সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

সাঁও ফ্রাঁসিশকু বা রিও সাঁও ফ্রাঁসিশকু (রোমান হরফঃ Rio São Francisco) (পর্তুগিজ উচ্চারণঃ [sɐ̃w fɾɐ̃ˈsiʃku]) ব্রাজিলের একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২,৯১৪ কিলোমিটার (১,৮১১ মাইল)।[১] এটি শুধুমাত্র ব্রাজিলের ভূখণ্ডে বয়ে চলা নদীগুলোর মধ্যে দীর্ঘতম এবং দক্ষিণ আমেরিকা ও ব্রাজিলের চতুর্থ দীর্ঘতম নদী (অ্যামাজন, পারানা এবং মাদেইরার পরে)। এটি ঔপনিবেশিকরণের আগে আদিবাসীদের কাছে ওপারা নামে পরিচিত ছিল, এবং আজ এটি ভেলহো চিকো (ওল্ড ফ্রাঙ্ক) নামেও পরিচিত।

সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদীটির উৎপত্তি মিনাস গেরাইস রাজ্যের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলের কানাস্ত্রা পর্বতশ্রেণীতে। এটি দক্ষিণে উপকূলীয় সীমার পিছনে মিনা জেরাইস এবং বাহিয়া রাজ্যে উত্তর দিকে বয়ে চলে ও ৬৩০,০০০ বর্গকিলোমিটার (২৪০,০০০ বর্গ মাইল) আয়তন দখল করে, তারপর পূর্বে মোড় নিয়ে উত্তর তীরে বাহিয়া এবং দক্ষিণ তীরে পের্নাম্বুকো ও আলাগোয়াস রাজ্যের সীমানা গঠন করে । এরপর, এটি আলাগোয়াস এবং সার্জিপে রাজ্যের মধ্যে সীমানা তৈরি করে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়। সাঁও ফ্রাঁসিশকু সরাসরি যে পাঁচটি রাজ্যের সাথে সংযুক্ত সেগুলি ছাড়াও এর নিষ্কাশক অববাহিকায় গোইয়াস রাজ্য ও ফেডারেল জেলা রয়েছে।

সাঁও ফ্রাঁসিশকু ব্রাজিলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যা "জাতীয় সংহতির নদী" নামে পরিচিত। কেননা, এটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলগুলিকে একত্রিত করে (বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চলকে)। পিরাপোরা (মিনা জেরাইস) এবং জুয়াজেইরো (বাহিয়া) শহরদ্বয়ের মাঝে এই নদীপথে চলাচল রয়েছে। এছাড়াও আলাগোয়াস রাজ্যের পিরানিয়াস শহর এবং সমুদ্রমুখের মধ্যেও এই নদীপথে চলাচল করা যায়। তবে নদীর গতিপথের পরিবর্তনের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ঐতিহাসিক পথে যাত্রী চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

নামকরণ[সম্পাদনা]

এই নদীর নাম আসিসির সেন্ট ফ্রান্সিসের নামানুসারে রাখা হয়েছিল। ইউরোপীয়দের দ্বারা প্রথম আবিষ্কারের পর ১৫০১ সালে তাঁর ভোজ দিবসে (৪ অক্টোবর) এই নদীর নাম রাখা হয়।

বিলুপ্ত তুশা ভাষায় এই নদীটিকে কালেশি এবং বিলুপ্ত নাতু ভাষায় অপারা বলা হত।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদীর অববাহিকায় তুশা, ত্রুকা, নাতু, কারিরি ভাষা, পূর্ব মাশাকালিয়ান ভাষা, জে ভাষা এবং বিভিন্ন শ্রেণিহীন বিলুপ্ত ভাষা কথিত ছিল।[৩]

