সাইপ্রাস জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সাইপ্রাস
দলের লোগো
ডাকনামসাদা-নীল
অ্যাসোসিয়েশনসাইপ্রাস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
কনফেডারেশনউয়েফা (ইউরোপ)
প্রধান কোচইয়োহান ওয়ালেম
অধিনায়কগিওর্গস মের্কিস
সর্বাধিক ম্যাচইয়োনাস ওক্কাস (১০৬)
শীর্ষ গোলদাতামিখালিস কোন্সতান্তিনু (৩২)
মাঠজিএসপি স্টেডিয়াম
ফিফা কোডCYP
ওয়েবসাইটwww.cfa.com.cy
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১০০ অপরিবর্তিত (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১)[১]
সর্বোচ্চ৪৩ (সেপ্টেম্বর ২০১০)
সর্বনিম্ন১৪২ (জুন ২০১৪)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১১৪ হ্রাস(১ এপ্রিল ২০২১)[২]
সর্বোচ্চ৬৯ (মার্চ ২০০০)
সর্বনিম্ন১৪১ (মার্চ ১৯৯২)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 ইসরায়েল ৩–১ সাইপ্রাস 
(তেল আবিব, ইসরায়েল; ৩০ জুলাই ১৯৪৯)
বৃহত্তম জয়
 সাইপ্রাস ৫–০ অ্যান্ডোরা 
(লিমাসোল, সাইপ্রাস; ১৫ নভেম্বর ২০০০)
 সাইপ্রাস ৫–০ অ্যান্ডোরা 
(নিকোসিয়া, সাইপ্রাস; ১৬ নভেম্বর ২০১৪)
 সাইপ্রাস 5–0 সান মারিনো 
(নিকোসিয়া, সাইপ্রাস; ২১ মার্চ ২০১৯)
বৃহত্তম পরাজয়
 পশ্চিম জার্মানি ১২–০ সাইপ্রাস 
(এসেন, পশ্চিম জার্মানি; ২১ মে ১৯৬৯)

সাইপ্রাস জাতীয় ফুটবল দল (গ্রিক: Εθνική ομάδα ποδοσφαίρου της Κύπρου, ইংরেজি: Cyprus national football team) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সাইপ্রাসের প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম সাইপ্রাসের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সাইপ্রাস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৪৮ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৬২ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা উয়েফার সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯৪৯ সালের ৩০শে জুলাই তারিখে, সাইপ্রাস প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; ইসরায়েলের তেল আবিবে অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে সাইপ্রাস ইসরায়েলের কাছে ৩–১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।

২৩,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট জিএসপি স্টেডিয়ামে সাদা-নীল নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় সাইপ্রাসের রাজধানী নিকোসিয়ায় অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন ইয়োহান ওয়ালেম এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন এপিওইএলের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় গিওর্গস মের্কিস

সাইপ্রাস এপর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। অন্যদিকে, উয়েফা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপেও সাইপ্রাস এপর্যন্ত একবারও অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়নি।

ইয়োনাস ওক্কাস, কোন্সতান্তিনোস চারালাম্পিদিস, মিখালিস কোন্সতান্তিনু, পিয়েরোস সোতিরিউ এবং স্তাথিস আলোনেফতিসের মতো খেলোয়াড়গণ সাইপ্রাসের জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

র‌্যাঙ্কিং[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে সাইপ্রাস তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (৪৩তম) অর্জন করে এবং ২০১৪ সালের জুন মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ১৪২তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে সাইপ্রাসের সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ৬৯তম (যা তারা ২০০০ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ১৪১। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[১]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
৯৮ অপরিবর্তিত  লুক্সেমবুর্গ ১২৩৫
৯৯ অপরিবর্তিত  আর্মেনিয়া ১২৩৩
১০০ অপরিবর্তিত  সাইপ্রাস ১২২৪
১০১ অপরিবর্তিত  মৌরিতানিয়া ১২০৭
১০২ অপরিবর্তিত  ফিলিস্তিন ১২০৬
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
১ এপ্রিল ২০২১ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[২]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১১২ বৃদ্ধি  অ্যাঙ্গোলা ১৩৭০
১১২ বৃদ্ধি  রেউনিওঁ ১৩৭০
১১৪ হ্রাস  সাইপ্রাস ১৩৬৮
১১৫ বৃদ্ধি  গাম্বিয়া ১৩৬২
১১৬ হ্রাস ২০  এস্তোনিয়া ১৩৬১

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
সাল পর্ব অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০ অংশগ্রহণ করেনি অংশগ্রহণ করেনি
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২ উত্তীর্ণ হয়নি
ইংল্যান্ড ১৯৬৬ ১৯
মেক্সিকো ১৯৭০ ৩৫
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪ ১৪
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮ ২৪
স্পেন ১৯৮২ ২৯
মেক্সিকো ১৯৮৬ ১৮
ইতালি ১৯৯০ ২০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪ ১০ ১৮
ফ্রান্স ১৯৯৮ ১০ ১৫
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২ ১০ ১৩ ৩১
জার্মানি ২০০৬ ১০ ২০
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০ ১০ ১৪ ১৬
ব্রাজিল ২০১৪ ১০ ১৫
রাশিয়া ২০১৮ ১০ ১৮
কাতার ২০২২ অনির্ধারিত অনির্ধারিত
মোট ০/২১ ১১৪ ১৫ ১৩ ৮৬ ৮৭ ২৯৯

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ 
  2. গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১ এপ্রিল ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]