সাসেক্সের যুবরাজ আর্চি
| যুবরাজ আর্চি | |
|---|---|
| জন্ম | আর্চি হ্যারিসন মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর ৬ মে ২০১৯ পোর্টল্যান্ড হাসপাতাল, লন্ডন, যুক্তরাজ্য |
| রাজবংশ | উইন্ডসর |
| পিতা | যুবরাজ হ্যারি |
| মাতা | মেগান মার্কল |
সাসেক্সের যুবরাজ আর্চি (আর্চি হ্যারিসন মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর; জন্ম: ৬ মে, ২০১৯) হলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের একজন সদস্য। তিনি সাসেক্সের ডিউক প্রিন্স হ্যারি এবং সাসেক্সের ডাচেস মেগান মার্কলের ছেলে। তিনি হলেন রাজা তৃতীয় চার্লসের নাতি এবং তিনি ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারীর তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন।
জন্ম, পরিবার ও শৈশবকাল
[সম্পাদনা]আর্চি হ্যারিসন মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর ২০১৯ সালের ৬ মে সকাল ৫ টা বেজে ২৬ মিনিটে (বিএসটি; ০৪: ২৬ ইউটিসি) লন্ডনের পোর্টল্যান্ড হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।[১][২] তিনি সাসেক্সের ডিউক হ্যারি ও ডাচেস মেগানের প্রথম সন্তান। পূর্বের রাজকীয় রীতি অনুযায়ী হাসপাতালে কোনো তাৎক্ষণিক ফটোকলিং (ছবি তোলার আয়োজন) অনুষ্ঠিত হয়নি।[৩] তার জন্মের খবর বাকিংহাম প্রাসাদ থেকে একটি ফ্রেমযুক্ত নোটিশের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়েছিল, যদিও পূর্বেকার রাজকীয় জন্মের মতো মায়ের ডাক্তারদের স্বাক্ষর সেখানে ছিল না।[৪] তার জন্ম উদযাপন করার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান আলাদা আলাদা রঙে আলোকিত করা হয়, যেমন: নায়াগ্রা জলপ্রপাত, সিএন টাওয়ার ও লন্ডন আই। [৫][৬][৭] ২০১৯ সালের ৮ মে তার নাম ঘোষণা করা হয়।[৮] তবে তার বংশ পরিচয় মিশ্র প্রকৃতির, যার মধ্যে আফ্রিকান-আমেরিকান ও ইউরোপীয়-আমেরিকান মাতৃবংশ রয়েছে।[৯] তিনি যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের নাগরিকত্বের অধিকারী।
আর্চির মা-বাবা তাকে যখন তার প্রপিতামহী ও প্রপিতামহা রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও প্রিন্স ফিলিপের সঙ্গে প্রথমবার দেখানোর জন্য নিয়ে যান, তখন তার বয়স মাত্র দুই দিন ছিল।[১০] ২০১৯ সালের ৬ জুলাই উইন্ডসর দূর্গের ব্যক্তিগত চ্যাপেলে ক্যান্টারবেরির আর্চবিশপ জাস্টিন ওয়েলবি দ্বারা জর্দান নদীর পানি ব্যবহার করে তাকে রাজকীয় খ্রিস্টীয় পোশাকে খ্রিস্টান করা হয়।[১১] রাজপরিবারের প্রচলিত নিয়মের বাইরে তার বাবা-মা তার আধ্যাত্মিক অভিভাবকের পরিচয় প্রকাশ করেননি।[১২] পরে জানা যায়, তার চারজন আধ্যাত্মিক অভিভাবক ছিলেন: চার্লি ভ্যান স্ট্রাউবেনজি, টিগি পেটিফার, মার্ক ডায়ার ও ওয়েস্টমিনস্টারের সপ্তম ডিউক।[১৩][১৪]
২০২০ সালের শুরুতে আর্চির পিতা-মাতা রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন।[১৫] এরপর তার পরিবার উত্তর আমেরিকায় চলে যায় এবং সেই বছরের গ্রীষ্মে ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেসিটো কমিউনিটিতে বসতি স্থাপন করে।[১৬] তার ছোট বোন লিলিবেট ২০২১ সালে জন্মগ্রহণ করে।[১৭]
জনসম্মুখে উপস্থিতি
[সম্পাদনা]২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে আর্চি তার বাবা ও মায়ের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার সফরে যান, যেখানে তারা মালাউই, অ্যাঙ্গোলা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও বতসোয়ানায় ঘুরে আসেন।[১৮] ২০২০ সালে নিজের প্রথম জন্মদিন উপলক্ষে আর্চি তার মায়ের সঙ্গে একটি গল্প পাঠের ভিডিওতে উপস্থিত হন। এটি ছিল "সেভ দ্য স্টোরিজ" ক্যাম্পেইনের অংশ, যা করোনাভাইরাস মহামারির কারণে প্রভাবিত শিশু ও পরিবারগুলিকে সহায়তা করার জন্য একটি প্রকল্প হিসেবে কাজ করে।[১৯]
উপাধি, সম্বোধন ও উত্তরাধিকারী
[সম্পাদনা]আর্চি নিজের পিতার উপাধি সাসেক্সের ডিউক, ডামবার্টনের আর্ল ও কিলকিল বারোনির উত্তরাধিকারী হিসাবে প্রচলিত রাজকীয় রীতি অনুযায়ী জন্মের সময় থেকেই প্রিন্স হ্যারির ডিউক উপাধি ও ডামবার্টনের আর্ল খেতাব ব্যবহার করার অধিকারী ছিলেন।[৩][২০] তবে মিডিয়ায় খবর আসে, ডিউক ও ডাচেস সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, আর্চিকে “মাস্টার আর্চি হ্যারিসন মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর” হিসেবে পরিচিত করানো হবে, যাতে তিনি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বড় হতে পারেন এবং এটি তাদের অভিপ্রায় অনুযায়ী ছিল।[২১]