ইতালীয় অনুসন্ধানকারী আমেরিগো ভেসপুচি এই নদীটি প্রথম দেখেন ৪ অক্টোবর ১৫০১ সালে। ১৮৬৫ সালে ব্রিটিশ অনুসন্ধানকারী এবং কূটনীতিক রিচার্ড ফ্রান্সিস বার্টনকে ব্রাজিলের সান্তোসে স্থানান্তরিত করা হয়। তিনি ক্যানো নৌকার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় পার্বত্যভূমি ভূমিগুলি অনুসন্ধান করেছিলেন এবং সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদীর উৎস থেকে পাওলো আফোঁসোর জলপ্রপাত পর্যন্ত ক্যানো নৌকার মাধ্যমে ভ্রমণ করেছিলেন।[৪]

বিভাগসমূহ[সম্পাদনা]

নদীর উৎস
পাওলো আফোঁসোর দক্ষিণে সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদী
বাহিয়া ও আলাগোয়াস রাজ্যের সীমান্তে ৮৪ মিটার উঁচু ধাতব সেতু

পাঁচটি রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীটির গতিপথকে চারটি বিভাগে বিভক্ত করা যায়:

  1. উঁচু অংশঃ এর উৎস থেকে মিনা জেরাইসের পিরাপোরা পর্যন্ত।
  2. উপরের মাঝের অংশঃ পিরাপোরা(যেখানে নাব্যযোগ্য অংশ শুরু হয়) থেকে হেমানসো (বাহিয়া) এবং সোব্রাদিনো বাঁধ পর্যন্ত।
  3. নীচের মাঝের অংশঃ সোব্রাদিনো বাঁধ থেকে পাওলো আফোঁসো পর্যন্ত, এছাড়া বাহিয়া (আলাগোয়াস সীমান্তে) এবং ইতাপারিকা বাঁধের সমাপ্তি পর্যন্ত।
  4. নীচের অংশঃ পাওলো আফোঁসো থেকে আটলান্টিক মহাসাগরে নদীটির মুখ পর্যন্ত।

উপনদী[সম্পাদনা]

১৬৮ টি নদী এবং স্রোতধারা থেকে নদীটি জল প্রাপ্ত হয়, যার মধ্যে ৯০ টি ডান তীরে এবং ৭৮ টি বাম তীরে রয়েছে। প্রধান উপনদীগুলি হল:

  • পারাওপ্যাবা নদী
  • আবায়েেত নদী
  • দাস ভেলিয়াস নদী
  • জেকিতায়ি নদী
  • পারাকাতু নদী
  • উরুকুইয়া নদী
  • ভার্দে গ্রান্দে নদী
  • কারিরানিয়া নদী
  • কোহেঞ্চে নদী
  • গ্রান্দে নদী

নাব্যতা[সম্পাদনা]

সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদীর তীরে একটি গিরিখাত

সাঁও ফ্রাঁসিশকু পুরো বছর জুড়েই পিরাপোরা (মিনা জেরাইস) এবং পেত্রোলিনা (পের্নাম্বুকো) ও জুয়াজেইরো (বাহিয়া) নামক যমজ শহরদ্বয়, যাদের মধ্যবর্তী দৈর্ঘ্য ১৩৭১ কিলোমিটার (৮৫২ মাইল) এর মধ্যে পুরোটা জুড়েই চলাচলযোগ্য। তবে, বৃষ্টিপাতের উপর নির্ভর করে গভীরতার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। নাব্য গতিপথরে বৈশিষ্ট্যগত বৈচিত্রের উপর ভিত্তি করে তিনটি স্তরে বিভক্ত করা যেতে পারে:

  • পিরাপোরা থেকে পিলাও আর্কাদো (বাহিয়া) পর্যন্ত, দৈর্ঘ্য ১,০১৫ কিলোমিটার (৬৩১ মাইল); বৃষ্টিপাত এবং খরার কারণে ৬ মিটার (২০ ফুট) পর্যন্ত উচ্চতার পার্থক্য দেখা দিতে পারে।
  • পিলাও আর্কাদো থেকে সোব্রাদিনো বাঁধ পর্যন্ত; পরবর্তী জলাধারটি ৩১৪ কিলোমিটার (১৯৫ মাইল) দীর্ঘ এবং এর পৃষ্ঠতল আয়তন ৪,২২৪ বর্গকিলোমিটার (১,৬২৭ বর্গ মাইল) এবং এর গভীরতা বেশ সুবিধাজনক।
  • সোব্রাদিনহো বাঁধ থেকে পেত্রোলিনা/ জুয়াজেইরো পর্যন্ত, দৈর্ঘ্য ৪২ কিলোমিটার (২৬ মাইল) এবং গড় গভীরতা ২ মিটার (৬ ফুট ৭ ইঞ্চি), ১,৫০০ ঘন মি / সে (৫৩,০০০ ঘন ফুট / সে) পানিপ্রবাহসম্পন্ন।

