সারা আহমেদ
সারা আহমেদ | |
|---|---|
২০১৯ সালে জেনেভায় বক্তৃতা দিচ্ছেন আহমেদ | |
| জন্ম | ৩০ আগস্ট ১৯৬৯ স্যালফোর্ড, ইংল্যান্ড |
| জাতীয়তা | ব্রিটিশ এবং অস্ট্রেলিয়ান |
| মাতৃশিক্ষায়তন | |
| পেশা | লেখক, অধ্যাপক, স্বাধীন নারীবাদী পণ্ডিত |
| পরিচিতির কারণ | নারীবাদী তত্ত্ব, সমকামী নারীবাদ, কুইয়ার তত্ত্ব, সমালোচনামূলক বর্ণবাদ তত্ত্ব, উত্তর-ঔপনিবেশিকতাবাদ, আবেগ তত্ত্ব |
| ওয়েবসাইট | www |
সারা আহমেদ (জন্ম ৩০ আগস্ট ১৯৬৯)[১] একজন ব্রিটিশ-অস্ট্রেলীয় লেখিকা ও শিক্ষাবিদ, যিনি মূলত নারীবাদী তত্ত্ব, কুইয়ার তত্ত্ব, আবেগ তত্ত্ব, সমালোচনামূলক বর্ণবাদ তত্ত্ব এবং উত্তর-ঔপনিবেশিকতাবাদ তত্ত্বের সংযোগস্থল নিয়ে কাজ করেন। তাঁর মৌলিক কাজ, দ্য কালচারাল পলিটিকস অফ ইমোশন, যেখানে তিনি আবেগ-অনুভূতির সামাজিক মাত্রা ও তার সঞ্চালন অন্বেষণ করেছেন, তা আবেগতত্ত্বের একটি ভিত্তি রচনাকারী হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে।[২][৩][৪]
জীবন
[সম্পাদনা]সারা আহমেদ ১৯৬৯ সালের ৩০ আগস্ট ইংল্যান্ডের স্যালফোর্ড শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা পাকিস্তানি এবং মাতা ইংরেজ। ১৯৭০-এর দশকের প্রথম দিকে তিনি তার পরিবারের সাথে ইংল্যান্ড থেকে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে চলে আসেন।[৫] তার কাজের প্রধান বিষয়বস্তু যেমন অভিবাসন, অভিযোজন, ভিন্নতা, বিদেশীয়ত্ব এবং মিশ্র পরিচয়—এগুলো সরাসরি তার প্রথম দিকের কিছু অভিজ্ঞতার সাথে সম্পর্কিত। তিনি অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার প্রথম ডিগ্রি এবং কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড কালচারাল থিওরি থেকে ডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।[৬] বর্তমানে তিনি তার সঙ্গী সারা ফ্র্যাঙ্কলিনের সাথে কেমব্রিজের উপকণ্ঠে বসবাস করেন; সারা ফ্র্যাঙ্কলিন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষাবিদ।[৭]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]সারা আহমেদ ১৯৯৪ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ল্যাঙ্কাস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর উইমেন'স স্টাডিজে কর্মরত ছিলেন এবং তিনি প্রতিষ্ঠানটির সাবেক পরিচালকও ছিলেন।[৮] ২০০৪ সালে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের গোল্ডস্মিথস কলেজের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনস বিভাগে নিযুক্ত হন। সেখানে তিনি এর সেন্টার ফর ফেমিনিস্ট রিসার্চের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল গোল্ডস্মিথস-এ নারীবাদী ইতিহাসকে সংহত করা এবং ভবিষ্যতের নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে রূপ দেওয়া।