তৃতীয় চার্লসের রাজত্ব গ্রহণের পর আর্চি যুবরাজ খেতাব ও "মহামান্য রাজকুমার" (রয়াল হাইনেস) শৈলী ব্যবহার করার অধিকারী হন। কারণ তিনি হলেন মনার্কের পুত্রের সন্তান এবং এটি ১৯১৭ সালে রাজা পঞ্চম জর্জ দ্বারা জারি করা রাজকীয় অনুমোদন অনুযায়ী বৈধ।[২২] তবে কয়েকটি সূত্র জানায়, এটি এখনও স্পষ্ট নয় যে তিনি সেই খেতাব ও শৈলী ব্যবহার করবেন কিনা। কারণ রাজপরিবারের যেই সকল সদস্য খেতাবের অধিকারী, তারা তা ব্যবহার করেন না।[২৩][২৪] 'অপ্রাহ উইথ মেগান অ্যান্ড হ্যারি' শিরোনামের একটি সাক্ষাৎকারে সাসেক্সের ডাচেস মেগান উল্লেখ করেন যে, তাকে বলা হয়েছিল যে, তার পুত্রের এই অধিকার পরিবর্তন করা হতে পারে।[২৫] তৃতীয় চার্লসের সংক্ষিপ্ত রাজপরিবার পরিকল্পনা ১৯৯০-এর দশক থেকে চালু ছিল। [২৬]
রাজপরিবারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ২০২৩ সালের ৯ মার্চ তাকে “প্রিন্স আর্চি অফ সাসেক্স” (সাসেক্সের যুবরাজ আর্চি) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।[২৭][২৮] পরবর্তীতে খবরে জানা যায় যে, তার যেকোনো খেতাব আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত হবে; তবে দৈনন্দিন কথোপকথনে তা ব্যবহার করা হবে না।[২৯]
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Royal baby: Meghan gives birth to boy, Harry announces"। BBC News। ৬ মে ২০১৯। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০১৯।
- ↑ Furness, Hannah; Lyons, Izzy; Davies, Gareth (১৭ মে ২০১৯)। "Duchess of Sussex gave birth at Portland Hospital in Westminster, royal baby's birth certificate confirms"। The Daily Telegraph। ১২ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
- 1 2 "Royal baby: Meghan, Duchess of Sussex, gives birth to boy"। The Guardian। ৬ মে ২০১৯। ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১৯।
- ↑ Hill, Erin (৬ মে ২০১৯)। "See Baby Sussex's Official Royal Birth Announcement Outside Buckingham Palace"। People। ১৫ মে ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০২৩।
- ↑ Mowat, Justin (৬ মে ২০১৯)। "Niagara Falls will shine blue Monday to mark royal birth"। CBC News। ৯ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১৯।
- ↑ "CN Tower lit in purple to mark birth of royal baby"। CBC News। ৬ মে ২০১৯। ৩১ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১৯।
- ↑ "London Eye to turn red, white and blue for royal baby"। BT। Press Association। ৬ মে ২০১৯। ৮ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১৯।
- ↑ "Royal baby: Duke and Duchess of Sussex name son Archie"। BBC News। ৮ মে ২০১৯। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১৯।
- ↑ Barry, Ellen; Karasz, Palko (৬ মে ২০১৯)। "Meghan, Duchess of Sussex, Gives Birth to a Boy"। The New York Times। ৬ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
- ↑ Kelly, Roisin (৯ মে ২০১৯)। "The Sweet Moment the Queen Met her Great-Grandson, Archie, Has Shocking Historical Significance"। Parade। ৮ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২২।
- ↑ Dymond, Jonny (৬ জুলাই ২০১৯)। "Harry and Meghan's baby Archie christened at Windsor"। BBC News। ৯ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Dixon, Christine-Marie Liwag (২১ জানুয়ারি ২০২০)। "Who Are Baby Archie's Godparents?"। TheList.com। ৮ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০২১।
- ↑ Mackelden, Amy (১৯ জানুয়ারি ২০২০)। "Archie Mountbatten-Windsor's Godparents Were a Closely Guarded Secret"। Harper's Bazaar। ৮ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২২।
- ↑ Nikkhah, Roya (২ ডিসেম্বর ২০২৩)। "Harry and Meghan excluded from Duke of Westminster's wedding"। The Times। ২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৩।
- ↑ "Prince Harry and Meghan to step back as senior royals"। BBC News। ৮ জানুয়ারি ২০২০। ২২ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২১।
- ↑ Taylor, Elise (১৯ আগস্ট ২০২০)। "Why Prince Harry and Meghan Markle Chose to Live in Montecito, California"। Vogue (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২১ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
- ↑ "Harry and Meghan announce birth of baby daughter, saying: 'She is more than we could have ever imagined'"। Sky News। ৬ জুন ২০২১। ৬ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- ↑ Gonzales, Erica (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯)। "Meghan Markle, Prince Harry, and Archie's Royal Tour of Southern Africa: Everything You Need to Know"। Harper's Bazaar। ২২ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ Clarke, Chevaz (৬ মে ২০২০)। "Prince Harry and Meghan share adorable storytime video of Archie on his first birthday"। CBS News। ৮ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১।