সাম্প্রতিক বছরগুলি অবধি, সাঁও ফ্রাঁসিশকু নিয়মিত ‘গাইয়োলা’ (খাঁচা) নামক যাত্রীবাহী নৌকা চলাচল করত। এগুলি প্যাডেল-হুইল স্টিমবোট ছিল, তাদের মধ্যে কয়েকটি মিসিসিপি রিভারবোট ছিল এবং আমেরিকান গৃহযুদ্ধের সময় থেকেই কার্যকর ছিল। বাহিয়াতে সোব্রাদিনো বাঁধ নির্মিত হওয়ার পরে, নাব্যতার অবস্থা যথেষ্ট পরিবর্তন হয়েছিল, যেহেতু জলাধারটির বৃহত আকার যথেষ্ট উচ্চতার সংক্ষিপ্ত ঢেউ তৈরির সুযোগ করে দেয়। যদিও বাঁধটিতে একটি নেভিগেশন লক রয়েছে, ঢেউ এবং স্রোতের কারণে গাইয়োলা চালানো বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। একই সময়ে, বন উজাড় এবং কৃষিকাজে সাঁও ফ্রাঁসিশকু এবং এর উপনদীগুলির উপরের গতিপথের জলের অত্যধিক ব্যবহার জলের প্রবাহকে ব্যাপকভাবে হ্রাস করেছিল, ফলে বালু তীর এবং দ্বীপপুঞ্জ তৈরি হয় যা চলাচলে বাধা দেয়।

অল্প সময়ে, পরিস্থিতি এমন হয়ে পড়ে যে বড় গাইয়োলার পক্ষে চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়েছিল, যদিও ছোট নৌকা চলাচল সম্ভব ছিল। সেই পুরানো রিভারবোটগুলির খোল এখনও পিরাপোরায় নদীর উপর দেখা যায়। ২০০৯ অবধি, বেইজামিম গিমারেশ নামক একটি নৌকা চালু রয়ে গেছে, যা পিরাপোরা থেকে সাও রোমাও পর্যন্ত স্বল্প-দূরত্বে ভ্রমণ করে।

মাছ[সম্পাদনা]

স্থানীয় মাছ লোফিওসিলুরাস অ্যালেক্সান্দ্রি
স্থানীয় মাছ হাইপসোলেবিয়াস ম্যাগনিফিকাস

সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদীর অববাহিকায় ২০০ এরও বেশি মাছের প্রজাতি পাওয়া যায় এবং আশা করা যায় যে ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি প্রজাতি আবিষ্কার হবে, বিশেষত নদীর ওপরের অংশগুলি থেকে, যার বিষয়ে জ্ঞান খুবই সীমিত।  নদী অববাহিকার প্রায় ১০% মাছের প্রজাতি হুমকির মুখে এবং প্রায় ১৩% মৎস্যজীবনে গুরুত্বপূর্ণ।[৫] অববাহিকার প্রায় ৬৪% মাছের প্রজাতি স্থানীয়, যেমনঃ কনরাইঙ্কস কনিরোস্ট্রিস (অনিশ্চিত প্রজাতির একটি ক্যাটফিশ),[৬] লোফিওসিলুরাস অ্যালেক্সান্দ্রি (একটি ক্যাটফিশ), ফ্রান্সিসকোডোরস মারমোরাটাস (একটি সাঁজোয়া ক্যাটফিশ) , পাইগোসেন্ট্রাস পিরায়া (পিরানহার বৃহত্তম প্রজাতি),[৭] অর্থোসপিনাস ফ্রানসিসেনসিস (একটি চারাচিন এবং এর গণের একমাত্র সদস্য), হাসেমেনিয়া নানা (একটি ছোট্ট তেত্রা যা সাধারণত অ্যাকুরিয়ামে রাখা হয়),[৮] এবং সালমিনাস ফ্রানসিস্কানাস (সোনালী ডোরাডোর বংশীয়)[৯]। সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদীর অববাহিকায় ৪০ টিরও বেশি বার্ষিক কিলিফিশ প্রজাতি পাওয়া যায় বিশেষত সাইনোলেবিয়াস এবং হাইপসোলেবিয়াস গণ থেকে ।  বাঁধ (নদীতে মাছের চলাচল রোধ করে) এবং দূষণ নদীর প্রজাতিগুলির জন্য ক্ষতিকর এবং গণহারে মাছের মৃত্যুর কারণ হয়েছে।