[৯] ২০০৯ সালের বসন্তে আহমেদ রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ে লরি নিউ জার্সি চেয়ার ইন উইমেন'স স্টাডিজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন[১০] এবং ২০১৩ সালের লেন্ট সেমিস্টারে তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডায়ান মিডলব্রুক এবং কার্ল জেরাসি প্রফেসর ইন জেন্ডার স্টাডিজ হিসেবে কাজ করেন, সেখানে তিনি "উইলফুল উইমেন: ফেমিনিজম অ্যান্ড আ হিস্টরি অফ উইল" বিষয়ে গবেষণা করেন।[১১] ২০১৫ সালে তিনি ন্যাশনাল উইমেন'স স্টাডিজ অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ২০১৬ সালে গোল্ডস্মিথস কলেজের কর্মীদের দ্বারা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদে আহমেদ সেখানে তার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।[১২][১৩] তিনি জানান যে তিনি একজন স্বাধীন গবেষক হিসেবে তার কাজ চালিয়ে যাবেন।[১৪] তিনি তাঁর জনপ্রিয় ব্লগ ফেমিনিস্টকিলজয়স-এ নিয়মিত লেখালেখি করেন।[১৫] এই ব্লগটি তাঁর বই লিভিং আ ফেমিনিস্ট লাইফ (২০১৭)-এর একটি অংশীদার প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত যা তাকে মানুষের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করে; যেখানে ব্লগের লেখা অনেক সময় বইয়ের অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে এবং বইয়ের চিন্তাভাবনা ব্লগিংয়ের উপাদান হয়ে ওঠে। "ফেমিনিস্ট কিলজয়" শব্দটি "একটি যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে উঠেছে, যা মানুষের কাছে পৌঁছানোর একটি উপায় যারা তার মধ্যে তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতার কিছুটা হলেও খুঁজে পান।"[১৬]
তত্ত্ব
[সম্পাদনা]ইন্টারসেকশনালিটি
[সম্পাদনা]ইন্টারসেকশনালিটি সারা আহমেদের নারীবাদী চিন্তাধারার জন্য অপরিহার্য। তিনি বলেন "ইন্টারসেকশনালিটি একটি শুরু করার জায়গা, যেখান থেকে ক্ষমতা কীভাবে কাজ করে তার একটি ব্যাখ্যা দিতে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।"[১৭] তিনি বেল হুকস -এর সাথে একমত পোষণ করে বলেন, যদি আমরা লিঙ্গবৈষম্যর মতো বিষয়গুলোর অবসান ঘটাতে চাই তবে এর সাথে জড়িত অন্যান্য বিষয়গুলি যেমন বর্ণবাদ এবং ঔপনিবেশিক ক্ষমতা যা আমাদের বর্তমান সমাজকে আকার দিয়েছে, সেগুলোর দিকেও আমাদের নজর দিতে হবে।[১৭] আহমেদের দৃষ্টিতে ইন্টারসেকশনালিটি হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আমরা "আমাদের অস্তিত্বে আসার একটি পয়েন্ট তৈরি করি।"[১৮] তবে "আমরা কীভাবে এই ছেদগুলোকে নিজের জীবনে অনুভব করি" তা "হতাশাজনক, ক্লান্তিকর, যন্ত্রণাদায়ক" হতে পারে।[১৯]
ইন্টারসেকশনালিটি আহমেদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তার নিজস্ব নারীবাদ এবং আত্ম-পরিচয়কে সংজ্ঞায়িত করে। তাঁর ভাষায়: “আমি কখনো শুধু সমকামী আবার কখনো কেবল একজন কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি বা কখনো কেবল নারীবাদী—এভাবে আলাদা আলাদা হয়ে উঠি না। আমি প্রতি মুহূর্তে এগুলোর সব। এবং কৃষ্ণাঙ্গ নারীবাদী সমকামিতাই এই সমস্ত পরিচয়কে একত্রে অস্তিত্বে নিয়ে আসে দৃঢ়তার সঙ্গে, অবিচলতার সঙ্গে।”[১৮]
বৈচিত্র্যকর্ম
