃষ্ঠা 38–39, ২০১৪-১০-২৯ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা 
  • Hiltebeitel, Alf (২০০২), "Hinduism", Kitagawa, Joseph, The Religious Traditions of Asia: Religion, History, and Culture, Routledge 
  • Huntington, John C (১৯৮৬), "Sowing the Seeds of the Lotus" (PDF), Orientations, September 1986: 46–58, নভে ২৮, ২০১৪ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা 
  • Jones, JJ (১৯৪৯), The Mahāvastu, Sacred Books of the Buddhists, 1, London: Luzac & Co. 
  • ——— (১৯৫২), The Mahāvastu, Sacred Books of the Buddhists, 2, London: Luzac & Co. 
  • ——— (১৯৫৬), The Mahāvastu, Sacred Books of the Buddhists, 3, London: Luzac & Co. 
  • Jong, JW de (১৯৯৩), "The Beginnings of Buddhism", The Eastern Buddhist, 26 (2) 
  • Kala, U (২০০৬) [1724], Maha Yazawin Gyi (Burmese ভাষায়), 1 (4th সংস্করণ), Yangon: Ya-Pyei, পৃষ্ঠা 39 
  • Karetzky, Patricia (২০০০), Early Buddhist Narrative Art, Lanham, MD: University Press of America 
  • Katz, Nathan (১৯৮২), Buddhist Images of Human Perfection: The Arahant of the Sutta Piṭaka, Delhi: Motilal Banarsidass 
  • Keown, Damien; Prebish, Charles S (২০১৩), Encyclopedia of Buddhism, Routledge 
  • Laumakis, Stephen (২০০৮), An Introduction to Buddhist philosophy, Cambridge; New York: Cambridge University Press, আইএসবিএন 978-0-52185413-9 
  • Lopez, Donald S (১৯৯৫), Buddhism in Practice (PDF), Princeton University Press, আইএসবিএন 0-691-04442-2 
  • Macdonnel, Arthur Anthony (১৯০০), "টেমপ্লেট:Ws", A History of Sanskrit Literature, New York: D Appleton & Co 
  • Mahāpātra, Cakradhara (১৯৭৭), The real birth place of Buddha, Grantha Mandir 
  • Mohāpātra, Gopinath (২০০০), "Two Birth Plates of Buddha" (PDF), Indologica Taurinensia, 26: 113–19, অক্টো ৪, ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা 
  • Mershman, Francis (১৯১৩), "Barlaam and Josaphat", Herberman, Charles G; ও অন্যান্য, The Catholic Encyclopedia, 2, New York: Robert Appleton 
  • Mettanando, Bhikkhu; Hinueber, Oskar von (২০০০), "The Cause of the Buddha's Death", Journal of the Pali Text Society, XXVI 
  • Nakamura, Hajime (১৯৮০), Indian Buddhism: a survey with bibliographical notes, Motilal Banarsidass, আইএসবিএন 978-81-208-0272-8 
  • Narada (১৯৯২), A Manual of Buddhism, Buddha Educational Foundation, আইএসবিএন 967-9920-58-5 
  • Norman, KR (১৯৯৭), A Philological Approach to Buddhism (PDF), The Bukkyo Dendo Kybkai Lectures 1994, School of Oriental and African Studies (University of London) 
  • Prebish, Charles S. (২০০৮), "Cooking the Buddhist Books: The Implications of the New Dating of the Buddha for the History of Early Indian Buddhism" (PDF), Journal of Buddhist Ethics, 15: 1–21, জানু ২৮, ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা 
  • Rockhill, William Woodville, transl. (১৮৮৪), The life of the Buddha and the early history of his order, derived from Tibetan works in the Bkah-Hgyur and Bstan-Hgyur, followed by notices on the early history of Tibet and Khoten, London: Trübner 
  • Samuel, Geoffrey (২০১০), The Origins of Yoga and Tantra. Indic Religions to the Thirteenth Century, Cambridge University Press 