নগর ও জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

বাহিয়া রাজ্যের, ইবোতিরামায় সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদী
সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদীর পতনস্থল

নদীর তীরবর্তী অঞ্চলটি বিস্তৃত এবং প্রায় বসতিহীন, তবে নদীর তীরে বেশ কয়েকটি শহর রয়েছে। মিনা জেরাইস থেকে শুরু করে, এই নদীটি পিরাপোরা, সাঁও ফ্রাঁসিশকু, জানুয়ারিয়া, বোম জাসুস দা লাপা, পেত্রোলিনা ও জুয়াজেইরো শহরদ্বয় এবং পাওলো আফোঁসো হয়ে প্রবাহিত হয়। উপকূলীয় অঞ্চল শুষ্ক এবং জনবহুল নয়, তাই বেশিরভাগ শহর ছোট এবং বিচ্ছিন্ন। কেবলমাত্র পেত্রোলিনা এবং জুয়াজেইরো মাঝারি আকারের শহরে পরিণত হয়েছে এবং সেচের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ফল ব্যবসার কারণে সমৃদ্ধ হয়েছে।

জলবিদ্যুৎ বাঁধ[সম্পাদনা]

১৯৫৫ সালে বাহিয়া এবং আলাগোয়াসের মধ্যে যখন পাওলো আফোঁসো বাঁধটি নির্মিত হয়েছিল তখন নদী থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনার সূচনা ঘটে। পাওলো আফোঁসোর প্ল্যান্ট এখন পুরো উত্তর-পূর্ব ব্রাজিলে বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ করে। পরবর্তীতে আরও চারটি বৃহৎ জলবিদ্যুৎকেন্দ্র পরে নির্মিত হয়েছিল: ১৯৬১ সালে মিনা জেরাইস ত্রেস মারিয়াস, ১৯৭৭ সালে বাহিয়ায় সোব্রাদিনো, ১৯৮৮ সালে বাহিয়া ও পের্নাম্বুকো মধ্যে লুইজ গঞ্জাগা (ইতাপারিকা) এবং ১৯৯৪ সালে পিরানিয়াস নিকটে জিংগো। সোব্রাদিনো জলাশয়টি বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদের একটি, যার আয়তন ৪,২১৪ বর্গকিলোমিটার (১,৬২৭ বর্গ মাইল)। পাওলো আফোঁসো এবং জিংগো বাঁধের মধ্যে (জিংগো জলাশয়ের অংশ সহ) দৃশ্যবহুল উপত্যকার অংশটি ২৬,৭৩৬ হেক্টর (৬৬,০৭০ একর) রিও সাঁও ফ্রাঁসিশকু প্রাকৃতিক সৌধ দ্বারা সুরক্ষিত রয়েছে।[১০]

সাংস্কৃতিক তাৎপর্য[সম্পাদনা]