[সম্পাদনা]বৈচিত্র্যকর্ম সারা আহমেদের লেখার একটি অন্যতম সাধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। লিভিং আ ফেমিনিস্ট লাইফ এবং অন বিয়িং ইনক্লুডেড এর মতো তাঁর অনেক রচনায় এই ধারণাটি উঠে এসেছে। এই ধারণার মাধ্যমে আহমেদ দেখান—প্রাতিষ্ঠানিক পরিসরে দৈনন্দিন জীবনে নারীবাদী জীবন যাপন আসলে কী অর্থ বহন করে, তা কীভাবে বাস্তব হয়ে ওঠে।
আহমেদের মতে বৈচিত্র্যকর্ম হলো "ক্ষমতার কৌশল সম্পর্কে [শেখা], প্রাতিষ্ঠানিক রীতিনীতি পরিবর্তন করার প্রচেষ্টায় অথবা এমন এক বিশ্বে টিকে থাকার প্রচেষ্টায় যা আমাদের অস্তিত্বকে মানিয়ে নিতে চায় না।" বৈচিত্র্যকর্ম কোনো একক নির্দিষ্ট কাজ নয়। এটি একদিকে যেমন একটি প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের প্রয়াস হতে পারে, অন্যদিকে তেমনই হতে পারে কেবলমাত্র সেই প্রতিষ্ঠানে টিকে থাকার সংগ্রাম যা মূলত আমাদের জন্য তৈরি করা হয়নি। তিনি শিক্ষাবিদ হিসেবে একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারী হিসেবে তার অভিজ্ঞতা এবং চন্দ্রা তালপাদে মোহান্তি, এম. জ্যাকি আলেকজান্ডার, এবং হাইদি মির্জা-সহ অন্যদের কাজ থেকে অনুপ্রেরণা নেন।[২০]
কৃষ্ণাঙ্গ সমকামী নারীবাদ
[সম্পাদনা]আহমেদের কাছে কৃষ্ণাঙ্গ সমকামী নারীবাদ হলো "নিজেকে আবার গড়ে তোলার সংগ্রাম, কারণ সমকামী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও আমাদের অস্তিত্ব সবসময় মানিয়ে নেওয়া যায়নি।"[১৮] তিনি শেরি মোরাগা, গ্লোরিয়া আনজালদুয়া, এবং অড্রে লর্ড-এর মতো অন্যান্য কৃষ্ণাঙ্গ সমকামী নারীবাদীদের কাজের উপর ভিত্তি করে তার ধারণা দেন। এই নারীরা নিজেদেরকে "অস্তিত্বে লেখার" প্রচেষ্টায় অংশ নিয়েছেন। আহমেদ এই নারী এবং তাদের মতো আরও অনেকের লেখাগুলোকে একটি "লাইফলাইন" বা জীবনরেখা হিসেবে দেখেন।[১৮]
কিলজয় নারীবাদ
[সম্পাদনা]আহমেদের কাছে, নারীবাদ অনুশীলন করা একটি নারীবাদী জীবন যাপনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি তাঁর কিলজয় মেনিফেস্টো[১৮] এবং ফেমিনিস্টকিলজয়স ব্লগের[১৪] মাধ্যমে নারীবাদী দর্শন মেনে জীবন যাপন ও অনুশীলনের মূল নীতিগুলোকে সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে। একই সাথে পুরুষতান্ত্রিক ও নিপীড়নের ব্যবস্থার অধীনে দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতায় এই ধরনের জীবনযাপন কীভাবে টানাপোড়েন তৈরি করে তার প্রতিও দৃষ্টি দেন। তিনি এই ধরনের টানাপোড়েন এবং কীভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো সমস্যা উত্থাপনকারীদের (যেমন যৌন হয়রানি নিয়ে অভিযোগকারীদের) নিজেদেরকেই সমস্যা হিসেবে গণ্য করে, তা নিয়ে তার ২০২১ সালের বই 'কমপ্লেইন্ট!' এ আলোচনা করেছেন।
আবেগ ও অভিজ্ঞতাবাদ
