সিউনারাইন চ্যাটারগুণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সিউনারাইন চ্যাটারগুণ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামসিউনারাইন চ্যাটারগুণ
জন্ম (1981-04-03) ৩ এপ্রিল ১৯৮১ (বয়স ৪০)
ফাইরিশ, ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক, বারবাইস, গায়ানা
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি লেগ স্পিন
ভূমিকাব্যাটসম্যান
সম্পর্কএইচ চ্যাটারগুণ (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৬৯)
৩ এপ্রিল ২০০৮ বনাম শ্রীলঙ্কা
শেষ টেস্ট১৯ ডিসেম্বর ২০০৮ বনাম নিউজিল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৩০)
৭ মে ২০০৬ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ ওডিআই১৩ জানুয়ারি ২০০৯ বনাম নিউজিল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১৮ ৬৩ ৬৫
রানের সংখ্যা ১২৭ ৩৭০ ৩,৪৭৯ ১,৬৬০
ব্যাটিং গড় ১৮.১৪ ২৪.৬৬ ৩৩.৭৭ ২৭.৬৬
১০০/৫০ ০/০ ০/২ ৫/২০ ২/৮
সর্বোচ্চ রান ৪৬ ৫৪* ১৪৩ ১১৯
বল করেছে ৮০ ৪৪৫ ২৯৭
উইকেট
বোলিং গড় ৪৮.০০ ২৬.৫০ ২২.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ১/১ ৪/৯ ২/১৭
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৪/– ৬/– ৪৬/– ১৫/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৪ অক্টোবর ২০২০

সিউনারাইন চ্যাটারগুণ (ইংরেজি: Sewnarine Chattergoon; জন্ম: ৩ এপ্রিল, ১৯৮১) বারবাইসের ফাইরিশ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ইন্দো-গায়ানীয় বংশোদ্ভূত সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে গায়ানা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে লেগ স্পিন বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন তিনি।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯৯-২০০০ মৌসুম থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সিউনারাইন চ্যাটারগুণের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ২০০৫-০৬ মৌসুমে নিজ দেশে ইংল্যান্ড এ দলের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এ দলের সদস্যরূপে ধারাবাহিক ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে সকলের নজর কাড়েন। দ্বিতীয় চারদিনের খেলায় ১০৭ রান সংগ্রহের পর প্রথম একদিনের খেলায় ৮১ রান তুলেন। তবে, আঘাতের কারণে তাকে মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়েছিল।

২০০৫-০৬ মৌসুমের ঘরোয়া ক্রিকেটের কেএফসি কাপ একদিনের প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় ১১৯ রান সংগ্রহ করেন। দলের ২৪৭/৭ সংগ্রহের বিপরীতে তার এ সংগ্রহ বার্বাডোস দলকে তিন উইকেটে পরাজিত করে শিরোপা লাভ করে গায়ানা দল।[১]

বামহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান সিউনারাইন চ্যাটারগুণ গায়ানার পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছেন। দলটির পক্ষে চারটি শতরানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। ২০০৭ সালের ঘরোয়া ক্রিকেটের আসরে গায়ানার পক্ষে বেশ ভালোমানের ক্রীড়াশৈলী উপহার দেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে চারটিমাত্র টেস্ট ও আঠারোটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন সিউনারাইন চ্যাটারগুণ। ৩ এপ্রিল, ২০০৮ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে সফরকারী শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৯ ডিসেম্বর, ২০০৮ তারিখে ন্যাপিয়ারে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

টেস্ট অভিষেকের পূর্বেই ২০০৬ সালে সফরকারী জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে ওডিআই অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয় তার। অভিষেক ওডিআইয়ে ৯ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। তবে, দ্বিতীয় খেলায় অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংস খেলে দলকে দশ-উইকেটের বিজয়ে প্রভূতঃ ভূমিকা রাখেন। ক্রিস গেইলের অপরাজিত ৯৫ রানের সুবাদে তারা উদ্বোধনী জুটিতে ১৫৬ রান তুলেন। তাসত্ত্বেও, শেষ দুইটি ওডিআইয়ে তাকে দলের বাইরে রাখা হয়।[২]

গ্রীষ্মের শেষদিকে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার পূর্ব-পর্যন্ত তাকে আর দলে রাখা হয়নি।[৩] ঐ খেলায় তাকে খেলানো হয়নি। পঞ্চম ওডিআইয়ে তিনি গোল্ডেন ডাক পান।[৪] এরপর তাকে টেস্ট সিরিজে রাখা হয়নি।[৫]

ঘরোয়া ক্রিকেটে সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওডিআই সিরিজ খেলার উদ্দেশ্যে তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্য করা হয়। তিনি দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ওডিআইয়ে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে ৩৪, ৫২ ও ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন।

টেস্ট অভিষেক[সম্পাদনা]

মার্চ, ২০০৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলার জন্যে তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ত্রিনিদাদের কুইন্স পার্ক ওভালে সফররত শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে টেস্টে অভিষেক ঘটে তার। ধৈর্য্য ও কুশলতার পরিচয় দিয়ে ৪৬ রান সংগ্রহ করেন। তার ব্যাটিং কৌশল অনেকাংশেই গর্ডন গ্রীনিজডেসমন্ড হেইন্সের অনুরূপ ছিল। পাশাপাশি স্লিপ অঞ্চলেও অসাধারণ ফিল্ডিং করেন। প্রথম ইনিংসে থার্ড স্লিপ অঞ্চলে দর্শনীয় ক্যাচ তালুবন্দী করেন তিনি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Chattergoon leads Guyana to title triumph, from the Trinidad and Tobago Express, published by Cricinfo on 17 October 2005
  2. Baugh included in squad for last two ODIs, from Cricinfo, published 12 May 2006
  3. West Indies make two changes, from Cricinfo, published 24 May 2006
  4. 5th ODI: West Indies v India at Port of Spain, May 28, 2006, from Cricinfo, retrieved 30 May 2006
  5. Mohammed included in Test squad, from Cricinfo, published 28 May 2006

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]