  • Schmithausen, Lambert (১৯৮১), "On some Aspects of Descriptions or Theories of 'Liberating Insight' and 'Enlightenment' in Early Buddhism", von Klaus, Bruhn; Wezler, Albrecht, Studien zum Jainismus und Buddhismus (Gedenkschrift für Ludwig Alsdorf) [Studies on Jainism and Buddhism (Schriftfest for Ludwig Alsdorf)] (জার্মান ভাষায়), Wiesbaden, পৃষ্ঠা 199–250 
  • Schober, Juliane (২০০২), Sacred biography in the Buddhist traditions of South and Southeast Asia, Delhi: Motilal Banarsidass 
  • Schumann, Hans Wolfgang (২০০৩), The Historical Buddha: The Times, Life, and Teachings of the Founder of Buddhism, Motilal Banarsidass, আইএসবিএন 812081817-2 
  • Shimoda, Masahiro (২০০২), "How has the Lotus Sutra Created Social Movements: The Relationship of the Lotus Sutra to the Mahāparinirvāṇa-sūtra", Reeves, Gene, A Buddhist Kaleidoscope, Kosei 
  • Skilton, Andrew (২০০৪), A Concise History of Buddhism 
  • Smith, Peter (২০০০), "Manifestations of God", A concise encyclopedia of the Bahá'í Faith, Oxford: Oneworld Publications, আইএসবিএন 1-85168-184-1 , 231 pp.
  • Smith, Vincent (১৯২৪), The Early History of India (4th সংস্করণ), Oxford: Clarendon 
  • Strong, John S (২০০৭), Relics of the Buddha, Motilal Banarsidass 
  • Swearer, Donald (২০০৪), Becoming the Buddha, Princeton, NJ: Princeton University Press 
  • Thapar, Romila (২০০২), The Penguin History of Early India: From Origins to AD 1300, Penguin 
  • Tripathy, Ajit Kumar (জানু ২০১৪), "The Real Birth Place of Buddha. Yesterday's Kapilavastu, Today's Kapileswar" (PDF), The Orissa historical research journal, Orissa State museum, 47 (1) 
  • Turpie, D (২০০১), Wesak And The Re-Creation of Buddhist Tradition (PDF) (master's thesis), Montreal, QC: McGill University, ২০০৭-০৪-১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা 
  • Twitchett, Denis, সম্পাদক (১৯৮৬), The Cambridge History of China, 1. The Ch'in and Han Empires, 221 BC – AD 220, Cambridge University Press, আইএসবিএন 0-521-24327-0 
  • Upadhyaya, KN (১৯৭১), Early Buddhism and the Bhagavadgita, Dehli, IN: Motilal Banarsidass, পৃষ্ঠা 95, আইএসবিএন 978-812080880-5 
  • Vetter, Tilmann (১৯৮৮), The Ideas and Meditative Practices of Early Buddhism, Brill 
  • Waley, Arthur (জুলাই ১৯৩২), "Did Buddha die of eating pork?: with a note on Buddha's image", Melanges Chinois et bouddhiques, NTU, 1931–32: 343–54, জুন ৩, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা 
  • Walshe, Maurice (১৯৯৫), The Long Discourses of the Buddha. A Translation of the Digha Nikaya, Boston: Wisdom Publications 
  • Warder, AK (২০০০), Indian Buddhism, Delhi: Motilal Banarsidass 
  • Wayman, Alex (১৯৯৭), Untying the Knots in Buddhism: Selected Essays, Motilal Banarsidass, আইএসবিএন 812081321-9 
  • Weise, Kai (২০১৩), The Sacred Garden of Lumbini – Perceptions of Buddha's Birthplace (PDF), Paris: UNESCO, ২০১৪-০৮-৩০ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা  অজানা প্যারামিটার |coauthors= উপেক্ষা করা হয়েছে (|author= ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে) (সাহায্য)
  • Willemen, Charles, transl. (২০০৯), Buddhacarita: In Praise of Buddha's Acts (PDF), Berkeley, CA: Numata Center for Buddhist Translation and Research, আইএসবিএন 978-1886439-42-9 
  • Wynne, Alexander (২০০৭), The Origin of Buddhist Meditation (PDF), Routledge, আইএসবিএন 0-20396300-8 