[সম্পাদনা]আহমেদের কাজ জীবন অভিজ্ঞতার বিশ্লেষণ এবং আবেগ বা অনুভূতির বিশ্লেষণ—উভয় বিষয়ের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তিনি প্রায়ই আবেগের কাঠামোকে সামাজিক বাস্তবতা হিসেবে বিশ্লেষণ করেন যা আমাদের জীবন যাপনের পদ্ধতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণস্বরূপ, তার "দ্য প্রমিজ অফ হ্যাপিনেস" গ্রন্থে তিনি অন্বেষণ করেন যে কীভাবে সুখ একটি "সামাজিক চাপ" হিসেবে কাজ করে, যা মানুষকে নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতা, বস্তু এবং আচরণ থেকে দূরে ঠেলে বা সেগুলোর দিকে আকর্ষণ করে। এটি "হ্যাপি অবজেক্টস" নামক তার কুইয়ার সংক্রান্ত গবেষণার একটি লেখায় তিনি বর্ণনা করেন— কীভাবে একজন অল্পবয়সী কুইয়ার ব্যক্তি পারিবারিক ডিনার টেবিলে বসে অনুভব করে যে সে সেই জায়গার অংশ নয়, যখন তার চারপাশে থাকা পূর্বপুরুষদের ছবিগুলো শুধু বিষমকামী পারিবারিক কাঠামোকে প্রতিনিধিত্ব করে।
পুরস্কার
[সম্পাদনা]২০১৭ সালে আহমেদ সিইউএনওয়াই-এর সিএলএজিএস থেকে এলজিবিটিকিউ গবেষণার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কেসলার পুরস্কার লাভ করেন।[২১] এই পুরস্কার গ্রহণের সময় আহমেদ "কুইয়ার ইউজ" শিরোনামে একটি বক্তৃতা প্রদান করেন।[২২]
২০১৯ সালে সুইডেনের মালমো বিশ্ববিদ্যালয় আহমেদকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে।[২৩] সম্মানসূচক ডক্টর হিসেবে তিনি "ফেমিনিস্টস অ্যাট ওয়ার্ক: ডাইভারসিটি, কমপ্লেইন্ট, ইন্সটিটিউশনস" শিরোনামে একটি বক্তৃতা দেন।[২৪]
কর্মসমূহ
[সম্পাদনা]সারা আহমেদকে একজন অত্যন্ত ফলপ্রসূ লেখিকা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে: আহমেদের কাজের পর্যালোচনা করতে গিয়ে লিঙ্গ অধ্যয়নের গবেষক মারগ্রিট শিল্ড্রিক মন্তব্য করেন, "আজকের যুক্তরাজ্যের প্রেক্ষাপটে কর্মরত খুব কম শিক্ষাবিদ লেখকই সারা আহমেদের মতো এত ব্যাপক কাজ প্রকাশ করতে পারেন এবং এর চেয়েও কম সংখ্যক লেখক আছেন যারা তার মতো ধারাবাহিকভাবে উচ্চ মানের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বজায় রাখতে পারেন।"[২৫] সারা আহমেদ এখন পর্যন্ত দশটি একক-লিখিত গ্রন্থ রচনা করেছেন।
গ্রন্থসমূহ
[সম্পাদনা]ডিফারেন্সেস দ্যাট ম্যাটার: ফেমিনিস্ট থিওরি অ্যান্ড পোস্টমডার্নিজম
[সম্পাদনা]১৯৯৮ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস এটি প্রকাশ করে।[২৬] এই গ্রন্থে আহমেদের প্রধান মনোযোগ নিবদ্ধ ছিল একটি প্রশ্নকে ঘিরে: “নারীবাদ কি আধুনিক না কি হওয়া উচিত উত্তর-আধুনিক?” তিনি বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করেন—উত্তর-আধুনিকতাবাদ বিশ্বে কী পরিবর্তন ঘটাচ্ছে এবং সেটি নারীবাদী চিন্তা ও রাজনীতিকে কীভাবে প্রভাবিত করছে।[২৭]
স্ট্রেঞ্জ এনকাউন্টারস: এমবডিড আদারস ইন পোস্ট-কলোনিয়ালিটি
[সম্পাদনা]দ্য কালচারাল পলিটিকস অফ ইমোশন
[সম্পাদনা]২০০৪ সালেএডিনবার্গ ইউনিভার্সিটি প্রেস এটি প্রকাশ করে (এর দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে)।[২৯] আহমেদ এই বইটিতে যোগাযোগ ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেছেন, যেখানে বস্তু ও দেহ একত্রিত হয় এবং বিভিন্ন ধরণের আবেগ বা অনুভূতির সৃষ্টি করতে পারে। আহমেদ আরও যুক্তি দেন যে আমাদের আবেগ-অনুভূতি ছবি এবং বস্তুর সাথে আমাদের সংস্পর্শের মাধ্যমে গঠিত হয়।[৩০] .
