সাদেক খান (সাংবাদিক)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সাদেক খান
জন্ম(১৯৩৩-০৬-২১)২১ জুন ১৯৩৩
মুন্সিগঞ্জ জেলা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু১৬ মে ২০১৬(2016-05-16) (বয়স ৮২)
ঢাকা, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
পেশাসাংবাদিক, কলামলিস্ট, চলচ্চিত্রকার
দাম্পত্য সঙ্গীআঞ্জুমান চৌধুরী খান
সন্তানকিশোর খান
পিতা-মাতা

সাদেক খান (২১ জুন ১৯৩৩ — ১৬ মে ২০১৬) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক, কলাম লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। ভাষা আন্দোলনে তার অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালে তাকে একুশে পদক পুরস্কার প্রদান করে।[১]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

খান ১৯৩৩ সালের ২১ জুন তার বাবার কর্মস্থল মুন্সিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।[২] তার পিতা ছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি আব্দুল জব্বার খান। আব্দুল জব্বার খান ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পীকার ও পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম লীগের সভাপতি ছিলেন। তার পৈতৃক নিবাস ছিল বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর-খুদ্রকাঠি গ্রামে। তিনি মা-বাবার জেষ্ঠ্য সন্তান ছিলেন।

কর্ম জীবন[সম্পাদনা]

খান ১৯৫২ ভাষা আন্দোলনের একজন ভাষাসৈনিক ছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় সংগ্রাম কমিটির সভা থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন[২] এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ১৯৫৫ থেকে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় উপ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছিলেন। তিনি ইংরেজি সাপ্তাহিক উইকলি হলিডেতেও সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের সভাপতি ছিলেন।

খান চলচ্চিত্র শিল্পেও কাজ করেছেন। তিনি ১৯৬৫ সালে নদী ও নারী চলচ্চিত্রের পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছিলেন। এছাড়া তিনি এ,জে, করদর নির্মিত উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র দুর হে সুখ কি গাওন এবং মহিউদ্দীন পরিচালিত রাজা এলো শহরে ছবিতে অভিনয় করেন।

ব্যক্তিগত[সম্পাদনা]

খান আঞ্জুমান চৌধুরী খানের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির কিশোর খান নামে একটি ছেলে রয়েছে।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

সাদেক খান ২০১৬ সালের ১৬ মে বাংলাদেশের ঢাকায় মৃত্যু বরণ করেন।[২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. একুশে পদকপ্রাপ্ত সুধীবৃন্দ ও প্রতিষ্ঠান (PDF)সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পৃষ্ঠা ৭। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৪ 
  2. "সাংবাদিক সাদেক খান আর নেই"বাংলাট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৩-০৪