- ↑ Furness, Hannah; Southworth, Phoebe; Herbert, Samantha (৬ মে ২০১৯)। "Royal baby: Prince Harry says birth of son is 'the most amazing experience' as world waits for first sighting"। The Telegraph। ১২ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
- ↑ Multiple sources:
- "Archie Harrison: The meaning behind the royal baby's name"। BBC News। ৮ মে ২০১৯। ২৬ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১৯।
- "Succession"। The Royal Family। ১৭ মার্চ ২০১৬। ১৩ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০১৯।
- Barry, Ellen (৮ মে ২০১৯)। "Harry and Meghan Name Their Son: Archie Harrison Mountbatten-Windsor"। The New York Times। ১৮ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২০।
- Davies, Caroline (৮ মে ২০১৯)। "Archie Harrison Mountbatten-Windsor – what's in a name?"। The Guardian। ১১ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১৯।
- ↑ Multiple sources:
- "Prince Harry and Meghan's children in line to get new royal titles after Queen Elizabeth II's death"। ABC News। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- "Prince Harry and Meghan's children Archie and Lillibet now a prince and princess, as a number of royal titles change"। CBS News। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- "How the Queen's death changes royal titles including Archie and Lilibet"। ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- "Harry and Meghan's children become Prince Archie and Princess Lilibet"। ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- Quinn, Ben (৮ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "Harry and Meghan's children become Prince Archie and Princess Lilibet"। The Guardian (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- Hughes, David (৮ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "Why Prince William isn't automatically the Prince of Wales after Charles became King"। inews.co.uk (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ Timsit, Annabelle (১১ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "Harry and Meghan's children have a right to royal titles. Will they get them?"। The Washington Post। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ Lowe, Lindsay (৯ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "Why Harry and Meghan's children may now use the titles 'prince' and 'princess'"। Today। NBC News। ১১ আগস্ট ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ "Archie: Why is Meghan and Harry's son not a prince?"। BBC News। ৯ মার্চ ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০২১।
- ↑ Royston, Jack (১০ মার্চ ২০২১)। "The Full Story on Meghan Markle's Claim on Racism, Archie and Titles"। Newsweek। ৩ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০২১।
- ↑ "Harry and Meghan's children will use royal titles, Buckingham Palace confirms after Princess Lilibet christening"। The Evening Standard। ৮ মার্চ ২০২৩। ৮ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৩।
- ↑ "Succession"। Royal Household। n.d.। ১ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০২৫।
- ↑ Elston, Laura (৮ মার্চ ২০২৩)। "Harry and Meghan call daughter Princess Lilibet as they begin using titles"। PA Media। ১১ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৩ – Yahoo! News এর মাধ্যমে।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]সাসেক্সের যুবরাজ আর্চি জন্ম: 6 May 2019 | ||
| উত্তরাধিকারসূত্রে লাইন | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী The Duke of Sussex |
Succession to the British throne 6th in line |
Followed by Princess Lilibet of Sussex |
| Orders of precedence in the United Kingdom | ||
| পূর্বসূরী Prince Louis of Wales |
Gentlemen Prince Archie of Sussex |
উত্তরসূরী Andrew Mountbatten-Windsor |