'কুইয়ার ফেনোমেনোলজি: অরিয়েন্টেশনস, অবজেক্টস, আদারস
[সম্পাদনা]এই গ্রন্থটি ২০০৬ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়।[৩১] সারা আহমেদ প্রায়শই অভিমুখতা এবং স্থানিক অবস্থান হওয়া বিষয়ে মনোযোগ দেন, বিশেষ করে যৌন অভিমুখতার সাথে এর সম্পর্ক প্রসঙ্গে। তার বই কুইয়ার ফেনোমেনোলজি: অরিয়েন্টেশনস, অবজেক্টস, আদারস-এ আহমেদ ব্যাখ্যা করেন— অভিমুখতা বলতে বোঝায় যে জিনিসগুলোর দিকে আমরা মুখ ফেরাই, যেসব ‘অন্য’-এর দিকে আমরা ঝুঁকে থাকি এবং আমরা যে স্থানটিতে বসবাস করি তা ও তার অভ্যন্তরে আমাদের অবস্থানের ধরন। আহমেদ কুইয়ার ফেনোমেনোলজিকে এমন একটি উপায় হিসেবে তুলে ধরেছেন যা এই ধারণা দেয় যে অভিমুখতা জীবনের অভিজ্ঞতায় নিহিত।[৩২]
দ্য প্রমিজ অফ হ্যাপিনেস
[সম্পাদনা]২০১০ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটি প্রেস এটি প্রকাশ করে।[৩৩] ২০১১ সালে এটি নারীবাদ, লিঙ্গ অথবা নারী অধ্যয়নের ক্ষেত্রে উদ্ভাবন ও গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ এফডব্লিউএসএ বুক পুরস্কার লাভ করে।[৩৪] এই বইটিতে আহমেদ মূলত সুখের যোগ্য হওয়া বলতে কী বোঝায় এবং কীভাবে বিচ্যুত কিছু কাজ নির্দিষ্ট পরিচয়ের সাথে মিলে অসুখের কারণ হয় তার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি আরও গুরুত্ব দেন যে সুখ কীভাবে বর্ণিত হয় এবং উপযোগিতাবাদের ধারণাটি কীভাবে কাজ করে।[৩৫]
অন বিয়িং ইনক্লুডেড: রেসিজম অ্যান্ড ডাইভারসিটি ইন ইন্সটিটিউশনাল লাইফ
[সম্পাদনা]২০১২ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটি প্রেস এটি প্রকাশ করে।[৩৬] অন বিয়িং ইনক্লুডেড বইটিতে আহমেদ "বৈচিত্র্যের জগতের একটি বিবরণ" উপস্থাপন করেছেন। তিনি প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ এবং শ্বেতাঙ্গতা বিশ্লেষণ করেন এবং প্রতিষ্ঠানগুলিতে সেগুলোকে অতিক্রম করার প্রচেষ্টায় বৈচিত্র্যের কাজে নিয়োজিত কর্মীরা যে অসুবিধার সম্মুখীন হন, সে বিষয়গুলো তুলে ধরেন।[৩৭]
উইলফুল সাবজেক্টস
[সম্পাদনা]২০১৪ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটি প্রেস এটি প্রকাশ করে।[৩৮] আহমেদ এই বইটিতে অবাধ্যতাকে প্রতিরোধের একটি ধারণা হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি আরও যোগ করেন যে অবাধ্যতা মানে হলো বারবার দমিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও টিকে থাকার এক ধরণের সংকল্প। এই বই জুড়ে আহমেদের লক্ষ্য ছিল "পাত্র উপচে দেওয়া", কারণ অবাধ্যতা হলো সেই পাত্র, যার মাধ্যমে বিভ্রান্তি বা বিকৃতি ধারণ করা হয়।[৩৯]
লিভিং আ ফেমিনিস্ট লাইফ
[সম্পাদনা]২০১৭ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটি প্রেস এটি প্রকাশ করে।[৪০] আহমেদের ব্লগ "ফেমিনিস্টকিলজয়স", "লিভিং আ ফেমিনিস্ট লাইফ" (২০১৭) লেখার সময় একই সাথে তৈরি হয়েছিল।[৪১] শিরোনাম থেকেই বোঝা যায় আহমেদ এখানে নারীবাদী তত্ত্ব এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এর অর্থ কী তা অন্বেষণ করেছেন। এই প্রভাবের একটি বড় দিক হলো বৈচিত্র্য বিষয়ক কাজ —যার উপর তিনি বইটির এক-তৃতীয়াংশ ভাগ উৎসর্গ করেছেন। তিনি বইটির বেশিরভাগ অংশ জুড়ে নারীবাদী কিলজয় নিয়েও আলোচনা করেছেন, যিনি একজন কর্মজীবী নারীবাদী হিসেবে তাদের প্রতিদিনের জীবনে অন্যায় বা নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নিজের অবস্থান প্রকাশ করেন।[৪২] ২০২০ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটি প্রেস নিশ্চিত করেছে যে 'লিভিং আ ফেমিনিস্ট লাইফ' গত দশকের তাদের সর্বাধিক বিক্রিত বই।
