সিদ্দিকুর রহমান (অভিনেতা)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক
জন্ম২৫ জুন ????[১]
জাতীয়তাবাংলাদেশী
নাগরিকত্ববাংলাদেশ বাংলাদেশী
পেশাঅভিনেতা ও পরিচালক[২]
কর্মজীবন২০০৫ – বর্তমান
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
দাম্পত্য সঙ্গীমারিয়া মিম (বি. ২০১২; বিচ্ছেদ. ২০১৯)
সন্তানআরশ হোসেন

সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক একজন বাংলাদেশী টেলিভিশন অভিনেতা। তিনি এক পর্বের টেলিভিশন নাটক ও ধারাবাহিকে বেশিরভাগ সময় কমেডি চরিত্রে অভিনয় করে থাকেন। ২০১৩ সালে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘এইতো ভালোবাসা’ মুক্তি পেয়েছিল।[১] তার বিপরীতে নায়িকা ছিলেন অভীনেত্রী নিপুন। সিদ্দিক অভিনীত কিছু জনপ্রিয় নাটক ও ধারাবাহিক হলো, কবি বলেছেন, হাউসফুল, গ্র্যাজুয়েট, মাইক, হাম্বা, বন্ধু এবং ভালোবাসা, সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ, ড্যান্স ডিরেক্টর, আমি নাটক বানাতে চাই, চৈতা পাগল, বরিশালের মামা ভাগ্নে, আমাদের সংসার, চন্দ্র বিন্দু ও রেডিও চকলেট।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

সিদ্দিক টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলার চাপড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মোহাম্মদ মোজাফ্ফর আলী ও মায়ের নাম মোছাম্মৎ হামিদা বেগম।

অভিনয়জীবন[সম্পাদনা]

১৯৯৯ সালে নাটকের দল থিয়েটার আরামবাগ- এ অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চে তার অভিষেক ঘটে। এসময় থিয়েটারের অধীনে তিনি বলদ, হাজার পোশাকী রাজার গল্প, পেজগীসহ বেশকিছু নাটকে অভিনয় করেন। এরপর তারিক আনাম খানের নির্মিত একটি চকলেটের বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শোবিজে আগমন করেন কিন্তু তখন তিনি মূলত সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করতেন। ২০০৫ সালে দীপংকর দীপন নির্মিত “রৌদ্র ও রোদেলার কাব্য” নাটকে “কাউয়া সিদ্দিক” চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি নাটকে অভিনয় শুরু করেন। পরবর্তিতে ফাহামির পরিচালনায় কবি বলেছেন ও ধারাবাহিক নাটক হাউসফুলের মাধ্যমে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০১৩ সালে তিনি আরটিভির প্রযোজনাতে “এইতো ভালোবাসা” নামের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

সিদ্দিক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত।[৩] ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে আওয়ামী লীগ থেকে টাঙ্গাইল-১ আসনের মনোনয়ন পত্র কিনেছিলেন তিনি, কিন্তু দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি।[৪]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

সিদ্দিক ২০১২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মীমকে বিয়ে করেন। ২০১৩ সালের ২৫শে জুন তিনি একটি পুত্র সন্তানের পিতা হন, যার নাম আরশ হোসেন আলিফ। ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।[৫][৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "সিদ্দিক নামের নানা দিক"banglanews24.com। ২৫ নভেম্বর ২০১৩। ২ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০১৪ 
  2. মাজহারুল তামিম (২ ফেব্রুয়ারি ২০২১)। "৫০টি সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়েছি - সিদ্দিক"মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২ 
  3. "২৪ বছর ধরে আওয়ামী লীগ করছি: সিদ্দিক"চ্যানেল আই। ১২ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২ 
  4. "তারানার সঙ্গে লড়তে চান ১৩ জন"জাগো নিউজ। ১৩ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২ 
  5. "মায়ের কাছে থাকবে অভিনেতা সিদ্দিকের সন্তান"সমকাল। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২ 
  6. "মিমের সঙ্গে ডিভোর্সের পর যা বললেন অভিনেতা সিদ্দিক"যুগান্তর। ২৪ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২