ইতিহাসে, বিশেষত লোককাহিনীতে, সাঁও ফ্রাঁসিশকু নদীটির যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। সেই ইতিহাস গানে, কিংবদন্তি ও স্মারকে গাঁথা রয়েছে। এটি কারহাঙ্কাসের উপর ভিত্তি করে তৈরি যা এক ধরনের গারগোয়েল এবং গাইয়োলা নৌকার মাথায় রাখা হত ও নৌকা থেকে নদীর রাক্ষসদের ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল। নদী থেকে দূরে তৈরি পর্যটক বিপণীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রতিরূপ পাওয়া যায়। নদীর রাক্ষস ও দানবদের গল্প আজও টিকে আছে।

পাওলো আফোনসো থেকে ঐতিহাসিক শহর পেনেদো (আলাগোয়াস) অবধি, এই নদীটি একটি খাড়া উপত্যকার নীচে অবস্থিত। কাছাকাছি শহর পিরানিয়াস এক সময় রেলপথের শেষপ্রান্ত ছিল। এই শহরে সেই সময়ের বেশ কয়েকটি পরিত্যক্ত ঐতিহাসিক ভবন রয়েছে। সেগুলি পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে এবং পর্যটককেন্দ্র আকর্ষণীয় পর্যটককেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে।

বিতর্কিত ডাইভার্সন প্রকল্প (নির্মাণাধীন)[সম্পাদনা]

২০০৫ সালে, ব্রাজিলিয়ান সরকার একটি বিতর্কিত ওয়াটার ডাইভার্সন প্রকল্পের প্রস্তাব করেছিল যা নদী থেকে ব্রাজিলের চারটি রাজ্যের (সেয়ারা, পের্নাম্বুকো, পারাইবা এবং রিও গ্র্যানদে দো নরচে) অর্ধশুষ্ক অঞ্চলে জল সরবরাহ করবে। পরিবেশবিদদের মতে প্রকল্পটি উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি  করবে, কেবলমাত্র বৃহৎ জমির মালিক এবং খুব অল্প সংখ্যক লোকের উপকার হবে, এবং পরিবেশের উপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলবে। সরকার জোরালো ভাষ্যমতে, এই প্রকল্পটি চারটি রাজ্যের জনগণকে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জল সরবরাহ করবে। ডাইভার্সন প্রকল্পের জলগ্রহণ কেন্দ্র কাব্রবোতে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "São Francisco River | river, Brazil"Encyclopedia Britannica (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-১৭ 
  2. Lopes, José; Alencar, Pedro; Lopes, Fernando; Andrade, Eunice (2017-06)। "QUALIDADE DA ÁGUA DO RESERVATÓRIO POMPEU SOBRINHO, CEARÁ"। Associação COMVERGIR Sustentavel। ডিওআই:10.18068/iiisbrns2017.gas835  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  3. Loukotka, Čestmír (১৯৬৮)। Classification of South American Indian languages। Internet Archive। Los Angeles : University of California, Latin American Center। 
  4. "The Life of Sir Richard Burton, by Thomas Wright (chapter13)"web.archive.org। ২০০৮-০৮-২৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-১৭ 
  5. "Belo Horizonte ganha o maior aquário de água doce do Brasil"Guia da Pesca (পর্তুগিজ ভাষায়)। ২০১০-০৩-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-১৭ 
  6. FERRARIS, CARL J. (২০০৭-০৩-০৮)। "Checklist of catfishes, recent and fossil (Osteichthyes: Siluriformes), and catalogue of siluriform primary types"Zootaxa1418 (1): 1–628। আইএসএসএন 1175-5334ডিওআই:10.11646/zootaxa.1418.1.1 
  7. "Pygocentrus piraya, San Francisco piranha : fisheries, gamefish, aquarium"www.fishbase.se। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-১৭ 
  8. "Hasemania nana, Silvertip tetra : aquarium"www.fishbase.se। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-১৭ 
  9. Lima, Flávio C. T.; Britski, Heraldo A. (2007-09)। "Salminus franciscanus, a new species from the rio São Francisco basin, Brazil (Ostariophysi: Characiformes: Characidae)"Neotropical Ichthyology (ইংরেজি ভাষায়)। 5 (3): 237–244। আইএসএসএন 1679-6225ডিওআই:10.1590/S1679-62252007000300001  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  10. "CNUC"sistemas.mma.gov.br। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-১৭