হোয়াটস দ্য ইউজ? অন দ্য ইউজেস অফ ইউজ
[সম্পাদনা]২০১৯ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটি প্রেস এটি প্রকাশ করে।[৪৩] আহমেদ এই বইটিতে ১৯ শতকে জীবন ও শক্তির সাথে ব্যবহারের ঐতিহাসিক ধারণাকে তুলে ধরেছেন এবং কীভাবে উপযোগিতাবাদ ব্যক্তিদেরকে কার্যকর লক্ষ্যের মাধ্যমে আকার দিতে সাহায্য করেছে তা দেখিয়েছেন। তিনি আরও অন্বেষণ করেছেন যে কীভাবে 'ব্যবহার' সীমাবদ্ধ স্থান নিয়ে আসে। এরপর আহমেদ কুইয়ার ব্যবহারের ধারণাগুলি অনুসন্ধান করেছেন।[৪৪]
কমপ্লেইন্ট!
[সম্পাদনা]২০২১ সালে ডিউক ইউনিভার্সিটি প্রেস এটি প্রকাশ করে।[৪৫] প্রকাশকের মতে: "ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে যারা অভিযোগ করেন তাদের কাছ থেকে ক্ষমতা সম্পর্কে আমরা কী শিখতে পারি, তা এই বইয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়রানি, উৎপীড়ন এবং অসম কাজের পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীদের মৌখিক ও লিখিত সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আহমেদ অভিযোগ দায়ের করার সময় কী ঘটার কথা এবং বাস্তবে কী ঘটে তার মধ্যেকার ব্যবধান অন্বেষণ করেছেন।"[৪৬]
দ্য ফেমিনিস্ট কিলজয় হ্যান্ডবুক
[সম্পাদনা]২০২৩ সালে সিল প্রেস এটি প্রকাশ করে।[৪৭] নারীবাদী কিলজয়-এর ধারণার উপর ভিত্তি করে সারা আহমেদ সাহিত্য, চলচ্চিত্র এবং বিশিষ্ট নারীবাদী কাজগুলোর একটি বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছেন, একই সাথে একজন কৃষ্ণাঙ্গ কুইয়ার নারীবাদী পণ্ডিত-কর্মী হিসেবে তার জীবন অভিজ্ঞতাকে এর সাথে সংযুক্ত করেছেন। তিনি তুলে ধরেছেন যে কীভাবে আনন্দ নষ্ট করা একটি জগৎ-নির্মাণকারী প্রকল্প, যেখানে প্রশ্ন করা থেকে শুরু করে চোখ ঘোরানোর ক্ষমতা পর্যন্ত বিভিন্ন পদক্ষেপের বিবরণ রয়েছে। নারীবাদী পণ্ডিত জুডিথ বাটলার ২০২৪ সালে মাসিক ম্যাগাজিন 'দ্য নেশন'-এ তাদের "দ্য স্ন্যাপ" শিরোনামের প্রবন্ধে আহমেদের এই বইটির পর্যালোচনা করেছেন।[৪৮]
সহ-সম্পাদিত বইসমূহ
[সম্পাদনা]সম্পাদিত ও সহ-সম্পাদিত জার্নালসমূহ
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Ahmed, Sara, 1969-"। Library of Congress। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৫।
data sheet (Ahmed, Sara; b. 08-30-69)
- ↑ Athanasiou, Athena; Hantzaroula, Pothiti; Yannakopoulos, Kostas (২০০৮)। "Towards a New Epistemology: The "Affective Turn""। Historein (ইংরেজি ভাষায়)। ৮: ৫–১৬। ডিওআই:10.12681/historein.33। আইএসএসএন 2241-2816।
In such a spirit of questioning, Sara Ahmed has developed a groundbreaking theory of the cultural politics of emotion, one that interweaves emotions, language and bodies while attending to the intersections of gender, race, class, sexuality and nation.
