সাবমেরিন জাদুঘর
Muzium Kapal Selam | |
![]() | |
| স্থাপিত | ২২ নভেম্বর ২০১১ |
|---|---|
| অবস্থান | ক্লেবাং, মালাক্কা, মালয়েশিয়া |
| স্থানাঙ্ক | ২°১২′৫০.৪″ উত্তর ১০২°১১′৫৪.৫″ পূর্ব / ২.২১৪০০০° উত্তর ১০২.১৯৮৪৭২° পূর্ব |
| ধরন | জাদুঘর |
সাবমেরিন জাদুঘর (মালয়: Muzium Kapal Selam) ২০১১ সালে জাদুঘরে রূপান্তরিত, একটি অকেজো সাবমেরিন, যা মালয়েশিয়ার মালাক্কার ক্লেবাং-এ অবস্থিত। রূপান্তরের আগে ফ্রান্সে তৈরী সাবমেরিনটি রাজকীয় মালয়েশিয় নৌবাহিনীর নাবিক ও নৌসেনারা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করেন। ফরাসি নৌবাহিনীর সাথে মালয়েশিয় নৌবাহিনীর যৌথ মহড়ায় এটির ব্যবহার হয়েছে।
সাবমেরিন
[সম্পাদনা]অয়েসোঁ (এস৬২৩) নামের ফ্রান্সের তৈরি আগোস্তা ৭০ শ্রেনির সাবমেরিনটি ২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রথম রাজকীয় মালয়েশিয় নৌবাহিনীর নাবিক ও নৌসেনাদের প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার হতো। এটির দৈর্ঘ্য ৬৭.৫ মিটার, উচ্চতা ১১.৭ এবং প্রস্থ ৬.৫ মিটার, যার স্থানচ্যুতি ১,৩০০ টন।[১] ২০০৯ সালের জুলাই মাসে আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্য দিয়ে যাত্রার সময় মালয়েশিয় নৌবাহিনী এবং ফরাসি নৌবাহিনী কর্তৃক ব্যবহৃত হয়েছিল। ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে, ফ্রান্সে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সাথে অব্যবহৃত সাবমেরিনের মালিকানা গ্রহণের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।[২]
জাদুঘরে রূপান্তর
[সম্পাদনা]সামরিক নৌসেবা থেকে অবসর দেওয়া সাবমেরিনটি সমুদ্রপথে ফেলডা ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেস এসডিএন ও জাম্বো শিপিং কোম্পানি দ্বারা পরিবহন করা হয়েছিল। এটি ২০১১ সালের ৯ অক্টোবর ফ্রান্সের ব্রেস্টে অবস্থিত ফরাসি নৌঘাঁটি থেকে যাত্রা শুরু করে ১৩ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় সমুদ্রসীমায় পৌঁছায় এবং ১৭ নভেম্বর মালাক্কার ক্লেবাং বন্দরে নোঙ্গর ফেলে। প্রচারণামূলক পূর্বরূপ হিসেবে জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য ২২ নভেম্বর মাত্র ১০ দিনের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। মালাক্কার গভর্নর মোহাম্মদ খলিল ইয়াকুব সহ মোট ২৫,০০০ দর্শনার্থী জাদুঘরে ভিড় জমান।[২]
- জাদুঘরের অভ্যন্তর
- সাবমেরিনের প্রবেশ ও বাহিরের পথ
এরপর সংস্কার এবং রঙ করার জন্য বন্ধ রাখা হয় এবং ২০১১ সালের ১৭ ডিসেম্বর পুনরায় খোলা হয়। ২০১২ সালের ৪ মার্চ যখন সাবমেরিনটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মালাক্কা রাজ্য সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়, তখন এটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। ২০১৫ সালের মার্চ, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে আগামী দুই বছরের মধ্যে জাদুঘরে একটি প্রার্থনা কক্ষ এবং দোকান যুক্ত করা হবে।[৩] পরিবহন, বন্দর, রাস্তা, সংস্কার, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কাজ এবং দর্শনার্থীদের বিভিন্ন সুবিধা রাখতে জাদুঘর রূপান্তরে মোট ১ কোটি ২৬ লক্ষ মালয়েশিয় রিংগিট খরচ হয়েছিল।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "PERZIM - Muzium Kapal Selam"। PERZIM। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৫।
- 1 2 "Muzium Kapal Selam Malaysia"। Utusan Online। ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৮।
- ↑ "Muzium Kapal Selam di Melaka terima 383,679 pengunjung"। Kosmo Online। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৮।