অনলাইন উৎস[সম্পাদনা]

  1. "Maha-parinibbana Sutta", Digha Nikaya (16), Access insight, part 5 
  2. Boeree, C George"An Introduction to Buddhism"। Shippensburg University। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  3. Berzin, Alexander (এপ্রিল ২০০৭)। "Indian Society and Thought before and at the Time of Buddha"। Berzin archives। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  4. Vergano, Dan (২৫ নভেম্বর ২০১৩)। "Oldest Buddhist Shrine Uncovered In Nepal May Push Back the Buddha's Birth Date"National Geographic। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৩ 
  5. Gombrich, Richard (২০১৩), Recent discovery of "earliest Buddhist shrine" a sham?, Tricycle .
  6. Davids, Rhys, সম্পাদক (১৮৭৮), Buddhist birth-stories; Jataka tales. The commentary introd. entitled Nidanakatha; the story of the lineage. Translated from V. Fausböll's ed. of the Pali text by TW Rhys Davids (new & rev. সংস্করণ) .
  7. "Lumbini, the Birthplace of the Lord Buddha"। UNESCO। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১১ 
  8. "The Astamahapratiharya: Buddhist pilgrimage sites"। Victoria and Albert Museum। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১২ 
  9. "Ancient Buddhist Scrolls from Gandhara"। UW Press। সংগ্রহের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮ 
  10. "Dhammacakkappavattana Sutta: Setting the Wheel of Dhamma in Motion"। Access to insight। ২০১২-০২-১২। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১২ 
  11. "The Golden Bowl"। Buddha net। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১২ 
  12. "The Basic Teaching of Buddha"। SFSU। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১২ 
  13. "Maha-parinibbana Sutta", Digha Nikaya (16), Access insight, verse 56 .
  14. Mettanando (২০০১-০৫-১৫)। "Buddha net"। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১২ [অকার্যকর সংযোগ]

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

  • Bechert, Heinz, সম্পাদক (১৯৯৬)। When Did the Buddha Live? The Controversy on the Dating of the Historical Buddha। Delhi: Sri Satguru। 
  • Ñāṇamoli, Bhikku (১৯৯২)। The Life of the Buddha According to the Pali Canon (3rd সংস্করণ)। Kandy, Sri Lanka: Buddhist Publication Society। 
  • Wagle, Narendra K (১৯৯৫)। Society at the Time of the Buddha (2nd সংস্করণ)। Popular Prakashan। আইএসবিএন 978-817154553-7 
  • Rahula, Walpola (১৯৭৪)। What the Buddha Taught (2nd সংস্করণ)। New York: Grove Press। 
  • Vetter, Tilmann (১৯৮৮), The Ideas and Meditative Practices of Early Buddhism, Brill 
  • Kalupahana, David J. (১৯৯৪), A history of Buddhist philosophy, Delhi: Motilal Banarsidass 
  • Robinson, Richard H.; Johnson, Willard L; Wawrytko, Sandra A; DeGraff, Geoffrey (১৯৯৬)। The Buddhist Religion: A Historical Introduction। Belmont, CA: Wadsworth। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

উইকিসংকলন
উইকিসংকলন-এ এই লেখকের লেখা মূল বই রয়েছে:


বৌদ্ধ পদবীসমূহ
পূর্বসূরী
কশ্যপ বুদ্ধ
বুদ্ধ উত্তরসূরী
মৈত্রেয় বুদ্ধ


উদ্ধৃতি ত্রুটি: "note" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="note"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি, বা বন্ধকরণ </ref> দেয়া হয়নি