- ↑ Harrison, Guy (২০২১)। On the Sidelines: Gendered Neoliberalism and the American Female Sportscaster (ইংরেজি ভাষায়)। U of Nebraska Press। পৃ. ১১১। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৯৬২-২৭৪২-৩।
Ahmed's volume has become a foundational text in an emerging field in cultural studies known as affect— with a sound similar to that in the word acting—which seeks to investigate the way emotions impact individuals, institutions, and society at large.
- ↑ Cuddon, J. A. (৭ নভেম্বর ২০১২)। A Dictionary of Literary Terms and Literary Theory (ইংরেজি ভাষায়)। John Wiley & Sons। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১১৮-৩২৬০০-৮।
Some of the most important publications include Lauren Berlant, Cruel Optimism (2011); Eve Kosofsky Sedgwick, Touching Feeling: Affect, Performativity, Pedagogy (2003); Paul Gilroy, After Empire: Melancholia or Convivial Culture? (2004); Sara Ahmed, The Cultural Politics of Emotion (2004);
- ↑ Sian, Katy (২০১৪)। Conversations in Postcolonial Thought। Palgrave। পৃ. ১৭–১৮।
- ↑ "Differences That Matter" (পিডিএফ)। ১৯৯৮।
- 1 2 3 "Bio"। Sarah Ahmed।
- ↑ "People - Centre for Gender and Women's studies, Lancaster University, UK"। www.lancaster.ac.uk। ১ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- ↑ "Centre for Feminist Research"। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- ↑ "Spring Newsletter 2009" (পিডিএফ)।
- ↑ "Previous Visiting Professors — University of Cambridge Centre for Gender Studies"। www.gender.cam.ac.uk। ১৭ অক্টোবর ২০১৪।
- ↑ "London university professor quits over sexual harassment of female students by staff"। ৯ জুন ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ feministkilljoys (৩০ মে ২০১৬)। "Resignation"। feministkilljoys (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 Ahmed, Sara (২৬ আগস্ট ২০১৩)। "Feministkilljoys"।
- ↑ Ahmed, Sara। "feministkilljoys"। feministkilljoys। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৭।
- ↑ "Sara Ahmed: "Once We Find Each Other, So Much Else Becomes Possible" | Literary Hub"। lithub.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১০ এপ্রিল ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০১৮।
- 1 2 Ahmed, Sara (২০১৭)। Living a feminist life। Durham: Duke University Press। পৃ. ৫। আইএসবিএন ৯৭৮০৮২২৩৬৩০৪০। ওসিএলসি 946461715।
- 1 2 3 4 5 Ahmed, Sara (২০১৭)। Living a feminist life। Duke University Press। পৃ. ২৩০। আইএসবিএন ৯৭৮০৮২২৩৬৩০৪০। ওসিএলসি 994735865।
- ↑ Ahmed, Sara (২০১৭)। Living a feminist life। Durham: Duke University Press। পৃ. ২১২। আইএসবিএন ৯৭৮০৮২২৩৬৩০৪০। ওসিএলসি 946461715।
- ↑ Ahmed, Sarah (২০১৭)। Living a feminist life। Durham: Duke University Press। পৃ. ৯১। আইএসবিএন ৯৭৮০৮২২৩৬৩০৪০। ওসিএলসি 946461715।
- ↑ "Kessler Award – CLAGS: Center for LGBTQ Studies"। ১৯ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২৫।
- ↑ "Kessler Lecture 2017 Sara Ahmed"। YouTube। ২ জুলাই ২০১৯। ১৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
- ↑ "'Feminist Killjoy' Sara Ahmed to be appointed new honorary doctor at Malmö University | Malmö University"। ৩১ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২৫।
- ↑ "Open Lecture by Honorary Doctor Sara Ahmed"। Facebook।
- ↑ Shildrick, Margrit (২০০৯)। "Review, Queer Phenomenology"। International Journal of Philosophical Studies। ১৭ (4)। ডিওআই:10.1080/09672550903165787। এস২সিআইডি 170414791।
- ↑ Cambridge: Cambridge University Press.
