সাহেবগঞ্জ বন্দর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সাহেবগঞ্জ বন্দর
অবস্থান
দেশ ভারত
অবস্থানসাহেবগঞ্জ, ঝাড়খণ্ড
বিস্তারিত
চালু১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯[১][২]
পরিচালনা করেভারতীয় অন্তর্দেশীয় জলপথ কর্তৃপক্ষ
মালিকভারতীয় অন্তর্দেশীয় জলপথ কর্তৃপক্ষ
পোতাশ্রয়ের প্রকারনদী বন্দর
উপলব্ধ নোঙরের স্থান
জেটি
প্রতাশ্রয়ের গভীরতা৩ মিটার (৯.৮ ফু)
পরিসংখ্যান
প্রধান আমদানি দ্রব্যযন্ত্রপাতি, ভোজ্য তেল
প্রধান রপ্তানি দ্রব্যপাথর ও কয়লা

সাহেগগঞ্জ মাল্টি-মডেল পোর্ট বা সাহেবগঞ্জ নদী বন্দর [৩] ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সাহেবগঞ্জ শহরের নিকট গড়ে ওঠা একটি বহু-মুখী বন্দর বা মাল্টি-মডেল পোর্ট। এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত।[৪] ২০১৯ সালে বন্দর নির্মাণের প্রথম পর্যায়-এর কাজ সম্পন্ন হয়। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে বন্দরটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী[১]

জাতীয় জলপথ-১ বরাবর অবস্থিত বিভিন্ন তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে অন্তর্দেশীয় কয়লা পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই বন্দর। কয়লা, পাথর, সার, সিমেন্ট এবং চিনি বন্দরের মাধ্যমে পরিবহন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া সাহিবগঞ্জে ₹২৯০ কোটি টাকা[২] খরচে নির্মিত বহু-মুখী নদী বন্দর ঝাড়খণ্ড ও বিহারের শিল্পকে বিশ্ববাজারে উন্মুক্ত করবে এবং নৌ-পথের মাধ্যমে কলকাতা বন্দরহলদিয়া বন্দর থেকে নেপালে পণ্য পরিবহনের জন্য এই বন্দরটি ব্যবহার করা হবে।[২]

বর্তমানে বন্দরে জলের গভীরতা ২-৩ মিটার। বন্দরটিতে সর্বচ্চো ১৫০০-২০০০ টন ওজনের জাহাজ নোঙর করতে সক্ষম।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০১৬ সালে ভারতীয় অন্তর্দেশীয় জলপথ কর্তৃপক্ষ লারসোন এন্ড টুবরো'কে (এলএন্ডটি) বহু-মুখী নদী বন্দর নির্মাণের জন্য চুক্তি প্রদান করে।[৫] ২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বন্দরটির ভিত্তিপ্রস্ত স্থাপন করেন। ২০১৯ সালের টার্মিনাল নির্মাণের প্রথম পর্যায়ের কাজ সম্পূর্ণ হয়। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে রাঁচিতে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাহেবগঞ্জ বন্দর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী[১]

পরিকাঠাম[সম্পাদনা]

বন্দরের বর্তমান পণ্য পরিবহন ক্ষমতা প্রতি বছরে ৩০ লক্ষ টন; সরকার দ্বিতীয় ধাপে সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ₹৩৭৬ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। দ্বিতীয় ধাপের উন্নয়ন সম্পূর্ণরূপে সরকারী-বেসরকারী অংশীদারত্বের অধীনে, ব্যক্তিগত ছাড়ের দ্বারা তৈরি করা হবে। দ্বিতীয় ধাপের কাজ শেষে বন্দরের পণ্য পরিবহন ক্ষমতা হবে প্রতি বছরে ৫৪.৫ লক্ষ টন।[২]

বন্দরে ২৭০ মিটার দীর্ঘ একটি জেটি রয়েছে এবং জেটিটি দুটি বার্থ নিয়ে গঠিত। বন্দরের জেটিতে একই সঙ্গে দুটি জাহাজ নোঙরের ব্যবস্থা রয়েছে। জাহাজ থেকে বন্দরের জেটিতে পণ্য খালাস ও বন্দরের জেটি থেকে জাহাজে পণ্য ভরার জন্য একটি মোবাইল হারবার ক্রেন রয়েছে। এছাড়া বন্দরে পণ্য খলাস ও জাহাজে জন্য ভরার জন্য কনভেয়ার বেল্ট ব্যবস্থা রয়েছে। বন্দরে পণ্য মজুতের জন্য গুদাম ঘর বা স্টকইয়ার্ড রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "PM to inaugurate Sahibganj port on Sept 12"। www.dailypioneer.com। ২৯ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  2. "PM to inaugurate India's second multi-modal terminal in Sahibganj"। economictimes.indiatimes.com। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  3. "Multi-model port to come up at Sahibganj: Gadkari"The Pioneer। ২৮ জানুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৭ 
  4. "Sahibganj to be exim hub with a multimodal plan: Nitin Gadkari"Business Standard। ১৩ অক্টোবর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৭ 
  5. Arora, Rajat (১৯ অক্টোবর ২০১৬)। "L&T to construct Sahibganj Multi modal transportation terminal"The Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]