- ↑ Ahmed, Sara (১৯৯৮)। Differences That Matter: Feminist Theory and Postmodernism। Cambridge University Press।
- ↑ "Strange Encounters: Embodied Others in Post-Coloniality (Paperback) - Routledge"। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৬।
- ↑ "Strange Encounters: Embodied Others in Post-Coloniality (Paperback) - Routledge"। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৬।
- ↑ Gravel-Patry, Fanny (৩ মে ২০২০)। "Meaning, Feeling, Doing: Affective Image Operations and Feminist Literatures of Care on Instagram"। Electronic Book Review। ডিওআই:10.7273/dz99-v904।
- ↑ "Duke University Press"। ৬ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৬।
- ↑ Ahmed, Sara (২০০৬)। Queer phenomenology : orientations, objects, others। Durham: Duke University Press। আইএসবিএন ০৮২২৩৩৮৬১০। ওসিএলসি 68192277।
- ↑ Durham: Duke University Press. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৯ জুন ২০১২ তারিখে
- ↑ March 2012 FWSA Newsletter, p.7-8.
- ↑ Weems, Lisa (২০১২)। "The Promise of Happiness by Sara Ahmed (review)"। PhiloSOPHIA (ইংরেজি ভাষায়)। ২ (2): ২২৯–২৩৩। আইএসএসএন 2155-0905।
- ↑ Durham: Duke University Press ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১২ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে
- ↑ Ahmed, Sara (২০১২)। On being included : racism and diversity in institutional life। Durham: Duke University Press। আইএসবিএন ৯৭৮০৮২২৩৯৫৩২৪। ওসিএলসি 782909885।
- ↑ Durham: Duke University Press
- ↑ Simpson, Hannah (৭ অক্টোবর ২০১৬)। "Willful Subjects by Sara Ahmed (review)"। College Literature (ইংরেজি ভাষায়)। ৪৩ (4): ৭৪৯–৭৫২। ডিওআই:10.1353/lit.2016.0043। আইএসএসএন 1542-4286। এস২সিআইডি 151895715।
- ↑ "Living a Feminist Life | Duke University Press"। www.dukeupress.edu। সংগ্রহের তারিখ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- ↑ Ahmed, Sara (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)। "Out and About"। Feminist Killjoys। wordpress.org। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৭।
- ↑ Ahmed, Sara (২০১৭)। Living a feminist life। Duke University Press। আইএসবিএন ৯৭৮০৮২২৩৬৩০৪০। ওসিএলসি 994735865।
- ↑ Durham: Duke University Press.
- ↑ "What's the Use?"। Duke University Press। ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৯।
- ↑ Durham: Duke University Press.
- ↑ "Complaint!"। Duke University Press। ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- ↑ Ahmed, Sara (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। The Feminist Killjoy Handbook (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। Basic Books। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৪১৬-০৩৭৫-২।
- ↑ Butler, Judith (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "Sara Ahmed and the Joys of Killjoy Feminism" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0027-8378। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 Ahmed, Sara। "Curriculum Vitae" (পিডিএফ)।